20/03/2026
চাঁদ রাতেও “ উত্তরণ” পৌঁছে গেছে দুইটি পরিবারের দুয়ারে—শুধু দায়িত্ব থেকে নয়, একটুখানি মানুষের পাশে থাকার ইচ্ছে থেকেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তারা এবারের ঈদে ন্যূনতম বাজারটুকুও করতে পারেনি। অভাব ছিল, কিন্তু লজ্জা আর আত্মসম্মানের কারণে কারো কাছে সাহায্য চাইতে পারেনি—চুপচাপ নিজেদের মতো করে লড়াই করে যাচ্ছিল।
প্রথম পরিবারটির গল্পটা সত্যিই কষ্টের। পরিবারের দুইটি ছোট বাচ্চাই অসুস্থ। তাদের চিকিৎসা করাতে করাতে বাবা-মা প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। সংসার চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে ঈদের আনন্দ যেন তাদের কাছে অনেক দূরের কিছু। তবুও অভাবের কথা কাউকে বলতে পারেনি তারা।
অন্য পরিবারটিও একইভাবে কঠিন সময় পার করছে। এই মুহূর্তে কোনো কাজ নেই, আয় নেই—তাই ঈদের রাতেও তারা বাজার করতে পারেনি। কিন্তু আত্মসম্মানের জায়গাটা এতটাই দৃঢ় যে, কারো কাছে হাত বাড়ায়নি।
তাদের এই নীরব কষ্টটা বুঝে “উত্তরণ” নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে। সামান্য এই উদ্যোগে তাদের মুখে যে স্বস্তির হাসি আর চোখে কৃতজ্ঞতার জল দেখা গেছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া। 💙