BJP SAGAR

BJP SAGAR Political Page

18/07/2026

ভারতের মহাকাশ অভিযান নতুন উচ্চতায় পৌঁছলো 🚀🇮🇳

আজ #স্কাইরুট অ্যারোস্পেস কর্তৃক ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে নির্মিত কক্ষপথীয় উৎক্ষেপণ যান #বিক্রম১-এর সফল উৎক্ষেপণ এক নতুন ইতিহাস তৈরি করলো।বিক্রম-১ টেস্ট ফ্লাইট-১, সম্পন্ন করার পর ৪৫০ কিলোমিটার কক্ষপথে পেলোড স্থাপন করে সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছেছে।

এই অর্জনের মাধ্যমে, 𝐈𝐧𝐝𝐢𝐚 𝐛𝐞𝐜𝐨𝐦𝐞𝐬 𝐭𝐡𝐞 𝐭𝐡𝐢𝐫𝐝 𝐜𝐨𝐮𝐧𝐭𝐫𝐲 𝐢𝐧 𝐭𝐡𝐞 𝐰𝐨𝐫𝐥𝐝 𝐭𝐨 𝐚𝐭𝐭𝐚𝐢𝐧 𝐩𝐫𝐢𝐯𝐚𝐭𝐞 𝐨𝐫𝐛𝐢𝐭𝐚𝐥 𝐥𝐚𝐮𝐧𝐜𝐡 𝐜𝐚𝐩𝐚𝐛𝐢𝐥𝐢𝐭𝐲

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সাহসী সংস্কার ও দূরদৃষ্টির সমর্থনে ভারতের তরুণদের উদ্ভাবনী ও উদ্যোক্তা মনোভাব কী অর্জন করতে পারে, এটি তারই প্রতিফলন।
ভারতে বাণিজ্যিক মহাকাশযাত্রার শুরু হলো নতুন অধ্যায় ! 🇮🇳🔥
জয় শ্রীরাম 🙏🚩


Narendra Modi Bharatiya Janata Party (BJP) Suvendu Adhikari Amit Shah BJP West Bengal MLA Sumanta Mandal

আজ থেকে ৩ বছর আগে সোনামভাই তার স্ত্রীকে নিয়ে দেখা করেন ধর্মেন্দ্র প্রধানজীর সঙ্গে এবং তাঁকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষামন্ত...
18/07/2026

আজ থেকে ৩ বছর আগে সোনামভাই তার স্ত্রীকে নিয়ে দেখা করেন ধর্মেন্দ্র প্রধানজীর সঙ্গে এবং তাঁকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষামন্ত্রী বলেন তার উদ্ভাবনীর জন্যে l এরমধ্যে FCRA আইনের বন্ধ হয় তাঁর দুটি NGO l গতমাসের নতুন FCRA আইন আসতেই সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েন সোনাম ভাই l এবার সব রাস্তা বন্ধ l সব ব্যবসা এবং NGO বন্ধ করতে হবে l ব্যস l শুরু অনশন l NEET নিয়ে l CGP কে নিয়ে l এবার শিক্ষাবাবস্থার সংস্কার চাই l কিন্তু বিকল্প কি? কেউ জানে না l কিন্তু সবাই "৩ ইডিয়টস" দেখেছেন l সবার ধারণা উনি সেই এমনি একটা স্কুল খুলে দেবেন সারা ভারতে l

এবার কয়েকটা জিনিস জানিয়ে রাখি l রাঞ্চো যেমন গরিবের ছেলে ছিল সোনাম তা নয় l ওঁর বাবা একজন কোটিপতি বিধায়ক l রাঞ্চোর কয়েকশ পেটেন্ট ছিল সেই পয়সায় সে স্কুল চালাতো l সোনামের একটা পেটেন্টও নেই l পুরো টাকা আসে বিদেশ থেকে l

আর এবার আসি পরিবেশ আন্দোলন l আব্দুল্লাহ এবং মুফতিরা লাদাখের জন্যে কিছুই বরাদ্ধ রাখতো না l ৩৭০ বন্ধ হবার পরে ওখানে সড়ক, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিসিন কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, হোটেলে, বিমানবন্দর, জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পানীয় জল ইত্যাদি প্রকল্প শুরু হতেই সমস্যা শুরু হয় চীনের, যারা আজও বিশ্বাস করে অরুণাচলের মত লাদাখও তাঁদের অংশই l তাই শুরু পরিবেশ আন্দোলন l ১৯৩০ এ ফ্রাঙ্কফ্রুট স্কুল অফ সোসিওলজির দিন থেকে মার্ক্সবাদীদের এটা একটা চাল l তিব্বতের সর্বনাশ করেছে কিন্তু কিন্তু প্রতিবাদ নেই অথচ লাদাখে ন্যূনতম বেঁচে থাকার পরিকাঠামো করলে দোষ? অথচ, না কাজ করলে তারাই বলবে অনুন্নয়ন l

সোনামকে জিজ্ঞাসা করুন একবার, শিক্ষা বিষয়ে তাঁর বিকল্প কি? পরিবেশে কোন পরিবর্তন না এনে কিভাবে লাদাখবাসীকে সড়ক, জল, বিদ্যুৎ, শিক্ষা দেবে? ২০১৯ এর আগে কখনো কেন লাদাখকে আলাদা রাজ্য তৈরির দাবী রাখেনি বা ST সংরক্ষণ নিয়ে দাবী রাখেনি মুফতি বা আব্দুল্লাহ পরিবারের কাছে? একটা পেটেন্ট সে দেখাক তাঁর নামে l কোন বিজ্ঞানের সাধনা সে করেছে? শেষ প্রশ্ন, আজ থেকে ৩ বছর আগে সে ধর্মেন্দ্র প্রধানের মধ্যে কি দেখেছিল যে এমনি প্রশংসার বন্যা বইয়ে দেয় সেই দিন? NEP নিয়েই বা কেন সে সেদিন এত ইতিবাচক ছিল?

আসলে সমস্যার জুন ২০২৬ এ FCRA র নতুন বিল আসছে JA বিদেশ থেকে আসা টাকা কেন কোথায় খরচ হচ্ছে দেখাতে হবে l এক্ষেত্রে, বিদেশ থেকে টাকা নেয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে তাঁকে l বন্ধ করতে হবে সব NGO l ছাত্রছাত্রীদের বলতে হবে তাঁর কাছে কোন পেটেন্ট নেই l তাঁর মূল আয় বিদেশ থেকে ভিক্ষা নিয়ে l সে রাঞ্চোর দাস চাচর নয় l সে সোনম ওয়াঙচুই l এক বিধায়কের ছেলে l NIT শ্রীনগরের ইঞ্জিনিয়ার যে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে কখনো কাজ করেনি l জীবনে কখনো IIT দিল্লীতে পা রাখেনি l

BJP West Bengal Bharatiya Janata Party (BJP)

12/07/2026

অবশেষে গ্রেফতার হলো লাহেক আলী

"একটা জেন্ডার ক্রাইম ঘটবে অথচ তাতে কোনো শরীয়াবাদী থাকবে না এ হতেই পারে না। অবশেষে বৃত্ত সম্পূর্ণ হল‌। যা শোনা যাচ্ছে, ত...
09/07/2026

"একটা জেন্ডার ক্রাইম ঘটবে অথচ তাতে কোনো শরীয়াবাদী থাকবে না এ হতেই পারে না। অবশেষে বৃত্ত সম্পূর্ণ হল‌।

যা শোনা যাচ্ছে, তাতে মাকুদের হার্মাদ বলে পরিচিত আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দারদের "বন্ধুস্থানীয়" কবীর মোল্লাকে ধরা হয়েছে। সকালে জমা হয়ে বিকেলে খরচ হয়ে গেছে ক্রিমিনাল প্রভাস মন্ডল। এই আনন্দ, দিবাকর, প্রভাস, কবীরদের সর্বধর্মসমন্বিত সেকুলার গ্যাংয়ের হাতে নাবালিকা খুনের পর কেন একজন জিহাদি লায়েক আলি একেবারে ডাহা মিথ্যা ছড়িয়ে হাওয়া ঘুরতেই গর্তে লুকাল, সেটা ক্রমশঃ পরিষ্কার হচ্ছে।

আশা করি কবীর মোল্লাকে আর কেউ মনুবাদী বলবেন না। আরেসেসও না। কারণ কবীর মোল্লা, লায়েক আলিরা মনু মানেন না। তারা শরীয়া মানেন।

এনিওয়ে, এটা খুবই স্বাভাবিক। শরীয়াবাদীর সংস্পর্শ ছাড়া খুব সামান্য সংখ্যক ক্রাইমই হয়। দিল্লির সেই বাসের ঘটনাতেও "পুরষ্কৃত" ধর্ষকটি শরীয়া মানতেন।
এগুলো এতই কমন যে এ নিয়ে কথা বলার বিশেষ অর্থ নেই।

বলার বিষয়টা অন্য।

গ্রাউন্ড লেভেলের যেসব হিন্দু নেতা কর্মীরা আছেন, আপনাদের প্রতি এই অনুরোধ রাখব যে পারলে হারামচাঁদ গান্ধীদের মত "গুড ফর নাথিং" লোকজনের ট্র্যাপে পড়বেন‌ না। শরীয়তিদের যেচে উপকার করতে যাবেন না।

একজনের উপকার করবেন, আর লায়েক আলিরা আরেকদিকে আপনাকেই ক্রিমিনাল বানিয়ে দেবে নিজেদের ক্রিমিনালদের বাঁচাতে।

শান্তনুকে দেখে শিক্ষা নিন।

মুখ্যমন্ত্রী ‌নিজে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এতটা ইনভলভ না হলে এত দ্রুত কবীর মোল্লারা ধরা পড়ত কিনা সন্দেহ।

নীচে বামেদের প্ল্যানিংএর ক্রোনোলজিটা রাখলাম।

আপনারা পড়ে কিছু শিখবেন, নাকি গান্ধীর মত ফোরটোয়েন্টিদের "মাই নেতা" বলে গলবস্ত্র হবেন সে আপনাদের ব্যাপার।

ক্রোনোলজি এইরকমই থাকবে -

১. প্রথমে একটা ক্রাইম সংঘটিত হবে।

2. তারপর আগে থেকেই টার্গেট করে রাখা হিন্দুদলের কাউকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে বিভিন্ন ভুঁইফোড় ফেক নিউজ পেডলারদের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াতে থাকবে লায়েক আলিদের মত জিহাদীরা। যত বেশী সময় পাবে, তত বেশী মানুষের মাথায় প্রমাণহীন, তথ্যহীন ঐ প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

3. এই পর্যন্ত এসে হয়তো আপনি ভাবছেন, "যদি অভিযোগ মিথ্যা হয়, তবে তো কোর্টে প্রমাণ হয়েই যাবে।", যাবে তো, কিন্তু আপনি খুবই সরল।

ঐ ফেক নিউজ যারা ছড়িয়েছে তারাও জানে যে তারা ডাহা মিথ্যা বলছে এবং তা প্রমাণও হবে ঠিকই। কিন্তু কোর্টরুমের বক্তব্য আর কয়টা লোক জানতে পারে!

ফলে কোর্টে যদি দেখাও যায় যে ঐ মিথ্যা প্রোপাগান্ডার শিকার হিন্দুটি মুক্ত হয়ে বেরিয়ে এল, তখন এরা শুরু করবে, "ঐ দেখো ধর্ষককে ছেড়ে দিল।"

আপনি গোল্ডফিশ। আপনি কোর্টরুমের প্রমাণাদির কিছুই খোঁজ করেননি। ফলে আপনিও ট্র্যাপড হবেন ঐ প্রোপাগান্ডায়।

4. যদিও এইবারে লেফ্টিস্লামিক জিহাদী গোষ্ঠীর একটা টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। সেটা হল, তথ্যপ্রযুক্তি যথেষ্ট উন্নত হওয়ায়, এবং বামিস্লাম সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ায়, লোকে যেমন ক্রসচেক করছে, তেমনি খুব দ্রুত প্রোপাগান্ডা বাস্টও হচ্ছে। এবং সরকার যেহেতু জিহাদী লায়েক আলিদের প্ল্যানমাফিক চুলকে ঘা করার আগেই প্রম্পট অ্যাকশন নিয়েছে, ফলে হনুভব বা ভৌ এর মত খাটাস, হুড়াড়রা নিজেদের প্রোপাগান্ডাকে এস্টিবলিশ করার আগেই হার্মাদ প্রভাস খরচ, ধর্ষক কবীর গ্রেফতার।

এবারের মত ওদের হিসাব বানচাল করা গেছে, কিন্তু তাও গেছে নির্দোষ হিন্দুর প্রাণের মূল্যে। সামান্য অটোচালক ইন্দ্রজিৎ মন্ডল বা নাবালক প্রসেনজিৎ বিশ্বাসদের লাশ ওরা খুবলেছেই।

ওদের মিথ্যা কথা, ফেক নিউজ পেডলিং, জিহাদী লায়েকদের উসকানি এসব থামাতে হিন্দুদের যতটা সময় লেগেছে সেই সময়টুকুতে ওরা ইন্দ্রজিৎ আর প্রসেনজিৎকে খুন করে, একটা গোটা রেলের হাজার কয়েক যাত্রীকে খুন করার চেষ্টা করে আগামীর সয়েল টেস্টটা কিন্তু করে ফেলেছে।

হ্যাঁ, হয়তো এবার ওরা ওদের প্ল্যানটা ১০০% এক্সিকিউট করতে পারেনি, যেহেতু কল রেকর্ডিং, ভিডিও ইত্যাদি সামনে এসে গেছিল, কিন্তু সবসময় তা নাও তো থাকতে পারে। লায়েক আলিরা আশাই করেনি যে কল রেকর্ডিং বা ওরকম ভিডিও থাকতে পারে।

অতএব হিন্দুদের নীচুতলার নেতাকর্মীরা সাবধান হোন। হারামদাসদের ফাঁদে পা দেবার আগে, মানে একান্তই যদি দিতে উসখুস করেন "আগে কেবা প্রাণ করিবেক দান" জাতীয় বার টার খেয়ে, তবে নিজের স্বপক্ষে যথাসম্ভব প্রমাণ রেখেই "ওদের" উপকার করতে যাবেন।

নাহলে শুধু পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেড এসব ডেকে দিন। আদারওয়াইজ "একদা এক বাঘের গলায় হাড় ফুটিয়া ছিল" গল্পটা আরো কয়েকবার মন‌ দিয়ে পড়ুন।

জয় শ্রীরাম🚩🙏

মাকুদের বাপ কার্ল মার্ক্সের কেচ্ছা জানেন তো?ঘরোয়া পরিচারিকা হেলেন ডেমুথকে, তাঁর স্ত্রীর পরিবার থেকে পাঠানো হয়েছিল ব্রাসে...
07/07/2026

মাকুদের বাপ কার্ল মার্ক্সের কেচ্ছা জানেন তো?

ঘরোয়া পরিচারিকা হেলেন ডেমুথকে, তাঁর স্ত্রীর পরিবার থেকে পাঠানো হয়েছিল ব্রাসেলসে ১৮৪৫ সালে মার্ক্স পরিবারকে সাহায্য করতে। মার্ক্স কখনোই ডেমুথকে কোনো অর্থ দেননি। বরং তাঁর সাথে দীর্ঘকালীন বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ান। জুন ১৮৫১-তে ডেমুথ একটি পুত্র সন্তান ফ্রেডি’র জন্ম দেন। মার্ক্স এই সন্তানের স্বীকৃতি দেননি। পরে তিনি চাইল্ডটির দায়িত্ব এঙ্গেলসের ওপর চাপিয়ে দেন, যিনি এই হাস্যকর নাটককে মেনে নেন। মৃত্যুশয্যায় এঙ্গেলস স্বীকার করেন, ফ্রেডি আসলে মার্ক্সেরই সন্তান।

এলিয়েনর ছিল মার্ক্সের সবচেয়ে প্রিয় কন্যা। তিনি তাকে "টুসি" বলে ডাকতেন এবং প্রায়ই বলতেন, "টুসিই আমি।" এঙ্গেলসের মৃত্যুশয্যায়, অবৈধ সন্তানের কেলেঙ্কারির ঘটনা জানার পর এলিয়েনর মনোবিদ্ধ হয়; এটাই তার আত্মহত্যার কারণ ছিল। মজার কথা হল, "কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো"-তে মার্ক্স সমালোচনা করেছিলেন, পুঁজিবাদীদের বিরুদ্ধে যারা "তাদের শ্রমিকদের স্ত্রী ও কন্যাদের নিজেদের অধীনে রাখে।" এই ধরনের দ্বিচারিতাও মার্ক্সের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ছিল না।

এহেন বাপের সন্তানদের কী ধরণের আদর্শ হবে তা বলাই বাহুল্য। এরা আবার শ্যামাপ্রসাদকে খিল্লি করে!

আরেকটু বলি, জার্মান সংবাদপত্র Reichsruf (৯ জানুয়ারি, ১৯৬০) প্রকাশ করে, অস্ট্রিয়ান চ্যান্সেলর রাবে, সোভিয়েত রাশিয়ার তৎকালীন পরিচালক নিকিতা ক্রুশ্চেভকে কার্ল মার্ক্সের একটি মূল চিঠি দেন। ক্রুশ্চেভ এতে আনন্দ পাননি, কারণ এটা একটা প্রমাণ ছিল যে মার্ক্স অস্ট্রিয়ান পুলিশের পেইড ইনফর্মার ছিলেন, বিপ্লবীদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করতেন। চিঠিটি একটি গোপন আর্কাইভে দুর্ঘটনাক্রমে পাওয়া যায়। এতে ইঙ্গিত ছিল, নির্বাসিত অবস্থায় মার্ক্স লন্ডনে তার সঙ্গীদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করতেন এবং প্রতি তথ্যের জন্য ২৫ ডলার পেতেন। এনার উত্তরসূরীরা যে ব্রিটিশদের হয়ে অর্থের বিনিময়ে গুপ্তচরবৃত্তি তাতে আশ্চর্যের কী আছে!

পশ্চিমবঙ্গের দুর্ভাগ্য যে প্রায় গোটা দেশ থেকে দূর হয়ে গেলেও এখানে এরা এখনও অতৃপ্ত আত্মার মত ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর কম অনিষ্ট করছে না! এবার এদের পিণ্ডদান করে জনগণ মুক্তি দেবে আশা করি।

01/07/2026

১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে অর্থাৎ আজকে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র এই ধরনের প্রতিবাদের শিকার হওয়া সর্বশেষ হাই-প্রোফাইল নেত্রী হয়েছেন। তিনি যখন নদিয়া জেলার পলাশীর একটি খাবারের দোকানে দলীয় সভায় যোগ দিচ্ছিলেন, তখন বাইরে একদল লোক জড়ো হয়ে 'চোর, চোর' স্লোগান দেয় এবং তাঁর কার্যালয় ও গাড়িবহরে ডিম ও সবজি ছুড়ে মারে। এবার FIR করতে থাকুন জনতার বিরুদ্ধে 😂🤣
জয় শ্রীরাম🚩🙏

01/07/2026

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৩০ জুন, ২০২৬ তারিখে সম্পূর্ণ ডিজিটাইজড ই-ওসিআই (ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া) কার্ড সিস্টেমের পাশাপাশি ভারতের আপগ্রেড করা এফসিআরএ ২.০ পোর্টালটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছেন।

বিদেশি তহবিলের অপব্যবহার রোধ: সরকারি তদন্তে দেখা গেছে যে, কিছু সংস্থা নিয়মকানুন এড়িয়ে বিদেশি অনুদান তাদের ঘোষিত সামাজিক উদ্দেশ্যের বাইরে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করেছে।

জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা: ভারতের অভ্যন্তরে বাহ্যিক রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত অ্যাডভোকেসি বা প্রচারণামূলক গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহার নিয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিগত উদ্বেগ রয়েছে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি: গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এর আগে নির্দিষ্ট কিছু পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রচারণাকে বড় ধরনের অবকাঠামো ও শিল্প প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে বাধা দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে; সমালোচকদের মতে, এর ফলে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

অবৈধ ধর্মান্তরকরণ কার্যক্রম বন্ধ করা: 'ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট' (FCRA)-এর সাম্প্রতিক সংশোধনীগুলোতে ধর্মীয় ধর্মান্তরকরণের কাজে আন্তর্জাতিক অর্থ ব্যবহারের বিষয়টিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা হয়েছে এবং তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আপনি ভাবতে পারবে না, আমদের এই দেশে স্কুল সংখ্যার চেয়ে NGO বেশি!
ভারতে আনুমানিক ৩১ থেকে ৩৩ লক্ষ বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং অলাভজনক সংস্থা (এনপিও) রয়েছে, যার অর্থ হলো প্রতি ৪০০ জন নাগরিকের জন্য প্রায় একটি সংস্থা।
ভারতে সারা দেশে আনুমানিক 14.7 থেকে 14.9 লক্ষ (1.47 থেকে 1.49 মিলিয়ন) স্কুল রয়েছে, যেখানে 24.8 কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।
এরা সমাজসেবা করার নাম করে conversation, Misuse of Foreign Funds, Economic Development Blocks এরকম আরো দেশবিরোধী কাজ করে।

এরা ওয়াচডগের মতো কাজ করে আমাদের দেশে।
গ্রামে গ্রামে গরীব মানুষকে ভুল বুঝিয়ে,পয়সার লাভ দেখিয়ে ধর্মান্তকরণ করায়।
এই বিলটি পাস হওয়ার ফলে, এই বিদেশি ফান্ডিং আইন আরও কড়া হবে, এবং সরকার এই এনজিও গুলোর পর নজর রাখতে পারবে।
জয় শ্রী রাম 🚩🙏


Amit Shah Narendra Modi Suvendu Adhikari Bharatiya Janata Party (BJP) BJP West Bengal

সকল চিকিৎসক এবং চিকিৎসা পরিষেবার সাথে যুক্ত সকলকে জানাই জাতীয় চিকিৎসক দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জনগণের প্রতি আপনাদের ...
01/07/2026

সকল চিকিৎসক এবং চিকিৎসা পরিষেবার সাথে যুক্ত সকলকে জানাই জাতীয় চিকিৎসক দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জনগণের প্রতি আপনাদের নিঃস্বার্থ সেবাদানের জন্যে আমরা কৃতজ্ঞ।
এই দিনটি কিংবদন্তী চিকিৎসক, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে পালিত হয়।
জয় শ্রী রাম 🚩🙏
#বিজেপি
Narendra Modi Bharatiya Janata Party (BJP) Amit Shah MyGovIndia

29/06/2026

🤔 চামচারা, তোমরা হয়তো ভুলে গেছ, কিন্তু আমরা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মনে রাখব। মোদি সরকারের আগে, ২০০৪ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত কেন্দ্রে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস-এর #নপুংসক_সরকার ছিল, আর দাবি করা হয় যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন মুল্লা মুলায়ম সিং যাদব।
তখন কাশ্মীরে আমাদের বীর ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাশ্মীরি মুসলিম ও মুসলিম সন্ত্রাসীদের দ্বারা এই ধরনের অভদ্রতা ও অত্যাচার করা হতো, যা দেখে প্রতিটি হিন্দুর রক্ত ফুটে উঠত।
তখন নপুংসক সরকার ছিল, শত্রুদের খীরের বাটি পরিবেশন করা হতো। সেনাবাহিনীর বীর জওয়ানরা অপমানিত হতেন।
আজ কেউ সেনাবাহিনীর দিকে চোখ তুলে তাকালেও, তার চোখ উপড়ে নেওয়া হয়।
সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট (ইউপিএ) কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন সরকারের (২০০৪-২০১৪) সময়কালে জম্মু ও কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উপর বেশ কয়েকটি বড় ধরনের হামলা ঘটে। সরকারি নথি অনুসারে, এই সময়কালে সন্ত্রাসী সহিংসতার কারণে জম্মু ও কাশ্মীরে মোট ১,০৬৭ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হন।

এই দশকে সশস্ত্র বাহিনীকে লক্ষ্য করে উল্লেখযোগ্য বড় হামলাগুলির মধ্যে ছিল:

সাম্বা এবং হিরানগর (সেপ্টেম্বর ২০১৩): সেনাবাহিনীর পোশাক পরা ভারী অস্ত্রে সজ্জিত জঙ্গিরা দুটি ফিদায়েইন হামলা চালায়। তারা প্রথমে হিরানগর পুলিশ স্টেশনে হামলা করে এবং তারপর সাম্বার একটি সেনা ক্যাম্পে যায়, যার ফলে ৪ জন সেনা নিহত হন।

বেমিনা, শ্রীনগর (মার্চ ২০১৩): বেমিনায় সিআরপিএফ-এর একটি মোতায়েনের উপর ফিদায়েইন হামলায় ৫ জন সিআরপিএফ কর্মী নিহত হন।

হায়দারপোরা, শ্রীনগর (জুন ২০১৩): হায়দারপোরা এলাকায় সন্ত্রাসীরা একটি সেনা কনভয়ের উপর অতর্কিত হামলা চালায়, এতে ৮ জন সেনা নিহত হন।

পত্তন/নারবাল (জুলাই ২০০৮): নারবাল এলাকায় একটি সেনা কনভয়কে লক্ষ্য করে একটি শক্তিশালী আইইডি হামলা চালানো হয়, এতে বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মী নিহত হন।

🇮🇳 জয় হিন্দ, ভারতীয় সেনাবাহিনীকে প্রণাম। 🙏

Address

Rudrangar, Sagar
Ganga Sagar
743373

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BJP SAGAR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share