25/05/2026
“কিছু মানুষ শুধু রাজনীতি করে না…
কিছু মানুষ নিজের জীবনটাই একটা আন্দোলন বানিয়ে দেয়। 🔥🚩
মেজিয়া ব্লকের মানুষ যে নামটা এক ডাকে চেনে, যে মানুষটা বছরের পর বছর ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকাকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছেন, তিনি হলেন আমাদের সকলের প্রিয় বিপদতারণ বাউরী। 🧡
২০১২ সাল থেকে ২০২৬ — দীর্ঘ ১৪ বছরের এক নিরলস সংগ্রামের ইতিহাস। বুথ সদস্য হিসেবে শুরু হওয়া পথচলা, তারপর বুথ সভাপতি, SC মোর্চার সভাপতি, ব্লক যুব মোর্চার প্রেসিডেন্ট এবং পরবর্তীতে দু’বারের শালতোড়া মন্ডল ৩ সভাপতি — প্রতিটি দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন একজন প্রকৃত যোদ্ধার মতো।
তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করা, সন্ত্রাসের সামনে মাথা নত না করা, নিজের সংসারের মায়া-টান ত্যাগ করে পার্টিকে সময় দেওয়া — এটাই ছিল বিপদতারণ বাউরীর রাজনৈতিক জীবন। শুধু ভারতীয় জনতা পার্টি করার “অপরাধে” আজ তার নামে ২৩টিরও বেশি মামলা। কিন্তু মামলা তাকে ভয় দেখাতে পারেনি, বরং আরও শক্ত করেছে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তার নেতৃত্ব ও অক্লান্ত পরিশ্রমে মাননীয়া চন্দনা বাউরী ঐতিহাসিক জয় লাভ করেছিলেন। তারপর পঞ্চায়েত নির্বাচন — যে মেজিয়া ব্লকে একসময় বিজেপির একটি মেম্বার বা সমিতিও ছিল না, সেই মাটিতে আজ ১৫টি মেম্বার ও সমিতি এসেছে। এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়, এটা একজন লড়াকু নেতার বছরের পর বছর রক্ত-ঘামের ফল।
২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে হয়তো কাঙ্ক্ষিত জয় আসেনি, কিন্তু বাঁকুড়ার মধ্যে সর্বাধিক ভোটের লিডগুলোর অন্যতম ছিল মেজিয়া ব্লক। কারণ এখানকার মানুষ জানে — কে সত্যিকারের লড়াই করেছে, কে সন্ত্রাসের সময় পাশে থেকেছে।
আর আজ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মেজিয়ার ঐতিহাসিক লিড আবারও প্রমাণ করে দিল, মানুষের ভালোবাসা টাকা বা ভয় দেখিয়ে পাওয়া যায় না — তা অর্জন করতে হয় ত্যাগ আর সংগ্রামের মাধ্যমে। 💪🚩
কিন্তু আজ কিছু সুযোগসন্ধানী মানুষ, যারা ৪ তারিখ দুপুর ১২টার পর বিজেপি হয়েছে, তারাই এখন পার্টির প্রকৃত সৈনিকদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। কিছু তথাকথিত BMS-এর নাম ব্যবহার করা লোক, যারা আসলে তৃণমূলেরই ছত্রছায়ায় কাজ করে, তারা বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং করে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। তৃণমূলের বাড়িতে হামলা, পার্টি অফিস ভাঙচুর, দখলের রাজনীতি — এসব করে তারা বিজেপিকে বদনাম করার অপচেষ্টা করেছে।
কিন্তু মেজিয়ার মানুষ জানে — ভারতীয় জনতা পার্টির আদর্শ কখনও সন্ত্রাস শেখায় না। আর সেই কারণেই বিপদতারণ বাউরী প্রতিটি মুহূর্তে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, কর্মীদের বুক দিয়ে আগলে রেখেছেন এবং সন্ত্রাস দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন।
যারা আন্দোলনের সময় ছিল না, যারা বিপদের দিনে রাস্তায় নামেনি, তারাই আজ বড় বড় কথা বলছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী থাকবে — লড়াইয়ের মাঠ থেকে বিপদতারণ বাউরী কোনোদিন সরে আসেননি।
এটা শুধু একজন নেতার গল্প নয়…
এটা মেজিয়া ব্লকের আত্মসম্মানের ইতিহাস।
এটা একজন প্রকৃত বিজেপি সৈনিকের সংগ্রামের দলিল। 🧡🚩
কুর্নিশ সেই লড়াকু যোদ্ধাকে —
বিপদতারণ বাউরী। 🙏🔥
Bipadtaran Bouri