Kingdom of General Knowledge

Kingdom of General Knowledge admin:-Sohel rana
fb id:-www.facebook.com/srmasud1

27/09/2025
07/03/2025

পরিসংখ্যান প্রশাসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং ব্যাখ্যার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে। প্রশাসনে পরিসংখ্যানের ব্যবহার নিম্নরূপ:

# # # ১. **পরিকল্পনা প্রণয়ন**
- **উপাত্ত সংগ্রহ:** সরকারি নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।
- **প্রকল্প মূল্যায়ন:** বিভিন্ন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও প্রভাব মূল্যায়নে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়।

# # # ২. **নীতি নির্ধারণ**
- **প্রবণতা বিশ্লেষণ:** অর্থনৈতিক, সামাজিক ও জনসংখ্যাগত প্রবণতা বিশ্লেষণ করে নীতি নির্ধারণ করা হয়।
- **অগ্রাধিকার নির্ধারণ:** সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার নির্ধারণে সাহায্য করে।

# # # ৩. **সম্পদ বণ্টন**
- **সুষম বণ্টন:** সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়।
- **বাজেট প্রণয়ন:** বিভিন্ন খাতে বাজেট বরাদ্দে পরিসংখ্যানিক উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।

# # # ৪. **মনিটরিং ও মূল্যায়ন**
- **প্রকল্প মনিটরিং:** প্রকল্পের অগ্রগতি ও প্রভাব মূল্যায়নে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়।
- **কর্মসূচি মূল্যায়ন:** বিভিন্ন কর্মসূচির সাফল্য মূল্যায়নে পরিসংখ্যানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।

# # # ৫. **জনসেবা উন্নয়ন**
- **সেবার মান উন্নয়ন:** স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবহন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সেবার মান উন্নয়নে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়।
- **সেবা প্রদানের দক্ষতা বৃদ্ধি:** সেবা প্রদানের দক্ষতা বৃদ্ধিতে পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণ ব্যবহার করা হয়।

# # # ৬. **ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা**
- **ঝুঁকি মূল্যায়ন:** প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অর্থনৈতিক সংকট ইত্যাদি ঝুঁকি মূল্যায়নে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়।
- **ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনা:** ঝুঁকি হ্রাসে পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিসংখ্যানিক উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।

# # # ৭. **গবেষণা ও উন্নয়ন**
- **নতুন নীতি প্রণয়ন:** গবেষণার মাধ্যমে নতুন নীতি প্রণয়নে পরিসংখ্যানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- **প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন:** প্রশাসনিক কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নে পরিসংখ্যানিক জ্ঞান প্রয়োগ করা হয়।

# # # ৮. **প্রতিবেদন ও প্রকাশনা**
- **প্রতিবেদন প্রণয়ন:** সরকারি প্রতিবেদন ও প্রকাশনায় পরিসংখ্যানিক উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।
- **জনগণের কাছে তথ্য প্রকাশ:** জনগণের কাছে তথ্য প্রকাশে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়।

# # # ৯. **আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন**
- **আইন প্রণয়ন:** নতুন আইন প্রণয়নে পরিসংখ্যানিক উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।
- **আইন বাস্তবায়ন:** আইন বাস্তবায়নের প্রভাব মূল্যায়নে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়।

# # # ১০. **আন্তর্জাতিক সহযোগিতা**
- **আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে সহযোগিতা:** আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে সহযোগিতায় পরিসংখ্যানিক উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।
- **আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন প্রণয়ন:** আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন প্রণয়নে পরিসংখ্যানিক উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।

# # # উপসংহার
পরিসংখ্যান প্রশাসনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নীতি প্রণয়ন, সম্পদ বণ্টন, মনিটরিং ও মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করে তোলে।

point of view
04/07/2024

point of view

16/01/2024

ভূষণ্ডির কাক বাগধারাটির উৎস কী?
এটির আসল উত্তর ছিল: ভূষণ্ডির কাক বাগধারাটির উৎস কি?
ভূষণ্ডি নিজেই কাক। কাজেই, কাক ভূষণ্ডি হলো দীর্ঘজীবী। আর, এই দীর্ঘ জীবনের জন্য কাক যুগ যুগ ধরে অনেক ঘটনার সাক্ষী।

একবার কাক ভূষণ্ডিকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল বিভিন্ন যুদ্ধের ঘটনা ও ফলাফল । কৃষ্ণই কথাটা বলেছিলেন।

উত্তরে কাক ভূষণ্ডি জানালো যে, সত্য যুগে শুম্ভ-নিশুম্ভ পরাস্ত হলে সকলের রক্ত ইত্যাদি তারা খেয়ে পরিষ্কার করেছিল। ত্রেতাযুগে লঙ্কায় যুদ্ধেও তারা রক্ত আবর্জনা খেয়ে পরিষ্কার করেছিল। কিন্তু কুরুক্ষেত্রের ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে নিজেই শিউরে উঠেছে। এত রক্ত আবর্জনা কীভাবে সে খেয়ে পরিষ্কার করবে।

এই থেকেই কাক ভূষণ্ডির প্রচলন বা উৎপত্তি বা উৎস।

16/01/2024

বাস্তঘুঘু নয়, দুটি শব্দ।বানান, বাস্ত ঘুঘু। শাব্দিক অর্থ, যে ঘুঘু কোন বাস্ত ভিটা অর্থাৎ বসতবাড়িতে বাসা বাঁধে।

বাগধারাটি বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে। এর অর্থ প্রচ্ছন্ন শয়তান, ভন্ড বা মোনাফেক। এদের ভন্ডামি সহজে চোখে পড়ে না। তারা সুকৌশলে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে। আমরা সচরাচর এদের অতি সেয়ানা অথবা মিচকে শয়তানও‌ লোক বলে থাকি। ইংরেজি ভাষায় এর সমার্থক বাগধারা Snake in the grass.

ঘুঘু পাখি দিয়ে আরো দুটো ইন্টারেস্টিং বাগধারা আছে, যা সাধারণত বিসিএস পরীক্ষায় ব্যাখ্যা করতে বলা হয়। যেমন, কারো 'ভিটেয় ঘুঘু চরানো'। কাউকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে ভিটে বিরান করে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার জন্য এ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। সেখানে শীঘ্র ঘুঘু এসে বাস করে কারণ তারা নির্জন স্থান পছন্দ করে।

অন্য বাগধারা, 'ঘুঘু দেখেছো ফাঁদ দেখানি'। কাউকে ধমক দেয়ার জন্য এ ধরনের উক্তি করা হয়। অর্থাৎ তুমি শুধু লাভটাই দেখেছো কিন্তু তার পেছনে যে ঝুঁকি আছে তা খেয়াল করনি।

16/01/2024

কজন লোক এতই অলস যে, তার গোফের সামনে খেজুর এনে দেয়ার পরও সে চিন্তা করতেছে এটা এখন তাকে চিবিয়ে খেতে হবে যা কষ্টকর।

16/01/2024

নির্মম আত্মীয় বোঝাতে ব্যবহৃত উপমা (বাগধারা) ‘কংস মামা’র কাহিনী কী?
"তাই তাই তাই, মামার বাড়ি যাই।

মামা দিলো দুধভাত, পেট ভরে খাই।"

মামা আর মামার বাড়ি নিয়ে সবারই অনেক মধুর স্মৃতি থাকে। কিন্তু লীলা-পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্য ব্যাপারটা ছিলো পুরোই উল্টোটা। শ্রীকৃষ্ণের মা দেবকীর ভাই তথা শ্রীকৃষ্ণের মামার নাম ছিল কংস, যিনি শ্রীকৃষ্ণ জন্ম নেবার আগেই তার ছয় সহোদরকে জন্মের সাথে সাথে পাথরে ছুড়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। শ্রীকৃষ্ণকেও তার মানবজন্মের প্রথম দিন থেকেই তার মামা কংস হত্যার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। শ্রীকৃষ্ণের প্রতি কংসের এমন নির্দয় আচরণের জন্যই আমরা আমাদের নির্দয় ও নির্মম নিকটাত্মীয়কে কংসের সাথে তুলনা করি, তাকে কংস মামা উপমা দিয়ে থাকি।

16/01/2024

আদায় কাচঁকলায় বাগধারার অর্থ কী?
পরস্পর বিপরীতধর্মী বা শত্রুতা ভাবাপন্ন অবস্থা।

আয়ুর্বেদে দেখা যাবে, আদার গুণ এবং কাঁচকলার গুণের মাঝে, পরস্পর বৈপরীত্য রয়েছে।

কাঁচকলা রান্না করতে, আদা দিলে, কাঁচকলা সহজে সেদ্ধ হতে চায় না।

এজন্য দেখা যাবে, কেউ কাউকে সহ্য ই করতে পারেন না, সম্পর্কের এরকম একটা অবস্থা বুঝাতে, বলা হয়,

আদায় কাঁচকলায়।

এক্ষেত্রে, দুজনের সম্পর্কের মাঝে পরস্পর বিরোধী অবস্থান বুঝাতে, আদা, কাঁচকলার বৈপরীত্যকে, উপমা হিসেবে বলা হয়।

16/01/2024

আক্কেল কখন গুড়ুম হয়
বাংলা ভাষায় যে বাগ্‌ধারাগুলো আছে, সেগুলো এল কোথা থেকে?

তারিক মনজুর
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫: ৩৯

কলকে পাওয়া
নারকেলের খোল, মাটির পাত্র ও কাঠের নল দিয়ে তৈরি তামাক খাওয়ার বিশেষ উপকরণকে বলা হয় হুঁকা বা কলকে। গ্রামগঞ্জে অবসরে তামাক খাওয়ার সময় একটি কলকেই এক হাত থেকে আরেক হাতে ঘুরতে থাকে। কারও হাতে কলকে না এলে মনে করা হয়, সে সম্মান পেল না বা উপেক্ষিত থেকে গেল। তাই কলকে পাওয়া বাগ্‌ধারার অর্থ সম্মান পাওয়া বা উপেক্ষিত না হওয়া।

কাকতালীয়
পরস্পর সম্পর্কহীন দুটি ঘটনা একসঙ্গে ঘটলে তাকে বলা হয় কাকতালীয় ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে মনে হয়, একটির কারণে যেন আরেকটি ঘটনা ঘটেছে! কাকতালীয় শব্দের মধ্যে আছে ‘কাক’ ও ‘তাল’—এই দুটি শব্দ। ধরা যাক, একটি কাক উড়ে এসে তালগাছে বসল; আর তখনই তালগাছ থেকে তাল পড়ল। এই আকস্মিক ঘটনা দুটির মধ্যে আদৌ কোনো সম্পর্ক বা কার্যকারণ নেই। একইভাবে, কাকতালীয় ব্যাপারেও দুটি ঘটনা সম্পর্ক ছাড়াই একত্রে ঘটে।

আক্কেল গুড়ুম
আরবি ‘আকল’ থেকে আক্কেল শব্দটি এসেছে। এর অর্থ বুদ্ধি, বিবেচনা, কাণ্ডজ্ঞান। আর ‘গুড়ুম’ হলো কামান থেকে গোলা বের হওয়ার শব্দ। আকস্মিক কোনো ঘটনায় আমাদের বুদ্ধি, বিবেচনা মাঝেমধ্যে লোপ পায় বা হারিয়ে যায়। হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়ার এই পরিস্থিতিকে বলা হয় আক্কেল গুড়ুম অবস্থা। কামানের গোলা লেগে বুদ্ধি হঠাৎ উড়ে গেলে যে অবস্থা হয়, আরকি!

তারিক মনজুর: শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Address

Jahangirnagir
Savar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kingdom of General Knowledge posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category