The radical leftist

The radical leftist radical leftist is an organization for those who love respect and dream about communism and world ba

02/05/2024

মাধ্যমিকের মেধা তালিকাতে তৃতীয় হয়েছে উদয়ন প্রসাদ। উদয়নের ডাক নাম লেনিন। বালুরঘাটে বাড়ি। অভিনন্দন উদয়নকে। উদয়নের বাবা, উমেশ প্রসাদ বালুরঘাট পার্টি অফিসের সিপিআই(এম)-র সর্বক্ষণের কর্মী। উদয়ন আমাদের সকলের গর্ব। উদয়নের সাথে আমাদের শুভেচ্ছা সকল মাধ্যমিক উত্তীর্ণদের।
(ছবিতে বাবা ও ছেলে)

02/05/2024

ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ভারতে নি‍র্দিষ্টভাবে কয়েকটি দেশ থেকে আসা উদ্বাস্তু বা শরণার্থীদের ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেবার জন্য আগের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে সংসদে পাশ করানো হয় নতুন সিএএ। মোদী গত লোকসভা নির্বাচনে জিতে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েই একরকম জোর করে পর্যাপ্ত আলোচনা-বিতর্ক ছাড়াই পাশ করান সিএএ। আসামে এনআরসি নিয়ে তখন তুলকালাম চলছে। জাতীয় নাগরিক পঞ্জি থেকে বাদ পড়েছে ১৮ লক্ষ মানুষ। এদিকে আধার কার্ড দিতে অস্বীকার করা হয়েছে আরও ৬লক্ষাধিক মানুষকে। সব মিলিয়ে আসামে প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষকে অসহায় করে ঠেলে দেওয়া হয়েছে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। সেই আবহের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর প্রধান সেনাপতি দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ দেশের মানুষকে ক্রোনোলজি শিখিয়েছিলেন। বলেছিলেন এনআরসি হবে সারা দেশেই। বিদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী উইপোকাদের খুঁজে বার করে তাড়ানো হবে দেশ থেকে। তারপর সিএএ চালু করে মুসলিমদের বাদ দিয়ে অন্যদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
ইতিমধ্যে পাঁচ বছর পার হয়ে গেছে। আসামের বাইরে কোথাও এনআরসি করা যায়নি প্রবল প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের জেরে। থমকে গেছে সিএএ-ও। কয়েক মাস আগে আচমকা অমিত শাহ জানিয়ে দেন ভোটের আগেই চালু হয়ে যাবে সিএএ। বোঝাই যাচ্ছে নাগরিকত্ব দেওয়া বা কেড়ে নেওয়া মুখ্য বিষয় নয়। এনআরসি, সিএএ নিয়ে ঘোর আতঙ্ক তৈরি করে ধর্মীয় বিভাজন ও মেরুকরণের মাধ্যমে ভোটে ফায়দা লোটাই আসল উদ্দেশ্য। যথারীতি হিসাব কষে ভোটের দিন ঘোষণার কয়েকদিন আগে সিএএ লাগু করার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা বিষয়টি নিয়ে এমনভাবে প্রচার শুরু করলেন যেন এরাজ্যের লক্ষ লক্ষ মতুয়ারা সকলে রাতারাতি নাগরিক হয়ে যাবেন। প্রচারটা এমনভাবে করা হচ্ছে যাতে মুসলিম বিদ্বেষের জমি পোক্ত হয় এবং বিভাজন তীব্র হয়।
সিএএ’র ঘোষিত বিধি অনুযায়ী আবেদনকারীকে ঘোষণা করতে হবে তিনি পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে মুসলিমদের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে ভারতে এসেছে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে। তাকে প্রমাণ দিতে হবে তিনি মুসলিম নন, অন্য দেশের নাগরিক, ধর্মের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাধ্য হয়েছেন ভারতে আসতে। এমন কিছু নথি প্রমাণ হিসাবে জমা দিতে হবে। সবকিছু বিচার করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ যদি সেই আবেদন গ্রহণ করেন তবে তিনি নাগরিকত্ব পাবেন। কিন্তু বাতিল হলে কি হবে কোথাও বলা নেই।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো যে আবেদন যিনিই করবেন তাকে ঘোষণা করতে হবে বিদেশি। আবেদন বাতিল হলে তিনি বিদেশি হিসাবেই চিহ্নিত হবেন। তাছাড়া যে নথি দাখিল হলে আবেদন গ্রাহত্য হবার নিশ্চয়তা আছে তেমনি নথি কয়জনের আছে বলা মুশকিল। ফলে সিএএ’র ছলনা জালে জড়িয়ে নাগরিকত্ব পাবার থেকে নাগরিকত্ব চলে যাবার আশঙ্কাই বেশি বাস্তব হয়ে উঠেছে। সরকার যদিও বলছে সিএএ নাগরিকত্ব দেবার আইন, কাড়ার নয়। কিন্তু বাস্তবে নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ই প্রবল হয়ে উঠেছে। তাই আজও পর্যন্ত কেউ সিএএ আইনে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেননি। খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও বড়গলা করে বলেছিলেন তিনি আবেদন করবেন। কিন্তু ভয়ে তিনিও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। একবার আবেদন করলেই তিনি বিদেশি। তাই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করছেন। একজন বিদেশি ভোটে জিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয় কি করে?

02/05/2024

প্রধানমন্ত্রী এদিন রাজস্থানের কারৌলিতে এক নির্বাচনী সভায় দাবি করেছেন, ২০২৪ সালে ক্ষমতায় এলে সব দুর্নীতিগ্রস্তদের জেলে পাঠাবেন। দেশের মানুষের জন্য এ বড়ই সুসংবাদ। সবাই নিশ্চয়ই যারপরনাই আনন্দিত আহ্লাদিত আপ্লুত হয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখনিঃসৃত এই বাণীতে। দুর্নীতির কালো মেঘে ঢাকা আকাশে এ যেন হঠাৎ এক ঝলক ঝলমলে সূর্য। কিন্তু কিছু প্রশ্ন তো উঠেই যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
প্রথমত, সব দুর্নীতিগ্রস্তকে যদি জেলে পাঠাতে হয়, তাহলে তো সবচেয়ে বড় বিপদে পড়বেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী নিজেই। কারণ তাঁর জমানাতে তো কেলেঙ্কারির পর কেলেঙ্কারির ঢেউ উঠেছে। সব উল্লেখ করতে তো সমগ্র ভূপৃষ্ঠকে খাতা, সাত সমুদ্রের জলরাশিকে কলমের কালি আর হিমালয়ের চূড়াকে কলম হিসাবে ব্যবহার করতে হবে। ধরুন কালো টাকা বাজেয়াপ্ত করার গল্প শুনিয়ে হলো নোটবন্দি। দেখা গেল বাজারে যত সংখ্যক বাতিল টাকার নোট ঘুরছিল, তার ৯৯.৩০ শতাংশ নোটই ফেরত চলে এল। তাহলে কালো টাকা সাদা করার জন্যই কি নোটবন্দির ফন্দি? এই ফন্দি আঁটার নায়ক কি জেলে যাবেন?
দেশের ৭ টা বিমানবন্দর, ১৬ টা জাহাজবন্দর, ১৫,২৯০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, দেশে সবচেয়ে বেশি কয়লা ভাণ্ডার সহ ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকার মালিক মোদী’র পরম মিত্রোঁ আদানি সাহেব। নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে এর কি একটা বাসস্ট্যান্ডের মালিকানাও ছিল? তদন্ত হবে কি মোদী মিত্রোঁ’র এই রকেট উত্থানের? তাহলে কে জেলে যাবেন? রাফায়েল যুদ্ধ বিমান কেনা – সে আর এক ইতিহাস। যে অনিল আম্বানি দেউলিয়া, তাঁকেই বগলদাবা করে সঙ্গে নিয়ে গেলেন ফ্রান্সে। চুক্তি করলেন যুদ্ধবিমান কেনার। আর তার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে কে? যার একটা সাইকেল কারখানা চালাবার অভিজ্ঞতাও নেই, সেই দেউলিয়া অনিল আম্বানি’র! ধামাচাপা দেওয়া এই বিষয় নিয়ে তদন্ত হলে কে জেলে যাবেন? আর নির্বাচন বন্ড কেলেঙ্কারি – এ তো বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক কেলেঙ্কারিই শুধু নয়, তোলাবাজির আইনি স্বীকৃতিদান। একে স্বয়ং সুপ্রিম কোর্ট বলেছে অসাংবিধানিক।
দ্বিতীয়ত, অতীত বড়ই নিষ্ঠুর। ২০১৪ সাল, ২৭ এপ্রিল। ঠিক ১০ বছর আগে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে এসেছিলেন শ্রীরামপুরে নির্বাচনী সভা করতে। বলেছিলেন – দিদির ছবি ১ কোটি টাকা দিয়ে কে কিনেছে? সব তদন্ত হবে। এই দুর্নীতিতে যুক্ত সবাইকে জেলে পাঠাবো, একবার শুধু আমাকে প্রধানমন্ত্রী হতে দিন। মানুষ বিশ্বাস করেছিল। পরের দিন শালবনীর এক সভা থেকে পালটা জবাব দিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি আর মুকুল রায়। কি হলো সেই পঞ্জিফান্ড বা চলতি কথায় চিট ফান্ড কেলেঙ্কারি তদন্তের। ২০১৪ সালের ৯ মে সুপ্রিম কোর্ট এই তদন্তের ভার সিবিআই’র হাতে দিয়েছিল। নরেন্দ্র মোদী ২৬ মে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন। ১০ বছরে কি হলো দুর্নীতির মাথাদের জেলে ঢোকানোর? শুনতে পাওয়া যায় কি আর চিট ফান্ড দুর্নীতি নিয়ে কোনও কথা? সব ধামাচাপা। উলটে সেই মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীদের নিজের দলে ঢুকিয়ে নেতা বানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সেই দুর্নীতিই শুধু নয়, পশ্চিমবঙ্গের হাজারো দুর্নীতির মাথারা জেলের বাইরে বহাল তবিয়তেই আছেন, ঘুরছেন, ক্ষমতার কেন্দ্রেই আছে।
তাই আর কেউ বিশ্বাস করে না দুর্নীতির শিরোমণি বিজেপি নেতাদের আর তার মাথা নরেন্দ্র মোদীকে।

বাঁকুড়া তে অসময়ের রান্না ঘরে কম ঐশী ঘোষ
27/09/2020

বাঁকুড়া তে অসময়ের রান্না ঘরে কম ঐশী ঘোষ

27/09/2020

যদি চাষী চাষ ভুলে
হেসে দেয় ভুল করে
জনতার দরবারে নেতাদের কারবারে
সেই হাসি হয়ে যায় ফিল গুড।

22/07/2020

দাদা সাঁইবাড়ি নিয়ে কোন লেখা আছে? একজন খুব আমাদের আক্রমন করছে, কাউন্টার করা দরকার।

দাদা মরিচঝাঁপি নিয়ে কোন লেখা আছে?

আমাদের পাল্টা কিছু বলা দরকার, একটা গ্রুপে কিছু ‘তিনু চাড্ডি’রা খুব বাওয়াল করছে।

দাদা বিজন সেতু নিয়ে কোন লেখা আছে? একটু তাড়াতাড়ি পাঠাও দাদা, খুব দরকার।

সাঁইবাড়ি, মরিচঝাঁপি, বিজন সেতু, ২১শে জুলাই ইত্যাদি ইত্যাদি শুনলেই আমার আপনার প্রথম মনে হয় ডিফেন্স ইজ দ্য বেস্ট অফেন্স।

আপনি ব্যাট ধরে শুরু করলেন ডিফেন্স করা। লেখা খুঁজতে লাগলেন। হোয়াটসঅ্যাপে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়লো। আপনি খানিক হাসলেন মনে মনে, যাক কাউন্টার করা গেল!

গত ৯বছর ধরে আপনি শুধু সামনে ব্যাট পেতে ডিফেন্স করে গেলেন। ক্রমাগত। ধারাবাহিক ভাবে।

এবার ব্যাট সাোজা করে ধরুন, মরিচঝাঁপি, সাঁইবাড়ি, বিজন সেতুর বল আসলেই চালিয়ে দিন।
গ্যালারির ওপর দিয়ে সোজা ছক্কা।

বলুন ওদের।
আমরা কেন তোমাদের জবাব দেব ? তোমরা ৯ বছর ধরে সরকারে এসে শুধু ঘাস ছিঁড়লে? না একের পর এক কমিশন বানিয়ে সেখান থেকেও কাটমানি খেলে?

বলবে তো তোমরা।

এত অবধি শুনেই ওরা এবার হকচকিয়ে যাবে। আপনি শক্ত হাতে ব্যাট ধরে থাকুন, আর ডিফেন্স করবেন না ঝুঁকে পড়ে।

স্টেপ আউট করেন ক্রিজ থেকে দু পা বেড়িয়ে।
বলো ভাই তোমরাই বলো, তোমাদের সাথে গলা মিলিয়ে স্বাধীন লিবেরাল এরাও বলুক। ৯ বছরে তোমরা ১৩টা তদন্ত কমিশন করেছিলে, খরচ হয়েছে ৩২. ৫ কোটি টাকা। বলো কটা কমিশন রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ হয়েছে? বলো?

সাঁইবাড়ি? চল এটাই আগে বলো। ১৯৭০ সালে সাঁইবাড়ির ঘটনা, ১৯৭৭ অবধি তোমরা সরকারে ছিলে। জমিদার জোতদার কংগ্রেসের পেট থেকে বেরোন সব থেকে লুম্পেন সব থেকে প্রতিক্রিয়াশীল তোমরা, তৃণমূল।

১৯৭০ থেকে ১৯৭৭, এই সাত বছরে সাঁইবাড়ি নিয়ে তোমরা কি করেছিলে ? ঘুমিয়েছিলে?

ছেড়ে দাও পারবে না। তোমরা কংগ্রেস থেকে তৃণমূল হলে, সরকারে এলে তাও ৯ বছর হল। কি ঘাস ছিঁড়লে সাঁইবাড়ি নিয়ে?

২০১২ সালে তৃণমূল সাঁইবাড়ি নিয়ে কমিশন করেছিল ২০১২ সালে। অরুনাভ বসু কমিশন। সাঁইবাড়ি নিয়ে অরুনাভ বসু কমিশন খরচা করে ফেলেছে চার কোটি টাকার বেশি!

সাঁইবাড়ি নিয়ে কমিশন করে তৃণমূল চার কোটি টাকা খরচ করে ফেললো, রিপোর্ট কই রে? বিধানসভায় রিপোর্ট জমা দিলে না কেন?

ওদের বল ওদের মাথা লিবেরাল স্বাধীনদের মাথা পেরিয়ে সোজা বাউন্ডারিতে।

এবার বিজন সেতু। অমিতাভ লালা কমিশন হয়েছিল ২০১৩ সালে, ৩কোটি ২০ লক্ষ টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে সেই কমিশনের। রিপোর্ট কোথায় ভায়া?

কাশিপুর বরানগর গনহত্যা নিয়েও কমিশন করেছিল তৃণমূল। স্বাধীন লিবেরালদের জোরে জোরে বলুন। তখন কিছু লোকে লাল ঝান্ডা নিয়ে ঠেকিয়েছিল ঘাসঘুলের ঝান্ডার সাথে। তাই মমতার বড় দায় ছিল!

হল তাই কাশিপুর বরানগর গনহত্যা নিয়ে ডিপি সেনগুপ্ত কমিশন। ২০১৭ সালে সেই কমিশনের রিপোর্ট জমা পড়েছে। বিধানসভায় এলো না কেন হে?

১৯৯৯ সালে ট্রাক চাপা পড়ে ২৩ জন আদিবাসীর মৃত্যু নিয়ে কমিশন করেছিল তৃণমূল। এন এন ভট্টাচার্য কমিশন, ২০১৮ সালে সেই কমিশন রিপোর্ট জমা দেয়। বিধানসভায় এলো না কেন?

এবার ২১শে জুলাই। সুশান্ত চ্যাটার্জি কমিশন ‘জালিওয়ানাবাগের থেকেও নৃশংস হত্যাকান্ড’ নিয়ে বিস্তর তদন্ত শেষে ৭০০ পাতার রিপোর্টে জানিয়েছে বামফ্রন্টের কোন নেতা মন্ত্রী জড়িত নয়। কে যে গুলি চালিয়েছে কে যে অর্ডার দিল কিছু কাগজ হারিয়ে গেছে, আরেকটা কমিশন হোক বরং!

তৃণমূল কি কমিশন থেকেও কাটমানি নেয়?
না হলে ৯ বছরে ৩২কোটি টাকা ১৩টা তদন্ত কমিশনে খরচ করার পরে বিধানসভায় রিপোর্ট আসে না কেন?

যারা আপনাদের সাইঁবাড়ি বিজন সেতু নিয়ে আক্রমন করে তাদের বলুন যে ১৯৫২ সালের ‘কমিশন অফ ইনকোয়ারি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী কমিশন রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর সরকারের ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ সহ ৬ মাসের মধ্যে সেই রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করতে হয়।

তৃণমূল ৯ বছরে ৩২কোটি টাকার বেশি খরচ করে ১৩টি কমিশনের মধ্যে মাত্র তিনটি কমিশনের রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করেছে।

প্রথমটি ২০০৮ সালের এক বিডিও’র আত্মহত্যা। দ্বিতীয়টি ২০১১ সালে আত্মঘাতী তৎকালিন সিপিআই(এম) বিধায়ক মোস্তাফা বিন কাশেমের মৃত্যুর ঘটনা। তৃতীয়টি হল মমতার জমানায় আমরি হাসপাতালে আগুন লেগে ৯২জন মানুষের পুড়ে মৃত্যুর ঘটনা। আর এই তিনটি কমিশনের রিপোর্টই পুলিশের তদন্তের রিপোর্ট থেকে আলাদা নয়।

২১শে জুলাই, সাঁইবাড়ি, বিজ সেতু এই সব নিয়ে তৃণমূল চুপ। কোন রিপোর্ট বিধানসভায় আসেনি।
সাঁইবাড়ি, বিজন সেতু এসব নিয়ে জবাব দেওয়ার দায় আমাদের নেই।

যারা ৯ বছরে কোটি কোটি টাকা খরচ করে কমিশন করেও একজন সিপিআই(এম)কেও দোষী সাব্যস্ত করতে পারেনি দায় তাদের এবং তাদের। আমার আপনার নয়।

আমরা বরং মমতার কাছে কি জবাব চাইবো?
নাহ! তাও আর চেয়ে লাভ নেই।

মমতা সব জবাব দিয়ে দিয়েছে। চোর জোচ্চর খুনি ঘেয়ো দাগিদের দলের কাছে আর জবাব চেয়ে লাভ নেই কৃষকরা বাংলায় আত্মহত্যা করে কেন? জবাব চেয়ে লাভ নেই শিল্প নেই কেন? জবাব চেয়ে লাভ নেই কর্মসংস্থানের কি হল? জবাব চেয়ে লাভ নেই করোনা নিয়ে একের পর এক তথ্য গোপন মিথ্যা কথা কেন? জবাব চেয়ে লাভ নেই চাল চুরি ত্রিপল চুরি নিয়ে।

পাল্টা জবাব ফিরিয়ে দেওয়ার পালা।
যেমন পাল্টা জবাব ফিরিয়ে দিচ্ছে জলঙ্গি।
যেমন পাল্টা জবাব ফিরিয়ে দিচ্ছে আমতা।
যেমন পাল্টা জবাব ফিরিয়ে দিচ্ছে অবরুদ্ধ একের ব্লক অফিস, পঞ্চায়েতে কান ধরে ওঠবোস করানো।

প্রতি পাড়ায় প্রতি মহল্লায় প্রতি বুথে সিনা টানটান করে পাল্টা জবাব আমরা ফিরিয়ে দেব।

এটাই কার্যকরি প্রতি আক্রমন। কাউন্টার অ্যাটাক।

22/07/2020
এলাকায় এলাকায় বাম শক্তি বৃদ্ধি করুন।  এলাকায় বাম মনস্ক মানুষ দের ঐক্য বদ্ধ হওয়া খুবই প্রয়োজন। ঐক্য বদ্ধ ভাাবে মানুষের পা...
18/06/2020

এলাকায় এলাকায় বাম শক্তি বৃদ্ধি করুন। এলাকায় বাম মনস্ক মানুষ দের ঐক্য বদ্ধ হওয়া খুবই প্রয়োজন। ঐক্য বদ্ধ ভাাবে মানুষের পাশে থাকুন।
লক ডাউন এর জন্য প্রকাশ্য মেলামেশা না করে ফোনের বা সোসাল মিডিয়ামের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। সমস্ত পুঁজিবাদী শক্তির যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার চক্রান্ত এর বিরুদ্ধে সরব হন। প্রতিটা সেনা জওয়ানের জীবন মূল্যবান।

লালসেলাম

বাম পন্হি দেরকে দেশ দ্রোহী  তাকমা দেওয়া প্রতিটা পোস্টের  বিরুদ্ধে  রুখে দাড়ান।  খুলে দিন ওই দাঙ্গা বাজ দের মুখোশ
17/06/2020

বাম পন্হি দেরকে দেশ দ্রোহী তাকমা দেওয়া প্রতিটা পোস্টের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান। খুলে দিন ওই দাঙ্গা বাজ দের মুখোশ

15/06/2020

আমাদের পেজ টাকে শেয়ার করে সাহায্য করুন

15/06/2020

নেপাল ছাতির মাপটা সঠীক মেপে দিলো

Address

Kenduadihi
Bankura
KENDUADIHI

Telephone

+916297097490

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The radical leftist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to The radical leftist:

Share