বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সিলেট মহানগর

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সিলেট মহানগর

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সিলেট মহানগর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত যুব সমাজের শক্তিশালী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর সিলেট মহানগর শাখা।

জনগণেরজয় বাংলা গর্জনেভেঙে পড়বে ইউনুসেরজুলুমের প্রাসাদ
10/09/2025

জনগণের
জয় বাংলা গর্জনে
ভেঙে পড়বে ইউনুসের
জুলুমের প্রাসাদ

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে লেজেগোবরে ইউনূস গং, জোকার জাহাঙ্গীরের বক্তব্যে আবারও অসংলগ্নতা --স্বৈরাচারীর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহ...
10/09/2025

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে লেজেগোবরে ইউনূস গং, জোকার জাহাঙ্গীরের বক্তব্যে আবারও অসংলগ্নতা
--
স্বৈরাচারীর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ওরফে জোকার জাহাঙ্গীর বলেছেন 'ডাকসু নির্বাচনকে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা যাবে না।' আবার কি যেন ভেবে পরক্ষণেই তিনি বলে উঠলেন 'ডাকসু, জাকসুসহ যেসব নির্বাচন হচ্ছে এগুলো জাতীয় নির্বাচনের মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে।'

আসুন তাহলে জেনে আসি, এবাবের ডাকসু নির্বাচনে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত কিছু ঘটনাসমূহ। প্রথমত, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখতে পান শিবির প্যানেলের ভিপি-জিএস সাদিক কাইয়ুম এবং এসএম ফরহাদের ব্যালট আগে থেকে পূরণ করা। টিএসসির কেন্দ্রে ভোটারের ব্যালেট পেপারে দুই পদে টিক চিহ্ন দেওয়া ছিল ,এই অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন সহকারী প্রক্টর এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী।

দ্বিতীয়ত দেখা যায়, ভোট গণনার সময় একই কক্ষে শিবিরের সাদিক কাইয়ুমের অবস্থান। এ ঘটনাটি জানা জানি হলে, অন্যান্য প্রার্থীরা সেখানে প্রবেশ করতে চায় এবং প্রশাসনের বাধার সম্মুখীন হয়। এখানে স্পষ্ট প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণ স্পষ্ট।

এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে ভোট দিতে আসা একজন ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। এই যদি হয় জাতীয় নির্বাচনের মডেল, তবে এই মডেলে আগে থেকে বাদ পড়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোটি কোটি নেতা-কর্মী ও সমর্থকবৃন্দ৷ এছাড়াও, এবারের ডাকসু নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদল বলছে নির্বাচনের ফলাফল যদি তাদের পক্ষে না যায়, তবে ভয়ংকর পরিণাম দেখবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কারচুপির অভিযোগ দিয়ে আগেই প্রতিবাদ মিছিল বের করেছে ছাত্রদল। জোকার জাহাঙ্গীর নির্বাচনের পরিবেশ ভালো বললেও একেকজনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ মোটেও সুষ্ঠু নির্বাচনের বার্তা দেয় না। একদলকে প্রিভিলেজ দিতে গিয়ে ফলাফল আরেকদলের পক্ষে না হলে যে সহিংসতা হবে এরফলে ভোগান্তির স্বীকার ইউনূস প্রশাসন হবে না৷ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিষ্পাপ ছাত্র-ছাত্রী।

ডাকসু ইলেকশনের সহিংস বার্তা ও প্রশাসনিক পক্ষপাতমূলক আচরণই যদি জাতীয় নির্বাচনের মডেল হয়, তবে এটি হবে জাতির জন্যে আত্মঘাতিমূলক। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গীবাদের আতুরঘর বিএনপি-জামায়াত কেউ কাউকে ছাড় দেবে না, পক্ষপাতমূলক নির্বাচন বাংলাদেশে গণতন্ত্রকেও বিলীন করে দেবে।

মেট্রোরেল নিয়ে ইউনুস সরকারের নতুন ফন্দি - নিয়োগ আর  নিজেদের ব্যবসা বাণিজ্য ---- মেট্রোরেল ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের এক স্বপ...
10/09/2025

মেট্রোরেল নিয়ে ইউনুস সরকারের নতুন ফন্দি - নিয়োগ আর নিজেদের ব্যবসা বাণিজ্য
----

মেট্রোরেল ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের এক স্বপ্নের প্রকল্প। দূরদর্শী ভিশনের কারণেই প্রতিটি স্টেশন বানানো হয়েছিল বাড়তি দৈর্ঘ্যে, যাতে প্রয়োজনে সহজেই দুটি বাড়তি কোচ যুক্ত করা যায়। উদ্দেশ্য ছিল খুব স্পষ্ট—কম খরচে, একই লোকবল দিয়ে আরও বেশি যাত্রী পরিবহন, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারে।

২০২৩ সালে ডিএমটিসিএলের তৎকালীন এমডি পর্যন্ত ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে প্রতিটি ট্রেনে ৮ কোচ চলবে। সেই অনুযায়ী প্ল্যাটফর্মেও জায়গা রাখা হয়েছিল। কিন্তু আজ কী দেখা যাচ্ছে? বাস্তবে প্রতিটি ট্রেন চলছে মাত্র ৬ কোচে, আর বাড়তি ফাঁকা জায়গা লোহার বেড়া দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে।

এখনকার অবৈধ দখলদার অগণতান্ত্রিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বলছে—খরচের কারণে বাড়তি কোচ আনা যাবে না। অথচ একই ট্রেনে ২ কোচ যোগ করলে অতিরিক্ত হাজারখানেক যাত্রী পরিবহন সম্ভব হতো, তেমন কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই। এর বদলে তারা বেছে নিয়েছে ট্রেন সংখ্যা বাড়ানোর পথ। এর মানে—নতুন জনবল, নতুন নিয়োগ, নতুন খরচ, নতুন কমিশন, আর নতুন সময় নষ্ট!

এটাই আসল সত্য—
যেখানে আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনা ছিল সহজলভ্য সেবা, সেখানে দখলদার সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে শুধু লুটপাট।
জনগণের ট্যাক্সের টাকা খরচ করে তারা আবারও প্রকল্প বানাচ্ছে, যাতে কমিশন খাওয়া যায়, সময়ক্ষেপণ করা যায়, আর মানুষকে ভোগান্তিতে রাখা যায়।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ কেবল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই -- বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পদ্মাসেতু থ...
10/09/2025

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ কেবল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই
--

বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পদ্মাসেতু থেকে মেট্রোরেল, স্যাটেলাইট থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে আওয়ামী লীগের দূরদর্শী নেতৃত্ব। জনগণ জানে, এই দলই পারে দেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে।

ষড়যন্ত্রকারীরা বারবার দেশকে পিছনে নিতে চেয়েছে। তারা চেয়েছে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস আর দারিদ্র্যের অন্ধকার ফিরিয়ে আনতে।
আওয়ামী লীগ মানে উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তা। কৃষক, শ্রমিক, তরুণ, নারী প্রতিটি শ্রেণি জানে এই দলই তাদের ভরসা। শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ছাড়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

তাই আজ এককথায় বলা যায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ কেবল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই। এই নেতৃত্বই জাতিকে রক্ষা করবে, দেশকে এগিয়ে নেবে এবং বিজয় নিশ্চিত করবে।

'বঙ্গবন্ধু শিখিয়ে গেছেন,লড়াই করে বাঁচতে হবে'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
10/09/2025

'বঙ্গবন্ধু শিখিয়ে গেছেন,
লড়াই করে বাঁচতে হবে'

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

ফ্যাসিস্ট ইউনুসের প্রশাসনিক মব সন্ত্রাসের শিকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা - কর্মীরা। আমাদের সংগ্রাম চলবে...
10/09/2025

ফ্যাসিস্ট ইউনুসের প্রশাসনিক মব সন্ত্রাসের শিকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা - কর্মীরা।

আমাদের সংগ্রাম চলবেই।
দাবায়া রাখবে পারবানা না।

-----------------------------------------

-নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক এমপি সাদ্দাম হোসেন পাভেল
-পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলা শাখার ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তানজিল হোসেন অভি
-পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানাধীন সূর্যমনি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান হাওলাদার
-পটুয়াখালী জেলার ছাত্রলীগের বাউফল উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমানে বঙ্গবন্ধু কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এ কে এম খোরশেদ আলম
-বংশাল থানা ৩২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নাশকতা পরিকল্পনাকারী দেলোয়ার হোসেন বাবলু
-উত্তরা পূর্ব ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আল মামুন ভুইয়া
-আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য কায়কোবাদ ওসমানী
-মুন্সীগঞ্জ লৌহজং থানার খিতিরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন

সংস্কারের নামে গণ গ্রেফতারের এইসব প্রহসন ও আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে।

একুশে আগস্ট বাংলাদেশে আসলে কিছুই হয় নি। সব আওয়ামী লীগের সাজানো নাটক ছিল। - ইউনুসের বিচার বিভাগ এটাই চব্বিশের স্বাধীনতা!
10/09/2025

একুশে আগস্ট বাংলাদেশে আসলে কিছুই হয় নি। সব আওয়ামী লীগের সাজানো নাটক ছিল।
- ইউনুসের বিচার বিভাগ

এটাই চব্বিশের স্বাধীনতা!

ইউনুস-খলিলের অবৈধ শাসনে জাতির মর্যাদা হারিয়ে গেছে আজ টিসিবির ট্রাকের লাইনেসুদী মহাজন ইউনুস আজকের বাংলাদেশকে এমন এক জায়গা...
10/09/2025

ইউনুস-খলিলের অবৈধ শাসনে জাতির মর্যাদা হারিয়ে গেছে আজ টিসিবির ট্রাকের লাইনে

সুদী মহাজন ইউনুস আজকের বাংলাদেশকে এমন এক জায়গায় ঠেলে দিয়েছেন যেখানে মানুষের মৌলিক মর্যাদাই যেন অলীক স্বপ্নের মতো লাগে। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বা লালমাটিয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর মুখে লজ্জা, অসহায়তা আর ক্ষুধার ছাপ স্পষ্ট। তারা দিনমজুর নন, তারা কেবল গরিবও নন। এদের অনেকেই মধ্যবিত্ত, অফিসকর্মী, শিক্ষক কিংবা ছোট ব্যবসায়ী। অথচ আজ তারা বাধ্য হচ্ছেন ট্রাকের পেছনে দাঁড়িয়ে এক ঘণ্টা, দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে। কারণ বাজারের দামে তাদের আয় আর টিকছে না।

এই দেশে বেগুন, ঢ্যাঁড়স, কচুর লতি, এমনকি ডিম আর মুরগিও এখন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি কমিশনের রিপোর্ট বলছে, কয়েক মাসে সবজির দাম ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ডিম ১৪০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৮০, সোনালি ৩২০। মাছ কিনতে গেলে ৩০০ টাকার নীচে নামাই যায় না। আটা, ময়দা, ডাল—যা ছিল গরিব মানুষের শেষ আশ্রয়—সেগুলোর দামও হু হু করে উঠছে। সাধারণ মানুষ যখন বাজারে যায়, তাদের চোখেমুখে একটাই প্রশ্ন: এভাবে আর কতদিন?

কিন্তু ইউনুস আর খলিলদের কাছে এই প্রশ্ন পৌঁছায় না। কারণ তারা দেশের বাস্তবতা বোঝার প্রয়োজন বোধও করেন না। বিদেশি টাকা, জঙ্গি গোষ্ঠীর সহায়তা আর সেনাবাহিনীর একাংশের ছায়া ব্যবহার করে জুলাইয়ের দাঙ্গা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল কেবল ক্ষমতা দখলের জন্য। নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিয়ে যারা অবৈধভাবে সিংহাসনে বসেছে, তাদের কাছে মানুষ নয়, কেবল নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাটাই মুখ্য। দেশের কৃষক কী দামে শাকসবজি তুলছে, শ্রমিকের আয় কোন খাতে শেষ হয়ে যাচ্ছে, অফিসপাড়ার কর্মচারী কীভাবে লজ্জায় মাথা নিচু করে ট্রাকের পেছনে দাঁড়াচ্ছে—এসব তাদের কাছে কোনো মূল্যই রাখে না।

ইউনুস আজ বাংলাদেশকে এমন এক ভয়াবহ অবস্থায় দাঁড় করিয়েছেন যেখানে ট্রাকের পেছনে দাঁড়ানো মানে শুধু সস্তায় কিছু পণ্য কেনা নয়, বরং রাষ্ট্রের দেয়া লাঞ্চনা সহ্য করা। মানুষ মনে মনে ভেঙে যাচ্ছে, তারা বুঝতে পারছে তাদের কষ্ট, লজ্জা আর ক্ষুধাকে কেউ পাত্তাই দিচ্ছে না। এই শাসনব্যবস্থা মানুষের প্রতি চরম অবমাননা। এ যেন এক নোংরা রসিকতা, যেখানে দেশের নাগরিকদের জীবনের দামে একদল ক্ষমতালোভীর ভোগ-বিলাস চলছে।

আজ বাংলাদেশে বাজার শুধু গরম না, বাজার পুড়ছে। পুড়ছে মানুষের সঞ্চয়, পুড়ছে মধ্যবিত্তের আশা, পুড়ছে সীমিত আয়ের মানুষের ঘরসংসার। অথচ ইউনুস আর তার সহযোগীরা এক ভিন্ন দুনিয়ায় বাস করছেন, যেখানে বিদেশি প্রভুদের তুষ্ট করা ছাড়া আর কিছু নেই। তাদের হাতে দেশের অর্থনীতি এক গভীর অন্ধকার গহ্বরে ধাক্কা খাচ্ছে।

এই অপমানের দায়, এই অবমাননার দায় ইউনুস-খলিল গংয়ের না হলে আর কার?

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ানক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে আজ বাংলাদেশ। ক্ষুধা, লজ্জা আর অবমাননার মধ্যে যে মানুষ প্রতিদিন ঘুরপাক খাচ্ছে, সেই মানুষের প্রতি এই শাসকগোষ্ঠীর আচরণ কেবল একটাই প্রমাণ করে : ইউনুস ও তার সহযোগীরা কোনোদিনই এই দেশের ছিলেন না, নেই, থাকবেনও না।

গোয়ালন্দে মাজার ভাঙচুর ও লাশ পোড়ানো - ধর্মকে ঢাল বানিয়ে উগ্রতা——বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য স...
10/09/2025

গোয়ালন্দে মাজার ভাঙচুর ও লাশ পোড়ানো - ধর্মকে ঢাল বানিয়ে উগ্রতা
——

বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সর্বদা জাতির অন্তরে গভীরভাবে প্রোথিত। পীর–আউলিয়া, গাউস–কুতুব ও ওলীদের মাজার শুধু ধর্মীয় কেন্দ্র নয়, বরং সামাজিক মিলনস্থলও বটে। শত শত বছর ধরে এসব স্থান মানুষের আত্মিক চর্চা, সাম্য ও মানবতার শিক্ষার প্রধান উৎস হয়ে আছে। অথচ সাম্প্রতিককালে দেশজুড়ে যে বর্বর তাণ্ডব চালানো হচ্ছে, তা আমাদের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ইতিহাসকে ধ্বংস করার এক নৃশংস অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।

গোয়ালন্দের ঘটনা চরম উন্মত্ততার দৃষ্টান্ত

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, গোয়ালন্দ উপজেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি ও থানা জামায়াতের সভাপতি মৌলানা জালাল প্রায় ১৫–২০ দিন আগে ‘ঈমান ও আকিদা রক্ষা কমিটি’ নামের একটি সংগঠন গঠন করেন। প্রথম দেখায় সংগঠনের নামটি ধর্মীয় আবেগ জাগ্রত করার মতো হলেও বাস্তবে এটি ছিল চরমপন্থী গোষ্ঠীকে সংঘবদ্ধ করার একটি হাতিয়ার।

এরই ধারাবাহিকতায় পৌর বিএনপি’র সভাপতি আবুল কাশেম এবং গোয়ালন্দ থানা বিএনপি’র জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি আয়ুব আলী খানের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে গতকাল সংঘটিত হয় এক ভয়াবহ নৃশংসতা। তারা অনুসারীদের নিয়ে একটি পবিত্র মাজার ভেঙে ফেলে, এমনকি কবর থেকে লাশ তুলে উন্মত্ত উল্লাসে লাশ পোড়ানোর মতো মধ্যযুগীয় বর্বরতা প্রদর্শন করে। এই দৃশ্য শুধু স্থানীয় মানুষকে নয়, সমগ্র জাতিকে স্তম্ভিত করেছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বারবার ফিরে আসা একই চিত্র

এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বাংলাদেশের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যখনই জামায়াত–বিএনপি কিংবা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী গোষ্ঠী রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে অথবা প্রভাব বিস্তার করেছে, তখনই ধর্মীয় আচার–অনুষ্ঠান, আধ্যাত্মিক কেন্দ্র এবং মাজারের ওপর নৃশংস আঘাত নেমে এসেছে।

পাকিস্তান আমলে (১৯৪৭–৭১) তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সুফিবাদ ও মাজারভিত্তিক সংস্কৃতিকে ইসলামবিরোধী আখ্যা দিয়ে দমন করার চেষ্টা চালায়। মাদ্রাসাভিত্তিক কঠোর মতাদর্শ প্রচারের মাধ্যমে তারা বাঙালি মুসলমানদের আধ্যাত্মিক চেতনা ক্ষুণ্ন করতে চেয়েছিল।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার–আলবদর বাহিনী বহু মাজার ও দরগাহে হামলা চালায়, কারণ এগুলো ছিল মুক্তিকামী মানুষের মিলনস্থল। অনেক পীর–মাশায়েখ মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়ানোয় তাদেরও হত্যা করা হয়।

২০০১ সালে বিএনপি–জামায়াত সরকার গঠনের পর : সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বহু পীর–আউলিয়ার মাজার ও আশ্রমে হামলা হয়। সন্ত্রাসীরা পীর–দরবেশদের হত্যার ঘটনাও ঘটায়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ছিল ধর্মীয় উগ্রবাদী ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের যৌথ বহিঃপ্রকাশ।

ইউনূস গোষ্ঠীর সাম্প্রতিক ক্ষমতা দখলের পর : আবারও একই চিত্র ফিরে এসেছে। পীর–আউলিয়া, গাউস–কুতুবদের অসংখ্য মাজার শরীফ ও দরগাহ পরিকল্পিতভাবে ভাঙা, জ্বালানো ও অপবিত্র করা হচ্ছে।

এই ইতিহাস প্রমাণ করে, ধর্মের আড়ালে রাজনীতি করার নামে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি বারবার বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হেনেছে।

ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো

ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যারা সাধু–বুজুর্গদের স্মৃতি ধ্বংস করছে, তাদের উদ্দেশ্য মোটেই ধর্মীয় নয়। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ‘তৌহিদি জনতা’ নামটি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে উত্তেজিত করা হচ্ছে। অথচ প্রকৃত সত্য হলো এটি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও জঙ্গিবাদী শক্তির পুনঃসংগঠনের কৌশল।

গোয়ালন্দের মাজার ভাঙচুর ও লাশ পোড়ানোর মতো ঘটনা শুধু স্থানীয় সমস্যা নয়, এটি একটি জাতীয় সংকেত। এই বর্বরতা প্রমাণ করে, সুযোগ পেলেই জামায়াত–বিএনপি দেশকে ধর্মীয় উগ্রতা ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায়।

বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ধরে রাখতে হলে এসব চরমপন্থী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। আমাদের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও ধর্মীয় সহনশীলতা রক্ষার মধ্য দিয়েই জাতীয় ঐক্য সংহত করা সম্ভব।

ছাত্রলীগের রক্ত ঝরানোই বিএনপির একমাত্র রাজনীতি! ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক...
10/09/2025

ছাত্রলীগের রক্ত ঝরানোই বিএনপির একমাত্র রাজনীতি!

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিমুলের উপর বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী নৃশংস হামলা চালিয়েছে। এই হামলা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়—এটি স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে ধ্বংস করার বিএনপির গভীর ষড়যন্ত্র। এরা কখনোই রাজনীতি করেনি, এরা শুধু করেছে সন্ত্রাস, হত্যা আর ষড়যন্ত্র। ছাত্রলীগের রক্ত ঝরানোই তাদের একমাত্র অস্ত্র।

বাংলার জনগণ আজ বুঝে গেছে—বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য নয়, এরা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে মাঠে নেমেছে। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শিমুলের রক্ত যেন আবারও জাতিকে সতর্ক করে দিচ্ছে—বিএনপি নামের সন্ত্রাসী শক্তিকে রুখতেই হবে।

Address

Zindabazar
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সিলেট মহানগর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share