Jatiotabadi Chatradal Nilphamari Branch

Jatiotabadi Chatradal Nilphamari Branch Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jatiotabadi Chatradal Nilphamari Branch, Political organisation, Jatiotabadi Chattradal Nilphamari Branch, Pouro Market.

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তত্কালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই দল প্রতিষ্ঠা করেন। ৩০ এপ্রিল ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান তার শাসনকে বেসামরিক করার উদ্দেশ্য ১৯ দফা কর্মসূচি শুরু করেন। জেনারেল জিয়া যখন সিদ্ধান্ত নিলেন যে তিনি রাষ্ট্রপতির পদের জন্য নির্বাচন করবেন তখন তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী গনতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দলের সমন্বয়ক

ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।

প্রতিষ্ঠা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এগিয়ে আসলে জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেন। জাগদলকে বিএনপির সাথে একীভূত করা হয়। রাষ্ট্রপতি জিয়া এই দলের সমন্নয়ক ছিলেন এবং এই দলের প্রথম চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন। জিয়ার এই দলে বাম, ডান, মধ্যপন্থি সকল প্রকার লোক ছিলেন। বিএনপির সবথেকে প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল এর নিয়োগ পদ্ধতি। প্রায় ৪৫% সদস্য শুধুমাত্র রাজনীতিতে নতুন ছিলেন তাই নয় তারা ছিলেন তরুণ। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় রমনা রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের যাত্রা শুরু করেন। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণাপত্র পাঠ ছাড়াও প্রায় দুই ঘণ্টা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলনে নতুন দলের আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি প্রথমে ১৮ জন সদস্যের নাম এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ওই ১৮ জনসহ ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন। এখানে উল্লেখ্য, বিএনপি গঠন করার আগে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে আরেকটি দল তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সভাপতি করে গঠিত হয়েছিল। ২৮ আগস্ট ১৯৭৮ সালে নতুন দল গঠন করার লহ্ম্য জাগদলের বর্ধিত সভায় ওই দলটি বিলুপ্ত ঘোষণার মাধ্যমে দলের এবং এর অঙ্গ সংগঠনের সকল সদস্য জিয়াউর রহমান ঘোষিত নতুন দলে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নিচে দলের প্রথম আহ্বায়ক কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেয়া হলো :

আহ্বায়ক : জিয়াউর রহমান। সদস্য : ১. বিচারপতি আবদুস সাত্তার ২. মশিউর রহমান যাদু মিয়া ৩. মোহাম্মদ উল্লাহ ৪. শাহ আজিজুর রহমান ৫. ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল হালিম চৌধুরী ৬. রসরাজ মন্ডল ৭. আবদুল মোনেম খান ৮. জামাল উদ্দিন আহমেদ ৯. ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ১০. মির্জা গোলাম হাফিজ ১১. ক্যাপ্টেন (অব.) নুরুল হক ১২. এম. সাইফুর রহমান ১৩. ওবায়দুর রহমান ১৪. মওদুদ আহমদ ১৫. শামসুল হুদা চৌধুরী ১৬. এ জেড এম এনায়েতউল্লাহ খান ১৭. এসএ বারী এটি ১৮. ড. আমিনা রহমান ১৯. আবদুর রহমান ২০. ডা. এম এ মতিন ২১. আবদুল আলিম ২২. ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত ২৩. আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ২৪. নুর মোহাম্মদ খান ২৫. আবদুল করিম ২৬. শামসুল বারী ২৭. মুজিবুর রহমান ২৮. ডা. ফরিদুল হুদা ২৯. শেখ আলী আশরাফ ৩০. আবদুর রহমান বিশ্বাস ৩১. ব্যারিস্টার আবদুল হক ৩২. ইমরান আলী সরকার ৩৩. দেওয়ান সিরাজুল হক ৩৪. এমদাদুর রহমান ৩৫. এডভোকেট আফসার উদ্দিন ৩৬. কবীর চৌধুরী ৩৭. ড. এম আর খান ৩৮. ক্যাপ্টেন (অব.) সুজাত আলী ৩৯. তুষার কান্তি বারবি ৪০. সুনীল গুপ্ত ৪১. রেজাউল বারী ডিনা ৪২. আনিসুর রহমান ৪৩. আবুল কাশেম ৪৪. মনসুর আলী সরকার ৪৫. আবদুল হামিদ চৌধুরী ৪৬. মনসুর আলী ৪৭. শামসুল হক ৪৮. খন্দকার আবদুল হামিদ ৪৯. জুলমত আলী খান ৫০. এডভোকেট নাজমুল হুদা ৫১. মাহবুব আহমেদ ৫২. আবু সাঈদ খান ৫৩. মোহাম্মদ ইসমাইল ৫৪. সিরাজুল হক মন্টু ৫৫. শাহ বদরুল হক ৫৬. আবদুর রউফ ৫৭. মোরাদুজ্জামান ৫৮. জহিরুদ্দিন খান ৫৯. সুলতান আহমেদ চৌধুরী ৬০. শামসুল হুদা ৬১. সালেহ আহমেদ চৌধুরী ৬২. আফসার আহমেদ সিদ্দিকী ৬৩. তরিকুল ইসলাম ৬৪. আনোয়ারুল হক চৌধুরী ৬৫. মাইনুদ্দিন আহমেদ ৬৬. এমএ সাত্তার ৬৭. হাজী জালাল ৬৮. আহমদ আলী মন্ডল ৬৯. শাহেদ আলী ৭০. আবদুল ওয়াদুদ ৭১. শাহ আবদুল হালিম ৭২. জমির উদ্দিন সরকার ৭৩. আতাউদ্দিন খান ৭৪. আবদুর রাজ্জাক চৌধুরী ৭৫. আহমদ আলী।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মূলনীতি

বিএনপির লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গণতন্ত্রায়ন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য এবং জনগণের মধ্যে স্ব-নির্ভরতার উত্থান ঘটানো। এগুলোর ভিত্তিতে জিয়াউর রহমান তার ১৯-দফা ঘোষণা করেন। বিএনপির রাজনীতির মূল ভিত্তি ছিল-

১. সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র উপর বিশ্বাস,

২. জাতীয়তাবাদ,

৩. গণতন্ত্র,

৪. সমাজতন্ত্র (অর্থনৈতিক ও সমাজিক ন্যায়বিচারের অর্থে)।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য

জাতীয়তাবাদী দলের ঘোষণাপত্রে এ দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিস্তৃতভাবে বর্ণিত হয়েছে। সংক্ষেপে এ দলের কয়েকটি মৌলিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিচে বর্ণিত হলোঃ

(ক) বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ-ভিত্তিক ইস্পাতকঠিন গণঐক্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত ও সুসংহত করা। (খ) ঐক্যবদ্ধ এবং পুনরুজ্জীবিত জাতিকে অর্থনৈতিক স্বয়ম্ভরতার মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ, নয়া-উপনিবেশবাদ, আধিপত্যবাদ ও বহিরাক্রমণ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করা। (গ) উৎপাদনের রাজনীতি, মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং জনগণের গণতন্ত্রের মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক মানবমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন। (ঘ) জাতীয়তাবাদী ঐক্যের ভিত্তিতে গ্রামে-গঞ্জে জনগণকে সচেতন ও সুসংগঠিত করা এবং সার্বিক উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা ও প্রকল্প রচনা ও বাস্-বায়নের ক্ষমতা ও দক্ষতা জনগণের হাতে পৌঁছে দেওয়া। (ঙ) এমন এক সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করা যেখানে গণতন্ত্রের শিকড় সমাজের মৌলিক স্-রে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মনে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত হয়। (চ) এমন একটি সুস্পষ্ট ও স্থিতিশীল সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার নিশ্চিতি দেওয়া যার মাধ্যমে জনগণ নিজেরাই তাঁদের মানবিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি আনতে পারবেন। (ছ) বহুদলীয় রাজনীতির ভিত্তিতে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একটি সংসদীয় পদ্ধতির সরকারের মাধ্যমে স্থিতিশীল গণতন্ত্র কায়েম করা এবং সুষম জাতীয় উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি আনয়ন। (জ) গণতান্ত্রিক জীবন ধারা ও গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার রক্ষাকবচ হিসাবে গণনির্বাচিত জাতীয় সংসদের ভিত্তি দৃঢ়ভাবে স্থাপন করা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা। (ঝ) রাজনৈতিক গোপন সংগঠনের তৎপরতা এবং কোন সশস্ত্র ক্যাডার, দল বা এজন্সী গঠনে অস্বীকৃতি জানানো ও তার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করা। (ঞ) জাতীয় জীবনে মানবমুখী সামাজিক মূল্যবোধের পুনরুজ্জীবন এবং সৃজনশীল উৎপাদনমুখী জীবনবোধ ফিরিয়ে আনা। (ট) বাস্-বধর্মী কার্যকরী উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাতীয় জীবনে ন্যায়বিচার-ভিত্তিক সুষম অর্থনীতির প্রতিষ্ঠা, যাতে করে সকল বাংলাদেশী নাগরিক অন্ন, বস্ত্র, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও শিক্ষার ন্যূনতম মানবিক চাহিদা পূরণের সুযোগ পায়। (ঠ) সার্বিক পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচীকে অগ্রাধিকার দান করা ও সক্রিয় গণচেষ্টার মাধ্যমে গ্রাম বাংলার সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। (ড) নারী সমাজ ও যুব সম্প্রদায়সহ সকল জনসম্পদের সুষ্ঠু ও বাস্-বভিত্তিক সদ্ব্যবহার করা। (ঢ) বাস্-বধর্মী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সুসামঞ্জস্যপূর্ণ শ্রম ব্যবস্থাপনা সম্পর্ক স্থাপন এবং সুষ্ঠু শ্রমনীতির মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করা। (ণ) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বাংলাদেশের সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও বাংলাদেশের ক্রীড়া সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও প্রসার সাধন। (ত) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশী জনগণের ধর্ম ইসলাম এবং অন্যান্য ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ দান করে বাংলাদেশের জনগণের যুগপ্রাচীন মানবিক মূল্যবোধ সংরক্ষণ করা, বিষে করে অনগ্রসর সম্প্রদায়ের জন্য শিক্ষা সম্প্রসারণ ও বৃহত্তর জাতীয় তাদের অধিকতর সুবিধা ও অংশগ্রহণের সুযোগের যথাযথ ব্যবস্থা করা। (থ) পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে জোট নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে আন্-র্জাতিক বন্ধুত্ব, প্রীতি ও সমতা রক্ষা করা। সার্বভৌমত্ব ও সমতার ভিত্তিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে, তৃতীয় বিশ্বের মিত্র রাষ্ট্রসমূহের সাথে এবং ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে প্রীতি ও সখ্যতার সম্পর্ক সুসংহত এবং সুদৃঢ় করা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাংগঠনিক কাঠামো

জাতীয়তাবাদী দল দেশের মৌলিক স্তর গ্রাম/ওয়ার্ড পর্যায় থেকে সংগঠিত হয়ে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারিত। দলের সাংগঠনিক কাঠামো নিম্নরূপঃ (১) গ্রাম কাউন্সিল ও গ্রাম নির্বাহী কমিটি (২) শহর/পৌরসভা ওয়ার্ড কাউন্সিল ও শহর/পৌরসভা ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি (৩) ইউনিয়ন কাউন্সিল ও ইউনিয়ন নির্বাহী কমিটি (৪) থানা কাউন্সিল ও থানা নির্বাহী কমিটি (৫) শহর/পৌরসভা কাউন্সিল ও শহর পৌরসভা নির্বাহী কমিটি (৬) জেলা কাউন্সিল ও জেলা নির্বাহী কমিটি (৭) নগর/ওয়ার্ড কাউন্সিল ও নগর ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি (৮) নগর থানা কাউন্সিল ও নগর থানা নির্বাহী কমিটি (৯) নগর কাউন্সিল ও নগর নির্বাহী কমিটি (১০) জাতীয় কাউন্সিল (১১) জাতীয় নির্বাহী কমিটি (১২) জাতীয় স্থায়ী কমিটি (১৩) পার্লামেন্টারী বোর্ড (১৪) পার্লামেন্টারী পার্টি (১৫) বিদেশে দলের শাখা [৪]

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জাতীয় ঐক্য

বিএনপি গঠনের শুরুতে দেশে বিভিন্ন ভাবে বিভক্ত ছিল। এই বিভক্তির ভিত্তি ছিল রাজনৈতিক বিশ্বাস (বাম, ডান, মধ্যপন্থি), মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ও বিপক্ষের শক্তি ইত্যাদি। এর ফলশ্রুতিতে ছাত্র-শিক্ষক, বুদ্ধজীবী, পেশাজীবি, সাংস্কৃতিক কর্মী, সামরিক বাহিনী এমনকি প্রশাসনও বিভক্ত ছিল। বিএনপি প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি ছিল এই সকল বিভেদ ভুলে সকলে মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। জিয়ার সময়ই আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা, শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর প্রথম দেশে আসেন এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই সাথে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি বলে পরিচিত জামায়াতে ইসলামীও এই সময় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠে। তাদের বহু নেতা যারা মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের বাইরে ছিল তারা দেশে আসার অনুমতি লাভ করে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারি সকল দল ও ব্যক্তির জন্য ক্ষমা ঘোষণা করেন। তবে, যাদের বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নি সংযোগ ও লুটপাট এই চারটি অভিযোগ থাকবে তারা এই ক্ষমার আওতায় পরে নাই। যদিও, এদের বিরুদ্ধে তেমন কোন ব্যাপক ও কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার উদাহরণ নেই।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পররাষ্ট্রনীতি

শুরু থেকেই বিএনপির লক্ষ্য ছিল জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা। স্বাধীনতা পরবর্তি সরকারের ভারত-ঘেষা পররাষ্ট্রনীতির ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জার্তিক অঙ্গনে ভারত-সোভিয়েত অক্ষের দিকে চলে যায়, ফলে বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্বশক্তির সাথে সম্পর্ক তেমন ভাল ছিল না। বিএনপি তার পররাষ্ট্রনীতিতে নিরপেক্ষতা ধারণ করে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সরকার গঠন

স্বাধীন বাংলাদেশে সবথেকে বেশী সময় রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। ১৯৯০ এর গণতন্ত্রায়নের পর দেশের মোট চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মোট দুইটিতে জয়লাভ করে। ১৯৯১ এর সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি ১৪২ টি আসন লাভ করে। তারা জামায়তে ইসলামীর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে। ফলশ্রুতিতে বিএনপি সংরক্ষিত ৩০ টি মহিলা আসনের ২৮টি নিজেরা রেখে বাকি ২টি জামায়াতকে দিয়ে দেয়। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-সহ চারদল প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে।

জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সরকার

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনা সদস্যদের গুলিতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর প্রায় তিন বছর পর্যন্ত বাংলাদেশ শাসিত হয় অনির্বাচিত সরকার দ্বারা। সে সময় দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। তিনি রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে জয়লাভ করে। নির্বাচনে অংশ নিয়ে মালেক উকিলের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ৩৯টি ও মিজানুর রহমান চৌধুরির নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ২টি আসনে জয়লাভ করে। এছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ৮টি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ১টি ও মুসলিম ডেমোক্রেটিক লীগ ২০টি আসনে জয়লাভ করে। ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র দুই বছরের মাথায় জিয়াউর রহমান আততায়ীর হামলায় নিহত হলে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হন। পরে ১৯৮৩ সালে সাত্তারকে সরিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রপতি হন।

বিচারপতি আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বে সরকার

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রথম সরকার (পঞ্চম জাতীয় সংসদ)

সর্বস্তরের জনতার বিক্ষোভ জনসমুদ্রে পরিণত হলে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পদত্যাগে বাধ্য হন। তিন দফা রূপরেখা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে বিএনপি সর্বাধিক আসনে জয়লাভ করে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। এ সরকার পাঁচ বছর দেশ শাসনের পর ক্ষমতা হস্তান্তর ছাড়াই ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে। এ নির্বাচন আওয়ামী লীগ বয়কট করায় একই বছর ১২ জুন অনুষ্ঠিত হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসা এ দলটির হয়ে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দ্বিতীয় সরকার (ষষ্ট জাতীয় সংসদ)

১৯৯৬ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১৯৯১ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্রকে অনেকটা হুমকির সম্মুখে ঢেলে একদলীয় নির্বাচন করে ২য় বারের মত সরকার গঠন করে। এই সরকারের মেয়াদ ছিল মাত্র ৪৫ দিন।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তৃতীয় সরকার (অষ্টম জাতীয় সংসদ)

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে।মোট ২১০টি আসন নিয়ে চারদলীয় ঐক্যজোট ক্ষমতায় যায়। এই সময়ে চাপাইনবাবগন্জের কানসাট এ বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনে পুলিশের নির্মম হত্যাযজ্ঞে ১০ জনের অধিক গ্রামবাসী হত্যা, ঢাকার শণির আখড়ার বিদ্যুৎ ও পানির দাবিতে সাধারণ জনতার আন্দোলন, এর মত কয়েকটি আন্দোলন হয়। এছাড়া ও সরকারী ত্রাণ তাহবিল থেকে ত্রাণ সামগ্রী সরকারীদলের সাংসদদের লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সরকারের বৈধ মেয়াদ ২০০৬ সালের ৬ অক্টোবর শেষ হওয়ার পর ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে দেশে শুরু হয় ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘাত। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি সারাদেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন। আর এ সময় থেকে গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় দুই বছর দেশ পরিচালনা করেন ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এ সরকারের তত্ত্বাবধানে ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩০ আসন নিয়ে জয়লাভ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এ নির্বাচনে মাত্র ২৯টি আসন পায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং ২৭টি আসনে জয়লাভ করে জাতীয় পার্টি।

আন্দোলন

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিচারপতি আবদুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু সেনাপ্রধান এরশাদ তাকে ক্ষমতা চুত্য করে দেশে সামরিক শাসন জারি করে। বিএনপি এই ক্ষমতা গ্রহণকে প্রত্যাখ্যান করে এবং এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। প্রায় ৯ বছর আন্দোলন করে বিএনপি সহ সকল রাজনৈতিক দল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে ক্ষমতা চুত্য করে। এরপর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করে। ১৯৯৬ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি বিএনপি একটি একদলীয় নির্বাচনের করেন এবং গণআন্দোলনের মুখে পুনরায় একটি নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে সকল দলের অংশগ্রহণে পুনরায় নির্বাচনে যোগ দিলে বিএনপি নির্বাচনে পরাজিত হয় এবং দেশের বৃহত্তম বিরোধীদল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বিএনপি আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। এ আন্দোলন তেমন সফল না হলেও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে নির্বাচিত হয়।

এরশাদ বিরোধী আন্দোলন

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন

জোট গঠন

২০০১ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি এবং ইসলামী ঐক্য জোট মিলিত হয়ে চার-দলীয় ঐক্য জোট গঠন করে। কিন্তু কিছু দিন পরেই জাতীয় পার্টির একটি অংশ এরশাদের নেতৃত্বে দল থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু নাজিউর রহমান মঞ্জুর সমর্থক অংশটি জোটে থেকে যায়। ২০০৭ সালের জাতীয় নির্বাচনেও বিএনপি জোট বদ্ধ ভাবেই নির্বাচন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

বর্তমান নেতৃত্ব

বর্তমানে বিএনপির নেতৃত্বে আছেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া। বেগম জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবার নির্বাচনে তিনি পাঁচটি আসনে নির্বাচন করে জয়ী হয়েছেন।

N.M.Shariful Islam Shohel

( Member, S m Hall Chattradal,
University of Dhaka
&
Jcd- Nilphamari Branch)

Mob: +8801711-000555

E-mail:[email protected]

www.facebook.com/shoheldu

১ লাখ  টাকা ঋণ নিয়ে দিবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল থেকে। এই টাকা বেকার ও যুব সমাজের জন্য দেয়া হবে, কোন সুদও নেই...
05/06/2020

১ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে দিবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল থেকে। এই টাকা বেকার ও যুব সমাজের জন্য দেয়া হবে, কোন সুদও নেই। কথাগুলো এভাবে বলেছিলেন নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগ নেতা ও বসুন্ধরা কিংস ফ্যান ক্লাবের সহসভাপতি রঞ্জন কুমার।

সমবায় সমিতির মাধ্যমে এই সুদবিহীন ঋণ পাইয়ে নিয়ে দিবে বলে। আমাকে আর আমার স্বামীকে রাজি করিয়ে Loan এর ১৫% আগেই দিতে হবে বলে ১৫,০০০ টাকা নগদ এবং ঘুষ এর কথা বলে পরে আরও ২৫০০ টাকা সর্বমোট ১৭,৫০০ টাকা তার ০১৭১০৭১৯১২১ নাম্বারে বিকাশ করে পাঠাই ... এখন ৩ দিন এর কথা বলে ... আর খবর নাই।

আমার ছোটবেলার বন্ধু ভেবে বিশ্বাস করেছিলাম, এটাই কি আমার ভূল । আমার হাজবেন্টের কথার উপর দিয়েছিলাম ।না হলে আমি দিতাম না। কারণ এই মহামারিতে তিনমাসের বাড়ী ভাড়া বকেয়া, তারপর আমার হাতখরছ ... চলার টাকা থেকে দিয়ে এমন কি আমার বন্ধুর কাছ থেকেও জরুরি জন্য হাওলাত করে দিয়েছি শুধু মাত্র লোন টা পাওয়ার জন্য। অনেকের সাথে কথা হলো, আমার মত অনেকেই এই ধোঁকাবাজের স্বীকার।

This is that Person ... Cheater .... Ranjan Kumar Dev Adhikari 01710719121 this is his mobile number....

call jay ring o hoy but dhore na....

এসএসসি ব্যাচ-২০০৮
নীলফামারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১৯ তম বাঙালি, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) এর ৩৯ তম শাহাদাৎ ব...
30/05/2020

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১৯ তম বাঙালি, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি
শহীদ জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) এর ৩৯ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা । দোয়া করি, মহান আল্লাহ তা'লা যেন প্রিয় নেতাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।

আমিন।

ছবিঃ Md Redwanul Haque Babu ভাই

ছাত্রদলের কোন্দল কোথায় বুঝলেন?আজ পর্যন্ত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে একসাথে কখনোই দেখা যায় নি। ছাত্রদলকে...
16/05/2020

ছাত্রদলের কোন্দল কোথায় বুঝলেন?

আজ পর্যন্ত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে একসাথে কখনোই দেখা যায় নি। ছাত্রদলকে পরিকল্পিত ভাবে পঙ্গু করার জন্যই দরবেশধারীরা এখনও সক্রিয়।

ইন্ঞ্জিনিয়ার শাহরিয়ার ইসলাম তুহিন ভাইয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে আর কতদিন?

জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা গর্তে লুকিয়ে আছে কিংবা বউয়ের শাড়ির আঁচলে লুকিয়ে দাঁড়কাক তাড়াচ্ছেন। একমাত্র জেলা ছাত্রদলকে করোন...
07/05/2020

জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা গর্তে লুকিয়ে আছে কিংবা বউয়ের শাড়ির আঁচলে লুকিয়ে দাঁড়কাক তাড়াচ্ছেন।

একমাত্র জেলা ছাত্রদলকে করোনা মহামারীর সময় জনগণের পাশে দাঁড়াতে দেখলো নীলফামারীবাসী।

Bangladesh Jatiotabadi Chatradal - J.C.Dএর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।

দরবেশ বাবার এক ফোনেই যা যা পরিবর্তন হয় একজন সিনিয়র ছাত্রনেতার পোস্ট এ। এইসব পীড়ের মুরিদের মসজিদে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।...
05/05/2020

দরবেশ বাবার এক ফোনেই যা যা পরিবর্তন হয় একজন সিনিয়র ছাত্রনেতার পোস্ট এ। এইসব পীড়ের মুরিদের মসজিদে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। দুর্ভাগ্যজনক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক অভিভাবক, তারুণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে  নীলফামারী জেলা ছা...
09/04/2020

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক অভিভাবক, তারুণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে নীলফামারী জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সুহৃদ হোসেন এর নেতৃত্বে নীলফামারী জেলার করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের মানুষের পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও সাপ্তাহিক ৫০টি পরিবারের তিনবেলা আহারের দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা ছাত্রদল।

 #সম্রাট আটক !   ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আটক করেছে গোয়েন্দারা। রাজধানীর বনানী এলাকার এ...
27/09/2019

#সম্রাট আটক !

ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আটক করেছে গোয়েন্দারা। রাজধানীর বনানী এলাকার একটি বহুতল ভবন থেকে গতকাল শুক্রবার তাঁকে আটক করা হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কোনো বাহিনী বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার না করলেও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট চলমান ক্যাসিনো-জুয়াবিরোধী অভিযানের শুরু থেকে তাদের নজরদারির মধ্যেই ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও চালিয়েছিলেন। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে তিনি দেশ ছাড়তে পারেননি। ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি পৌঁছেও তিনি ফিরে আসতে বাধ্য হন। পরে কাকরাইলে ভূঁইয়া ম্যানশনে ব্যক্তিগত কার্যালয়ে টানা ছয় দিন অবস্থান করেন। আর পাহারায় বসান শতাধিক যুবককে। সেখান থেকে গত রবিবার তিনি বনানীর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় অবস্থান করছিলেন। সর্বশেষ সেখান থেকেই তাঁকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যুবলীগ নেতা সম্রাট ঢাকাতেই অবস্থান করছেন এবং আমাদের নজরদারির মধ্যেই আছেন। তাঁকে আটকের বিষয়টি এখনই প্রকাশযোগ্য নয়। সবুজ সংকেত পেলেই তাঁর বিষয়টি প্রকাশ করা হবে। ’

সূত্র : Kaler kantho - দৈনিক কালের কন্ঠ

কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে আমরা নির্বাচিত, আমাদের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কোন এখতিয়ার আদালতের নেই।  #ফজলুর রহমান খো...
23/09/2019

কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে আমরা নির্বাচিত, আমাদের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কোন এখতিয়ার আদালতের নেই।

#ফজলুর রহমান খোকন
সভাপতি, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।

দেশবরেণ্য সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, লেখক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মাহফুজ উল্লাহ স্যার গত ২৭ এপ্রিল, ২০১৯ খ্রীঃ  স্থানীয় ...
28/04/2019

দেশবরেণ্য সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, লেখক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মাহফুজ উল্লাহ স্যার গত ২৭ এপ্রিল, ২০১৯ খ্রীঃ স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে আপনি অমর হয়ে থাকবেন।মহান আল্লাহ তায়ালা আপনাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ শিখরে স্থান দিন, আমিন।

Country : MD. Redwanul Haque BABU Vai

19/12/2018
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া একমাত্র এমপি প্রার্থী, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের বর্তমান যুগ...
11/12/2018

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া একমাত্র এমপি প্রার্থী, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য দাদার জন্য শুভ কামনা ।

"তরুণ্যের জয় হোক,
ধানের শীষের জয় হোক ।।"

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের আসন ভিত্তিক ২৯৮ জন প্রার্থ...
09/12/2018

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের আসন ভিত্তিক ২৯৮ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন (Final Nomination) এর তালিকা:

Address

Jatiotabadi Chattradal Nilphamari Branch
Pouro Market
5300

Telephone

+8801716607679

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jatiotabadi Chatradal Nilphamari Branch posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Jatiotabadi Chatradal Nilphamari Branch:

Share