29/11/2025
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে, ১৮২০ সালের ২৮ নভেম্বর জার্মান-শিল্পপতি-পরিবারে জন্ম নেওয়া দার্শনিক ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসকে এই প্রবন্ধ ফিরে দেখতে চায়। সেই দেখা কতভাবে হতে পারে তারই সমাজতাত্ত্বিক পারে-আখ্যান হিসেবে পাঠক এই প্রবন্ধটিকে বুঝে নিতে পারেন।
এঙ্গেলস প্রসঙ্গে প্রাথমিক ধারণা গঠনের লক্ষ্যেই এই প্রবন্ধ লেখা। তাই হয়তো এখানে বলা কথাগুলো বিশেষজ্ঞদের কাছে নতুন কিছু নয়। তবে কার্ল মার্কসের একজন অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে, লেখক পরিচিতিতে, মার্কসবাদের ভাষ্যকার হয়ে, একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে, অথবা প্রকৃতির অভ্যন্তরে দ্বন্দ্বের বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ভাববাদ বিরোধী একজন রচনাকার পরিচয়েও পাঠক তার এঙ্গেলসকে এই প্রবন্ধে ফিরে পেতে পারেন।
এখানেই শেষ নয়। শ্রম শোষণ যন্ত্রের চালিকা শক্তির অর্থনৈতিক সমীকরণটিকে, এবং তার বস্তুবাদী ভিতটিকে এখানে পাঠক সচেতনে দেখে নিতে পারেন। সেই সমীকরণের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় ব্যবহৃত এঙ্গেলসের ধারণাগুলিকে এই প্রবন্ধ কোন আঙ্গিকে ব্যবহার করেছে, তাতেও পাঠক একবার চোখ বোলাতে পারেন। মার্কসবাদী ধারণায় ডুব দেওয়ার সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাঠক এখানে বুঝে নিতে পারবেন বিশ্বপরিসরের অতিমারিকালের রাজনীতিকে। সেই ফাঁকেই দেখা হয়ে যাবে এঙ্গেলসের বর্ণময় জীবন। সেখানে আমাদের দেশের কথা থাকবে। সেই কথায় সমাজ গবেষক এঙ্গেলস ভারতীয় সমাজ ও তার রাজনৈতিক শাসন প্রসঙ্গে ঠিক কোন বার্তা দিয়েছিলেন তা সচেতন পাঠক বুঝে নিতে পারবেন। অর্বাচীন পাঠকের দলে থাকারাও বিদেশী কমিউনিস্ট পরিচিতিতে চিহ্নিত এঙ্গেলসকে আড়চোখে পাঠ করে নিতে পারবেন। সেই পাঠে, সমালোচনায় উঠে আসবেন এঙ্গেলস, আজ ২০৬তম জন্মদিনে।
ডঃ কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
এই প্রবন্ধ সকল ধরনের পাঠকের কথা ভেবেই লেখা। যেভাবে দেখবেন, সেভাবেই পাঠক এঙ্গেলসকে খুঁজে পাবেন।