ইতিহাস:
কথিত আছে আজ থেকে প্রায় ৫২০০ বছর আগে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় বিরাট রাজার রাজধানী ছিল। বিরাট রাজার প্রায় ৬০ (ষাট) হাজার গাভী ছিল। সেই গাভী বা গাই বান্ধার স্থান হিসাবে গাইবান্ধা নামটি এসেছে বলে কিংবদন্তী রয়েছে। ১৯৮৪ ইং সালের ১৫ অগাস্ট বুধবার ২রা ফাল্গুন ১৩৯০ বাংলা ১২ ই জমাদিউল আউয়াল ১৪০৪ হিজরী সনে গাইবান্ধা জেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রথমে তা মহকুমা ছিল। গাইবান্ধা জেলা রাজশা
হী বিভাগের অধীনে ছিল। ২০১০ সালে রংপুর বিভাগ হওয়া তা রংপুর বিভাগের অধীনে পড়ে।
জনসংখ্যা:
গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোট জনসংখ্যা ৪,৩৭,২৬৮ জন। এর মাঝে পুরুষ ২,১৩,৪৮৬ জন এবং মহিলা ২,২৩,৪৫৭জন।[২] জনসংখ্যার ঘনত্ব ১২২৫ জন প্রতি বর্গ কিঃ মিঃ।
আয়তন:-
• মোট ৩২৪ কিমি২ (১২৫ বর্গমাইল)
শিক্ষা:-
গাইবান্ধা সদর উপজ়েলার সাক্ষরতার হার শতকরা ৪৭.৫ ভাগ। কলেজের সংখ্যা ১০টি, স্কুল ও কলেজ ৪টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৫৫টি, নিম্ন মার্ধমিক বিদ্যালয় ০৮টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৪টি, দাখিল মাদ্রাসা ১৬টি, এবতেদায়ী মাদ্রাসা ১৬টি, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৩৬টি, রেজিষ্টারী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬১টি, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১১টি।
অবস্থান:-
গাইবান্ধা সদরের উত্তরে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা,পূর্বে চর রাজিবপুর উপজেলা ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে সাঘাটা উপজেলা ও ফুলছড়ি উপজেলা এবং পশ্চিমে পলাশবাড়ী উপজেলাও সাদুল্লাপুর উপজেলা।
কৃতী ব্যক্তিত্ব:-
শাহ্ আব্দুল হামিদ
(স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্পীকার। জন্ম স্থান গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। স্থায়ী আবাস গাইবান্ধার ডেভিড কোঃ পাড়ায়।)
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (সাহিত্যিক)
আবু হোসেন সরকার (পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশীক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন)
বাবু শচীন চাকী ( খেলাধুলা সংগঠক)
মাহাবুব এলাহী রন্জু, বীর প্রতীক -
(১৯৭১ সাল এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধে গাইবান্ধা এলাকার গৌরব রন্জু কম্পানীর কমান্ডার)
জন্ম স্থান : গাইবান্ধা শহরের মুন্শীপাড়ায়।