06/04/2026
আসিফ ভাই চরমোনাই গিয়েছেন এটা তেমন বড় কোনো বিষয় না হলেও তিনি সেখানে এক সাক্ষাৎকারে একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেছেন—যা আগামীর রাজনীতিতে খুউবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।
তিনি বলেছেন—রাজনীতিতে অনেকেই ক্ষমতার জন্য নীতিনৈতিকতা ভুলে যায় কিন্তু এখানে চরমোনাইয়ের মোরাল খুব শক্ত, এটা আসলেই সুন্দর বিষয়, গর্বের বিষয়! তারা সামনে আরো ভালো করবে বলে মনে করি।
মূলত এই বক্তব্য গণঅভ্যুত্থান থেকে সংসদ নির্বাচন—এই দেড় বছরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উপর ওঠা সকল অপবাদকে খারিজ করে দেয়, সমঝোতা ভাঙ্গার দায় থেকে মুক্তি দেয় এবং বিশ্বাসঘাতকতার তোহমত বাতিল হয়ে যায়।
যদি আমরা এই তরুণ তুর্কীর ছোট্ট এই বক্তব্যকে বিশ্লেষণ করি তবে ৩টা পয়েন্ট পাবো!
১. অনেকেই আছেন যারা নীতিনৈতিকতা ভুলে যান, গেছেন। প্রশ্ন হলো এই দলগুলো কারা? জমিয়ত ভুলেছে, জামায়াতও ভুলেছে। মজার বিষয় হলো, এই দলগুলো নৈতিকতা যে আশায় ভুলেছিলো তা অর্জন করতে পারেনি! বিপরীতে আইএবি নূন্যতম কোনো অর্জনের আশা ছেড়ে দিয়েও একটা আসন পেয়েছে! সংখ্যাটা ছোটো হলেও নীতির জায়গা ঠিক রেখে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এটা আশা জাগানিয়া!
২. চরমোনাই নীতির বেলায় কঠোর, শক্ত। আসিফ ভাইয়ের এই স্বীকারোক্তি সমঝোতা ভাঙ্গার কারণকে সুস্পষ্ট করে দেয়। বস্তুতই আইএবি সমঝোতাকে আসন, ১৪৩এ গ্রেটের জন্য নয় বরং নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিবে না বলেই ভেঙ্গে দিয়েছিলো।
৩. নীতির ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানকে তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন, সামনে আইএবি আরো ভালো করবে এই আশাও তিনি রেখেছেন।
এই পয়েন্টে কে বলেছে ও কি বলেছে তার দিকে লক্ষ্য করুন। বলেছে—জেনজির প্রতিনিধিত্বকারী, অর্থাৎ এই প্রজন্মও বিষয়গুলো বুঝতে শুরু করেছে। বলা হয়েছে—সামনে আরো ভালো করবে, অর্থাৎ ঠিকমত রাজনীতি করতে পারলে এই ভালো গুণগুলোর বিবেচনায় সচ্ছতায় ঘেরা আইএবি অস্বচ্ছতায় বন্দি জামায়াতকে পিছনে ফেলতে পারবে তা এই প্রজন্মও বিশ্বাস করতে শুরু করেছে।
আসিফ ভাই-ই কেবল নন এবারের মাহফিলে আগত অনেক বড় আলেম, ইসলামি সেলিব্রিটি, রাজনৈতিক বিরোধী দলের নেতা সহ অনেকেই এই বিষয়গুলো স্পষ্ট করে লিখেছেন—এটা ভীষণ ভালো হচ্ছে। সত্য অবশ্য কখনো চাপা থাকে না। সত্য বলার এই ধারা বজায় থাকুক, এটাই কামনা।
যা আল হাক্কু ওযাহাকাল বাতিল.......