30/05/2026
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর স্ত্রীর ষড়যন্ত্রের শিকার ; ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা জামাল উদ্দিন
সিলেট-৫ |নিজস্ব প্রতিনিধি
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বাউরভাগ (৩য় খণ্ড) গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমকে নিজ কন্যাকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর একটি অংশ ঘটনাটিকে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে করা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা বলে দাবি করেছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা অভিযোগ করেন যে, তিনি বাড়িতে ফিরে স্বামীকে মেয়ের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। বাধা দিতে গেলে তাকে মারধর করা হয়। পরে তিনি কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে, ২নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা জামাল উদ্দিন আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে দাবি করেন, জাহাঙ্গীর আলম স্ত্রীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে তিনি এমন কোনো তথ্য পাননি যা অভিযোগকে সমর্থন করে। বরং স্থানীয় বহু মানুষ বিষয়টিকে পারিবারিক কলহের ফলাফল বলে মনে করছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাও অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল এবং সেই বিরোধ থেকেই মামলার সূত্রপাত হতে পারে। তবে অভিযোগকারী পক্ষ এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
কানাইঘাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগ এবং স্থানীয়দের পাল্টা দাবির মধ্যে প্রকৃত ঘটনা কী, তা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে স্পষ্ট হবে। তাই আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।