02/05/2026
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আজ সকালের নাগরিক সভার আমন্ত্রণপত্রটা আমি দলের একজন নেতাকে দিয়ে দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, বিকেলের কর্মীসভায় তো যাচ্ছিই—উনি বরং সকালে যাক, কাছ থেকে দেখুক আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে।
কিন্তু বিকেলে শিল্পকলা একাডেমিতে ঢোকার সময় বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত নেতা-কর্মীকে দেখে সত্যি লজ্জা লাগছিল।
অনেকেই ছিলেন যারা বাবার সাথে রাজনীতি করেছেন- তাদের চোখের দিকে তাকানোই কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। গুলিবিদ্ধ অনেকে শুনেছি আসেই নি অভিমান করে।
তারা বাইরে দাঁড়িয়ে, আর আমি ভেতরে ঢুকছি- এই জিনিসটা খুব খারাপ লাগছিলো।
গত ১৬-১৭ বছরে এই দলকে টিকিয়ে রাখা আর এই দলকে আজকে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে বসানোর কঠিন সংগ্রামে তাদের তুলনায় আমার বা আমার সাথে ভিতরে বসে থাকা অনেকের অবদানই নিতান্ত নগণ্য।
হয়তো আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা যেতো। কিন্তু হঠাৎ বৈরী আবহাওয়া বা অন্য কোন সীমাবদ্ধতায় হয়তো সেটি সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
কিন্তু তাও… ভিতরে বসে থাকতে গিয়ে বারবার মনে হচ্ছিল, এই মানুষগুলোর জায়গা তো বাইরে না। তৃণমূলের এই মানুষগুলোই তো দলের প্রাণ, আসল চালিকা শক্তি।
খারাপ সময়ে খালেদা জিয়ার ঢাল হয়ে তারাই দাঁড়িয়েছিল, ভবিষ্যতের কোনো দুর্যোগে তারেক রহমানের জন্য বুক চিতিয়ে তারাই দাড়াবে।
ভয়টা এখানেই।
অবহেলা আর অভিমানের ভারে এই মানুষগুলো যদি ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়, সেদিন হয়তো টের পাবো-
মঞ্চের খেলায় জিতে গেলেও, মাঠের খেলায় হেরে গেছি!