Nilphamari, নীলফামারী

Nilphamari, নীলফামারী Nilphamari (Bengali: নীলফামারী জেলা, Nilphamari Jela also Nilphamari Zila)

Welcome to the Official page of Nilphamari District!
=========================================
Nilphamari, a beautiful district located in the northern part of Bangladesh, is known for its rich cultural heritage, vibrant community, and natural beauty. Nestled within the Rangpur Division, Nilphamari is home to warm-hearted people, lush green fields, rivers, and historical landmarks that ca

pture the spirit of rural and urban Bangladesh alike. This page serves as a platform to celebrate and share the essence of Nilphamari with both locals and visitors, offering a glimpse into the life, culture, and events that make this district so special. About Nilphamari
=============
Nilphamari District has a unique history and culture shaped by its diverse communities and traditions. Established as a district in 1984, Nilphamari has continued to grow and develop while preserving its roots. The district is divided into six upazilas: Nilphamari Sadar, Saidpur, Domar, Jaldhaka, Kishoreganj, and Dimla, each with its own distinct attractions and character. Nilphamari is known for its agricultural contributions, textile industry, and educational institutions. The Saidpur Railway Workshop, one of South Asia's largest and oldest railway workshops, adds to the district’s industrial prominence. What You’ll Find on Our Page
=====================
This page is dedicated to promoting the beauty, history, and achievements of Nilphamari. Here, you’ll discover:
• Local News & Updates: Stay informed with the latest news, community updates, and important announcements from Nilphamari.
• Cultural Heritage: Dive into the vibrant traditions, festivals, and customs that make Nilphamari a culturally rich destination.
• Tourism & Attractions: Discover the district’s scenic spots, historical landmarks, and natural attractions. Highlights include Teesta Barrage, Chini Mosque, Saidpur Railway Workshop, and lush rural landscapes.
• Events & Festivals: Learn about upcoming local events, fairs, and celebrations, such as Nabanno Utshob, Pohela Boishakh, and Eid festivities, that bring the community together.
• Spotlight on Locals: Stories of inspiring individuals, entrepreneurs, artists, and community leaders from Nilphamari who are making a difference.
• Educational & Employment Opportunities: Information on educational initiatives, career prospects, and vocational training within the district.
• Agriculture & Industry: Explore Nilphamari’s agricultural heritage and industries that are essential to the local economy, from rice and jute farming to textile production. Join Our Community
===============
This page is not just for showcasing Nilphamari—it’s also for engaging with our community. Whether you’re from Nilphamari or simply interested in learning about it, we welcome you to share your stories, photos, and experiences. Let’s create a vibrant digital space where everyone can feel connected to Nilphamari’s charm and heritage. Stay Connected
============
By following our page, you’ll be part of a community that appreciates the beauty and significance of Nilphamari. Stay tuned for updates, and feel free to engage with our posts, share your memories, and invite others to learn about our beloved district. Thank you for being here, and welcome to the heart of Nilphamari online! 🌾

19/02/2026

রোজার মাসে সরকারি অফিসে দাড়িওয়ালা ঘুষখোরদের ওজু করে দৌড়াদৌড়ি দেখলে কি করতে ইচ্ছে করে?

#রমজান #রোজা #ইসলাম

01/10/2025

যে মাছ আমার আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশিরা কিনে খেতে পারবে না, আমি টাকা থাকলেও সেটা কিনে খাবো না।

আসেন এই শপথ নেই। এটাই মনুষ্যত্ব।

গতদিন ইংল্যান্ডে ইসলাম তথা মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক বিশাল আন্দোলন সমাবেশ করেছে ব্রিটিশ সিটিজেনরা, তাদের সাথে ছিল ইউরোপীয় অ...
17/09/2025

গতদিন ইংল্যান্ডে ইসলাম তথা মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক বিশাল আন্দোলন সমাবেশ করেছে ব্রিটিশ সিটিজেনরা, তাদের সাথে ছিল ইউরোপীয় অন্যান্য দেশের জনগণও। সমাবেশে প্রায় দের লাখ মানুষ যোগ দিয়েছে( খবর রয়টার্স)।

তাদের একমাত্র দাবী এবং শ্লোগান ছিল, ইউরোপে ইসলামের জায়গা নেই, যারা মুসলিম ধর্মপ্রান এখানে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করতে চাও, তোমরা আরব দেশগুলোতে চলে যাও। এবং এদেরকে চিহ্নিত করে আর নাগরিকত্ব বাতিল করে বহিষ্কার আদেশ চেয়েছে রাষ্ট্রের কাছে। অন্যান্য স্লোগানগুলো খুবই নগ্ন ভাষায় দিয়েছে, যা আমি এখানে উল্লেখ করতে চাইছি না।

ইউরোপে ইসলামের বিরুদ্ধে দিনে দিনে কেন এমন পরিস্থিতি হল???

আমরা যখন প্রথম ইউরোপে আসি, তখন আমাদের খ্রিষ্টান সহপাঠিরা আমাদের সাথে মসজিদে যেতো, আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নিতো, সাংবাদিকরা এগুলো নিয়ে পজেটিভ প্রচারণা পত্রিকায় লিখত। কিন্তু আজ তারাও আমাদের ইসলামের বিরুদ্ধে, তারাও এখন প্রচণ্ড রকমের বিরক্ত।

সব চেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, ইতালি ইংল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশের অথোরিটি ইসলামের উপর শুধুমাত্র বিব্রত বাঙ্গালীদের কর্মকাণ্ডের উপর বেইজ করে। অথচ এদেশে বাঙ্গালীদের চাইতেও আরবের দেশগুলোর মুসলমানের সংখ্যা অনেক বেশী হলেও আরবের মুসলিম নিয়ে ইউরোপীয়দের তেমন কোন মাথা ব্যথা নেই।

এখানে যারা বাঙ্গালী-ইসলামের ঠিকাদার, তারা কি কখনোই ভেবে দেখেছে, কেন আমাদের ধর্মকে এতো বাজে ভাবে দেখছে তারা? কিছুদিন আগেও যারা আমাদের ফেভারে ছিল, তারা আজ কেন আমাদের বিরুদ্ধে?? কখনো কি এই ধর্মীয় ঠিকাদারেরা রাষ্ট্র তথা সরকারের পালস বুঝার চেষ্টা করেছে? নাকি তারা নিজেদের খেয়াল খুশী মতো যেভাবে ইচ্ছে যা ইচ্ছে সেগুলোকে ধর্মের নামে অপতৎপরতা চালিয়ে এখানে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ভাবে সবার শত্রু বানিয়েছে????

ইতালির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় আয়োজিত একাধিক মিটিংএ আমার যোগ দেবার সুযোগ হয়েছে, ধর্ম ও সমাজ কল্যান মন্ত্রণালয় থেকেও সভা আয়োজন করা হয়েছিলো, সেখানে ছিল ভেটিক্যান প্রতিনিধিরা, সেই মীটিংএও আমাকে অংশ গ্রহন করতে হয়েছিলো। সেখানে যেই বিষয়গুলোকে তারা তাদের নিজেদের কৃষ্টি কালচার অভ্যতা ভদ্রতা ধর্ম সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্যে হুমকি মনে করছে, তার মধ্যে মুল বিষয়গুলো নিয়ে আলোকপাত করি, দেখেন আপনাদের বুঝে আসে কিনা!!!!

ইতালির সরকার কোন অবস্থাতেই রাস্তা ঘাটে নামাজ পড়া, ইফতার করা বা কোন ধর্মীয় আচার আচারন অনুষ্ঠান করা পছন্দ করে না, বরং প্রচণ্ড রকমের বিরক্ত ও বিব্রত বোধ করে।
আমি প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের অথোরিটিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাহলে তোমরা কেন রাস্তায় নামাজ পড়ার জন্যে পারমিশন দেও। উত্তরে বলেছে, এখানে দুটি বিষয় কাজ করে, ১, রাস্তায় কথা বলা ও সমাবেশ করা নাগরিকের গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক অধিকার, এই আইনটিকে সুচতুর ভাবে ভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা হয়।২, এদেশে সকল ধর্মের সহবস্থান সমান।

তবে ভ্যাটিকানসহ অন্যান্য ধরমালম্বিদের প্রশ্ন হল, আজ পর্যন্ত তো কোন খ্রিষ্টান ধর্মগুরু তার দলবল নিয়ে একদিনও রাস্তায় প্রার্থনার আসর বসালো না, আরও হাজারও ধর্মের মানুষ এই দেশে বাস করে তারাও কোনদিন পথে এসে প্রার্থনার আসর বসালো না। মরক্কো, তুনেশিয়া, আলজেরিয়া, ইরাক, ইরান, সিরিয়া, লিবিয়া, পাকিস্তান, আফগানসহ পৃথিবীর ৫৬ টি ইসলামিক দেশের মুসলিমরা ইতালিতে বাস করে, তাদের কোন দেশের মুসলিমকেই রাস্তায় ইবাদত বন্দিগি আর ইফতার করার প্রয়োজন হয় না, রাস্তায় নামাজ আর ইফতার করতে হয় শুধু বাংলাদেশের মুসলমানদের, এবং কেন???

শুধু বিধর্মীরাই নয়, এখানে বাস করা মরক্কো তিউনেশিয়া ইরাক ইরান সিরিয়া লিবিয়া লেবাননসহ অন্যান্য দেশের মুসলমানেরাও বাঙ্গালীর ধর্মীয় উম্মাদনা নিয়ে অসন্তুষ্ট বিব্রত।

গত রমজান মাসে ইতালির অনেকগুলো স্কুল ভিজিটে যেতে হয়েছে আমাকে। আমাদের সিসিএল এর মুক্তার ভাইও একাধিক স্কুলে নিয়মিত হাজিরা দিতে হয়েছে। স্কুল অথোরিটির প্রশ্ন হল, শুধুমাত্র বাঙ্গালী ছোট ছোট শিশুদের উপরে রোজা ফরজ করলো কে?? কেন অন্যান্য মুসলিম শিশুদের উপর রোজা ফরজ নয়??" ১৬ ঘন্টা খারার আর পানীয় ছাড়া থেকে শিশুদের কোন ক্ষতি বা দুর্ঘটনা হলে এর দ্বায় নিবে কে???

আমিও নিজেকে প্রশ্ন করি, ইসলাম কি এতোই ঠুঙ্ক ও মূল্যহীন ধর্ম, যাদেরকে পথে ঘাটে ড্রেনের পাশে ইবাদত বন্ধিগি করতে হয়??
আপনারা খেয়াল করে দেখুন, পৃথিবী জোরে বাঙ্গালী বিদ্বেষ শুরু হয়ে গেছে, এবং এই একই কারনে বহিষ্কার করাও শুরু হয়েছে।
সৌদিতে গনহারে গ্রেফতার এবং দেশে ফেরত শুধুই বাঙ্গালিকে। কাতার দুবাই ওমান বাহারাইনে একই অবস্থা।
মালয়শিয়াতে গনগ্রেফতার বাঙ্গালীদেরকে।
ইংল্যান্ডএ গনহারে মব ও আক্রমের শিকার হচ্ছে বাঙ্গালীরা।(গতকালও লন্ডনে এক বোরকা নিকাব পরিহিত বাঙ্গালী মহিলাকে তার সন্তানসহ বেধর পটিয়েছে)। এবং ব্রিটিশ প্রশাসন এবাপারে নিশ্চুপ। মানে নীরব অনুমোদন দিচ্ছে।
পোল্যান্ডে অনেক দেশের মুসলমান বাস করে আসছে, তাতে কোন সমস‍্যা হয়নি, এখন বাংগালির গেদারিং বেশী হবার কারনে পোল্যান্ডের জনগন এটাকে তাদের সামাজ সংস্কৃতির জন্যে হুমকী মনে করে গতকাল ১ লক্ষ লোকের সমাবেশ করে বাংগালিদের বহিস্কার চেয়েছে॥
তুর্কী যে মুসলিম দেশ, তারাও শুধুমাত্র বাংগালি ধরা পরলেই বেধর মারধর করে॥

ইতালিতে বিদেশীদের নিয়ে সমস্যা থাকলেও বাঙ্গালীদের উপর নিপীড়ন অনেকগুণ বেড়েছে। গত দুই মাসে দুজন বাঙ্গালিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
পথে ঘাটে দিনে রাতে শুধু বাঙ্গালীর উপরই আক্রমণ হচ্ছে।
অথচ ইউরোপের সব চাইতে নিচু ও ঘৃণিত কাজগুলো করছে বাঙ্গালীরা। যেই কাজ ইতালিয়ানসহ অন্য কেউ করতে চায় না।

বাঙ্গালীরা জানপ্রান দিয়ে ইতালিয়দের যেই সেবা যত্ন করলো তাতে ইতালিয়ানরা বাংগালির উপর অত্যাচার না করে খুশী হবার কথা ছিল।

এখানেই শেষ নয়, ইতালি ফ্রান্স ইংল্যান্ড ফিনল্যান্ড নরওয়েসহ ইউরোপী দেশগুলোতে বাঙ্গালী আশ্রয়প্রার্থীদেরকে গনহারে আদালত বহিষ্কার আদেশ দিচ্ছে।
গত পরশু হাঙ্গেরি রাষ্ট্রীয় ভাবে আইন করেছে বাংলাদেশ থেকে তারা কাজের পারমিটে লোক নিবে না, কারন ধর্মীয় উম্মাদনা। একই কারনে পৃথিবীর সকল দেশের ইমিগ্রেশন পলেসি শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন‍্য কঠিন করা হচ্ছে॥

এই যে পৃথিবীতে দিনে দিনে বাঙ্গালীদের পথ সঙ্কুচিত হচ্ছে শুধুমাত্র অল্প কিছু বাঙ্গালীর ধর্মীয় উম্মাদনার কারনে। আমার তো মনে হয়, ইউরোপে বাংলাদেশ কমিউনিটির কিছু মানুষ ধর্মীয় লেবাস আর ব্যানারে সুচতুর ভাবে ইহুদীদের চর হয়ে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে ইসলামকে পৃথিবীর কাছে শত্রু বানানোর কাজ করছে। এবং তারা এটাতে সফলও।
ইতালির বর্তমান সরকার সর্বউচ্চ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, আগামী নির্বাচনে রোমের ৫ নং মিনিচিপিওতে ডেমোক্রেট প্রতিনিধি হটিয়ে তাদের নিজ দলের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে, কারন ৫ নং মিনিউচিপিওতেই অনেকগুলো বাঙ্গালীদের মসজিদ, তারা নির্বাচিত হতে পারলে এই মিনিচিপিওর সকল বাংলাদেশীয় মসজিদগুলো বন্ধ করবে।
একই কারনে ইতালির আরও কিছু প্রভিন্সে বাঙ্গালী অধ্যাসিত এলাকায় তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার এজেন্ডা রয়েছে।
আর যদি এই সকল মসজিদগুলো বন্ধ করে দেয়, তাহলে এর জন্যে দ্বায় থাকবে একমাত্র বাংলাদেশ কমিউনিটির সংশ্লিষ্টগনদের।
এই দ্বায় আপনি আপনার গলার জুড়ে আর শরীরের জুড়ে এরিয়ে গেলেও দুটি কারনে এর দ্বায় থেকে আপনি মুক্তি পাবেন না॥
১, ভিন্ন ধর্মীয় দেশে ইবাদতের নামে পথে ঘাটে বিঘ্ন ঘটালো ইসলাম আপনাকে অনুমোদন দেয় না॥
২, মসজিদ মাদ্রাসা আর ঘরে নামাজের জায়গা থাকা অবস্হায় পথে ঘাটে ইবাদত বন্দিগী করার অনুমোদন কুরানে নেই॥

পুরো ইউরোপ জুড়ে ডানপন্হীদের উথ্যানের পেছনে বড় রকমের অবদান রেখেছে এই ধর্মীয় উম্মাদনার॥ ইসলাম যে সুশৃঙ্খল ও শান্তির ধর্ম, তা আমাদের কৃতকর্ম দ্বারা কখনোই প্রমান করতে পারি নাই। এই পরম সত্য আপনি না মানতে চাইলে নিজেকে প্রশ্ন করুণ, বাঙ্গালীরা বিগত ৩০ বছর ধরে ইউরোপের পথে ঘাটে ধর্ম চর্চা করে ইসলামের অবস্থান এখন কোন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে???

আমার খুব আফসোস হয়, আমরা ইউরোপে যেই অবদান রেখেছি, তাতে আমাদের অবস্থান হবার কথা ছিল সর্বউচ্চ মর্যাদার, অথচ এই উম্মাদনার কারনে আমরা হয়েছি সব চেয়ে নিকৃষ্ট।

ইতালিতে বাংলাদেশ কমিউনিটি নিয়ে আমি নিজেও প্রচুর রকমের বিরক্ত কারন বাংগালি কমিউনিটির কেউ কাউকে সন্মান করে না, প্রতিটি নেতা নিজেকে বুদ্ধিজীবী মনে করে, এবং তার চাইতে বেশী জ্ঞানী আর বড় বুদ্ধিজীবী জগতে দ্বিতীয়টি নাই বলেও জ্ঞান করে॥

আপনি শুধু এইটুকুন বুঝার চেস্টা করুন, আপনি যদি ধার্মিক হয়ে থাকেন তাহলে কোন স্যাকুলার সোশ্যাল ওয়েলফেয়ারের দেশে প্রবেশ করা ধর্মীয় ভাবে অপরাধ করেছেন, -আলকুরআন

(সংগৃহীত)

13/08/2025

যে জাতি তার ইতিহাস নিয়ে মশকরা করে,
সেই জাতিই দুনিয়ার লোকের কাছে মশকরার বিষয় হয়ে যায়।

উত্তরবঙ্গের আকাশপথের প্রাণকেন্দ্র এই বিমানবন্দর শুধু নীলফামারী নয়, রংপুর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওসহ সমগ্র উত্তর...
13/08/2025

উত্তরবঙ্গের আকাশপথের প্রাণকেন্দ্র এই বিমানবন্দর শুধু নীলফামারী নয়, রংপুর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওসহ সমগ্র উত্তরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ করেছে। প্রতিদিন ঢাকা ও অন্যান্য শহরের সঙ্গে আকাশপথে যুক্ত করে ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটনে এনেছে নতুন গতি।

বাংলাদেশের উত্তর প্রান্তের এই গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরটি আরও আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হলে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি ও পর্যটনে আসবে নতুন দিগন্ত। 🌏✈️

#সৈয়দপুরএয়ারপোর্ট #নীলফামারী #উত্তরবঙ্গ #বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্পগুলোর একটি, তিস্তা ব্যারেজ, নীলফামারীর দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মিশে আছে। দ...
13/08/2025

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্পগুলোর একটি, তিস্তা ব্যারেজ, নীলফামারীর দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মিশে আছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষি, সেচ ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই ব্যারেজের অবদান অপরিসীম। বর্ষায় তিস্তার ঢল আর শীতে শান্ত জলরাশি – প্রতিটি ঋতুতেই তিস্তা ব্যারেজ এক অনন্য রূপে সেজে ওঠে।

এখানে এসে আপনি উপভোগ করতে পারেন নদীর নীরব স্রোত, বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ, আর মানুষের হাসিমাখা মুখ। এটি শুধু একটি প্রকল্প নয় – উত্তরাঞ্চলের প্রাণ, কৃষকের আশা আর পর্যটকের প্রিয় গন্তব্য।

📍 অবস্থান: ডিমলা উপজেলা, নীলফামারী
📷 ছবি তুলতে ভুলবেন না – প্রতিটি কোণেই লুকিয়ে আছে এক একটি গল্প।

#তিস্তা_ব্যারেজ #নীলফামারী #বাংলাদেশের_গর্ব

নীলফামারী জেলার ঐতিহ্যবাহী চিনি মসজিদ—বাংলাদেশের অন্যতম স্থাপত্য রত্ন ✨বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে স্থাপত্যের একটি বি...
13/08/2025

নীলফামারী জেলার ঐতিহ্যবাহী চিনি মসজিদ—বাংলাদেশের অন্যতম স্থাপত্য রত্ন ✨

বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে স্থাপত্যের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। তারই উজ্জ্বল উদাহরণ নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত চিনি মসজিদ। ১৯৩২ সালে ধনী ব্যবসায়ী হাজী মোহাম্মদ বখত বেগ এই মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু করেন। এর বাইরের দেয়াল ও অভ্যন্তরের কারুকাজে ব্যবহৃত হয়েছে সাদা রঙের চীনামাটির টালি, যা সূর্যের আলোয় ঝলমল করে—এই জন্যই এর নাম ‘চিনি মসজিদ’।

মুঘল স্থাপত্যশৈলী ও স্থানীয় নকশার মিশ্রণে গড়া এই মসজিদ শুধু একটি ধর্মীয় স্থান নয়, বরং আমাদের শিল্প-ঐতিহ্যের একটি অমূল্য নিদর্শন। আজও এটি নীরবে বহন করে চলেছে প্রায় এক শতাব্দীর ইতিহাস।

📍 অবস্থান: সৈয়দপুর, নীলফামারী
📷 ভ্রমণপিপাসুদের জন্য অবশ্যই ঘুরে দেখার মতো এক জায়গা।

#চিনি_মসজিদ #নীলফামারী #বাংলাদেশের_ঐতিহ্য #স্থাপত্যশিল্প #সৈয়দপুর #ঐতিহাসিক_স্থাপনা #বাংলাদেশ_পর্যটন

20/07/2025

বে-আদব মানে প্রতিবাদী নয়,
গালিবাজ মানে সাহসী নয়।

আমাদের প্রিয় দেশ হোক ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত, ভবিষ্যতমুখী ও সবার জন্য নিরাপদ।দেশের প্রতিজন মানুষ হোক শিক্ষিত, প্রগতিশীল, দক্...
28/12/2024

আমাদের প্রিয় দেশ হোক ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত, ভবিষ্যতমুখী ও সবার জন্য নিরাপদ।
দেশের প্রতিজন মানুষ হোক শিক্ষিত, প্রগতিশীল, দক্ষ, কর্মঠ, রুচিশীল ও মানবিক।


২৬ টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
31/01/2023

২৬ টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২৬ টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (আরসিসি...

Address

Nilphamari Sadar
Sadar
5300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nilphamari, নীলফামারী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share