গোলাপগঞ্জ নামের উৎপওি সম্পর্কীয় ইতিহাস আজো রহস্যাবৃত। এ সম্পর্কে এখনও কোন প্রামান্য দলিল পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র স্থানীয় জনশ্রতিই এর একমাত্র ঐতিহাসিক এবং তাও কোন কোন ক্ষেত্রে বিতর্কিত। অনেকের মতে কোন ব্যক্তি বিশেষের বিশেষ করে কোন রাজা,বাদশাহ,স্থানীয় শাসক কিংবা বিজেতের নাম গোলাপগঞ্জ নামের সঁঙ্গে জড়িয়ে আছে। ‘শ্রী গৌরাঙ্গের পূবাঞ্চল পরিভ্রমন এবং আসাম ও ঢাকাদক্ষিন লীলা প্রসঁঙ্গ’ গ্রন্থে উলে¬খ পা
ওয়া যায়,পাঠান আমল থেকে সিলেট জেলায় দেওয়ান পদ বিশিষ্ট একজন স্থানিয় রাজস্ব কর্মকর্তা অবস্তান করতেন।তিনি ছিলেন দিললী সম্রাটের প্রতিনিধি।রাজা গীরিষ চন্দ্রের পূর্ব পুরুষগন বহুদিন যাবত এ পদে বহাল পর পাঠান সম্রাট শের শাহের পুত্র ইসলাম শাহ শুরের রাজত্বকালে ১৫৪০ সালে গোলাব রায় নামে একজন নতুন দেওয়ান এপদে নিযুক্তি লাভ করেন।তিনি ছিলেন খুবই ধর্মপরায়ন ব্যক্তি,তাঁরই নামানুসারে ‘গোলাবগঞ্জ” নামের সৃষ্টি হয়। পরবর্তিতে ‘গোলাবগঞ্জ” থেকে “গোলাপগঞ্জ” নামে পরিচিতি লাভ করে।পূবে থানা প্রশাসন ছিল হেতিমগঞ্জ।১৯০৬ সালে তদানীন্তন বৃটিশ সরকার সুরমা বিধৌত উপকুলবর্তী অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ বিজরিত এক মনোরম স্থান গোলাপগঞ্জ বাজারের সন্নিকটে থানা কার্যালয় স্থানান্তরিত করেন।
সীমা: পূবে বিয়ানীবাজার থানা ও পশ্চিমে সিলেট সদর থানা,উত্তরে সিলেট সদর থানা ও কানাইঘাটের কিয়দংশ এবং দক্ষিনে কুশিয়ারা নদী ও ফেঞ্চুগঞ্জ থানা অবস্থিত। আয়তন: ১০৫.৫৭ বর্গ মাইল,২৪৭ বর্গ কিলোমিটার বা ৬৭৫৬৯.৪৩ একর। লোকসংখ্যা: ২,২৯০৭৪ জন, পুরুষ ১,১৫,২১০ জন, মহিলা ১,১৩,৮৬৪জন। ইউনিয়ন: ১১ টি , ১নং বাঘা, ২নং গোলাপগঞ্জ, ৩নং ফুলবাড়ি, ৪ নং লক্ষিপাশা, ৫ নং বুধবারীবাজার, ৬ নং ঢাকাদক্ষিন, ৭ নং লক্ষনবন্দ, ৮নং ভাদেশ্বর, ৯ নং পশ্চিম আমুড়া, ১০ নং উত্তর বাদেপাশা ও ১১ নং শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন।
আনোয়ার শাহজাহান রচিত 'গোলাপগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৬ সালে এবং এটিই ছিল গোলাপগঞ্জের প্রথম ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ। 'গোলাপগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য' গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হচছে, আপনি ও তথ্য প্রদান করে সহযোগিতা করতে পারেন। গোলাপগঞ্জ ডটকম ওয়েব সাইটে 'গোলাপগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য' গ্রন্থ থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে - আনোয়ার শাহজাহান