বিজয় ৭১ পাঠাগার

  • Home
  • বিজয় ৭১ পাঠাগার

বিজয় ৭১ পাঠাগার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বিজয় ৭১ পাঠাগার, Library, Habib Tower, 3rd floor, Sebarhat, Senbag, .

27/06/2020

সেচ্ছাসেবী সংগঠন কাজ করা হচ্ছে নিজের নেটওয়ার্ক তৌরী করা,
আপনি যখন সেচ্ছাসেববক হিসাবে কাজ করবেন তখন আপনি হবেন একজন লিডার আপনি নেতৃত্ব তৈরী করবেন, আপনার দ্বারা পরিবর্তন হবে সমাজ, রাষ্ট্র , উপকৃত হবে অসহায় মানুষ গুলো, কাজ করে যেতে হবে। আপনি নিজেকে যতবেশি এক্টিব দেখাবেন তত আপনি নেটওয়ার্কিং তৌরী করতে পারবেন , আপনি যেকোন পরিবেশ কাজ করতে পারবেন, অল্পতেই মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে পারবেন,
সব সময় একটা কথা মনে রাখতে হবে অনেক রকম কটু কথা শুনতে হবে, ধান্দা, দালাল, ব্যবসায়ী,হাজার রকম মন্দ কথা, তখন সফল হওয়া যাবে যখন আপনি এইগুলো ওভারকাম করে নিজের লক্ষ্য কে বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন, চেয়ার এবং যোগ্যতা কেউ কাউকে দেই না এটা অর্জন করতে হয়, আগে একজন ভালো মানুষ হতে হবে, তারপর একজন ভালো সেচ্ছাসেবক, প্রতিটি সেচ্ছাসেবক ভালো মানুষ, সকল ভালো মানুষ ভালো সেচ্ছাসেবক নয়, কাজ করে যেতে হবে অসহায় যেকোন মানুষের জন্য, আমাদের মূল কাজ হচ্ছে দল, মত,ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করা,
জয় হোক মানবতার,
জয় হোক সকল সেচ্ছাসেবকদের
ভালোবাসা নিরন্তন😍😍

কেন পাঠাগার আন্দোলন.....................................- মো: ইমাম হোসাইন-----------------প্রায়শই আমাদের একটা প্রশ্ন শুন...
03/06/2020

কেন পাঠাগার আন্দোলন
.....................................
- মো: ইমাম হোসাইন

-----------------প্রায়শই আমাদের একটা প্রশ্ন শুনতে হয়। এখন
কী লোকজন বই পড়ে? সভাবতই আমার উত্তর হয় না।
তাহলে পাঠাগার আন্দোলন করছেন কেন?
যদি লোকজন বই না পড়ে?
যারা আমাকে এই ধরণের প্রশ্ন করেন তাদের
প্রতি আমারো বিনীত প্রশ্ন – লোকজন কেন বই
পড়বে? জানার জন্য, শেখার জন্য, জ্ঞানের জন্য
মোট কথা ইতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি, সমাজের প্রতি তার
যে একটা দায় বদ্ধতা আছে সেটা বুঝার জন্য
তাকে বই পড়তে হবে। আরে মশাই এ সবের জন্য
যে বই পড়তে হবে তা কে বলেছে? অন্যভাবেও
তো তার সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা জন্মাতে পারে।
যেমন? যেমন নানা ভাবেই হতে পারে।

ধরেন আপনার
এলাকার বিদ্যালয়ের ছেলে মেয়েরা ঝড়ে যাচ্ছে।
তাদের পড়া লেখার মান উন্নয়নের জন্য তারা কাজ
করতে পারে, চাষীদের পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে,
বৃক্ষ রোপন করা যেতে পারে। ইত্যাদি নানা কাজ
পাঠাগার হাতে নিতে পারে। কাজ
করতে করতে হবে শিক্ষা, জন্ম নিবে সমাজের
প্রতি দায়বদ্ধতা।

দেখেন ৮০র দশক পর্যন্ত লোকজন বই পড়ত।
তখনো পাড়ায় পাড়ায় পাঠাগার ছিলো। জমজমাট
ছিলো পাঠাগার কেন্দ্রিক সাহিত্য আসরগুলি। ব্রিটিশ
বিরোধী আন্দোলনের সময় এ দেশীয়
ছেলেমেয়েরা গায়ে-গতরে শক্তি বাড়ানোর জন্য যেমন
পাড়ায় পাড়ায় গড়ে তুলতো ব্যায়ামাগার একই সাথে মন
আর মস্তিস্কের শক্তি বাড়ানোর জন্য
গড়ে তুলতো পাঠাগার। আকাশ সংস্কুতি চলে আসার
আগে সমাজ গঠনে এই পাঠাগারগুলোর ছিলো দূর্দান্ত
প্রতাপ। তাহলে আজকে পাঠাগারগুলো কেন
পারছে না পাঠক ধরে রাখতে বা পাঠক তৈরি করতে। এর
জন্য কী শুধু আকাশ সংস্কৃতি দায়ী? এর উত্তর
পেতে হলে আমাদের আরেক প্রশ্নের উত্তর
পেতে হবে-তখন মানুষ কেনো বই পড়তো এখন কেন
পড়ছে না?

♦বই পড়ার কারণগুলি ছিলো মোটামুটি এই রকম :

১. বিনদনের একমাত্র মাধ্যম:

উঠতি মধ্যবিত্ত
বাঙ্গালীর বিনোদনের তেমন কিছু ছিলো না। কোন
কোন গ্রামে দু’একটি পরিবারে রেডিও, টেলিভিশন
থাকতো সবেধন নীলমণির মতো।। সপ্তাহের বিশেষ
দিনে সেটা খোলা হয়তো হতো কয়েক ঘণ্টার জন্য।
ফলে বিনোদনের জন্য সদ্য শিক্ষিত
হয়ে উঠা পরিবারের সদস্যদের বই ছাড়া অন্য কোন
গতি ছিলো না।কোন কোন ক্ষেত্রে দুপুরের ঘুমের
টনিক হিসেবেও বই ব্যাবহৃত হতো।

২. প্রেম করার জন্য:

মনের মানুষের সাথে যোগাযোগ
করার জন্য এখনকার মতো মোবাইল, ফেসবুক, ভিডিও
চেট তখন ছিলো না। চিঠিই ছিলো এক মাত্র মাধ্যম।
চিঠিতে ভাব আনার জন্য দৃষ্টিপাতের মতো বই
পড়া ছিলো প্রতিটা প্রেমিকের জন্য ফরজে কেফায়া।

৩. রাজনৈতিক তত্ত্ব তালাশ:

বেয়াদপি করে বা কারো মাথা ফাটিয়ে বড় ভাইয়ের
দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেতা হওয়ার এখনকার যে সিষ্টেম
ঐ সময় তা ছিলো না। তখন বই পড়েই তাকে যোগ্য
হতে হতো। রাজনীতির হাতে খড়ি হতো তখন
জেলখানাতে। কারণ তখনকার দিনে বড় বড় নেতাদের
ঘড়-বাড়িই ছিলো জেলখানা। কোন
কর্মী জেলখানাতে আসলেই
তাকে তারা হাতে কলমে শিক্ষা দিতেন। ফলে বই পড়ার
একটা ক্ষুধা সারা জীবনভর তার লেগেই থাকতো।

৪. জাতে উঠার চেষ্টা :

দেখা যেতো আড্ডায় কোন
না কোন বন্ধু বই নিয়ে আলোচনা করছে। ঐ
আলোচনায় অংশ নিতে হলে তাকেও কিছু না কিছু
পড়তে হতো। তা না হলে তার জাত যাওয়ার
সম্ভবনা থাকতো। কিন্তু বর্তমানে জাতে উঠার
মাধ্যম হলো-নতুন মডেলের মোবাইল, হাল ফ্যাশানের
জামা, হিন্দি টিভি সিরিয়াল ইত্যাদি ইত্যাদি।

ফলে পাঠক হওয়ার কোন কারণই বর্তমানে বিরাজমান
নয়। ফলে পাঠকের সংখ্যাও দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন
যারা বই পড়ছে অনেকটা জেনেটিক কারণে, পারিবারিক
একটা ঐতিহ্য আছে বলেই তারা বই পড়ছে।আর
এরা খুবই বিরল প্রজাতির প্রাণী হিসেবে টিকে আছে।
বিশ্ব এখন হাতের মোঠায়। যখন যে তথ্যের প্রয়োজন
তখনই সেটা পেয়ে যাচ্ছে নিমিষে। এই অবস্থায় বই
পড়তে বলাটা অনেকটা গঙ্গার
জলকে ঘুড়িয়ে হিমালয়ের দিকে প্রবাহিত করার মতো।
তাহলে কী বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেছে,
ফুরিয়ে গেছে পাঠাগার আন্দোলনের ।না ফুরিয়ে যায়নি,
বরঞ্চ সেটার চাহিদা আরো প্রকট হয়েছে। কিন্তু
প্রচলিত পাঠাগারের যে ধারণায় প্রতিষ্ঠিত তার
পরিবর্তন আনতে হবে।আনতে হবে দৃষ্টি।ভঙ্গিরও
পরিবর্তন। তা না হলে পাঠাগার হবে ইট, কাঠ, পাথরের
কনক্রিট মাত্র
যেখানে থরে থরে সাজানো থাকবে কাগজের কিছু
আসবাব।

বই মানুষ কেনো পড়ে? বই পড়ে তার
ভিতরে শুভবোধকে জাগিয়ে তুলার জন্য। ভালো ও
মন্দের তফাৎ বুঝার জন্য, সে যে প্রকৃতির একটা অংশ
সেটা বুঝার জন্য, মোট কথা আমার আমিকে চেনার
জন্য।হ্যা, এ সবের জন্য বই হয়তো একটা মাধ্যম
হতে পারে কিন্তু একমাত্র মাধ্যম
সেটা আমরা স্বীকার করছি না।

শুভবোধ জাগানোর জন্য আরো নানা মাধ্যম আছে।
পাঠাগারকে সেদিকেও খেয়াল রাথতে হবে। সমাজের
চাহিদা, প্রয়োজন ইত্যাদি মাথায় রেখে তার কার্যক্রম
হাতে নিতে হবে, বাস্তবায়নের জন্য নিতে হবে টেকশই
স্থানীয় প্রযুক্তি, সমাজে তার
প্রয়োজনিয়তাটা বুঝানোর ভিতরেই থাকবে তার
বেচেঁ থাকার প্রাণ ভোমরা।

23/05/2020

জীবন একটা পার্টির মত। তুমি যেখানে অনেককে আমন্ত্রন জানাও, কেউ আসে,কেউ আসে না। কেউ খুব তাড়াতাড়ি চলে যায়,কেউ দেরিতে যায়। তবে সবার শেষে কেউ কেউ থাকে, যে সবকিছু পরিস্কার করতে তোমাকে সাহায্য করে,যদিও সে কোনো ময়লা করেনি। এই মানুষ গুলোই আমাদের প্রকৃত বন্ধু।

03/05/2020

নোয়াখালীর সেনবাগের কাবিলপুরে করোনার উপসর্গ নিয়ে এক মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু। বাড়ী লক ডাউন, নমুনা সংগ্রহ করে IEDCR এ পাঠানো হয়েছে।

04/06/2019

♥♥♥

03/06/2019

যে নিয়মিত বই পড়ে সে কখনো একাকিত্ব বোধ করেনা।

31/05/2019

অমিতাভ বচ্চন
তাঁর জীবনীতে লিখেছেনঃ-

আমি তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে। একদিন প্লেনে করে যাচ্ছিলাম । খুব সাধারণ শার্ট আর প্যান্ট পরিহিত একজন ভদ্রলোক আমার পাশে বসেই যাচ্ছিলেন৷ দেখে উনাকে একজন শিক্ষিত এবং মার্জিত মধ্যবিত্ত মানুষ মনে হয়েছিলো । অন্য সহযাত্রীরা আমায় চিনতে পেরে খুব উৎসাহিত হয়ে অটোগ্রাফ নিচ্ছে। কিন্তু পাশে বসা ভদ্রলোককে লক্ষ্য করলাম উনার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই ।

উনি একমনে একটা খবরের কাগজ পড়ছিলেন আর মাঝে মাঝে জানালার বাইরে তাকিয়ে কি যেন ভাবছিলেন । চা পরিবেশন করা হলো, ঠোঁটের আগেই থ্যাঙ্কস লেগেই আছে। আমাকে পাত্তাই দিচ্ছে না।

আমার উনার প্রতি কৌতুহল বেড়েই চলছিলো । তাই উনার সাথে কথা বলার জন্য উনার দিকে তাকিয়ে হাসলাম । উনিও একটা সৌজন্যমূলক হাসি ফিরিয়ে দিয়ে বললেন ......'হ্যালো' ....... কিছু সৌজন্যমূলক কথোপকথন শুরু হলো ।

আমিই নিজে থেকে সিনেমা প্রসঙ্গ উত্থাপন করলাম।
জিজ্ঞাসা করলাম :' আপনি সিনেমা দেখেন ?'
উনি বললেন 'কখনো-সখনো ।
শেষ যে সিনেমাটা দেখেছি .....
হ্যাঁ...তাও প্রায় এক বছরের বেশী হয়ে গেছে ।'
বললাম ' আমি ঐ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই আছি ।'
উনি উৎসাহিত হয়ে বললেন ' দারুণ ব্যাপার!
তা আপনি কি করেন ?'
বললাম, ' আমি একজন অভিনেতা ।'
প্রত্যুত্তরে বললেন 'দারুণ! '
ব্যাস! ওই পর্যন্তই .......

প্লেন ল্যান্ড করার পর আমি ভদ্রলোকের দিকে করমর্দনের জন্য হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বললামঃ
'আমার নাম অমিতাভ বচ্চন'
উনি মাথা নত করে আমার হাতটা ঝাঁকিয়ে দিয়ে বললেনঃ 'আপনার সাথে পরিচয় হয়ে দারুণ লাগলো !
আমার নাম জে.আর.ডি. টাটা .. (Jehangir Ratanji Dadabhoy Tata, chairman of TATA Group)...
চমকে উঠলাম আমি !

ঐ দিনের ঘটনা থেকে একটা বিষয় শিখলাম:
"যত বড়ই হই না কেনো, আমার থেকেও বড় কেউ আছে কিন্ত তাঁর দৃষ্টিটা সর্বদাই মাটির দিকে !"

শিক্ষনীয়ঃ গাছ যতই বড় হয় ততটাই মাটির দিকে ঝুঁকে যায়।

(সংগৃহীত)

https://shovaloyjournal.com/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%...
21/05/2019

https://shovaloyjournal.com/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%87/

শোভালয় ডেস্কঃ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সেনবাগে অসহায়দের মাঝে ইফতার বিতরন করেছেন ওয়েলফেয়ার ব্লাড এন্ড সোস্...

নুসরাত জাহান রাফির হত্যার প্রতিবাদে এবং খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ওয়েলফেয়ার ব্লাড এন্ড সোস্যাল  ফাউন্ডেশন এবং বিজয় ৭১ পাঠাগা...
16/04/2019

নুসরাত জাহান রাফির হত্যার প্রতিবাদে এবং খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ওয়েলফেয়ার ব্লাড এন্ড সোস্যাল ফাউন্ডেশন এবং বিজয় ৭১ পাঠাগার এর আয়েজনে সেবারহাট বাজারে বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ধন্যবাদ শেরেবাংলা স্কুললের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক জনাব সিজার উদ্দিন দৈনিক জাতীয় নিশান পত্রিকার দাগুনভূয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, সংগঠনের সকল সদ্যস সহ আগত বিভিন্ন সংগঠনের সেচ্ছাসেবক ভাই বোন
এবং সেবারহাট বাজারের ব্যবসায়ী বিন্দু এবং সর্বোচ্চস্তরের জনসাধারন কে আজকে মানববন্ধন কে সফল করার জন্য আন্তারিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই।

নুসরাত হত্যার প্রতিবাদে আজ বিজয় ৭১ পাঠাগারের সদস্যরা মানবন্ধন করে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে।
15/04/2019

নুসরাত হত্যার প্রতিবাদে আজ বিজয় ৭১ পাঠাগারের সদস্যরা মানবন্ধন করে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে।

Address

Habib Tower, 3rd Floor, Sebarhat, Senbag

3821

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিজয় ৭১ পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share