Dipantar Deb

Dipantar Deb যবে কাজ করি
প্রভু দেয় মোরে মান।
যবে গান করি
ভালোবাসে ভগবান॥

07/02/2026

 আইনেট  প্রতিনিধিঃ     ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত ও চারুকলার ঐতিহ্যকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে...

07/02/2026
28/01/2026
সবাইকে প্রজাতন্ত্র দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন! আসুন, আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা আমাদের সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করা...
26/01/2026

সবাইকে প্রজাতন্ত্র দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন! আসুন, আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা আমাদের সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করার শপথ নিই। জয় হিন্দ!🇮🇳

25/01/2026

আগামিকাল গুডমর্নিং আকাশে আমি থাকছি আমার অভিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে, গানে গানে।

বীণাপাণির বরদহস্তে ঘুচে যাক মনের সকল অন্ধকার, সংগীতের সাতটি সুরের মতোই রঙিন হয়ে উঠুক সবার জীবন।আজকের এই দিনটি সবার কাটুক...
23/01/2026

বীণাপাণির বরদহস্তে ঘুচে যাক মনের সকল অন্ধকার, সংগীতের সাতটি সুরের মতোই রঙিন হয়ে উঠুক সবার জীবন।

আজকের এই দিনটি সবার কাটুক গান, আড্ডা আর বাসন্তী রঙের ছোঁয়ায়। শৈশবের সেই হাতেখড়ি আর সরস্বতী বন্দনার সুর ফিরে আসুক সবার মনে। মা সারদার আশীর্বাদে সবার কণ্ঠে এবং যন্ত্রে বিরাজ করুক চিরন্তন সুধা।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন আর সুরের মায়ায় মেতে থাকুন।

আজ ভারতের বীর সন্তান, দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন। আমরা সবাই তাঁর বীরত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের বীরগাথা জানি। কিন্তু ...
22/01/2026

আজ ভারতের বীর সন্তান, দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন। আমরা সবাই তাঁর বীরত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের বীরগাথা জানি। কিন্তু এই বজ্রকঠিন বিপ্লবীর হৃদয়ে যে এক গভীর সুরবোধ লুকিয়ে ছিল, তা হয়তো অনেকেরই অজানা।
নেতাজীর কাছে সংগীত কেবল বিনোদন ছিল না; এটি ছিল দেশপ্রেমের জ্বালানি এবং জাতীয়তাবোধের মন্ত্র।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি নেতাজীর ছিল অগাধ শ্রদ্ধা। তিনি বিশ্বাস করতেন, রবীন্দ্রসংগীত বাঙালির রক্তে উদ্দীপনা জোগায়। বিশেষ করে "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে" গানটি ছিল তাঁর অন্যতম প্রিয়। জীবনের কঠিন সময়ে এই গানটি তাঁকে একাকী লড়াই করার সাহস জোগাত।
নেতাজী বুঝেছিলেন, একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর জন্য সংগীত কতটা জরুরি। তাঁরই অনুপ্রেরণায় ক্যাপ্টেন রাম সিং ঠাকুর সৃষ্টি করেছিলেন কালজয়ী গান— "কদম কদম বাড়িয়ে যা"। এই গানের ছন্দ আজও আমাদের রক্তে শিহরণ জাগায়। এছাড়াও আজাদ হিন্দ ফৌজের কুচকাওয়াজ ও শিবিরের কাজ শুরু হতো সংগীতের সুরেই।
ব্যক্তিগতভাবে নেতাজী ছিলেন উচ্চাঙ্গ সংগীত ও লোকগানের অনুরাগী। এমনকি কারাবন্দি অবস্থায়ও তিনি অনেক সময় গুণগুণ করে গান গাইতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, যে জাতির নিজস্ব সংগীত নেই, সে জাতির প্রাণের স্পন্দন নেই। তিনি বলতেন - "জীবন মানেই তো গান, আর স্বাধীনতার চেয়ে বড় গান আর কী হতে পারে?"
আজ এই মহান বিপ্লবীর জন্মদিনে আসুন আমরা তাঁর সেই তেজস্বী সুরকে হৃদয়ে ধারণ করি। সংগীতের মাধ্যমেই জাগ্রত হোক আমাদের দেশপ্রেম।

✍🏻 দীপান্তর দেব
🗓️ ২৩/০১/২০২৬
༻༺༻༺༻༺༻༺༻༺༻༺༻༺

পৌষের এই শীতের আমেজে মকর সংক্রান্তি আপনার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। শুভ মকর সংক্রান্তি!
14/01/2026

পৌষের এই শীতের আমেজে মকর সংক্রান্তি আপনার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। শুভ মকর সংক্রান্তি!

আজ ভারতের আধ্যাত্মিক চেতনার আলোকবর্তিকা স্বামী বিবেকানন্দের শুভ জন্মদিন। আমরা সবাই জানি তাঁর বাগ্মিতা এবং দর্শনের কথা, ক...
12/01/2026

আজ ভারতের আধ্যাত্মিক চেতনার আলোকবর্তিকা স্বামী বিবেকানন্দের শুভ জন্মদিন। আমরা সবাই জানি তাঁর বাগ্মিতা এবং দর্শনের কথা, কিন্তু আজকের এই বিশেষ দিনে তাঁর জীবনের একটি অনন্য দিক স্মরণ করতে চাই—তাঁর সংগীত জীবন।
বিবেকানন্দ বা আমাদের প্রিয় 'নরেন্দ্রনাথ' ছিলেন একজন অসামান্য সংগীতশিল্পী। ধ্রুপদ, খেয়াল এবং ভজন গায়কিতে তাঁর ছিল অসামান্য দক্ষতা। তিনি কেবল গান গাইতেন না, পখোয়াজ এবং সেতার বাজাতেও ছিলেন সমান পারদর্শী। তাঁর গুরু শ্রীরামকৃষ্ণ দেব বলতেন, "নরেনের গান শুনলে মনের সকল মালিন্য দূর হয়ে যায়।" এমনকি শ্রীরামকৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর প্রথম মিলনটিও হয়েছিল একটি ভজন গানের মাধ্যমে। সংগীত ছিল তাঁর কাছে ঈশ্বর সাধনার এক পবিত্র মাধ্যম।
"সংগীত হলো ধ্যানের উচ্চতর রূপ। যিনি সুরের মূর্ছনায় নিজেকে হারিয়ে দিতে পারেন, তিনিই সত্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেন।"
আজকের এই দিনে আমার সকল ফেসবুক বন্ধুদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আসুন, আমরা স্বামীজির সেই তেজস্বী কণ্ঠের আদর্শে অনুপ্রাণিত হই এবং নিজেদের অন্তরের সুপ্ত শক্তিকে জাগ্রত করি। স্বামীজির জীবন আমাদের শেখায়—ভক্তি আর শক্তির সংমিশ্রণেই প্রকৃত মনুষ্যত্ব গড়ে ওঠে।

01/11/2025

'আমার সোনার বাংলা' এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছেন ১৯০৫ সালে, এবং এটা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হয় ১৯৭২ সালে। গানটি রচনা হওয়ার প্রায় ৬৬ বছর পর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসাবে রচনা করেননি। পরবর্তী সময়ে এটা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসাবে মনোনিত হয়।
আমরা এটা রবীন্দ্রসংগীত হিসাবেই শিখেছি, এবং আমাদের ছাত্র ছাত্রীদেরকেও তাই শেখাই। ভারতের বিশেষ বিশেষ শিল্পীরা এই গান গেছেন তার মধ্যে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, সুচিত্রা মিত্র, শ্রীকান্ত আচার্য্য, অরিজিৎ সিং, রূপঙ্কর বাগচী, জয়তী চক্রবর্তী, ইমন চক্রবর্তী, শুভমিতা ব্যানার্জী আরও অনেকে এই গান গেছেন এবং ভবিষ্যতেও আরোও অনেকে গাইবেন।
এই গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বলে ভারতে এই গাওয়া যাবে না এই বিষয়টি সম্পুর্ন অপ্রাসঙ্গিক। কারণ গানটি আমদের কাছে অন্যান্য রবীন্দ্রসংগীতের মতোই একটি গান। তাই আমরা গাইবো।

Address

Dharmanagar, North
Dharmanagar
799251

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dipantar Deb posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category