বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম,রংপুর বিভাগ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangpur
  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম,রংপুর বিভাগ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম,রংপুর বিভাগ। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম,রংপুর বিভাগ।, Political organisation, রংপুর ডিসির মোড়, রংপুর, Rangpur.

শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী কর আইনজীবীদের শীর্ষ সংগঠন। আমরা পেশাগত মর্যাদা ও করদাতাদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ। আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও হয়রানিমুক্ত কর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগবান্ধব অর্থনৈতিক পরিবেশ গঠনে আমরা কাজ করছি।

20/08/2026

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: রাজনীতির দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বঙ্গভবনের পথে
একজন শিক্ষক থেকে জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে—রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার রাজনৈতিক তাৎপর্য

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আছেন, যাঁদের উত্থান কেবল দলীয় পদ-পদবির ধারাবাহিকতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না; বরং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা এবং সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে তাঁদের অবস্থানকে বিবেচনা করতে হয়। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁদের অন্যতম।

২০২৬ সালের ২০ আগস্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ১৯৯১ সালের পর এটিই ছিল প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ফলে তাঁর নির্বাচিত হওয়া শুধু একজন প্রবীণ রাজনীতিকের সাংবিধানিক পদে আরোহণ নয়; বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।

রাজনীতির শুরু: ছাত্রজীবনেই রাজনৈতিক বোধের বিকাশ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবনের শিকড় ছাত্রজীবনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যয়নকালে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ছাত্ররাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের সময় তাঁর সক্রিয় ছাত্ররাজনীতির ভূমিকা তাঁর রাজনৈতিক চেতনার প্রাথমিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো—তিনি সরাসরি পেশাদার রাজনীতিতে প্রবেশ না করে শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরির অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে নিজের কর্মজীবনকে সমৃদ্ধ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর ১৯৭২ সালে তিনি সরকারি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে সরকারি প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বেও কাজ করেন।

এই শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা তাঁর পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্তিবাদী বক্তব্য, প্রশাসনিক বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা এবং সাংগঠনিক চিন্তার ভিত্তি তৈরি করেছিল—এমন মূল্যায়ন বিভিন্ন পর্যায়ে পাওয়া যায়।

সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ

১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করে মির্জা ফখরুল সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অর্থাৎ জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত হওয়ার আগে তিনি স্থানীয় সরকার ও মাঠের রাজনীতির বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

এরশাদবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময়ে ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাঁকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। এই পর্যায় থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোর সঙ্গে গভীর সম্পৃক্ততা তৈরি হয়।

সংসদ ও মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞতা

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা একদিনে হয়নি। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও তিনি নির্বাচিত হতে পারেননি। কিন্তু রাজনৈতিক পরাজয় তাঁর সাংগঠনিক অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেয়নি।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে তিনি প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ফলে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও মন্ত্রিপরিষদ পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতাও তাঁর রাজনৈতিক জীবনে যুক্ত হয়।

বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময়

মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি হলো বিএনপির শীর্ষ সাংগঠনিক নেতৃত্বে তাঁর দীর্ঘ অবস্থান।

২০০৮ সালের নির্বাচনের পর তিনি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান। ২০১১ সালে তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের দৃষ্টিতে, এই দীর্ঘ সময়ের মূল্যায়নে দুটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—প্রথমত, দীর্ঘদিন বিরোধী রাজনীতিতে থেকেও দলীয় সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখা; দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক সংকট ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় দলের প্রধান রাজনৈতিক বক্তব্য দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে উপস্থাপন করা।

তাঁর রাজনৈতিক ভাষণের একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ছিল তুলনামূলকভাবে পরিমিত ও যুক্তিনির্ভর বক্তব্য উপস্থাপনের চেষ্টা। শিক্ষকতার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক যোগাযোগের ধরনেও প্রভাব ফেলেছে বলে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ঘটনাকে কেবল একটি দলীয় মনোনয়ন হিসেবে দেখলে এর রাজনৈতিক তাৎপর্য পুরোপুরি বোঝা যাবে না।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় ফিরে আসে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মির্জা ফখরুলকে প্রার্থী করে। সংসদে বিএনপি ও তার মিত্রদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রেক্ষাপটে তাঁর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা শুরু থেকেই প্রবল ছিল। শেষ পর্যন্ত সংসদীয় ভোটে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন।

এই নির্বাচনের আরেকটি তাৎপর্য হলো—১৯৯১ সালের পর প্রথমবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের রাজনৈতিক ইতিহাসেও একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

কেন মির্জা ফখরুল?

রাষ্ট্রপতি পদ দলীয় রাজনীতির দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের চেয়ে ভিন্ন প্রকৃতির একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই পদে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের প্রতীকী ও সাংবিধানিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

মির্জা ফখরুলের ক্ষেত্রে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, শিক্ষকতা, প্রশাসনিক দায়িত্ব, স্থানীয় সরকার পরিচালনা, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন, মন্ত্রিসভার অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের দলীয় নেতৃত্ব—সবকিছু মিলিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের একটি বিস্তৃত অভিজ্ঞতার সমষ্টি তৈরি হয়েছে। সরকারি জীবনীতে তাঁর শিক্ষকতা, সরকারি প্রশাসনে দায়িত্ব, পৌর চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ এবং বিএনপিতে যোগদানের ধারাবাহিকতা উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, তাঁর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়াকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসের একটি প্রতীক হিসেবেও দেখা যায়। দীর্ঘ সময় বিরোধী রাজনীতিতে থাকা একজন প্রবীণ বিএনপি নেতা এবার রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদগুলোর একটিতে আসীন হতে যাচ্ছেন।

দলীয় রাজনীতির বাইরে রাষ্ট্রের অভিভাবকত্ব

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক পরিচয়ের সামনে নতুন একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব যুক্ত হয়েছে। তিনি এখন কেবল বিএনপির একজন প্রবীণ নেতা নন; রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁকে সমগ্র বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি পদটি মূলত সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার পদ হলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সাংবিধানিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নিরপেক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা গুরুত্বপূর্ণ।

এই জায়গাতেই মির্জা ফখরুলের সামনে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা। দীর্ঘদিনের দলীয় রাজনীতির অভিজ্ঞতাকে তাঁকে এখন রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

একজন রাজনীতিকের জন্য নতুন অধ্যায়

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবনকে এক কথায় ব্যাখ্যা করতে গেলে বলা যায়—এটি দীর্ঘ পথচলার রাজনীতি। ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থেকে শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি, স্থানীয় সরকার, জাতীয় সংসদ, মন্ত্রিসভা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং দীর্ঘদিনের মহাসচিবের দায়িত্ব—প্রতিটি পর্যায় তাঁকে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা দিয়েছে।

আজ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নতুন একটি অধ্যায় শুরু হয়েছে। এই অধ্যায়ের মূল্যায়ন হবে তিনি দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে কতটা সাংবিধানিক মর্যাদা, রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতা, জাতীয় ঐক্য এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে সমুন্নত রাখতে পারেন তার ওপর।

একজন প্রবীণ রাজনীতিক হিসেবে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা যেমন এই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শক্তি হতে পারে, তেমনি দলীয় রাজনীতি থেকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের জায়গায় রূপান্তর তাঁর জন্য একটি বড় সাংবিধানিক ও নৈতিক পরীক্ষাও বটে।

উপসংহার

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি তাঁর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলারও একটি পরিণত অধ্যায়।

তবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় আর কোনো রাজনৈতিক দলের মহাসচিবের পরিচয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর সামনে থাকবে সমগ্র বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব।

একজন শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, দীর্ঘদিনের বিরোধী রাজনীতিক এবং বিএনপির মহাসচিব হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতা এখন তাঁকে একটি নতুন পরীক্ষার মুখোমুখি করেছে—দলীয় রাজনীতির অভিজ্ঞতাকে কীভাবে রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতা, সাংবিধানিক শাসন ও জাতীয় ঐক্যের দায়িত্বে রূপান্তর করা যায়।

ইতিহাস শেষ পর্যন্ত তাঁকে এই মানদণ্ডেই মূল্যায়ন করবে।

15/08/2026

আজ ১৫ আগস্ট—দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন।

তিনি আজ আমাদের মাঝে শারীরিকভাবে নেই। কিন্তু বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও জাতীয়তাবাদী চেতনার সংগ্রামে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকা ও অবদান মানুষের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আজ তাঁর জন্মদিনে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি—
আল্লাহ যেন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমা করে দেন, তাঁর কবরকে নূরে ভরিয়ে দেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। আমিন।

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দোয়ায়—
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

Congratulations
15/08/2026

Congratulations

15/08/2026
কর ফাকি দেওয়া প্রতিষ্ঠান থেকে কর আদায়
09/08/2026

কর ফাকি দেওয়া প্রতিষ্ঠান থেকে কর আদায়

অনিয়মের ধরণ বলে দেয় শুল্ককর ফাঁকি দিতে প্রতিষ্ঠানগুলো কত ফন্দিফিকিরের আশ্রয় নেয়। কখনো এক পণ্য ঘোষণায় অন্য পণ্য আ...

05/08/2026

Address

রংপুর ডিসির মোড়, রংপুর
Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম,রংপুর বিভাগ। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share