24/08/2026
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নেত্রকোণা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান নির্জনকে কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন ভূইয়া কর্তৃক হুমকি-ধমকি ও লাঞ্ছনা
রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দুয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘জুলাই ডকুমেন্টারি প্রদর্শন’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য দেন জেলা সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান নির্জন।
সাইফুর রহমান নির্জনের অভিযোগ, অনুষ্ঠান শেষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় দায়িত্বশীলদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি নেত্রকোণার উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতির দেওয়া ‘চায়ের দাওয়াত’-এ যেতে বলেন। পরে একপ্রকার বাধ্য হয়েই তারা কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে যান।
তার দাবি, সেখানে যাওয়ার পর তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির কেন্দুয়া উপজেলা সভাপতি তাকে বিভিন্নভাবে প্রশ্ন করেন এবং হুমকি-ধমকি দেন। তার বক্তব্যে বিএনপির নাম উল্লেখ করা না হলেও চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করায় তাকে বিএনপির সমালোচনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সাইফুর রহমান নির্জন বলেন, আমি আমার বক্তব্যে বিএনপির নাম নিইনি কিংবা কোনো দলকে ইঙ্গিত করেও কিছু বলিনি। তারপরও আমার বক্তব্যকে বিএনপির বিরুদ্ধে বলা হয়েছে। একপর্যায়ে আমাকে বলা হয়, বাচ্চা ছেলে বেশি বেড়ে গেছো তোমার ভাগ্য ভালো যে এখনো অক্ষত অবস্থায় আছো।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দুয়া উপজেলা শাখার দায়িত্বশীলদেরকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য দিলে বিপদ হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সাইফুর রহমান নির্জন প্রশ্ন তোলেন ঘটমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলাও কি এখন অপরাধ? এটি কি বাক্স্বাধীনতার পরিবেশ?
একটি রাজনৈতিক দলের সমালোচনা না করেও যদি সেই দল গায়ে পড়ে বক্তব্যের দায় নিজেদের ওপর নেয় এবং একজন ছাত্রনেতাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়, তাহলে বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
আমরা এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বার্তাপ্রেরক
জাহিদুল কানন পিয়াস
তথ্য গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ,নেত্রকোনা জেলা।