ইলেকট্রনিক্স টেকনোলোজি

ইলেকট্রনিক্স টেকনোলোজি আসসালামু আলাইকুম,

স্বাগতম আমাদের শিক?

Over and under voltage protector | Which is very important for home appliances and protects from over and under voltage ...
17/02/2023

Over and under voltage protector | Which is very important for home appliances and protects from over and under voltage and all so over current.

It can be used for mptor protector with very low cost

05/02/2023

25% OFF For New Users! - Buy Smart Circuit breaker / Voltage protector/ over Current protector, AC 220V 230V, 63A, Adjustable Digital Dual Display Over and Under Voltage protector at lowest prices in Bangladesh. Express Home Delivery in Dhaka, CTG & Countrywide

27/02/2022
09/05/2020

আজকে আমরা আলোচনা করব রিলে নিয়ে...
------------------------------------------------------

প্রশ্নঃ রিলে কি? রিলে কিভাবে কাজ করে?

উত্তরঃ রিলে এমন একটি প্রটেকটিভ ডিভাইস যা বৈদ্যুতিক পাওয়ার সিস্টেমে কোন পূর্ব নির্ধারিত বৈদ্যুতিক অবস্থার পরিবর্তনে সাড়া দিয়ে সার্কিটে সংযুক্ত অন্যান্য প্রটেকটিভ ডিভাইস (সার্কিট ব্রেকার, ট্রিপ কয়েল ইত্যাদি) সমূহকে অপারেট করতে সাহায্য করে।
সিস্টেম কে মারাত্মক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য রিলেকে সবসময় সজাগ ভূমিকা পালন করতে হয়, এজন্য রিলেকে অতন্দ্র প্রহরী বলা হয়।

রিলে বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে, যেমনঃ

* Solid State Relay,
* Overload Relay,
* Phase Failure Relay,
* Over Current Relay,
* PTC Relay ইত্যাদি।

--- বাজারে প্রচলিত Relay সমূহ ৩ ধরনের হয়ে থাকে

~ SPST: Single Pole Single Throw
~ SPDT: Single Pole Double Throw
~ DPDT: Double pole Double Throw
~ DPST: Double Pole Single Throw

> SPST এই ধরনের Relay সাধারণত ৪ টি পিন হয়ে থাকে।
> SPDT এই ধরনের Relay সাধারণত ৫ টি পিন থাকে।
> DPST এই ধরনের Relay সাধারণত ৬ টি পিন থাকে।
> DPDT এই ধরনের Relay সাধারণত ৮ টি পিন থাকে।

রিলে সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে অতি দ্রুত তোমরা কমেন্ট বক্সে আমাদেরকে জানিয়ে দেওয়া আমরা খুব শীঘ্রই তোমাদের কত দেওয়ার চেষ্টা করব...

ধন্যবাদ সবাইকে

05/05/2020

আসসালামু আলাইকুম
আজকে আমরা আলোচনা করব ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি কি...

ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল বা কখনো কখনো ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল প্রকৌশলবিদ্যার একটি শাখা যেটি ইলেক্ট্রনের প্রভাব ও আচরণ সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সাহায্যে বিভিন্ন উপাদান, যন্ত্রপাতি, (যেমন ইলেক্ট্রন টিউব, ট্রানজিস্টর, সমন্বিত বর্তনী) ইত্যাদির নির্মাণ, পরিমার্জন, পরিবর্ধন করে। ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি বা উপাদানের চালিকাশক্তি হিসেবে তড়িৎশক্তি ব্যবহৃত হয়। এই প্রকৌশলের অন্তর্গত শাখার মধ্যে তড়িৎশক্তি, টেলিযোগাযোগ প্রকৌশল, অর্ধ-পরিবাহী দ্বারা নির্মিত তড়িৎ বর্তনী অন্যতম

তড়িত প্রকৌশল এর সাথে সম্পর্ক:
ইলেকট্রনিক্স বৃহত্তর ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং একাডেমিক বিষয়ের মধ্যে একটি সহক্ষেত্র হিসেবে বিবেচ্য।কিছু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর একটি একাডেমিক ডিগ্রি অর্জন করা যায়,এছাড়া অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যুত্ প্রকৌশলকে একটি বিষয় হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি পলিটেকনিকে ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি নামে আলাদা একটি বিভাগে আছে । তড়িত প্রকৌশলী শব্দটি এখনও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একাডেমিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয্যে থাকে। যাইহোক, কেউ কেউ মনে করেন যে বিদ্যুৎ এবং উচ্চ ভোল্টেজ প্রকৌশল বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য 'বৈদ্ক প্রকৌশলী' শব্দটি সংরক্ষিত করা উচিত, অন্যেরা মনে করে যে বিদ্যুৎ কেবলমাত্র ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি সহক্ষেত্র, যেমনটা 'বৈদ্যুতিক বিতরণ প্রকৌশল'। 'তড়িত প্রকৌশল' শব্দটি সেই শিল্পের একটি বর্ণনাকারী হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।আবার, সাম্প্রতিক সময়ে আলাদা এন্ট্রি ডিগ্রি কোর্স যেমন 'ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং', 'সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং' এবং 'যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রকৌশল' এর প্রচলন হয়েছে, যা প্রায়ই অনুরূপ নামের একাডেমিক বিভাগ দ্বারা অনুসরণ করা হয় কিন্তু এসব ডিগ্রী সাধারণত ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর সহক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।

ক্ষেত্রসমূহ:
বর্তমানে এমন কোন ইন্ডাস্ট্রি নেই যেখানে ইলেকট্রনিক্স এর ব্যবহার নেই । বলা যায় কোন ইন্ডাস্ট্রির প্রাণ হলো ইলেকট্রনিক্স। কোন ইন্ডাস্ট্রির প্রতিটি ক্ষেত্রে কন্ট্রোল সেকশনের জন্য বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।

চাকরির ক্ষেত্র:
প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রিতে বিভিন্ন মেশিনারি নিয়ন্ত্রণের জন্য ইলেকট্রনিক্স এর স্টুডেন্টদেরকে নিয়োগ দিয়ে থাকে । তাছাড়া বিভিন্ন টেলিভিশন সেন্টার গুলোতে এবং ভিডিও স্টেশনগুলোতে প্রচুর পরিমানের ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি স্টুডেন্টদের কে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে ।

আপনারা যদি জানতে চান কোন কোন প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজির স্টুডেন্টদের কে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে আমাদেরকে কমেন্টে জানাবেন অবশ্যই।

ধন্যবাদ সবাইকে

সবাই কেমন আছেন বন্ধুরা , আশা করছি ভাল আছেন । অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম পি এফ আই (PFI) সম্পর্কে লিখবো কিন্তু সময় করে উঠতে প...
22/02/2020

সবাই কেমন আছেন বন্ধুরা , আশা করছি ভাল আছেন । অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম পি এফ আই (PFI) সম্পর্কে লিখবো কিন্তু সময় করে উঠতে পারছিলাম না । আমরা যারা ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পরালিখা করি অথবা যারা এই সেক্টরের সাথে জরিত তাদের পি এফ আই (PFI) কথাটা বেশ পরিচিত ।
যাক বেশি কথা না বলে কাজের কথায় আসা যাক প্রথমে বুঝতে হবে পি এফ আই (PFI) মানে কি। পি এফ আই (PFI) এর পূর্ণ অর্থ পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট (PFI= power Factor Improvement) । আমরা অর্থ থেকেই বেশ বুঝতে পারছি যে পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতির কাজে পি এফ আই (PFI) ব্যাবহার করা হয় । পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রভমেন্ট জানতে হলে আমাদের আরো কিছু বিষয় জানতে হবে সেগুলো হলো,
১। পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে ?
২। পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং মানে কি ?
৩। পাওয়ার ফ্যাক্টর লিডিং মানে কি?
৪। এবং পাওয়ার ফ্যাক্টর ইউনিটি বলতে কি বোঝায় ?
৫। পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট পদ্ধতি ।

পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে ?
কোন এ.সি. সার্কিটে ভোল্টেজের এবং কারেন্ট এর মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে বলা হয় পাওয়ার ফ্যাক্টর । অর্থাৎ পাওয়ার ফ্যাক্টর ভোল্টেজ ও কারেন্টের কোশাইন মান । আরও সহজ ভাবে বললে কারেন্ট ভোল্টেজের কত ড্রিগ্রি সামনে বা পেছনে আছে সেটাকে বুঝায় ।
পাওয়ার ফ্যাক্টর = অ্যাকটিভ পাওয়ার / আপাত পাওয়ার

এই পাওয়ার ফ্যাক্টর আবার তিন প্রকার সেগুলো হলো, ল্যাগিং, লিডিং, ইউনিটি । চলুন এগুলো নিয়ে কিছুটা ধারনা নেই ।

পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং মানে কি ?

যখন লাইনে (এসি) ক্যাপাসিটিভ লডের থেকে ইন্ডাকটিভ লোড বেশি থাকে তখন পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং হয় । অর্থ্যাৎ কারেন্ট যখন ভোল্টেজের থেকে পিছিয়ে থাকে তখন তাকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলা হয় ।

বিস্তারিত জানতে হলে নিচের লিংকে যেতে পারেন।
ভালোলাগলে Share করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন।

সবাই কেমন আছেন বন্ধুরা , আশা করছি ভাল আছেন । অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম পি এফ আই (PFI) সম্পর্কে লিখবো কিন্তু সময় করে উঠতে প...

05/02/2020

🌐সাধারণ বিজ্ঞান🌐

১.চাঁদে কোন বিস্ফোরণ ঘটলে শব্দ শোনা যাবেনা- কারণ চাঁদে কোন বায়ুমন্ডল নেই

২.যে রং দূর থেকে বেশী দেখা যায়- লাল রং

৩.রঙ্গিন টেলিভিশন মৌলিক রং- ৩টি। যথা: ক.লাল খ.সবুজ গ.আসমানী

৪.যে জায়গায় বস্তুুর ওজন বেশী- মেরু অঞ্চলে

৫.যে কাপে চা সবসময় গরম থাকে- সাদা কাপে

৬.যে কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়- কালো কাপে

৭.রঙ্গিন টেলিভিশন থেকে যে রশ্মি বের হয় তা ক্ষতিকারক- গামা রশ্মি

৮.যে পানিতে সবচেয়ে সাঁতার কাটা সহজ- সমুদ্রের পানিতে

৯.অন্ধকারে বাদুঁর চলাফেরা করে- সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে

১০.বাতাসে শব্দের গতি প্রায়- ৭৫৭ মাইল

১১.উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্ত গরার সম্ভাবনা থাকে- কারণ বায়ুর চাপ কম থাকা

১২.উঁচু পাহাড়ে রান্নাবান্না করতে বেশী সময় লাগে তাঁর কারণ- বায়ুর চাপ কম থাকা।

১৩.ঘার্মাক্ত শরীর থাকার অবস্থায় বৈদ্যুতিক পাখা ছাড়লে আমরা ঠান্ডা অনুভব করি কারণ- শরীর থেকে বাষ্পীভবনের হার বাড়িয়ে দেয়

১৪.বৈদ্যুতিক বাল্ব এর ভিতরে সাধারণত যে গ্যাস বেশী থাকে- নাইট্রোজেন গ্যাস

১৬.যে মাধ্যমে বায়ুর গতি সবচেয়ে বেশী- কঠিন মাধ্যমে

১৭.একটি পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। যথা:-১.কঠিন ২.তরল ৩.বায়বীয়।

১৮.বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি ও হিটারের ক্ষেত্রে যে তাঁর ব্যবহৃত হয়- নাইক্রোম তাঁর

১৯.একখন্ড বরফকে পানিতে পরিণত করলে এর আয়তন - বাড়ে

২০.কোন বস্তুর কাজ করার সার্থ্যকে বলা হয়- শক্তি

২১.কাজের একক- জুল

২২.ক্ষমতার একক- ওয়াট

২৩.বলের একক- নিউটন

২৪.ওজনের একক- কিলোগ্রাম

২৫.তাপমাত্রা পরিমাপের একক- কেলভিন

২৬.তড়িৎ প্রবাহের একক- আম্পিয়ার

২৭.প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান- মিথেন

২৮.টুথপেস্টের প্রধান উপাদান- সাবান ও পাউডার

২৯.বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ - একই হয়

৩০.আকশে রংধনুর সৃষ্টির কারণ- বৃষ্টির কণা

৩১.আকাশে রংধনুর ৭টি রং।যথা:-১.বেগুনী ২.নীল ৩.আসমানী ৪.সবুজ ৫.হলুদ ৬.কমলা ৭.লাল প্রভৃতি। সংক্ষেপে বলা হয় বেনীআসহকলা

৩২.গাড়ি থেকে যে কালো ধোঁয়া নির্গত হয় সেটি হল- কার্বণ মনোঅক্সাইড

৩৩.রাতের বেলায় কুকুর ও বিড়ালের চোখ জলজল করার কারণ - তাদের চোখে টেপেটাম নামক এক ধরণের রঞ্জক পদার্থ থাকে।

৩৪.একটি নীল বস্তুকে লাল জিনিসের মধ্যে রাথলে সেই বস্তুকে - কালো দেখায়

৩৫.প্রাকৃতিক উৎস হতে সবচেয়ে মৃদু ও বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায় -বৃষ্টির পানি

৩৬.আকাশ নীল দেখায় তার কারণ হচ্ছে- নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশী প্রতিফলিত হয়

৩৭.লোহায় মরিচা ধরা- রাসায়নিক পরিবর্তন

৩৮.রোধের একক -ওহম

৩৯.নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র- প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে

৪০.পৃথিবী ঘূর্ণায়নের ফলে আমরা চারিদিকে ছিটকে পড়িনা তার কারণ- মধ্যা্কর্ষণ বলের জন্য কিংবা মধ্যাকর্ষণ বলেল প্রভাবে

৪১.সূর্যের মধ্যে যে গ্যাস বেশী থাকে- হাইড্রোজেন গ্যস

৪২.শিমের বিচি যে জাতীয় খাদ্য- আমিষ

৪৩.সংকর ধাতুর প্রধান উপাদান - তামা ও দস্তা

৪৪.রাডারের ক্ষেত্রে যে ধরণের তরঙ্গ ব্যবহৃত হয় - মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ

৪৫.ডায়াবেটিস রোগের ক্ষেত্রে যে কথাটি সত্য নয়- চিনি জাতীয় খাবার খেলে এই রোগ হয়

৪৬.যে খাদ্যে সবচেয়ে বেশী প্রোটিন থাকে- মসুর ডালে

৪৭.শব্দের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যকে যেটি দ্বারা প্রকাশ করা হয়- ল্যামডা

৪৮.বহুমুত্র রোগের জন্য যে জিনিস দরকার- ইনসুলিন

৪৯.মানুষের দেহে যে রক্তকণিকা থাকে তা তিন প্রকার। যথা:-১.লোহিত রক্তকণিকা ২.শ্বেত রক্তকণিকা ও ৩.অনুচক্রিকা ।

৫০.হাঁড় ও দাতঁকে মজবুত রাখে- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস

৫১.লোহিত কণিকার গড় আয়ু মাত্র -১২০ দিন

৫২.মানবদেহে রক্ত জমাট বাধঁতে সাহায্য করে- অনুচক্রিকা

৫৩.শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক- ডেসিবেল

৫৪.বায়ুর চাপ মাপার পরিমাপক- ব্যারোমিটার

৫৫.বৃষ্টি পরিমাপক যন্ত্রের নাম- রেইনগেজ

৫৬.গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- ম্যানোমিটার

৫৭.বায়ুর আদ্রতা পরিমাপক যন্ত্রের নাম - হাইগ্রোমিটার

৫৮.উদ্ভিদবৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম -ক্রেসফোগ্রাফ

৫৯.দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- ল্যাক্টোমিটার

৬০.এপিকালচার- মৌমাছি পালন বিদ্যা

৬১.এন্টিমোলজী- কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিদ্যা

৬২.সেরিকালচার- রেশম চাষ বিদ্যা

৬৩.পিসিকালচার- মৎস্য চাষ বিদ্যা

৬৪.এভিকালচার- পাখিপালন বিদ্যা ।

 #পাওয়ার_প্লান্ট_সম্পর্কে_গুরুত্বপূর্ণ_৩৩_টি_প্রশ্ন_ও_উত্তর ১। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বয়লারে পরিবর্তে কী থাকে?উত্তর...
02/11/2019

#পাওয়ার_প্লান্ট_সম্পর্কে_গুরুত্বপূর্ণ_৩৩_টি_প্রশ্ন_ও_উত্তর

১। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বয়লারে পরিবর্তে কী থাকে?
উত্তর : পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বয়লারের পরিবর্তে নিউক্লিয়ার রিয়্যাকটর থাকে।।

২। পাওয়ার প্ল্যান্ট কী?
উত্তর : পাওয়ার প্ল্যান্ট বলতে আমরা একটি কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানকে বুঝি যেখানে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয়।

৩। পাওয়ার স্টেশনে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলাের নাম লিখ।
উত্তর : যন্ত্রপাতিগুলাে হচ্ছে- (ক) জেনারেটর, (খ) ট্রান্সফরমার, (গ) সুইচ গিয়ার, (ঘ) কন্ট্রোল গিয়ার ইত্যাদি।

৪। প্রাইমমুভারে ব্যবহৃত এনার্জি বা শক্তিগুলাে কী কী?
উত্তর : প্রাইমমুভারে ব্যবহৃত শক্তিগুলাে হলাে :
(ক) প্রাকৃতিক শক্তি, (খ) পানি শক্তি, (গ) জ্বালানি শক্তি, (ঘ) নিউক্লিয়ার শক্তি, (ঙ) সৌর শক্তি ইত্যাদি।

৫। প্রাইম মুভার কাকে বলে?
উত্তর : যে যন্ত্র নিজে ঘুরে এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে তাকে প্রাইম মুভার বলে।

৬। থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট কাকে বলে?

উত্তর : যে সকল পাওয়ার প্লান্টে জ্বালানি দহনের মাধ্যমে তাপ শক্তি উৎপাদন করে উহা বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয় তাকে থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট বলে।

৭। “ট্যাপিং পয়েন্ট” কিসে থাকে?

উত্তর : ট্যাপিং পয়েন্ট সাধারণত ডিস্ট্রিবিউটরে থাকে।

৮। ট্রান্সমিশন ভােল্টেজ কিসের উপর ভিত্তি করে নির্ণয় করা হয়?

উত্তর : ট্রান্সমিশন ভােল্টেজ সর্বোচ্চ দক্ষতা, উন্নত রেগুলেশন এবং সর্বোপরি প্ল্যান্টের ইকনমিক দিকের উপর ভিত্তি করে নির্ণয় করা হয়।

৯। জ্বালানির উপর ভিত্তি করে পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রকারভেদের নামগুলাে লিখ।

উত্তর : পাওয়ার প্ল্যান্টকে জ্বালানির উপর ভিত্তি করে ছয় ভাগে ভাগ করা হয়। যথা।
(ক) বাষ্প বিদ্যুৎ কেন্দ্র, (খ) ডিজেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, (গ) গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎ কেন্দ্র, (ঘ) পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, (ঙ) পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও (চ) সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

১০ । রিসিভিং সাব স্টেশনের কাজ কী?

উত্তর : রিসিভিং সাব স্টেশনের কাজ হলাে জেনারেটরের উৎপাদিত 132 কেভি ভােল্টেজকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে 33 কেভিতে রূপান্তর করে ফিডারের সাহায্যে পরবর্তী ডিস্ট্রিবিউশন সাব-স্টেশনে প্রেরণ করা।

# নূরে আলম বিপ্লব

Address

Tejgaon
Tejgaon
1212

Telephone

+8801757401993

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইলেকট্রনিক্স টেকনোলোজি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ইলেকট্রনিক্স টেকনোলোজি:

Share

Category