ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা

  • Home
  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,
শাহ্ আলী থানা, ঢাকা মহানগর উত্তর

জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা ছাড়া কোনো বাজেট জনগণের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। দেশের প্রতিটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর-ভ্যাট...
13/06/2026

জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা ছাড়া কোনো বাজেট জনগণের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। দেশের প্রতিটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর-ভ্যাট দিচ্ছে। তাই জনগণের অর্থ কোন খাতে কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা জাতির সামনে পরিষ্কার থাকতে হবে।

-মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) আমীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট; বাস্তবায়নে অনিশ্চিয়তা প্রকট-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহা...
11/06/2026

আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট; বাস্তবায়নে অনিশ্চিয়তা প্রকট
-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আজ ১১ জুন জাতীয় সংসদে পেশকৃত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপরে তৎক্ষণাৎ দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বাজেটে এতো বেশি আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে যে, বাজেটকে আশাবাদে ভারাক্রান্ত বলে মনে হচ্ছে। এই বাজেট বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। তবে বাজেট সুলিখিত। বাজেট বক্তৃতায় জুলাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে,“সমাজ-সংস্কৃতির বুনন, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন”,জনমিতিকি লভ্যাংশ, দীর্ঘজীবিতা লভ্যাংশ ও গণতান্ত্রিক লভ্যাংশ এর কথা বলা হয়েছে। “স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও ন্যায্যতা”কে মূল বিবেচনা করে বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলো সাধুবাদযোগ্য।

কিন্তু ২০৩৪ এর মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির আশাবাদ, মূল্যস্ফিতি ৭.৫ এ নামিয়ে আনা, ৬.৫ প্রবৃদ্ধির লক্ষমাত্রা অর্জন করা বর্তমান বাস্তবতায় কঠিন হবে। বাজেট বক্তব্যে ভঙ্গুর অর্থনীতি, অস্থির বিশ্বরাজনীতির কথা আলোচনা করেও এমন আশাবাদ ব্যক্ত করা কেবলই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বলেই মনে হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, জনগণকে অর্জনঅযোগ্য আশা না দিয়ে বাস্তবভিত্তিক লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা উচিৎ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, বাজেট বক্তৃতায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে দেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫ শতাংশে উন্নীত করা, মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপি'র ২.৭ শতাংশে উন্নীত করা এবং মোট বিনিয়োগকে জিডিপি'র ৪০ শতাংশে উন্নীত করার যে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে তা চ্যালেঞ্জিং হবে।

বাজেট বক্তৃতায় ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি (Creative Economy), ক্রীড়া অর্থনীতি (Sports Economy), সবুজ অর্থনীতি (Green Economy) এবং সুনীল অর্থনীতি (Blue Economy)-এর মত খাতগুলোকে জাতীয় অর্থনীতির একেবারে কেন্দ্রে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছি।
কর ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনার মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা, রাজস্ব-জিডিপি'র অনুপাত বর্তমান ৮ শতাংশ থেকে ১১ শতাংশে উন্নীত করা যা বর্তমানে ৬.৮ শতাংশ এবং যা আগামী ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে ৯.৬ শতাংশে উন্নত করার আশাবাদও চ্যালেঞ্জিং হবে। কারণ রাজস্ব আদায় পদ্ধতি ও চর্চা দুর্নীতি ও অদক্ষতায় নিমজ্জিত। এইখাতে সংস্কার আনতে অন্তর্বতী সরকারকে প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছিলো।
ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতির যে আশাবাদ তাকে সাধুবাদ জানাই কিন্তু নীতি দুর্বলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংস্কার নিয়ে সরকারের অনিহা বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতির জন্য অদৃশ্য বাঁধা হয়ে আছে।
ব্যাংক ও আর্থিকখাতে যে প্রতিশ্রুতি ও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে তার বাস্তবতা নাই। বাংলাদেশ ব্যাংকে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে, ইসলামী ব্যাংকে রাজনৈতিক কারণে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। খেলাপি ঋণ হ্রাস, ঋণ অনুমোদন ও পুনঃতফসিল ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংক পরিচালনায় জবাবদিহিতা জোরদার করার প্রতিশ্রুতির বরখেলাফ এখনই দৃশ্যমান।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব বলেন, বাজেট প্রণয়নের আগে কেবলই ব্যবসায়ী ও সমাজের ওপরের তলার অংশীজনদের সাথে আলাপ আলোচনা করা হয়। কিন্তু শ্রমিক, কৃষক ও সাধারণ মানুষের সাথে আলাপ-আলোচনা করা হয় না। এবারও তার ব্যক্তিক্রম হয় নাই। আমরা বলবো, জনমানুষের সাথে কথা বলতে হবে, তাদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বাজেট তৈরি করতে হবে।
বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বৃদ্ধি ও পরিচালন ব্যয় কমিয়ে আনা, ব্যাংকিংখাত থেকে ঋণ গ্রহণ কমিয়ে আনার নীতিকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।
প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পদ সঞ্চালনে শিক্ষা ও মানবসম্পদ, স্বাস্থ্য, দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্থানীয় সরকার ও গ্রামীণ উন্নয়ন, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে। আমরা এর বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চাই।
শিক্ষাখাতে আধুনিকায়ণ, বহুভাষা শিক্ষা, পেশা বাছাইয়ে বহুমূখিকরণ, মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ সরবরাহ, প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষায়িত সহায়ক প্রযুক্তি ও শিক্ষাসামগ্রী প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। শক্তিশালী ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ও ইন্টার্নশিপ সুবিধা এবং স্টার্ট-আপ চালুকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এর সাথে শিক্ষাখাতে যে বরাদ্দ করা হয়েছে তা যথাযথভাবে কাজে লাগলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। কিন্তু অতিত অভিজ্ঞতা সুখকর নয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারদের মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে আহতদের যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আমরা এটা আরো বৃদ্ধি করার দাবী জানাচ্ছি।

ধর্মীয় উপাসনালয়ের নেতৃত্বকে সম্মানি বাবদ ১,০৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটা আরো বৃদ্ধি করে দেশের সকল মসজিদের ইমামদের এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করার দাবী জানাচ্ছি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো, কর্পোরেট কর না বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। বিদ্যমান করসীমার ভেতরে আদায়যোগ্য কর আদায় করতে পারলে এই বরাদ্দে কোন ঘাটতি তৈরি হবে না।
মৌলিক কৃষি ও ভোগ্যপণ্য, যেমন-ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ, ১ শতাংশ হতে হ্রাস করে মাত্র ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাকে স্বাগত জানাচ্ছি। একই সাথে স্বাস্থ্য খাতে কর ছাড়ের অংশ হিসেবে কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ অগ্রিম কর সম্পূর্ণ মওকুফ করার প্রস্তাব একটি ভালো প্রস্তাব।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, এই সরকার সব অর্থেই একটি নতুন সরকার। তাদের প্রস্তাবিত বাজেটকে ইতিবাচকভাবে দেখা যায় তবে এই বাজেট বাস্তবায়নে তাদের ওপরে নজর রাখা হবে। আগামী অর্থ বছরে তাদের প্রকৃত দক্ষতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পাবে। বাজেট বিষয়ে আমরা বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

বাজেটের পরিধির চেয়ে জনগণ বেশি জানতে চায় বাজেটের পরে নিত্য পণ্যের দাম কতটা কমবে?ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর ইসলামী...
10/06/2026

বাজেটের পরিধির চেয়ে জনগণ বেশি জানতে চায় বাজেটের পরে নিত্য পণ্যের দাম কতটা কমবে?
ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন, বাজেটের পরিধির চেয়ে জনগণ বেশি জানতে চায় বাজেটের পরে নিত্য পণ্যের দাম কতটা কমবে? ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা সংসদ থেকে শুরু করে পল্লী এলাকার চা দোকান পর্যন্ত বিরাজমান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর নির্বাচিত সরকারের অধীনে প্রথম বাজেট এটি। বিশালাকারের এই বাজেট নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আর কৌতূহলের অভাব নেই। বাজেট কত লক্ষ টাকার? এ খবরের চেয়ে বেশি জানা দরকার, বাজেট ঘোষণার পরে নিত্য পণ্যের দাম কতটা কমবে? জুলাই বিপ্লবোত্তর বাজেটেও যদি পণ্য মূল্যের বৃদ্ধি ঘটে, তাহলে এই বাজেট হবে পূর্বের ন্যায় গতানুগতিক চর্বিত চর্বন। এরকম ফাকা বুলি আমরা আগেও দেখেছি। পরিবর্তিত বাংলাদেশের জনআকাঙ্ক্ষার তেমন কোন প্রতিফলন ঘটবে না এই বাজেটে।

আজ ১০ জুন'২৬ বুধবার বিকাল ৪ টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে ভাটারাস্থ নগর উত্তর কার্যালয়ে থানা দায়িত্বশীলদের সাথে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, মুফতি নিজাম উদ্দিন, মুফতি হাবিবুল্লাহ, আলহাজ্ব শফিকুর রহমান, নূর হোসেন নূরানী, আবু বকর প্রমুখ।

তিনি আরো বলেন, আগামীকাল প্রায় ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। বাজেটের ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক উৎস থেকে ১.১৬ লাখ কোটি টাকা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১.৩৫ লাখ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৩.৬ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলা হলেও আদতে ৫ শতাংশের মধ্যে গিয়ে পোঁছবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও আর্থিকখাত ব্যবস্থাপনায় রাজনীতি নয় বরং সুশাসনকে গুরুত্ব দিতে হবে-মাওলানা গাজী আতাউর রহমানইসলামী আন্দো...
10/06/2026

আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও আর্থিকখাত ব্যবস্থাপনায় রাজনীতি নয় বরং সুশাসনকে গুরুত্ব দিতে হবে
-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, দেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত ও টেকসই করার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা আর্থিক রেগুলেটরকে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে। তাকে সুনাম ও জনগনের আস্থা অর্জন করতে হবে। আমাদের দুর্ভাগ্য যে, বিগত ফ্যাসিষ্ট আমলে আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিনত হয়েছিলো। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে আমাদের প্রত্যাশা ছিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক রাজনীতি নিরপেক্ষভাবে অর্থনীতির স্বার্থেই পরিচালিত হবে। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সাম্প্রতিক ইসলামী ব্যাংক নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে তাও অর্থনীতির জন্য সুখকর না। ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক কোন অনিয়ম হলে বা সুশাসনের কোন ঘাটতি হলে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব। কিন্তু সরকার ও বিরোধীদল পুরো তর্কটাকে রাজনীতিকরণ করেছে। জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ঘন্টার পর ঘন্টা একটা ব্যাংককে কেন্দ্র করে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। একদল ব্যাংকের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করছে আরেকদল তা সাব্যস্ত করতে চাইছে। আমরা মনে করি, এটা অহেতুক একটি বিতর্ক যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকে জাতির মনোযোগ সরিয়ে নিচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও আর্থিকখাত ব্যবস্থাপনায় রাজনীতি না বরং সুশাসনকে গুরুত্ব দিতে হবে। ইসলামী ব্যাংককে ব্যাংক হিসেবেই কাজ করতে দিতে হবে। কোন দলের কর্মী তোষন বা নির্বাচনী ফান্ড হিসেবে না। একই সাথে বাংলাদেশ ব্যাংককেও বিষয়টি সুরাহা করতে হবে আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে; কোন রাজনৈতিক দৃষ্টিতে না।

আজ ১০ জুন, বুধবার এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশের আর্থিকখাত ভঙ্গুর হয়ে আছে, বৈশ্বিক জটিলতায় জ্বালানিখাত মহাসংকটে নিপতিত, দ্রব্যমূল্য লাগামহীন, বিনিয়োগে স্থবিরতা কাটছে না, কর্মসংস্থানে কোন আশাবাদ নাই, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নাজুকতার চুড়ান্ত সীমা স্পর্শ করেছে আর সীমান্তে পুশইনের মতো বহুরাষ্ট্রীয় সমস্যা আমাদের সামনে। এমন সময় একটি ব্যাংকের রাজনৈতিক দখল ও প্রতি দখল নিয়ে সংসদের ঘন্টার পর ঘন্টা আলোচনা জাতি প্রত্যাশা করে না।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাশ করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারী, আমানতদারী ও জবাব...
09/06/2026

সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাশ করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারী, আমানতদারী ও জবাবদিহিতার যথেষ্ঠ ঘাটতি বরাবরই পরিলক্ষিত হয়। ফলে জনগনের কষ্টের টাকার বাজেটের একটি বড় অংশই অপব্যয়িত হয়। ক্রয় দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এই ধারা রোধ করতেই হবে।

--মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই
আমীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

09/06/2026

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে বাংলাদেশের অর্থবছরের বাজেট: আমাদের ভাবনা ও জনগণের প্রত্যাশা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান ওয়ালী উল্লাহ এমপি।

08/06/2026

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে বাংলাদেশের অর্থবছরের বাজেট: আমাদের ভাবনা ও জনগণের প্রত্যাশা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি,টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি-পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী আ...
08/06/2026

বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি,টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি
-পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, বাংলাদেশে প্রায় কোটি জনতা নিবন্ধিত করদাতা। যারা তাদের আয়ের ওপরে কর প্রদান করেন। কিন্তু বাজেটে রাজস্ব প্রদান করেন এদেশের সকল জনতা। তাদের প্রাত্যাহিক ক্রয়-বিক্রয়সহ প্রত্যেকটি সুবিদা গ্রহণের বিপরিতে কর দেয়, একজন ফকিরও কর প্রদান করে। সেই করের টাকার বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি,টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি।

আজ ৮ জুন, সোমবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির হলে অনুষ্ঠিত "বাংলাদেশের আগামী অর্থ বছরের বাজেট; আমাদের ভাবনা ও জনগনের প্রত্যাশা" শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত বাজেট আলোচনায় মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই আরো বলেন, সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাশ করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারী, আমনতদারী ও জবাবদিহিতার যথেষ্ঠ ঘাটতি বরাবরই পরিলক্ষিত হয়। ফলে জনগনের কষ্টের টাকার বাজেটের একটি বড় অংশই অপব্যয়িত হয়। ক্রয় দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এই ধারা রোধ করতেই হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাজেট কেবল অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নয় বরং জনগণের দায়বদ্ধতার অঙ্গিকার। জনগনের করের টাকায় বাজেট হয়, ঋণও জনগনের ওপরে চাপানো হয়। কিন্তু জনগণ এই বাজেটের সুবিধা কতটা পাচ্ছে তা বিবেচনায় নেয়া হয় না। বাজেটে যে সুবিধা জনগনের পাওয়ার কথা বলা হয় তাও জনগনের কাছে পৌছায় না দুর্নীতিগ্রস্থ সামগ্রিক সিস্টেমের কারণে। তাই বাজেট যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হতে হলে শুধু নেতা নয় নীতির পরিবর্তনও ঘটাতে হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শরীয়াহ একটি কার্যকর টুলস।

ডক্টর আফম খালিদ হোসেন বলেন, বাজেটে কওমী ও আলিয়া মাদ্রাসার জন্য উপবৃত্তি চালু করা, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ও গবেষণাখাতে বরাদ্দের দাবী জানাচ্ছি। আমলাতন্ত্রের জটিলতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমলাতন্ত্রের জন্য কোন কাজই করা যায় না। এই জটিলতা রোধে শরীয়াহ বেজড সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া বিকল্প নাই।

গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ডক্টর আফম খালিদ হোসেন, বরগুনা-১ এর সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ, চর্চার সম্পাদক ও বিশিষ্ট্য সাংবাদিক সোহবার হোসেন, সাবেক রাস্তদূত গোলাম মসিহ, ক্যাবের কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার এম এ এম গোলাম কিবরিয়া, ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মাওলানা মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ নাসের, নিজাম গ্রুপের এমডি মোহাম্মাদ নিজাম উদ্দিন, জয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান শামীম।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম,অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ,সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ, সহ প্রচার সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন নুর।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

08/06/2026

বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি,টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি।

--মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই

08/06/2026

Address

বাসা-৬৪, রোড-০৬, ব্লক-এ, শাহ্ আলী থানা, মিরপুর-১

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা:

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share