09/07/2026
"একটা জেন্ডার ক্রাইম ঘটবে অথচ তাতে কোনো শরীয়াবাদী থাকবে না এ হতেই পারে না। অবশেষে বৃত্ত সম্পূর্ণ হল।
যা শোনা যাচ্ছে, তাতে মাকুদের হার্মাদ বলে পরিচিত আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দারদের "বন্ধুস্থানীয়" কবীর মোল্লাকে ধরা হয়েছে। সকালে জমা হয়ে বিকেলে খরচ হয়ে গেছে ক্রিমিনাল প্রভাস মন্ডল। এই আনন্দ, দিবাকর, প্রভাস, কবীরদের সর্বধর্মসমন্বিত সেকুলার গ্যাংয়ের হাতে নাবালিকা খুনের পর কেন একজন জিহাদি লায়েক আলি একেবারে ডাহা মিথ্যা ছড়িয়ে হাওয়া ঘুরতেই গর্তে লুকাল, সেটা ক্রমশঃ পরিষ্কার হচ্ছে।
আশা করি কবীর মোল্লাকে আর কেউ মনুবাদী বলবেন না। আরেসেসও না। কারণ কবীর মোল্লা, লায়েক আলিরা মনু মানেন না। তারা শরীয়া মানেন।
এনিওয়ে, এটা খুবই স্বাভাবিক। শরীয়াবাদীর সংস্পর্শ ছাড়া খুব সামান্য সংখ্যক ক্রাইমই হয়। দিল্লির সেই বাসের ঘটনাতেও "পুরষ্কৃত" ধর্ষকটি শরীয়া মানতেন।
এগুলো এতই কমন যে এ নিয়ে কথা বলার বিশেষ অর্থ নেই।
বলার বিষয়টা অন্য।
গ্রাউন্ড লেভেলের যেসব হিন্দু নেতা কর্মীরা আছেন, আপনাদের প্রতি এই অনুরোধ রাখব যে পারলে হারামচাঁদ গান্ধীদের মত "গুড ফর নাথিং" লোকজনের ট্র্যাপে পড়বেন না। শরীয়তিদের যেচে উপকার করতে যাবেন না।
একজনের উপকার করবেন, আর লায়েক আলিরা আরেকদিকে আপনাকেই ক্রিমিনাল বানিয়ে দেবে নিজেদের ক্রিমিনালদের বাঁচাতে।
শান্তনুকে দেখে শিক্ষা নিন।
মুখ্যমন্ত্রী নিজে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এতটা ইনভলভ না হলে এত দ্রুত কবীর মোল্লারা ধরা পড়ত কিনা সন্দেহ।
নীচে বামেদের প্ল্যানিংএর ক্রোনোলজিটা রাখলাম।
আপনারা পড়ে কিছু শিখবেন, নাকি গান্ধীর মত ফোরটোয়েন্টিদের "মাই নেতা" বলে গলবস্ত্র হবেন সে আপনাদের ব্যাপার।
ক্রোনোলজি এইরকমই থাকবে -
১. প্রথমে একটা ক্রাইম সংঘটিত হবে।
2. তারপর আগে থেকেই টার্গেট করে রাখা হিন্দুদলের কাউকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে বিভিন্ন ভুঁইফোড় ফেক নিউজ পেডলারদের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াতে থাকবে লায়েক আলিদের মত জিহাদীরা। যত বেশী সময় পাবে, তত বেশী মানুষের মাথায় প্রমাণহীন, তথ্যহীন ঐ প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
3. এই পর্যন্ত এসে হয়তো আপনি ভাবছেন, "যদি অভিযোগ মিথ্যা হয়, তবে তো কোর্টে প্রমাণ হয়েই যাবে।", যাবে তো, কিন্তু আপনি খুবই সরল।
ঐ ফেক নিউজ যারা ছড়িয়েছে তারাও জানে যে তারা ডাহা মিথ্যা বলছে এবং তা প্রমাণও হবে ঠিকই। কিন্তু কোর্টরুমের বক্তব্য আর কয়টা লোক জানতে পারে!
ফলে কোর্টে যদি দেখাও যায় যে ঐ মিথ্যা প্রোপাগান্ডার শিকার হিন্দুটি মুক্ত হয়ে বেরিয়ে এল, তখন এরা শুরু করবে, "ঐ দেখো ধর্ষককে ছেড়ে দিল।"
আপনি গোল্ডফিশ। আপনি কোর্টরুমের প্রমাণাদির কিছুই খোঁজ করেননি। ফলে আপনিও ট্র্যাপড হবেন ঐ প্রোপাগান্ডায়।
4. যদিও এইবারে লেফ্টিস্লামিক জিহাদী গোষ্ঠীর একটা টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। সেটা হল, তথ্যপ্রযুক্তি যথেষ্ট উন্নত হওয়ায়, এবং বামিস্লাম সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ায়, লোকে যেমন ক্রসচেক করছে, তেমনি খুব দ্রুত প্রোপাগান্ডা বাস্টও হচ্ছে। এবং সরকার যেহেতু জিহাদী লায়েক আলিদের প্ল্যানমাফিক চুলকে ঘা করার আগেই প্রম্পট অ্যাকশন নিয়েছে, ফলে হনুভব বা ভৌ এর মত খাটাস, হুড়াড়রা নিজেদের প্রোপাগান্ডাকে এস্টিবলিশ করার আগেই হার্মাদ প্রভাস খরচ, ধর্ষক কবীর গ্রেফতার।
এবারের মত ওদের হিসাব বানচাল করা গেছে, কিন্তু তাও গেছে নির্দোষ হিন্দুর প্রাণের মূল্যে। সামান্য অটোচালক ইন্দ্রজিৎ মন্ডল বা নাবালক প্রসেনজিৎ বিশ্বাসদের লাশ ওরা খুবলেছেই।
ওদের মিথ্যা কথা, ফেক নিউজ পেডলিং, জিহাদী লায়েকদের উসকানি এসব থামাতে হিন্দুদের যতটা সময় লেগেছে সেই সময়টুকুতে ওরা ইন্দ্রজিৎ আর প্রসেনজিৎকে খুন করে, একটা গোটা রেলের হাজার কয়েক যাত্রীকে খুন করার চেষ্টা করে আগামীর সয়েল টেস্টটা কিন্তু করে ফেলেছে।
হ্যাঁ, হয়তো এবার ওরা ওদের প্ল্যানটা ১০০% এক্সিকিউট করতে পারেনি, যেহেতু কল রেকর্ডিং, ভিডিও ইত্যাদি সামনে এসে গেছিল, কিন্তু সবসময় তা নাও তো থাকতে পারে। লায়েক আলিরা আশাই করেনি যে কল রেকর্ডিং বা ওরকম ভিডিও থাকতে পারে।
অতএব হিন্দুদের নীচুতলার নেতাকর্মীরা সাবধান হোন। হারামদাসদের ফাঁদে পা দেবার আগে, মানে একান্তই যদি দিতে উসখুস করেন "আগে কেবা প্রাণ করিবেক দান" জাতীয় বার টার খেয়ে, তবে নিজের স্বপক্ষে যথাসম্ভব প্রমাণ রেখেই "ওদের" উপকার করতে যাবেন।
নাহলে শুধু পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেড এসব ডেকে দিন। আদারওয়াইজ "একদা এক বাঘের গলায় হাড় ফুটিয়া ছিল" গল্পটা আরো কয়েকবার মন দিয়ে পড়ুন।
জয় শ্রীরাম🚩🙏