14/08/2026
বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম নেতা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন, প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন আল্লামা দেলওয়ার হোসেইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
জনসমর্থনহীন ফ্যাসিস্ট হাসিনার অবৈধ সরকারের সাজানো মিথ্যা মামলায় আটক থাকা অবস্থায় জীবনের শেষ প্রান্তে তিনি পরিবারের সান্নিধ্য ও উন্নত চিকিৎসা বঞ্চিত অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট সকালে স্ট্রোক করলেও রাতে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। বারবার অনুরোধের পরও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি।
তিনি ছিলেন দলমতনির্বিশেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলেমে দ্বীন। মানুষের দ্বারেদ্বারে কুরআন পৌঁছে দিতে তিনি ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের জনপদ থেকে জনপদে ছুটে বেড়িয়েছেন। শুধু দেশে নয়, বরং প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্য তিনি কুরআনের দাওয়াত পৌঁছে দিয়েছেন। কুরআনের দাওয়াতের ফলে দেশে-বিদেশে বহু অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেন, "আর তার চেয়ে কার কথা উত্তম যে আল্লাহর দিকে আহবান জানায় এবং সৎকাজ করে। আর বলে, অবশ্যই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।" [সূরা হামিম আস সাজদাহ, আয়াত ৩৩]
বাংলার জমিনে জনপদে জনপদে তাফসির মাহফিলের প্রসারে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য। সর্বস্তরের মানুষকে ইসলামী চেতনায় জাগ্রত করতে তাঁর অবদান ইসলামপ্রিয় জনতা কখনো ভুলবে না।
আল্লামা সাঈদীকে সুকৌশলে হত্যা করে ইসলামী আন্দোলনের কোনো ক্ষতি সরকার করতে পারেনি; বরং তিনি বাংলার জমিনে দেশ ও ইসলামপ্রিয় জনতার জন্য প্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবেন অনন্তকাল। ইসলামবিদ্বেষী অথবা বাম-রামরা যতই অপবাদ দিক না কেন, দেশ ও ইসলাম রক্ষার আপসহীন ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় আল্লামা দেলওয়ার হোসেইন সাঈদীকে শ্রদ্ধার সাথেই স্মরণ করবে, ইনশাআল্লাহ।