03/07/2025
শাবিপ্রবি ✊💙
ফিরে দেখা দ্রোহের জুলাই
৩ জুলাই'২০২৪, বুধবার
এই দিনে ঢাকার শাহবাগ মোড় দেড় ঘণ্টার মতো অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একই দিনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি বিএম কলেজসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ক্যাম্পাসেই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং রাজপথের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ।
এই দিনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো আন্দোলনের ঘোষণা এবং "বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন" প্ল্যাটফর্ম ঘোষিত ৪ দফা দাবি উপস্থাপন করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্পাদক আজাদ শিকদার।
জাতীয় সংকট নিরসনে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজন করে এক জাতীয় সংলাপ। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহতারাম আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেন:
“আমরা সবাই পরিস্থিতি জানি। এই সরকার ফেরাউনি স্টাইলে যে নির্যাতন-নিপীড়ন চালাচ্ছে, তার শিকার আমরা কম-বেশি সবাই। তারপরও প্রিয় স্বদেশ যখন তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্নের মুখে, তখন রুখে দাঁড়ানো আমাদের সকলের সমান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে কিভাবে কাজ করা যায়, কিভাবে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশদ্রোহী, জালিম এই স্বৈরাচারকে উৎখাত করা যায়—তা নিয়ে পরামর্শ করার জন্যই আজকের এই আয়োজন।”
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সরকারি বিএম কলেজ শাখার তৎকালীন সভাপতি হাসান রাজু, সহ সভাপতি জিয়াউর রহমান নাইম, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন এবং সংগঠনিক সম্পাদক হান্নান উদ্দিন সাকিল-এর নেতৃত্বে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান সভাপতি আব্দুর রহমানের স্লোগানে প্রকম্পিত হয় পুরো ক্যাম্পাস।
এছাড়াও এই দিন থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খুলনার জিরো পয়েন্টে আন্দোলনে অংশ নেয় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা ও মহানগর শাখা।