Savar Ashulia Landmark

Savar Ashulia Landmark সাভার আশুলিয়ার মাটি সোনার চেয়ে খাঁটি।
সাভার এবং আশুলিয়াতে নির্ভেজাল, নিষ্কন্টক জমি পেতে আমাদের পেজের সাথেই থাকুন।

08/09/2025

সকলের জ্ঞাতার্থে জানা দরকার।

বাংলাদেশের ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা জটিল, সময়সাপেক্ষ এবং দুর্নীতির জন্য কুখ্যাত। ভূমি সংক্রান্ত সেবা গ্রহণকারী নাগরিকদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক এবং দুর্নীতিপূর্ণ । নিম্নে এই দুর্নীতির ধরণ, কারণ, প্রভাব এবং সম্ভাব্য সমাধান বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা হল:

দুর্নীতির প্রধান ক্ষেত্রসমূহ ও পদ্ধতি:

১. জাল দলিল ও রেকর্ড তৈরি (Fake Deeds and Records):

· ভূমি অফিসের অসাধু কর্মচারী ও দালালদের যোগসাজশে মিথ্যা দলিল (খাজনা রসিদ, নামজারী দাখিলা ইত্যাদি) তৈরি করা হয়।
· পুরনো রেকর্ড পরিবর্তন, জমির সীমানা ও পরিমাণ বিকৃত করে দেখানো, এমনকি মৃত ব্যক্তির নামে দলিল হস্তান্তর করার ঘটনাও commonplace.

২. ঘুষ ও অবৈধ অর্থ আদায়:

· সেবার মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়: দ্রুত সেবা পেতে, ফাইল নড়াচড়া করাতে বা সহজভাবে কাজ করাতে ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে।

· নির্দিষ্ট ফি (Speed Money): প্রতিটি ধাপে (নামজারী, মিউটেশন, খতিয়ান দেখানো, নকশা দেখানো ইত্যাদি) একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ "স্পিড মানি" বা "বখশিশ" দিতে হয়।

· দালাল(Middlemen Culture): ভূমি অফিসগুলিকে দালালদের আড্ডাখানা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তারা ভুক্তভোগী এবং অফিস কর্মচারীদের মধ্যে মাধ্যম হিসেবে কাজ করে এবং উভয় পক্ষ থেকে কমিশন নেয়।

৩. জমি দখল (Land Grabbing):

· প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজশ করে দুর্বল মানুষের জমি জাল দলিল দেখিয়ে বা শক্তি প্রয়োগ করে দখল করে নেয়।

· সরকারি খাস জমিও এইভাবে দখল হয়ে যায়।

৪. নামজারী ও মিউটেশন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি:

· জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্তির পর নতুন মালিকের নামে নামজারী/মিউটেশন করা একটি জটিল ও দুর্নীতিপূর্ণ প্রক্রিয়া।

· ইচ্ছাকৃতভাবে ফাইল আটকে রেখে,বিভিন্ন objections তুলে কিংবা ভুল তথ্য দিয়ে ঘুষ আদায় করা হয়।

৫. খতিয়ান ও নকশা দেখাতে বাধা:

· নিজের জমির খতিয়ান বা নকশা (মৌজা মানচিত্র) দেখতেই অনেকে কর্মচারী ও দালালদের কাছে ঘুষ দিতে বাধ্য হন।

· সাধারণ মানুষের প্রযুক্তিগত অজ্ঞতা ও জমিজমা বিষয়ে খুব ভালো (যেমন: খতিয়ান, দাগ নম্বর, CS, SA, RS, BS ইত্যাদি) না বোঝার সুযোগ নেওয়া হয়।

৬. আদালত ও ভূমি আপিল বোর্ড সম্পর্কিত দুর্নীতি:

· ভূমি সংক্রান্ত মামলা দীর্ঘসূত্রতা এবং এখানেও উকিল, আদালত কর্মকর্তা এবং প্রতিপক্ষের সাথে যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে।

দুর্নীতির মূলে থাকা কারণসমূহ:

১. জটিল ও archaic/প্রাচীন/সেকেলে আইন প্রক্রিয়া:

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের বাংলাদেশ স্টেট ম্যানেজমেন্ট ম্যানুয়াল (BSMM), বাংলাদেশ ভূমি প্রশাসন ম্যানুয়াল (BLAM) এবং আরও ১০০+ আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই জটিলতা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা অসম্ভব এবং এটি দুর্নীতির জন্য উর্বর ground তৈরি করে।

২. ম্যানুয়াল সিস্টেম ও ডিজিটালাইজেশনের অভাব:

যদিও কিছু অফিসে কম্পিউটার আছে, তবুও বেশিরভাগ কাজ এখনও কাগজ-ভিত্তিক (ledgers, files)।রেকর্ড নষ্ট, পরিবর্তন বা "হারিয়ে" যাওয়া সহজ।

৩. প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও জবাবদিহিতার অভাব:

· ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে low salary, inadequate training এবং দুর্বল মনিটরিং।

· দুর্নীতির জন্য শাস্তি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই নগণ্য।

৪. দালাল-কর্মচারী আঁতাত:

দালাল (যাদের স্থানীয়ভাবে "tout" বা "dalal" বলা হয়) এবং অফিস কর্মচারীদের মধ্যে একটি strong syndicate গড়ে উঠেছে। তারা benefitting relationship-এ bound।

৫. সাধারণ মানুষের অজ্ঞতা ও ভয়:

মানুষ ভূমি আইন ও তাদের অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞ ।তাই তারা প্রক্রিয়াগুলো না বুঝে কর্মকর্তাদেরকে "ভয়" পেয়ে ঘুষ দিতে রাজি হয়।

৬. রাজনৈতিক প্রভাব:

প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের উপর pressure প্রয়োগ করে illegal works করতে বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে illegalভাবে সহযোগিতা করতে বাধ্য করে।

দুর্নীতির negative প্রভাব:

· নাগরিকদের হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতি: মানুষ তাদের ন্যায্য সেবা পেতে অর্থ প্রদান করতে বাধ্য হয়।

· ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চনা:

গরিব ও দুর্বল লোকেরা তাদের ভূমি অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

· বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা:

জমির clear ownership না থাকায় এবং deals জটিল হওয়ায় দেশে বিনিয়োগ (বিশেষ করে রিয়েল এস্টেট ও industrial sectors) বাধাগ্রস্ত হয়।

· সরকারের রাজস্ব ক্ষতি:

খাস জমি দখল এবং proper ভাবে খাজনা আদায় না হওয়ার কারণে সরকারের রাজস্বে লোকসান।

· সামাজিক অস্থিরতা:

জমি নিয়ে dispute, violence এবং murder পর্যন্ত হয়।

সমাধানের উপায় ও ongoing initiatives:

১. ডিজিটালাইজেশন (Digitalization):

· e-Mutation সিস্টেম চালু:

অনলাইনে নামজারির আবেদন ও আবেদনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়। এটি দালাল ও কর্মচারীদের direct contact কমিয়েছে।

· ভূমি সেবা Apps: "ভূমি সেবা" (Land Service) এবং "ল্যান্ড জোন" (LandZoon) এর মতো mobile apps চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে খতিয়ান, নকশা, দখলনামা ইত্যাদি online-এ check করা যায়।

· ডিজিটাল খতিয়ান (Digital Record of Rights - RoR):

manual ledger-এর বদলে digital খতিয়ান তৈরি করা হচ্ছে, যা পরিবর্তন করা দূঃসাধ্য।

২. কর্মপ্রবাহ পুনর্গঠন ও স্বচ্ছতা:

· সেবা গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারণ এবং তা strictভাবে follow করা।
· সকল fee-এর একটি clear list প্রদর্শন করা, যাতে টাকা চাওয়া যায় না।

৩. জবাবদিহিতা strengthening:

· ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন (16122) এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা বাতায়ন (G2B, B2G সেবা)-এ complaints দেয়ার system.
· দুর্নীতির জন্য disciplinary action নেওয়া।

৪. সচেতনতা বৃদ্ধি:

· media campaign-এর মাধ্যমে মানুষকে তাদের অধিকার ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে educate করা।

· দালালদের instead of, one-stop service centre-তে সহায়তা প্রদান।

৫. আইন সংস্কার:

· archaic laws/প্রাচীন আইন গুলোকে আধুনিকীকরণ এবং simplify করা।

চ্যালেঞ্জ:

· পুরনো সিস্টেম এবং mentality-তে পরিবর্তন আনা একটি বড় challenge.

· ডিজিটাল সিস্টেমেও নতুন ধরনের দুর্নীতির (যেমন: online system-এ fake entry) সম্ভাবনা exists.

উপসংহার: বাংলাদেশের ভূমি খাতের দুর্নীতি একটি systemic problem, যা শুধুমাত্র প্রযুক্তির introduction দ্বারা alone সমাধান হবে না। এটি requires একটি holistic approach, যার মধ্যে প্রযুক্তি, প্রশাসনিক সদিচ্ছা, institutional reform, আইন সংস্কার এবং জনসচেতনতা - সবকিছুই included থাকতে হবে। সরকারের ongoing ডিজিটাল initiatives আশার আলো দেখালেও, এটি একটি long battle, এবং complete success-এর জন্য persistent effort প্রয়োজন।

🛑 যাদের দলিল আছে, কিন্তু রেকর্ড নাই – তারা কি নতুন জরিপে নিজের নামে রেকর্ড নিতে পারবেন?হ্যাঁ, পারবেন!কিন্তু শুধু দলিল থা...
08/09/2025

🛑 যাদের দলিল আছে, কিন্তু রেকর্ড নাই – তারা কি নতুন জরিপে নিজের নামে রেকর্ড নিতে পারবেন?

হ্যাঁ, পারবেন!
কিন্তু শুধু দলিল থাকলেই হবে না। মালিকানা আইনি প্রমাণ দিয়ে জরিপ টিমকে বোঝাতে হবে।

--- ১. দলিল থাকা মানে কী?

দলিল (বিক্রয়/উপহার/দান দলিল) হলো আপনার জমি কেনা বা পাওয়া প্রমাণ।
👉 কিন্তু এই দলিল যদি খতিয়ানে (রেকর্ডে) আপডেট না হয়, তাহলে সরকারী নথিতে আপনি মালিক হিসেবে স্বীকৃত নন।

তাই রেকর্ড (খতিয়ান) সংশোধন বা নতুন নামে এন্ট্রি করানো জরুরি।

--- ২. নতুন জরিপে রেকর্ড কিভাবে হবে?

নতুন জরিপে (BDRS – Bangladesh Digital Survey) মাঠে জরিপকারী আসবে।

তখন যা করতে হবে:
- অরিজিনাল দলিল ও সার্টিফায়েড কপি দেখাতে হবে।
- খাজনার রসিদ, নামজারি কপি (যদি থাকে), দখলের প্রমাণ (যেমন চাষাবাদ, বসতবাড়ি, সীমানা) দেখাতে হবে।
- উত্তরাধিকার সূত্রে মালিক হলে – উত্তরাধিকার সনদ ও বণ্টননামা রাখতে হবে।

--- ৩. কি কি করতে হবে? (Step by Step)

ধাপ ১: দলিল যাচাই করান
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সার্টিফায়েড কপি নিয়ে নিন। এতে প্রমাণ হবে দলিল আসল।


ধাপ ২: খাজনা (ভূমি কর) আপডেট করুন
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে খাজনা জমা দিন।
👉 খাজনার রসিদ জরিপে বড় প্রমাণ হিসেবে ধরা হয়।


ধাপ ৩: নামজারি (Mutation) আবেদন করুন।
যদি এখনো নামজারি না হয়ে থাকে,
AC Land অফিসে নামজারি আবেদন করুন।
দলিল, খাজনা রসিদ, মালিকানার ইতিহাস দিয়ে নামজারি করান।

ধাপ ৪: জরিপ টিমকে প্রমাণ দিন
জরিপকারী আসলে দলিল, খাজনা রসিদ, নামজারি আবেদন/অর্ডার দেখান।
প্রয়োজনে পাড়া-প্রতিবেশী সাক্ষী রাখুন।

--- ৪. যদি আপত্তি ওঠে?

কেউ যদি আপত্তি দেয় (যেমন: জমি তার বলে দাবি করে):
জরিপের আপত্তি মামলার (Objection Case) মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নিন।
প্রমাণ দেখিয়ে নিজের পক্ষে মালিকানা দাবি প্রতিষ্ঠা করুন।

--- ৫. আদালতের আশ্রয়
যদি জরিপে নাম না আসে বা বিরোধ মেটাতে না পারেন—
👉 জেলা জজ আদালতে Title Declaration Suit করে মালিকানা ঘোষণা নিতে পারেন।

--- ৬. কেন এখনই করাবেন?
ডিজিটাল রেকর্ড (BDRS) হয়ে গেলে পরবর্তীতে পরিবর্তন করা কঠিন হবে।
সঠিক সময়ে দলিল, খাজনা, নামজারি আপডেট না করলে জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

--- সহজ ভাষায়:
> দলিল আছে, কিন্তু রেকর্ড নাই?
জরিপে প্রমাণ (দলিল + খাজনা + নামজারি আবেদন + দখল) দিয়ে দেখাতে হবে।
তাহলেই নতুন জরিপে আপনার নামে রেকর্ড হবে।

বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (BDS) শুরু হয়েছে ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টকে ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে।➡️ এটিই হতে যাচ্ছে দেশের...
03/09/2025

বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (BDS) শুরু হয়েছে ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টকে ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে।
➡️ এটিই হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম Plot-to-Plot ডিজিটাল জরিপ, যেখানে জমি চালেন্ডার, দাগ, খতিয়ান এবং মালিকানার তথ্য স্যাটেলাইট ও ড্রোন ব্যবহার করে একসঙ্গে নজরে রাখা হবে ।

🔴🔴এতে ভূমি মালিক হিসেবে আপনার করণীয় হচ্ছেন:

✅ ধাপ–১: নিজের জমির তথ্য যাচাই করুন

আপনার জেলা > উপজেলা > মৌজা > দাগ নম্বর অনুযায়ী Plot-to-Plot ম্যাপে যান

চেক করুন —
✔️ কার নাম বসেছে
✔️ দাগ নম্বর ঠিক আছে কিনা
✔️ জমির পরিমাণ ও সীমা সঠিক চিহ্নিত হয়েছে কিনা

✅ ধাপ–২: অভিযোগ ও আপত্তি জানান দ্রুত

ম্যাপে ভুল দেখলে অনলাইনে **তৎক্ষণাৎ আপত্তি বা অভিযোগ দাখিল করুন।**

BDS-এ প্রত্যেকের জন্য ভিডিও শুনানির সুযোগ থাকবে

মনে রাখবেন—যত দ্রুত দাখিল করবেন, তত সহজ হবে সংশোধন!

✅ ধাপ–৩: দলিল-পর্চা, খাজনা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে রাখুন

রেজিস্ট্রি দলিল, খতিয়ান কপি, মিউটেশন ও খাজনা রশিদ — এগুলো আপলোডের সময় কাজে লাগবে।

ডিজিটাল ম্যাপে ফিডব্যাকে প্রয়োজন হলে এগুলো প্রয়োজন হতে পারে

✅ ধাপ–৪: স্থানীয় ভূমি অফিস/ভ্যালুয়েশন অফিসের ফোকাল পয়েন্টের সাথে যোগাযোগ করুন

Zonal Settlement Office, Upazila Settlement Office বা DC office–তে গোলযোগ মারতে সাহায্য পাবেন।

ফোন করে নির্দিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন

✅ ধাপ–৫: সুনির্দিষ্ট নজর ও ট্র্যাকিং রাখতে ভুলবেন না

Plot-to-Plot ম্যাপে আপনার সংশোধন অনুরোধের অবস্থা নিয়মিত চেক করুন।

শুনানির তারিখ, স্ট্যাটাস মেসেজ ইত্যাদি ডট-কমে পাবেন— নিয়মিত নজর রাখুন

⚠️ কেন এখনি করণীয়:

1. ✅ একবার BDS চলে গেলে আর পুরনো দলিলের ভিত্তিতে মানে হালনাগাদ যোগাযোগ করা কঠিন হবে

2. ✅ ভুল ধরলে জমি হারানোর ঝুঁকি থাকবে

3. ✅ মোবাইল-লাইনে মুহূর্তে বাধা/জন্য তদারকি করা যাবে না

✍️ আপনার করণীয়:

Plot-to-Plot ম্যাপে নিজের দাগ চেক করুন

ভুল থাকবে, এখনই অভিযোগ করুন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন

#জমিসচেতনতা #ভূমি_প্রটেকশন
দলিল তল্লাশি টিম

ব্যবসা করতে গিয়ে যা শিখেছিঃ--------*----------**----------১। সিস্টেমকে বিশ্বাস করুন, মানুষকে নয়, সে যেই হোক। ২। অযোগ্য ম...
02/09/2025

ব্যবসা করতে গিয়ে যা শিখেছিঃ
--------*----------**----------
১। সিস্টেমকে বিশ্বাস করুন, মানুষকে নয়, সে যেই হোক।
২। অযোগ্য মানুষকে হেল্প করার নিয়তে ব্যবসার দায়িত্ব দেবেন না।
বাঁশ খাবেন ঝাড় সহ।
৩। নেগেটিভ মানুষদের (যারা ভাইরাস ছড়ায়) কোনো চিন্তা না করেই ফায়ার করুন। এরা বিষাক্ত ও ছোঁয়াচে।
৪। আপনার স্বপ্নকে যে কর্মী বিশ্বাস করেনা, লালন করেনা , ফায়ার করুন।
৫। যে এমপ্লয়ী নিজেকে আপডেইট করেনা, NOKIA হয়ে আছে বছরের পর বছর, ফায়ার করুন।
৬। একজন এমপ্লয়ীকে যত বেতন দিচ্ছেন তার কমপক্ষে ১২ গুণ মুনাফা তার কাছ থেকে না পেলে ঐ কর্মী প্রতিষ্ঠানের বোঝা।
৭। নতুন এমপ্লয়ী নিয়োগ দিলে যদি পুরাতন কেউ আপনার ও প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা করে, তাকে সাথে সাথে ফায়ার করুন।
৮। প্রতিষ্ঠানের একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলুন। মানতে বাধ্য করুন।
৯। একবার কেউ চুরি করলে মাফ করবেন না। সুযোগ পেলে আবারো করবে। নিশ্চিত থাকুন।
১০। যতটা সম্ভব ক্যাশ লেনদেন থেকে বের হয়ে আসুন। কাউকে বিশ্বাস করবেন না। মরা মানুষও নাকি টাকা দেখলে হা করে।
১১। শর্টটার্মের জন্য এমপ্লয়ী নেবেন না।
১২। যে এমপ্লয়ী চাকরি করার মনোভাব রাখে, প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করে না তাকে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়।
১৩। যে এমপ্লয়ী প্রতিষ্ঠানের অপচয় রোধে সচেতন নয় (বিদ্যুত/গ্যাস/পানি/খাবার/গ্যাস/স্পেইস/কাগজ/কলম ইত্যাদি) তাকে কিক আউট করুন।
১৪। যে এমপ্লয়ীরা গীবত করে তাদের কিক আউট করুন।
১৫। যে এমপ্লয়ীরা ভুল করার পর অযুহাত দাড় করায় বা অন্যের উপর দোষ চাপায়, কিক আউট করুন।
১৬। আত্মীয় হলেই বিশ্বাস করে টাকাপয়সা হ্যান্ডল করতে দেবেন না। তদারকির মধ্যে রাখবেন।
১৭। যাদের যে কোনো ধরনের নেশা আছে, তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে যুক্ত না রাখাই ভালো। বেশ ভালো।

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।★. পর্চা বা খতিয়ান। ★. দলিল। ★. ম্যাপ বা নকশা।...
04/02/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।

★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?➥১. পর্চা বা খতিয়ান। ➥২. দলিল। ➥৩. ম্যাপ বা নক...
03/02/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

02/02/2025

খাস জমি হচ্ছে সরকারি জমি। কিছু শর্তসাপেক্ষে বন্দোবস্তির আবেদন করে বন্দোবস্তি পেলে খাস জমি কোন ব্যক্তির নামে রেকর্ড করা যায়।আমরা জানব, খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম ও শর্তাবলী সম্পর্কে।

খাস জমি হলো বাংলাদেশের সরকার কতৃক নিয়ন্ত্রিত বা মালিকানাধীন ভূমি যা সাধারণ জনগণের ব্যবহারের অনুমতি নেই। বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য আবেদনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি খাস জমি রেকর্ড করতে পারবেন। কোনগুলো খাস জমি তা জানার কিছু উপায় রয়েছে, দেখুন- খাস জমি চেনার উপায়।

আজকের আলোচনায় আমরা খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।

খাস জমি রেকর্ড কি?

বাংলাদেশে খাস জমি রেকর্ড বলতে বুঝায় সরকার নিয়ন্ত্রিত বা মালিকানাধীন ভূমি গুলোর তথ্য রেকর্ড করা এবং সরকারি দলিল বা রেজিস্ট্রার করা।

খাস জমি হলো সরকারি ভূমি যা কোনো ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বা কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যেমন কৃষি, আবাসিক, বাণিজ্য ইত্যাদি ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত নয়। বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয় বা স্থানীয় ভূমি অফিসে খাস জমির রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।

কেউ যদি এই খাস জমি ব্যবহার করতে চায় বা রেকর্ড করে নিতে চায় সরাসরি তা সম্ভব নয়। তবে শর্ত মেনে বন্দোবস্তি পাওয়ার আবেদন করার পর যদি বন্দোবস্তি দেয়া হয়, তখনি জমির মালিক হিসেবে তা নিজ নামে রেকর্ড করা যাবে।

এই ধরনের জমির মালিকানা, শ্রেনীবিন্যাস, উন্নয়ন, পরিকল্পনা ইত্যাদির জন্য খাস জমির রেকর্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

খাস জমি রেকর্ড করার প্রক্রিয়া

খাস জমি সরাসরি কেউ নিজ নামে রেকর্ড করাতে পারেন না। এই ধরণের খাস জমি বন্দোবস্তির পাওয়ার আবেদন করতে হয় এবং আবেদন করা এবং বন্দোবস্তি পাওয়া পর্যন্ত বেশ কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

ধরা যাক, আপনার এলাকায় বা স্থানীয় কোনো সরকারি মালিকানাধীন ভূমি বা খাস জমি আছে যা আপনি নিজের নামে রেকর্ড করতে চান। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই সরকার প্রদত্ত বিশেষ কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

চলুন খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম সম্পর্কে ধাপে ধাপে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

ধাপ ১: খাস জমি কিনা তা নিশ্চিতকরণ?

আপনি যেই জমি বন্দোবস্ত নিতে চান বা রেকর্ড করতে চান তা খাস জমি কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় বা সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসে যোগাযোগ করে আপনার কাঙ্ক্ষিত জমিটি খাস জমি কিনা তা আগে নিশ্চিত করা উচিত।

এছাড়া জমি সরকারি বা খাস হলে তার কাগজপত্র, বিভিন্ন ধরনের তথ্য, মালিকানা এইসব বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে হবে।

ধাপ ২: বন্দোবস্তি পাওয়ার আবেদন
আপনি যেই খাস জমিটি নিজের জন্য রেকর্ড করতে চান তা শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে আপনাকে একটি আবেদন বা দরখাস্ত প্রদান করতে হবে। উক্ত খাস জমির যাবতীয় তথ্য ও বিবরণ দিয়ে তা রেকর্ড করার আবেদন জানিয়ে প্রথমেই ভূমি অফিসে দরখাস্ত দিতে হবে।

ধাপ ৩: খাস জমি যাচাইকরণ
আপনার করা আবেদনটি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ পর্যালোচনা এবং মালিকানা নিশ্চিত করার মাধ্যমে যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলবে। এক্ষেত্রে ভূমি অফিসের কতৃপক্ষ জমি পরিদর্শন, জমির বিভিন্ন ডকুমেন্ট যাচাই এবং খাস জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের তথ্য যাচাই করা হবে।

ধাপ ৪: নোটিশ প্রকাশ

আপনার আবেদন এবং জমি পর্যবেক্ষনের পর একটি নোটিশ প্রকাশ করা হবে। উক্ত সরকারি জমি বা খাস জমি আপনার নামে রেকর্ড করার নোটিশ প্রকাশ হলে তাতে স্থানীয় জনগণের কোনো ধরনের আপত্তি থাকলে তা তারা জানাতে পারবে।

ধাপ ৫: রেকর্ড ইস্যু করা
একবার যাচাইকরণ এবং স্থানীয়দের আপত্তি থাকলে তা সমাধান করার পর যদি আর কোনো বিরোধ না থাকে তবে কর্তৃপক্ষ খাস জমির জন্য একটি রেকর্ড ইস্যু করবে। জমির রেকর্ড করা হলে তার মর্ম এই হবে যে আপনি জমি বন্দোবস্ত নিতে চেয়েছেন এবং সরকার কর্তৃক উক্ত খাস জমি আপনাকে বন্দোবস্ত হিসেবে দেয়া হয়েছে।

খাস জমি দখল আইন?

সরকারি এই খাস জমিগুলো জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নয়। তবে অনুমতি ছাড়া অনেকেই বিভিন্ন স্থানীয় খাস জমি অবৈধ ভাবে দখল করে সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান করে। বাংলাদেশ সরকারের খাস জমি আইন অনুযায়ী অবৈধ ভাবে সরকারি ভূমি দখল করে ব্যবহার করলে ১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে অথবা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

মনে রাখতে হবে প্রায় ৩০ বছর পর পর সরকারি ভাবে খাস জমি রেকর্ড করা হয়।

সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পর...
24/01/2025

সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজনঃ-👇👇👇

১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা)
আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না, আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷

২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷

৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।

৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।

৫। স্বত্ত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷

৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷

৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷

৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্‍ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷

৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷

১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।

১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷
এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমোহর নকল সংগ্রহ করতে হবে।

03/01/2025

#জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?
জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:
👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।
👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:
👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।
৩. আইনি পরামর্শ নিন:
👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।
৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:
👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।
৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:
👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।
অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।
👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?
দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?
২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন
👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?
👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?
রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?
৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।
👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?
👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?
👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?
৪) জমির অবস্থা
👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?
👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?
👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?
৫) আইনি পরামর্শ
জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৬. দলিলের বয়স:
প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?
উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।
৭. দলিলের ধরন:
প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?
উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:
°দাগ নম্বর খতিয়ান
°মৌজা খতিয়ান
°সিএস খতিয়ান
°আরএস খতিয়ান
৮. দলিলের মালিকানা:
প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?
উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।
৯. দলিলের মিউটেশন:
প্রশ্ন: মিউটেশন কী?
উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।
১০. দলিলের জালিয়াতি:
প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।
১১. দলিল যাচাই:
প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:
প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?
উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।
উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার।

জমির মালিকদের নতুন দলিল লিখতে ক্রেতা বা গ্রহিতার যে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী ১-১-২০২৫ ইং সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল ল...
03/01/2025

জমির মালিকদের নতুন দলিল লিখতে ক্রেতা বা গ্রহিতার যে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী ১-১-২০২৫ ইং

সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:

১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা) আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না, আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷

২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷

৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।

৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।

৫। স্বত্ত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷

৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷

৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷

৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্‍ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷

৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷

১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।
১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷
এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমোহর নকল সংগ্রহ করতে হবে। ধন্যবাদ

Address

Kabirpur, Ashulia
Savar
1349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Savar Ashulia Landmark posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share