05/06/2026
সমস্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করিয়ে, সিবিআই-ইডি লাগিয়ে, টর্চার করিয়ে তৃণমূলকে অস্তিত্বহীন করতে চায় বিজেপি। এটাই তাদের কাছে একমাত্র পথ।
তৃণমূলকে অস্তিত্বহীন করতে না পারলে তারা আবার শক্তিশালী হয়ে উঠবে— এই আশঙ্কা বিজেপির মধ্যে রয়েছে।
বিজেপি ৪৬% ভোট পেয়েছে, তৃণমূল ৪১% ভোট পেয়েছে। ব্যবধান ৫%।
এসআইআর-এর ফলে ৬% ভোট ডিলিট হয়েছে বলেই এই ব্যবধান তৈরি হয়েছে— এমন অভিযোগ রয়েছে।
এখন ১৫ লক্ষ হকার বিজেপির উপর ক্ষুব্ধ।
গরু ব্যবসায়ী, চামড়া ব্যবসায়ী— বহু মানুষ বিজেপি থেকে বিমুখ।
যারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন না, তাদের একাংশও বিজেপি থেকে বিমুখ।
এছাড়াও আরও অনেক কারণ রয়েছে, যা বিজেপি ভালোভাবেই জানে।
তারা জানে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো মানুষের কাছে পৌঁছে কাজ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
তাই তৃণমূল দলটাকে অস্তিত্বহীন করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
তৃণমূলকে দুর্বল করতে হলে দলের নেতাদের ভেঙে নিজেদের দলে নিয়ে আসতে হবে।
গ্রেফতার করে হোক, সিবিআই-ইডি লাগিয়ে হোক, ভয় দেখিয়ে হোক— যে কোনও উপায়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে হবে।
আগামী দিনে আরও অনেক নেতা গ্রেফতার হবেন— দেখে নিন, মিলিয়ে নিন আমার কথা।
কিন্তু যত নেতা গ্রেফতার হবেন, ততই তাঁরা প্রচারের কেন্দ্রে চলে আসবেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁরা আবার জনসমর্থন অর্জন করবেন।
রাজনীতির সাইকোলজি অনেক সময় এমনই কাজ করে।
যাকে দুর্বল করতে চাওয়া হয়, অনেক সময় সেই মানুষই আরও বেশি মানুষের সহানুভূতি ও সমর্থন পেয়ে যায়।