11/12/2025
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও দখলদার ইউনূস সরকার পতনের মহাআন্দোলনে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির প্রতি ছাত্রলীগের সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা :
বাংলাদেশের গণতন্ত্র ছিনতাই করে বসে থাকা অবৈধ , দখলদার, খুনি ও ফ্যাসিস্ট ইউনূসের সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যে রাষ্ট্রমাতৃক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সেই কর্মসূচির প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানাচ্ছে। একই সাথে ছাত্রলীগের প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিটকে কঠোর নির্দেশ দেয়া হচ্ছে এই কর্মসূচি দৃঢ়ভাবে সফল করতে হবে। রাষ্ট্রজুড়ে ভয়, নিপীড়ন ও সন্ত্রাসের যে দানবীয় শাসন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধকে সংগঠিত করাই এখন সময়ের দাবি; আর সে প্রতিরোধের অগ্রণী বাহিনী ছাত্রলীগই।
অবৈধ গ্রেফতার, গায়েবী মামলা, শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার–সনদ বাতিলের নামে শিক্ষাজীবন ধ্বংস, শিক্ষক অপমান, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নগ্ন প্রদর্শন - সবকিছুর বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের ঘোষিত আন্দোলনের প্রতিটি মুহূর্তে সামনে থাকবে। জনগণের নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ভিত্তি পুনর্গঠন করা এবং বঙ্গবন্ধুতনয়া দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নামে দায়ের করা মিথ্যা ও গায়েবী মামলা প্রত্যাহার করানো আজ ছাত্রসমাজের অস্তিত্বের লড়াই, আমাদের ভবিষ্যৎ রক্ষার লড়াই।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচিসমূহ:
১১ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার : সারা দেশে মশাল মিছিল
১২ ডিসেম্বর, শুক্রবার : বাদ জুম্মা বিক্ষোভ মিছিল
১৩ ডিসেম্বর, শনিবার : ঢাকাসহ সারা দেশে সকাল–সন্ধ্যা লকডাউন
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সকল সাংগঠনিক ইউনিট—বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, প্রকৌশল, কলেজ, মহানগর, জেলা, উপজেলা, থানা ও ইউনিয়ন শাখাকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে উপরোক্ত কর্মসূচি সর্বোচ্চ শক্তি, শৃঙ্খলা ও ত্যাগের মনোভাবে সফল করতে হবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঘোষণা করছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, শিক্ষকদের মর্যাদা এবং শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীন পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে প্রতিটি ইউনিটকে মাঠে নামতে হবে অটল সংকল্পে। কোনো দুর্বলতা, কোনো শৈথিল্য, কোনো ভয় কোনো কিছুই এই লড়াইকে থামাতে পারবে না। কারণ এই সংগ্রাম শুধু এক অবৈধ সরকারের পতনের জন্য নয় এই লড়াই বাংলাদেশকে অমানিশার আধার থেকে গণতান্ত্রিক আলোয় ফিরিয়ে আনার লড়াই; আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সংবিধান, নাগরিক অধিকার ও ভবিষ্যৎ রক্ষার লড়াই। বাংলাদেশকে বিদেশি ভূরাজনীতির দাবার গুটি বানাতে যারা উঠে পড়ে লেগেছে আমরা তাদের শিকার হবো না। এই দেশকে পরিচালনা করবে জনগণ এবং জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত গণতান্ত্রিক শক্তি, কোনো দখলদার, পরাশক্তির তল্পিবাহক বা মৌলবাদী এজেন্ট নয়। এই অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রলীগের লড়াই চলবেই।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু