বৃক্ষ ছিল _____পাতারা সবুজ
পাখি ছিল_____ডালায় সুনীল
কষ্ট ছিল_____মোহন মদির
___আকাশ গঙায় ভাসা___
___সুর ছিল সুমন্দ্র মধুর___
নদী ছিল _____জল অমলিন
নৌকা ছিল _____শব্দ ছলচ্ছল
গ্রাম ছিল ______সুখন্দ মধুর
___পরিচ্ছন্ন দুই পাড়ে___
___বারো মাস উত্সবের ধুম।___
এই অসাধারণ কবিতাটিও অপারগ টিলারগাও এর সৌন্দর্য প্রকাশে। কারন এতে টিলারগাও এর সুন্দরতম টিলাগুলোর কথা উল্লেখ নেই। উল্লেখ নেই টিলার কাছে যাওয়া
মানুষগুলোর মনে জন্মনেয়া শুভ্র প্রশান্ত অনুভুতির কথা, অপার সৌন্দর্যময় রাবার বাগানের কথা।
এখানে আছে– খ্যাতনামা আউলিয়া গাজী কালুর মাজার শরীফ, শ্রী শ্রী অনুকুল চন্দ্র ঠাকুরের আশ্রম। রয়েছে বেশকিছু মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, রেস্তোরা, খেলারমাঠ এবং প্রকৃতির নিবিড় কোলে বসে চা পানের জন্য ক্যাফে।
এখানকার টিলার ফাকে ফাকে নানা রঙের বাড়ীঘরে বসবাস করে গ্রামের সহজ সরল মানুষ আর শাবিপ্রবির শতশত শিক্ষার্থী। যারা আজও পাখির ডাকে ঘুমিয়ে পড়ে আর পাখির ডাকে জাগে, এই তারাই আবার জোত্স্ন্যায় সারি দিয়ে রাস্তায় বসে থাকে।
গ্রামটির প্রধানতম সড়ক হল শাবিপ্রবি-বিমানবন্দর সংযোগ সড়ক। এ পথ দিয়েই মানুষের স্বজনেরা সৌন্দর্যঘেষে পথ হাটে সকালে-বিকালে-সন্ধায়-জোত্স্ন্যায়-জোনাকীময়তায়, বাড়ি ফেরে স্বর্গীয় প্রশান্তির স্মৃতি নিয়ে।
যদি মন ভাল না থাকে তবে চা/ছোলা-মুড়ি খেতে খেতে দেখে নিতে পারেন বাঁদরের নাচ, যা মনে আনন্দের জোয়ার বয়ে দিবে। আথবা হাটতে পারেন অপূর্ব সুন্দর এই লীলাভূমিতে যা মনকে উদাস করে দিয়ে নিয়ে যাবে আনন্দের বাড়ী...।