Rangpur Metropolitan Kotwali Thana Awami League

Rangpur Metropolitan  Kotwali Thana Awami League বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক সুতোই গাঁথা

28/06/2023
দিনব্যাপী রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগেবিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করে রং...
23/06/2023

দিনব্যাপী রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে
বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করে
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগ।

সকল কর্মসূচিতে
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের
সভাপতি মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক
মোঃ শাহজাদা আরমান শাহজাদার নেতৃত্বে কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

বার্তা প্রেরকঃ

মোঃ সোহেল রানা ইমন
দপ্তর সম্পাদক
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগ।

২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতেসবাই কে শুভেচ্ছা।
22/06/2023

২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে
সবাই কে শুভেচ্ছা।

অভিনন্দন নব-নির্বাচিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার মেয়র! জননেতা এ.এইচ.এম খাইরুজ্জামান লিটন,মেয়র, রাজশাহী সিটি কর্পোর...
22/06/2023

অভিনন্দন
নব-নির্বাচিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত
নৌকার মেয়র!

জননেতা এ.এইচ.এম খাইরুজ্জামান লিটন,
মেয়র, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন।

জননেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী,
মেয়র, সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে সন্ত্রাস ও জঙ্গী মুক্ত
বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে,
জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪
নৌকায় ভোট দিয়ে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করতে সমর্থন করি।

শেখ হাসিনা সরকার
বার বার দরকার

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

-বার্তা প্রেরক

মোঃ সোহেল রানা ইমন
দপ্তর সম্পাদক
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগ।

18/06/2023

মাননীয় বানিজ্য মন্ত্রী জনাব টিপু মুনসি্ এম.পি
রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগ এর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে
বক্তব্য রাখেন।

"রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত"রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে বিকালে রংপুর ...
17/06/2023

"রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত"

রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে বিকালে রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ী কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর বৃন্দদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সংবর্ধিত হয় রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি, ২০ নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর, প্যানেল মেয়র মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ২৬ নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর মোঃ শাহজাদা আরমান শাহজাদা সহ আওয়ামী লীগের ২২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এই সময় অনুষ্ঠানের উদ্ভোদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জনাব, ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন,প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় বানিজ্য মন্ত্রী,
জনাব টিপু মুনসি্ এম.পি,
প্রধান বক্তা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সজিত রায় নন্দী,
বিশেষ অতিথি,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া,এডভোকেট সফুরা বেগম রুমি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের আহবায়ক ডাঃ দেলোয়ার হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আবুল কাশেম।

17/06/2023

"রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত"

রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী লাইব্রেরী মাঠে বিকালে রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ী কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর বৃন্দদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সংবর্ধিত হয় রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি, ২০ নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর, প্যানেল মেয়র মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ২৬ নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর মোঃ শাহজাদা আরমান শাহজাদা সহ আওয়ামী লীগের ২২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এই সময় অনুষ্ঠানের উদ্ভোদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জনাব, ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন,প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় বানিজ্য মন্ত্রী,
জনাব টিপু মুনসি্ এম.পি,
প্রধান বক্তা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সজিত রায় নন্দী,
বিশেষ অতিথি,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া,এডভোকেট সফুরা বেগম রুমি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের আহবায়ক ডাঃ দেলোয়ার হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আবুল কাশেম।

11/06/2023

দেশজুড়ে লোডশেডিং শূন্যের কোঠায়ঃ
গত ৮ই জুন থেকে সারাদেশে ব্যাপকহারে কমেছে লোডশেডিং। আস্থা রাখুন জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। জনগণের সেবা করাই আওয়ামী লীগ সরকারের মূল লক্ষ্য।

11/06/2023

যতই দেশি-বিদেশি চাপ আসুক, এ দেশের মানুষ চাপের কাছে মাথা নত করবে না।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

#শেখহাসিনা #আওয়ামীলীগ #বাংলাদেশ

11/06/2023
11/06/2023
11/06/2023

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসঃ গণতন্ত্রের মানসকন্যাকে আটকে রাখা যায় না
---
২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর কারামুক্ত হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ত ও আদর্শের যোগ্য উত্তরসূরি বাঙালির আস্থা ও বিশ্বাসের শেষ ঠিকানা গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর মুক্তির মধ্য দিয়ে মুক্ত হয় গণতন্ত্র। কেননা ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে বন্দী করার নামে সেদিন অবরূদ্ধ করা হয়েছিল গণতন্ত্রকে। ১/১১ তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার সেদিন শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া কে মাইনাস ( মাইনাস টু ফর্মূলা)র নামে মূল টার্গেট করেছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিশ্চিহ্ন করার। এই টার্গেট ও পরিকল্পনা হঠাৎ করে নয়। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে আবারো পাকিস্তানের ভাবধারায় ফিরিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র ওদের অনেক দিনের। স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে সেই ষড়যন্ত্রের সূত্রপাত। ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রিয় জন্মভূমিতে ফিরে এসে আওয়ামী লীগকে পুন:গঠনের মাধ্যমে দেশে আবার গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা পুন:প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু করেন। সেদিন থেকেই ষড়যন্ত্রকারীদের মূল টার্গেটে পরিণত হন গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ছিল আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য ভয়ঙ্কর একটি চ্যালেঞ্জের দিন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বিরূদ্ধে দীর্ঘদিনের চক্রান্তের ধারবাহিকতায় সেদিন আজকের জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিতর্কিত করে জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা থেকে দূরে সরিয়ে ফেলার হীন প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছিল। যদিও সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে যায় এদেশের আপামর জনগণের প্রতিবাদী ভালোবাসার কাছে। আর এ জন্যই দিনটি স্মরণীয়।

জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কারাগারে পাঠিয়ে এই দেশের গণতন্ত্রকে হত্যার নীল নকশা করেছিল ষড়যন্ত্রকারীরা। তাই ইতিহাসের এই কালো দিনটিকে মুজিবাদর্শের নেতাকর্মী ও গণতন্ত্রকামী দেশের আপামর জনগণ 'গণতন্ত্র অবরুদ্ধ দিবস’ হিসেবে পালন করে।

২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে ফখরুদ্দিন-মইনউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বঙ্গবন্ধুকন্যাকে ধানমন্ডির নিজ বাসভবন সুধাসদন থেকে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের জন্য সুধাসদনের চারদিক বিভিন্ন বাহিনীর দুই সহস্রাধিক সদস্য ঘিরে রেখেছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনা এর মধ্যে ফজরের নামাজ আদায় করেন। সাদা শাড়ি পরিহিতা শেখ হাসিনা যৌথবাহিনীর কাছে জানতে চান, কেন তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে? দেশে কী সামরিক শাসন জারি হয়েছে? কোনো উত্তর ছিল না আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকদের মুখে।

গ্রেফতারের আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নামে দেয়া হয় একাধিক মামলা। বাসা থেকে তাঁকে পুলিশের একটি জিপে করে ঢাকার সিএমএম আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত এলাকায় তাঁর নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশবাহিনীর দায়িত্বহীনতার কারণে তিনি নাজেহালের শিকার হন। সেদিন সিএমএম কোর্টে দাঁড়িয়ে বাঙালির আস্থা ও ভালোবাসার ঠিকানা শেখ হাসিনা সরকারের অন্যায় আচরণের বিরূদ্ধে আইনি ভাষায় ৩৬ মিনিট বক্তব্য রাখেন।

সেই সকালেই অগণিত রাজনৈতিক কর্মী নিজের জীবনতে তুচ্ছ ভেবে কোর্টপ্রাঙ্গণে ছুটে গিয়েছিলেন অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে। আদালতে শেখ হাসিনার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে। এরপর শেখ হাসিনাকে জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে বিশেষ কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়েরকৃত কয়েকটি মামলায় বিশেষ জজ আদালত তাঁর বিরূদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন। পরবর্তীতে ওই সব মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনা হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।

গ্রেফতারের পরই বঙ্গবন্ধুকন্যার মুক্তির দাবিতে দেশে-বিদেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। প্রায় ১১ মাস অতিবাহিত হলে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা করানোর দাবি জানান। উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে কারাবন্দি শেখ হাসিনাকে ২০০৮ সালের ১১ জুন আট সপ্তাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি কান ও চোখের চিকিৎসা নেন। দেশে ফেরার পর আবার তাঁকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলতে থাকে।

কারাবরণের পর প্রায় এক বছর বন্দি ছিলেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা, অবরুদ্ধ ছিল গণতন্ত্র। তথাকথিত তত্বাবধায়ক সরকারের ব্যানারে পদদলিত হয়েছিল ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। তবে ১/১১-এর অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুগত ব্যক্তিদের দেয়া মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করলেও পরবর্তীতে সেই অভিযোগ থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অব্যাহতি পান বঙ্গবন্ধুকন্যা। শেষ পর্যন্ত সত্যের জয় হয়, মুক্তির মিছিলে শামিল হয় লক্ষ কোটি নেতাকর্মী। মূক্ত হয় অবরূদ্ধ গণতন্ত্র।

গ্রেফতারের পর শেখ হাসিনাকে রাখা হয়েছিল জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ সাব-জেলে। সেখানে খাবারে ক্রমাগত পয়জন মিশিয়ে তাঁকে মেরে ফেলার টার্গেট করা হয়। স্লো পয়জনিংয়ের কারণে বন্দি শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সবই ছিল তাঁকে এদেশের রাজনীতি থেকে মাইনাস করার জঘণ্য ষড়যন্ত্র। এজন্য ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর তাঁর দেশে ফেরার ওপর বিধিনিষেধ জারি করে সামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তাঁকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়। তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন বীরদর্পে । উদ্দীপিত আর অনুপ্রাণিত হয় আওয়ামী লীগের লক্ষ কোটি নেতাকর্মী। যৌথবাহিনী তাঁকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করার পর গণমানুষ তাঁর অনুপস্থিতি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস আর আস্থা বহুগুণে বেড়ে যায় দেশের মানুষের কাছে।

সে সময় শেখ হাসিনার সাব-জেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের উদ্বেগ, গ্রেফতারের সংবাদ শুনে দেশের বিভিন্ন স্থানে চারজনের মৃত্যুবরণ, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের উৎকণ্ঠা বদলে দিয়েছিল রাজনৈতিক দৃশ্যপট। কারণ তখন আদালতের চৌকাঠে শেখ হাসিনা ছিলেন সাহসী ও দৃঢ়চেতা; দেশ ও মানুষের জন্য উৎকণ্ঠিত; সত্যকথা উচ্চারণে বড় বেশি সপ্রতিভ ছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। যা কেবল বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেই সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতারের আগে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লিখে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা। চিঠিটি নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করে। উজ্জীবিত হয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তিনি দেশবাসীর প্রতি তাঁর আস্থার কথা জানিয়েছিলেন । গণতন্ত্র অবরূদ্ধ হওয়ায় দুঃসময়ে নেতাকর্মীরা কী করবেন তার নির্দেশনা ছিল ঐ চিঠিতে।

চিঠিটি হুবহু এ রকম-

প্রিয় দেশবাসী,
আমার ছালাম নিবেন। আমাকে সরকার গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। কোথায় জানি না। আমি আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যেই সারাজীবন সংগ্রাম করেছি। জীবনে কোনো অন্যায় করিনি। তারপরও মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। উপরে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ও আপনারা দেশবাসী আপনাদের উপর আমার ভরসা। আমার প্রিয় দেশবাসী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে আবেদন কখনও মনোবল হারাবেন না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন। যে যেভাবে আছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন। মাথা নত করবেন না। সত্যের জয় হবেই। আমি আছি আপনাদের সাথে, আমৃত্যু থাকব। আমার ভাগ্যে যাহাই ঘটুক না কেন আপনারা বাংলার জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যান। জয় জনগণের হবেই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়বই। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাবোই। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
শেখ হাসিনা, ১৬.০৭.২০০৭

শেখ হাসিনার লিখে যাওয়া এই আবেগময় চিঠি তাঁর মুক্তি আন্দোলনকে তরান্বিত করে। সৃস্টি করে জনমত। চিঠির একটি লাইন যেনো অনবদ্য বিদ্রোহী কবিতার পংক্তি হয়ে বাজতে থাকে লক্ষকোটি নেতাকর্মীদের কানে।

অনুপ্রেরণামূলক এই চিঠিতে শেখ হাসিনা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। দেশের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির লড়াইয়ে তাঁর নেতৃত্বের একনিষ্ঠতা তখন সত্য হয়ে উঠেছিল শব্দমালার গাঁথুনিতে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল চাঁদাবাজির। অথচ ২০০১ সালের পর বিএনপি-জামায়াত জোটের ক্ষমতাকালে তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের হলেও কখনো চাঁদাবাজির মামলা করা হয়নি। ভাবতে অবাক লাগে মামলাবাজ জোট সরকার থেকেও কয়েকগুণ বেশি কুটকৌশলী ও ষড়যন্ত্রকারীরা ভর করেছিল ঐ সামরিক সরকারের চারপাশে।

ভাবতে কষ্ট হয় যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার জন্য জীবন বাজী রেখে আন্দোলন করেছিলেন শেখ হাসিনা। বিএনপি-জামায়াত জোট সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনীর হাতে জীবন দিয়েছে ৬৮ জন । সেই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল একটা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। যে নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে। চারদলীয় জোটের ভোট কারচুপির নীলনকশা প্রতিহত করার জন্যই আন্দোলন করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষা করে গণতন্ত্রকে সুসংহত করাও তাঁর মূল টার্গেট ছিল।
মুলত শেখ হাসিনার এই চিন্তা-ভাবনার বিপরীতে যাদের অবস্থান ছিলো,তাঁর নেতৃত্ব যাদের কাছে আতংক ছিল তাদের কারণেই সেদিন গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি।

নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা। এটাই চিল তাঁর অপরাধ। তিনি অাক্ষেপ করে বলেছিলেন - ‘আন্দোলন করে দাবি পূরণ করলাম, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুন:র্গঠন করলাম। যেই দ্রুত নির্বাচনের কথা বললাম, সেই আমি চাঁদাবাজ হয়ে গেলাম, দুর্নীতিবাজ হয়ে গেলাম। আমার স্থান হলো কারাগারে। পাঁচটি বছর চারদলীয় জোট তন্ন তন্ন করে খুঁজেছে আমার ও আমার পরিবারের দুর্নীতির কোনো কিছু পায় কিনা, পায় নাই। পেয়েছে ফখরুদ্দীন সরকার।’

অনেকেই বলেন মাইনাস টু ফর্মূলা বাস্তবায়নে নেমেছিলো ১/১১ সরকার। কিন্তু বাস্তবে কী দেখতে পেয়েছি আমরা ? মামলা- হয়রানীর শিকার বেশি হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। দিনের আলোর মতই স্পষ্ট মাইনাস টু নয় ‘মাইনাস শেখ হাসিনা’- তৃতীয় শক্তির উত্থানের প্রত্যাশা ছিল শাসকগোষ্ঠীর।

এইতো সেদিনের কথা চোখের সামনে ভেসে উঠছে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের সুদখোর, কালোটাকার মালিকরা টাকা সাদা করে রাজনীতির মাঠে নেমে পড়েছিল নতুন দল গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার। আর সরকারের পক্ষ থেকে ঐ দলে যোগ দেয়ার জন্য নানা রকমের প্রলোভন দেখানো হয়েছিল আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষনেতাদেরও। আর রাজী না হলে দুদক’কে দিয়ে রাজনীতিবিদদের জনগণের কাছে বিতর্কিত করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল সরকার, একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হচ্ছিল। ষড়যন্ত্র সফল না হলেও পরবর্তী যেনো তারা দলে বিতর্কিত হয় তারও ছক তৈরি করেছিলেন তারা। পরবর্তীতে দূরদর্শী রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে শেখ হাসিনা দুসময়ের বাস্তবতা বুঝতে পেরে , তাদের আবার কাছে টেনে নেন।

চার দলীয় জোট সরকারের আমলে ৯টি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ৬টি মোট ১৫টি মামলা করা হয় আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বিরুদ্ধে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর ভাবমূর্তি, বঙ্গবন্ধু পরিবারে ঐতিহ্য নষ্ট করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি বাঙালির আস্থা ও বিশ্বাসে ফাটল ধরাতে এবং তাঁকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে ‘দুদক’কে ব্যবহার করে।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বিদেশি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে অবৈধভাবে গ্যাস উত্তোলনের সুযোগ দেয়ার অভিযোগ এনে শেখ হাসিনাসহ ৭জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করে ‘দুদক’। ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় ৯জনের বিরূদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার দায় থেকে অব্যাহতির জন্য শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে হাইকোর্টে বাতিল আবেদন করলে ৭ জুলাই হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। এই রুলের ওপর শুনানি শেষে আদালত মামলাটি বাতিল ঘোষণা করেন। এভাবে আইনি প্রক্রিয়ায় জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা সব মামলার পরিসমাপ্তি ঘটে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মামলাগুলো করা হয়েছিল বলেই তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো উদঘাটিত হয়নি। এ জন্য হাইকোর্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিধিমালার অসংগতি দূর করতে তা সংশোধনেরও নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

এই প্রজন্মের নেতাকর্মীরা ৭৫ রাজনৈতিক বিভৎসতা দেখিনি। ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালের ইতিহাসের নাটকীয়তা দেখেছি। দেখেছি রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্র হনন করতে, দুদকের দৌঁড়ঝাপ। 'মাইনাস টু’র নামে শুধুমাত্র শেখ হাসিনামুক্ত রাজনীতি করতে তাদের উচ্চস্বর ও দাম্ভিকতা । ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচারকদের অসহায়ত্ব আর প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার জন্য জনগণের মমত্ববোধ আর ভালোবাসা।

আজকে অনেক নেতা হয়তো সেদিনের ভূমিকা নিয়ে অনেক কথা বলবেন কিন্তু আমি মনে করি শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া সেই আবেগময় চিঠিই তাঁর মুক্তির জন্য উজ্জীবিত করেছিল নেতাকর্মীদের। শেখ হাসিনা প্রায়ই বলেন,দলের দু:সময়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতারা ভূল করতে পারেন, সিদ্ধান্ত নিতে দলের তৃণমূলের নেতাকর্মী কখনো ভুল করেন না। চিঠিতে দেশের মানুষের উপর ভরসা করেছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। দেশের মানুষ তার প্রতিদান দিয়েছেন ২০০৮ সালে তাঁকে দেশ সেবার সুযোগ করে দিয়ে। তৃনমূলের নেতাকর্মীদের ওপর ও দেশবাসীর ওপর জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থার কারণেই শেখ হাসিনাকে আটকে রাখা যায়নি কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। শেখ হাসিনা সেদিন চিঠিতে বলেছিলেন, সত্যের জয় হবেই। সেই জয়ের কারণেই ২০০৮ সালের ১১জুন মুক্ত হওয়ার পর শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলার জনগণ শেখ হাসিনার ভালোবাসার প্রতিদান একবার নয়, পরপর তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এনে দিয়েছেন। ভালোবাসার প্রতিদান শুধু ভালোবাসাতেই হয়, অন্যকিছুতে নয়। শুধু উন্নয়ন অগ্রগতি নয়, সাধারণ জনগণের ভাগ্যউন্নয়ন, সামাজিক বেস্টনীর মাধ্যমে বিশেষ করে বয়স্ক ভাতা, মুক্তিযুদ্ধ ভাতা, বিধবা ভাতা,করোনাকালীন প্রণোদনা,অসহায় মানুষকে গৃহহীনদের আশ্রায়ন প্রকল্পসহ জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের কল্যাণে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । বাংলার খেটে খাওয়া সাধারণ জনগণ আর তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের শেষ ঠিকানা জননেত্রী শেখ হাসিনার এই ভালোবাসার সেতুবন্ধন যেনো কারো ব্যক্তিগত খায়েস আর কারো লোভের আগুনে পুড়ে ছাই না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

মনে রাখতে হবে ১/১১ কুশীলবগণ আর স্বাধীনতা বিরোধীচক্র ঘাপটি মেরে আছে। আাগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশি বিদেশি নানামুখী অপতৎপরতা শুরু হয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নামে গণতন্ত্রকে আবারও অবরূদ্ধ করার নীলনকশা চলছে। নেপথ্যে চলছে আরেকটি ১/১১ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা। এই দেশে আর যেনো ১৫ আগস্ট কিংবা ১৬ জুলাই ফিরে না আসে। ব্যক্তি চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যাশার চেয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিরাপদ রাখতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যার ওপর সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস ও আস্থা খোদ বঙ্গবন্ধু কন্যার।

লেখকঃ মানিক লাল ঘোষ, সহ সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য
#শেখহাসিনা #কারামুক্তিদিবস #১১ইজুন #একএগারো #তত্ত্বাবধায়কসরকার

Address

রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয় হাঁড়িপট্রি রোড
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rangpur Metropolitan Kotwali Thana Awami League posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Rangpur Metropolitan Kotwali Thana Awami League:

Share