ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা

  • Home
  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,
শাহ্ আলী থানা, ঢাকা মহানগর উত্তর

হারামাইনের নিরাপত্তাকে সকল রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধে রাখতে হবে-পীর সাহেব চরমোনাইইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফত...
16/09/2026

হারামাইনের নিরাপত্তাকে সকল রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধে রাখতে হবে
-পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম,পীর সাহেব চরমোনাই মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, গতকাল মক্কা-মদিনায় যখন সতর্কতামূলক সাইরেন বেজেছে তাতে গোটা মুসলিম উম্মাহ থমকে গিয়েছিলো। হারামাইন তথা মক্কা ও মদিনা বিশ্বের শতকোটি মুসলিমের প্রাণস্পন্দন। আমাদের চুড়ান্ত সীমারেখা। মক্কা ও মদিনা সকল রাষ্ট্র-রাজনীতির ঊর্ধের বিষয়। ফলে মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে সকল রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধে রাখতে হবে।

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর, বুধবার এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর এই মন্তব্য করেন। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, স্বস্তির বিষয় হলো, হুতিদের পক্ষ থেকে মক্কা-মদিনার নিরাপত্তার প্রতি কোন ধরণের হুমকি সৃষ্টি না করার বার্তা পাওয়া গেছে। এই অবস্থানের ওপরে তাদের অটল থাকতে হবে। একই সাথে সৌদি সরকারের প্রতিও আহবান থাকবে যে, যেহেতু ইসলামের প্রধান দুই পবিত্র স্থানের রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব আপনারা পালন করছেন সেহেতু এমন কোন রাজনৈতিক বিরোধে জড়িয়ে পড়া উচিৎ না যাতে পবিত্র দুই শহরের প্রতি কোন ধরণের হুমকি তৈরি হয়। শুধু নিরাপত্তাই না বরং এই দুই শহর ও জাজিরাতুল আরবের শান ও মর্যাদা রক্ষা করাও সৌদি সরকারের দায়িত্ব।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর হারামাইনের নিরাপত্তার সাথে নিজেদের সংযুক্ত করে বলেন, হারামাইনের নিরাপত্তা প্রশ্নে আমরা;বাংলাদেশের জনগন আপনাদের পাশে আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ।

সফল হোক।
12/09/2026

সফল হোক।

“হেবা আইনের বিতর্কিত সংশোধন প্রসঙ্গে শরীয়াহ ও আমাদের অবস্থান” শীর্ষক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এরসংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত। ল...
10/09/2026

“হেবা আইনের বিতর্কিত সংশোধন প্রসঙ্গে শরীয়াহ ও আমাদের অবস্থান” শীর্ষক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর
সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

লিখিত বক্তব্য -

নাহমাদুহু ওয়ানু সল্লি আলা রাসুলিহিল কারীম, আম্মাবাদ

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ, ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করতে হয়েছে। যে দেশের প্রায় সকল মানুষ ধর্মপ্রাণ এবং অধিকাংশ মানুষ মুসলমান সেই দেশের সরকার ধর্ম ও ইসলামবিরুদ্ধ কোন আইন জাতীয় সংসদে পাশ করতে পারে এটা কল্পনা করাও কষ্টকর। বিশেষত এমন একটা সরকার যারা ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ সংগ্রাম ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত পথ মাড়িয়ে ক্ষমতায় এসেছে।

আমাদের আহবানে আপনারা এসেছেন সেজন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
ঘটনা প্রবাহ আপনারা জানেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর, রোববার সংসদে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের একটি সংশোধনী আনা হয়। সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন-২০২৬ নামে আইনটি কন্ঠভোটে পাশ করা হয়। এই আইনে কুরআনে বর্ণিত ইসলামের অকাট্য একটি বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এই ক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য খুবই স্পষ্ট। দেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান, তাদের ধর্মীয় বিধান পালনে সহায়তা করতে রাষ্ট্র বাধ্য। সংবিধানের ধারা-৪১ এ প্রত্যেক নাগরিককে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে। ফলে সরকার কখনোই এমন কোন আইন করতে পারে না যা নাগরিকের ধর্ম পালনে বাঁধা সৃষ্টি করে।

এছাড়া বর্তমান সরকারও কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন করবে না বলে বারংবার অঙ্গিকার করেছে। কিন্তু সরকারের ছয়মাস যেতে না যেতেই সরকার শরীয়াহ বিরোধী আইন পাশ করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তীব্র নিন্দা করছে এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একই সাথে দাবি জানাচ্ছে যে, অবিলম্বে এই আইন বাতিল করতে হবে।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
সংসদে পাশ হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইন-১৮৮২ এর সংশোধনকল্পে আনীত “সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন-২০২৬” আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ শিরোনামে আইনমন্ত্রীর দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন পদ্ধতির পাশাপাশি আরেকটি পদ্ধতি যোগ করতে এই আইন করা হয়েছে।

প্রথমতঃ এখানে পরিস্কার করে বলে রাখা দরকার যে, সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতি ইসলামী শরীয়াহতে বিস্তারিত বলা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা উত্তরাধিকার আইনকে যত বিস্তৃতভাবে বর্ননা করেছেন তা অন্য আর কোন বিধানের ক্ষেত্রে করেন নাই। সম্ভাব্য সকল প্রকার ও পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে পরিবারের প্রথম স্তর (সন্তান ও তৎসম্পর্কিত), ২য় স্তর (বাবা-মা, ভাই-বোন ও তৎসম্পর্কিত), ৩য় স্তর (দাদা-চাচা ও তৎসম্পর্কিত) সহ সকলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উত্তরাধিকার বন্টনের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক বন্ধন ও দায়িত্ববোধ বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে এখানে নতুন করে কোন পদ্ধতি সংযোজন করার দরকার নাই, সুযোগও নাই।

দ্বিতীয়তঃ এমন আইন করার প্রয়োজন হলো কেন? এই আইনের কারণ ব্যাখ্যায় মন্ত্রীদের বক্তব্যে যে বার্তা পাওয়া যাচ্ছে তাহলো, শরীয়াহ নির্দেশিত উত্তরাধিকার আইনকে এড়িয়ে সন্তানদের জন্য সম্পত্তি এককভাবে নির্দিষ্ট করা নিমিত্তে “হেবা”র অপব্যবহারে সৃষ্ট একটি সমস্যার সমাধান সরকার করতে চাইছে। ইসলামের উত্তরাধিকার আইনে কোন কোন পরিস্থিতিতে সম্পত্তি সন্তানদের বাইরেও ভাই, চাচা,দাদা ও অন্যান্যদের অধিকারে পরিনত হয়। তেমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের বাইরের অন্যদের বঞ্চিত করতে সন্তানদের নামে সম্পত্তি “হেবা” করার একটি প্রবনতা আমাদের সমাজে বিদ্যমান।

শরীয়াহর উত্তরাধিকার আইনকে বাইপাস করার এই প্রবনতার একটি গ্রাহ্য নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হলো, যেই সন্তানের জন্য শরীয়াহকে বাইপাস করা হচ্ছে সেই সন্তানই “হেবা”সূত্রে সম্পদের মালিক হয়ে বাবা-মাকে সম্পদের ভোগ থেকে উচ্ছেদ করছে।
এই উচ্ছেদ করা অনেক ¶েত্রেই মানবিক প্রশ্ন তৈরি করে। বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মাকে গৃহহীন হতে হচ্ছে, মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। এই মানবিক প্রশ্নের সমাধান করা জরুরী।

কিন্তু এখানে মনে রাখতে হবে, এই সমস্যা শরীয়াহকে এড়িয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট। তাই এই সমস্যা সমাধান করার জন্য আবারো শরীয়াহকে অমান্য করে “হেবা”র বিধানে পরিবর্তন করা যাবে না। সেই অধিকার ইসলাম কাউকে দেয় নাই। বরং সর্বত্র শরীয়াহ মান্য করার মানসিকতা রাখতে হবে।

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ!
এখানে একটা বিষয় পরিস্কার করা জরুরী। সরকার বলছে, হেবা সংক্রান্ত আইন বহাল থাকবে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে দান বা গিফটের আরেকটি পদ্ধতি তৈরি করা হয়েছে। এখানে দুইটা বিষয়। এক-একটি মুসলিম দেশে শত বছর ধরে প্রচলিত একটি শরীয়াহ সমর্থিত আইনকে বাইপাস করার সুযোগ রাষ্ট্র কেন তৈরি করবে? মুসলিম হিসেবে শরীয়াহ আইন মানার সুযোগ তৈরির বদলে শরীয়াহ আইনকে এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ আমরা তৈরি করতে দিতে পারি না।

দুই, জীবনসত্ব রেখে যে হেবা করার সুযোগ রাখা হচ্ছে তা আদতে হেবা হচ্ছে না। সেটা অসিয়ত হচ্ছে। কিন্তু ওয়ারিসদের জন্য কোন অসিয়ত নাই। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রত্যেক হকদারকে তাঁর প্রাপ্য অধিকার দিয়ে দিয়েছেন, সুতরাং কোনো ওয়ারিশের জন্য অসিয়ত নেই (সুনানে তিরমিযি: ২১২০)।

আরেক হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ নির্ধারিত উত্তরাধিকার বাতিল করার চেষ্টা করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের উত্তরাধিকার বাতিল করে দেন। (সুনানে সাঈদ বিন মানসূর, পৃ. ১১৮, হাদীস ২৮৫; মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা, খ. ১৬, পৃ. ২১৫, বর্ণনা ৩১৬৬৮)

মানে হচ্ছে এই আইনের মাধ্যমে মানুষকে এমন একটা সুযোগ তৈরি করে দেয়া হচ্ছে, যার ব্যবহারে মানুষের জান্নাতের উত্তরাধিকার বাতিল হয়ে যাবে।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যুগ সেরা উলামায়ে কেরাম রয়েছেন। এই আইনের বিষয়ে উলামায়ে কেরাম আগেই ভিন্নমত পোষন করেছেন।
সেখানে শরীয়াহ সংক্রান্ত একটি বিষয়ে খ্রিষ্টান পন্ডিতদের রেফারেন্স ব্যবহার করে শরীয়াহ বিরুদ্ধ আইন প্রণয়ন করা দেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য ও জ্ঞানীয় সম্পদের প্রতি স্পষ্ট উপেক্ষা। এর মাধ্যমে সরকার দেশের উলামাদের অপমান করেছে।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
হেবার পরে সম্পত্তি থেকে বাবা-মাকে উচ্ছেদের ঘটনা রোধ করতেই হবে। সেজন্য আমাদের সমাজে, সংস্কৃতিতে ও শিক্ষায় বাবা-মায়ের প্রতি সন্মানের ধারণাকে গ্রোথিত করতে হবে। ইসলামের চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। শিশুবয়সেই ধর্মীয় চেতনা জাগরুক করতে হবে। আমাদের ঐহিত্য অনুসারে একান্নবর্তী পরিবারের ধারণা আবারো ফিরিয়ে আনতে হবে।

একই সাথে বাবা-মায়ের প্রতি কর্তব্য অবহেলাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচনা করে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই বাবা-মা সন্তানদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চান না। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। সমস্যা সমাধানের অনেক উপায় আছে। কিন্তু এই সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে শরীয়াহকে আরেকবার অমান্য করা যায় না।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
আইনমন্ত্রীকে কথাবার্তায় আরো মার্জিত হতে হবে। এই আইন নিয়ে তিনি যেভাবে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন তা শোভনীয় না। তিনি ব্রিটিশ ও পশ্চিমা আইনে বিজ্ঞ হতে পারেন কিন্তু শরীয়াহ্ আইন ও তার তৎপরতা নিয়ে তার চেয়ে উলামায়ে কেরামের প্রাজ্ঞতা বেশি। ফলে শরীয়াহ সংক্রান্ত বিষয়ে উলামায়ে কেরামের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া উচিৎ।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
সরকারকে বলবো, দেশে বহুবিদ সমস্যা রয়েছে। নিত্যদিনের সমস্যায় মানুষ জর্জরিত। বেকারত্ব বাড়ছে। দ্রব্যমূল্য লাগাম হারিয়েছে। সন্ত্রাসে তটস্থ হচ্ছে মানুষ। বিদ্যুতের সংকটে নাজেহাল জনতা। এমন বাস্তবভিত্তিক সমস্যার সমাধান না করে সরকার শরীয়াহ বিরুদ্ধতায় নেমে যাওয়া জাতির জন্য হতাশাজনক।

আমরা সরকারের সদিচ্ছার প্রতি সুধারণা রাখছি। সম্ভবত গভীরভাবে না ভেবেই আইনটি আনা হয়েছে। সেজন্য সরকারকে বলবো, আইনটি নিয়ে অধিকতর পর্যালোচনা করুন। উলামায়ে কেরাম ও আইনবিদদের সাথে পরামর্শ করুন। প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনুন। কিন্তু সমস্যা সমাধানের নামে কোন অবস্থাতেই শরীয়াহ অমান্য করা যাবে না।

কর্মসূচী:
১. আগামীকাল ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকল বিভাগীয় শহরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল।

মা'য়াসসালাম:
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (শায়েখ চরমোনাই)
সিনিয়র নায়েবে আমীর
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

09/09/2026
09/09/2026

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ‘হেবা আইন পাশ: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)।

আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে উত্তরণের কোন না কোন পথ খুলে দিবেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিজিক দান কর...
09/09/2026

আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে উত্তরণের কোন না কোন পথ খুলে দিবেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিজিক দান করবেন, যা সে ভাবতেও পারেনা। আর যে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করবে, তিনি তো তার জন্য যথেষ্ট হবেন।

সূরা আত তালাক, আয়াত ২-৩

08/09/2026

জ্বালানি সংকট সমাধানের নামে সংসদীয় কমিটি- শেষ পর্যন্ত কি শুধুই আইওয়াশ ?

-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান
মহাসচিব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

শরীয়াহ-র নির্দেশনা অমান্য করার ফলে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করার জন্য আবারো শরীয়াহকে অমান্য করা যাবে না -মাওলানা গাজী আতাউর ...
07/09/2026

শরীয়াহ-র নির্দেশনা অমান্য করার ফলে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করার জন্য আবারো শরীয়াহকে অমান্য করা যাবে না
-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান গতকাল সংসদে পাশ হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইন-১৮৮২ এর সংশোধনকল্পে আনীত “সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন-২০২৬” এর সমালোচনা করে বলেন, এই আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ শিরোনামে আইনমন্ত্রীর দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন পদ্ধতির পাশাপাশি আরেকটি পদ্ধতি যোগ করতে এই আইন করা হয়েছে। প্রথমতঃ এখানে পরিস্কার করে বলে রাখা দরকার যে, সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতি ইসলামী শরীয়াহতে বিস্তারিত বলা হয়েছে। এখানে নতুন করে কোন পদ্ধতি সংযোজন করার দরকার নাই, সুযোগও নাই। দ্বিতীয়তঃ এই আইনের কারণ ব্যাখ্যায় মন্ত্রীদের বক্তব্যে যে বার্তা পাওয়া যাচ্ছে তাহলো, শরীয়াহ নির্দেশিত উত্তরাধিকার আইনকে এড়িয়ে সন্তানদের জন্য সম্পত্তি এককভাবে নির্দিষ্ট করা নিমিত্তে “হেবা”র অপব্যবহারে সৃষ্ট একটি সমস্যার সমাধান সরকার করতে চাইছে। ইসলামের উত্তরাধিকার আইনে কোন কোন পরিস্থিতিতে সম্পত্তি সন্তানদের বাইরেও ভাই, চাচা,দাদা ও অন্যান্যদের অধিকারে পরিনত হয়। তেমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের বাইরের অন্যদের বঞ্চিত করতে সন্তানদের নামে সম্পত্তি “হেবা” করার একটি প্রবনতা আমাদের সমাজে বিদ্যমান। শরীয়াহর উত্তরাধিকার আইনকে বাইপাস করার এই প্রবনতার একটি গ্রাহ্য নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হলো, যেই সন্তানের জন্য শরীয়াহকে বাইপাস করা হচ্ছে সেই সন্তানই “হেবা”সূত্রে সম্পদের মালিক হয়ে বাবা-মাকে সম্পদের ভোগ থেকে উচ্ছেদ করছে। এই উচ্ছেদ করা অনেক ক্ষেত্রেই মানবিক প্রশ্ন তৈরি করে। সেই মানবিক প্রশ্ন সমাধান করা জরুরী কিন্তু এখানে মনে রাখতে হবে, এই সমস্যা শরীয়াহকে এড়িয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট। তাই এই সমস্যা সমাধান করার জন্য আবারো শরীয়াহকে অমান্য করে “হেবা”র বিধানে পরিবর্তন করা যাবে না। বরং সর্বত্র শরীয়াহ মান্য করার মানসিকতা রাখতে হবে।

আজ ৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, হেবার পরে সম্পত্তি থেকে বাবা-মাকে উচ্ছেদের ঘটনা রোধ করতে আমাদের সমাজে, সংস্কৃতিতে ও শিক্ষায় বাবা-মায়ের প্রতি সন্মানের ধারণাকে গ্রোথিত করতে হবে। একই সাথে বাবা-মায়ের প্রতি কর্তব্য অবহেলাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচনা করে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু এই সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে শরীয়াহকে আরেকবার অমান্য করা যায় না।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, আইনটি বাস্তবায়নযোগ্য না। কারণ হেবাকৃত সম্পত্তির ওপরে হেবাপ্রাপ্ত ব্যক্তির পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা না হলে হেবা সম্পন্ন হবে না। আর হেবা সম্পন্ন না হলে হেবাকারী ব্যক্তির মৃত্যুর পরে সেই সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার আইন প্রযোজ্য হবে। এতোসব জটিলতা নিয়ে কোন আইন হতে পারে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, আমরা সরকারের সদিচ্ছার প্রতি সুধারণা রাখছি। তবে সম্ভবত গভীরভাবে না ভেবেই আইনটি আনা হয়েছে। সেজন্য সরকারকে বলবো, আইনটি নিয়ে অধিকতর পর্যালোচনা করুন। উলামায়ে কেরাম ও আইনবিদদের সাথে পরামর্শ করুন। প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনুন। কিন্তু সমস্যা সমাধানের নামে কোন অবস্থাতেই শরীয়াহ অমান্য করা যাবে না।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
সহকারী মহাসচিব ও বিভাগীয় প্রধান
কেন্দ্রীয় প্রচাররও মিডিয়া বিভাগ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

সুরা আলে ইমরানের ১৫৯নং আয়াতের আলোকে নেতৃত্বের মৌলিক গুণাবলী ৬টি।১. কোমল ও নম্র আচরণ ২. ক্ষমা ও সহনশীলতা৩. অনুগামীদের জন...
06/09/2026

সুরা আলে ইমরানের ১৫৯নং আয়াতের আলোকে নেতৃত্বের মৌলিক গুণাবলী ৬টি।

১. কোমল ও নম্র আচরণ
২. ক্ষমা ও সহনশীলতা
৩. অনুগামীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা
৪. পরামর্শভিত্তিক কাজ করা
৫. দৃঢ়তা ও অবিচলতা
৬. তাওয়াক্কুল ও আল্লাহনির্ভরতা

Address

বাসা-৬৪, রোড-০৬, ব্লক-এ, শাহ্ আলী থানা, মিরপুর-১

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা:

Shortcuts

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share