পীরগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগ

পীরগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগ শিক্ষা★শান্তি★প্রগতি
ছাত্রলীগের মূ?

20/02/2021

মহান ২১'শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২১ উপলক্ষে পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কিছু কর্মসূচী গ্রহন করা হয়ছে ।
কর্মসূচি সমুহ হলঃ
১)পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে রাত ১২.০১ মিনিটে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।
২)সকাল ৬টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন।
স্থানঃ দলীয় কার্যালয়
৩) সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু মোরালে মোমবাতি প্রজ্জলন।
স্থানঃপুর্ব চৌরাস্তা
উক্ত কর্মসূচীতে আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ,আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।

পীরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন ২০২০বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীজনাব মোঃ কশিরুল আলম
28/11/2020

পীরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন ২০২০
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী
জনাব মোঃ কশিরুল আলম

জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলিবঙ্গতাজ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ।জন্মঃ ২৩ জুলাই ১৯২৫ সাল,মৃত্যুঃ ০৩ নভেম্বর ১৯৭৫ সাল। বাংলাদেশের প্রথম প...
23/07/2020

জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি
বঙ্গতাজ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ।

জন্মঃ ২৩ জুলাই ১৯২৫ সাল,
মৃত্যুঃ ০৩ নভেম্বর ১৯৭৫ সাল।

বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের ৯৫ তম জন্মবার্ষিকী আজ। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম রূপকার। ১৯২৫ সালের আজকের দিনে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়ার দরদরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

বাবা মৌলভী ইয়াসিন খান এবং মা মেহেরুননেসা খান। ১০ ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের পড়াশোনা শুরু কাপাসিয়ার ভূলেশ্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেধাবী এই শিক্ষার্থী ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধাতালিকায় যথাক্রমে দ্বাদশ ও চতুর্থ স্থান লাভ করেন। পরবর্তী সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে সম্মান ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠালগ্নে এ সংগঠন দুটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ১৯৬৪ সালে প্রাদেশিক আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৯৬৬ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এ পদে থেকেই তিনি মুক্তিযুদ্ধ সংঘটনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন । পরে তিনি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দায়িত্ব নেন । ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তাজউদ্দীন আহম্মদ কে গৃহবন্দী করে রাখা হয় । পরে তাকে জেলখানায় বন্দী করে রাখা হয় । একই বছরেই ৩রা নভেম্বর তাজউদ্দীন আহম্মদকে সহ আরো জাতীয় তিন নেতাকে ঘাতকচক্র জেলখানার অভ্যন্তরে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করে । শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে মেধা , দক্ষতা , যোগ্যতা , সততা ও আদর্শবাদের এক অনন্য প্রতীক ছিলেন । মহানায়ক হয়ে থাকবেন প্রতিটি বাঙ্গালীর অন্তরে অন্তরে । ভালো থাকবেন পরপারে। আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

"আমি দেশের জন্য এমনভাবে কাজ করবো যেন দেশের ইতিহাস লেখার সময় সবাই এদেশটাকেই খুঁজে পায়, কিন্তু আমাকে হারিয়ে ফেলে।"

----- তাজউদ্দীন আহমেদ।

10/07/2020
প্রধানমন্ত্রী উঠে এসে তারচেয়ারের পাশে দাঁড়িয়ে বললেন“তোমার ওঠার দরকার নেই”ঘড়ির কাটায় তখন রাত ১১টার বেশি। গণভবনে তখনও ব...
04/07/2020

প্রধানমন্ত্রী উঠে এসে তার

চেয়ারের পাশে দাঁড়িয়ে বললেন

“তোমার ওঠার দরকার নেই”

ঘড়ির কাটায় তখন রাত ১১টার বেশি। গণভবনে তখনও ব্যস্ত আমাদের প্রধানমন্ত্রী। ছবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে আর যিনি বসে আছে দেখছেন তিনি জহিরুল ইসলাম। ২৭ বছর বয়সী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জহিরুল এক বিরল রোগে আক্রান্ত।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গত বুধবার রাত ১১টার পর দেখা করার সুযোগ হয় জহিরুলের। এসময় জহিরুল তার রোগের বর্ণনা ও চিকিৎসার জন্য পর পর ৬ বার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখান বিষয়টি তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ২০ মিনিট কথা হয়। সব কথা বলার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি ছবি তোলার প্রস্তাব দিয়ে উঠার চেষ্টা করলে, প্রধানমন্ত্রীই উঠে এসে তার চেয়ারের পাশে দাঁড়িয়ে বললেন,

"তোমার উঠার দরকার নেই"। এরপর তিনি জহিরুলের মাথায় হাত দিয়ে বলেন, "তোমার পাশে আমি আছি ভয়ের কোনো কারণ নেই। তোমার সার্বিক দায়িত্ব আমার।"

ইনিই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রধানমন্ত্রী যার পরিচয় প্রধানমন্ত্রী না শুধু তিনি জাতির পিতার কন্যা মমতাময়ী 'মা।' সেই বিশালতম মায়ের নিরাপদ মাতৃস্নেহের আচলের নাম শেখ হাসিনা।

এই একটি নামের মাঝেই বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের সকল মানুষের নিরপদ আশ্রয়স্থল।সৃষ্টিকর্তার পরে আমাদের আশা ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। স্যালুট মমতাময়ী জননী শেখ হাসিনা। তোমার বিশালতম মাতৃস্নেহের আচলের তলে নিরাপদ বাংলাদেশ, নিরাপদ বাংলার দামাল সন্তানেরা। জহিরুলের দ্রুত সুস্থ্যতার জন্য দোয়া করি।

২০ মার্চ, ২০১৯

🇧🇩 বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ।মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা,তুমি চির অম্লান দেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে।
23/05/2020

🇧🇩 বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ।
মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা,
তুমি চির অম্লান দেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে।

23/05/2020

নড়াইল-২ আসনের জন্য এবার মাশরাফি বিন মর্তুজা বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন, বাস্তবায়নও করেছেন।

শেখ হাসিনা একজন ‘ফিনিক্স পাখি’যে পাখিকে নিঃশেষ করতে চাইলেও নিঃশেষ হয় না বরং নব শক্তিতে পুনরায় জেগে ওঠেসেই একই দেশের মাটি...
21/05/2020

শেখ হাসিনা একজন ‘ফিনিক্স পাখি’
যে পাখিকে নিঃশেষ করতে চাইলেও নিঃশেষ হয় না
বরং নব শক্তিতে পুনরায় জেগে ওঠে

সেই একই দেশের মাটিতে যখন পদার্পন করলেন তিনি তখন চির-চেনা শহরটির রূপ গেছে পাল্টে। রাস্তা-দালান-নিয়ন বাতির রূপ পাল্টেছে তো বটেই কিন্তু এর চেয়েও ভয়ানক এক অদৃশ্য পরিবর্তন হয়ে গেছে দেশ জুড়ে– মানুষের মনোজগতে। বিগত কয়েক বছর ধরে একাদিক্রমে দেশটির কাঁধে ইস্কান্দার মির্জা-আইয়ুব-ইয়াহিয়ার মতন উর্দিধারী রাজন্যরা সওয়ার থেকে দেশের মানুষকে বেশ তাঁদের পরিকল্পনামত গড়ে নেবার সুযোগ পেয়েছেন। এমনকি শ্রেণিকক্ষে এসে ‘রাজনীতি কাহাকে বলে, কিভাবে রাজনীতি করিতে হয়’ ইত্যাদি নানা বিষয়ে ক্লাশ নিচ্ছেন উর্দিধারী নেতা এবং তাঁর ধামাধরারা। ঠোটের কোণে লেপ্টে থাকা ঈষৎ বাঁকা হাসি হেসে নির্ভুল ইংরেজীতে ঐ উর্দিধারী নেতা এর মধ্যে জোর গলায় বলেছেন, “I will make politics difficult for the politicians”। তিনি নিছক বলার জন্য তা বলেননি– তা করে দেখাবার শতভাগ অঙ্গীকার নিয়েই বলেছিলেন এবং তা করেছিলেন। একইভাবে নিছক পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেবার মানসে পচাত্তরের ১৫ আগষ্ট বংগবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেনি ঘাতকেরা – বঙ্গবন্ধুহীন অবারিত দেশের খোলনলচে পালটে দেবার অঙ্গিকার করেই ঘটিয়েছিল সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড। ঘাতকেরা জাতির পিতাকে নৃশসভাবে হত্যাই শুধু করেনি– যেন কেউ কোনদিন এই হত্যার বিচার করতে না পারে, শাস্তি দিতে না পারে সেজন্যে সংবিধানে শাস্তি এড়াবার আইন যুক্ত করেছিল।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার জিরো আওয়ার থেকেই তারা সক্রিয় থেকেছে দেশকে মুক্তিযুদ্ধ চেতনাবিরোধী অবয়বে সাজাতে। ফলে সংবিধান, প্রশাসন, সাংস্কৃতিক অঙ্গন, শিক্ষাংগন, বিদেশনীতি– সর্বত্র রাতারাতি এমন সব সাংঘাতিক বীজ রোপন করেছে এই ঘাতকেরা যা সময়ান্তে বিষবৃক্ষে পরিণত হয়েছে। সেই বিষবৃক্ষের ছায়ায় লালিত-পালিত হওয়া তরুণ প্রজন্মের এক বড় অংশ বিশ্বাস করেছে এ-ই বুঝি বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে কারা কক্ষে বন্দী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের চার দেশপ্রেমিক নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা তাদের পল্লবিত হবার জন্য আরও সহায়ক আবহ তৈরি করে নিয়েছে। সেই উপযোগী পরিবেশে একে একে প্রকাশ্যে এসেছে গর্তে লুকিয়ে থাকা একাত্তরের ঘাতক-দালালেরা আর দুই হাত প্রসারিত করে উর্দিধারী নেতা তাদের সকলকে পদ-পদবী-অন্ন-বস্ত্র-অর্থ দিয়ে ঘাড়ে-গর্দানে মোটা হবার সুযোগ করে দিয়েছেন। অতঃপর উর্দিধারী বিশেষ মানুষেরা, উচ্ছিষ্টভোগী রাজনীতিক আর ঘাতক-দালালের দল ক্ষমতাকে ঘিরে একান্নবর্তী পরিবারের সদস্যের মতো একাত্ন হয়ে শহীদের রক্তে অর্জিত এই বাংলাদেশে পরমানন্দে ‘দিন গুজরান করা আরম্ভ করেছে পঁচাত্তরের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই। একই সাথে দূরে ঠেলতে থাকে মুক্তিযুদ্ধের সংগে সংশ্লিষ্ট সকল কিছুকে।

এই সকল যোগ-বিয়োগের ফলে ইতোমধ্যে টেক্সটবুক থেকে উধাও করে দেয়া হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান নামে এক অবিসংবাদিত নেতার নাম– যাকে হৃদয়ে ধারণ করে জীবনপণ লড়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো এদেশের দেশপ্রেমিক মানুষেরা। সেখানে নেই কাদের সাথে একাত্তর সালে আমাদের যুদ্ধ হয়েছিল সে কথা, নেই কারা এই যুদ্ধে আমাদের হত্যা করেছিল। আরও নেই শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সঠিক তথ্য, নেই শহীদ বুদ্ধীজীবীদের নাম, এমনকি কারা তাঁদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল সেইসব ঘাতকের নাম, ঘাতক সংগঠনের নাম। সব মিলিয়ে আমাদের ইতিহাস থেকে মুক্তিযুদ্ধ-ঘনিষ্ট সব নাম, ইতিহাস মুছে দেবার ব্যাপক আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধের মুলচেতনা বিরোধী ক্ষমতাধারীরা। তাদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা দিতে দেশের বাইরের নানা শক্তি নানাভাবে সহায়তা দিতে থাকে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতেই তখন শশব্যস্ত দেশের নানা রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী শক্তি। ছাত্র-জনতাও এক অদ্ভুত ধোঁয়াশাচ্ছন্নতার মধ্যে যেন ক্রমশ পথ হারিয়ে ফেলতে থাকে। তরুণ প্রজন্মের মন দেশে চলমান ‘ডিফিকাল্ট পলিটিক্স’-এর নির্যাসে পুষ্ট হতে থাকে। এর মধ্যে ধানমণ্ডি বত্রিশ নম্বরে জাতির পিতাকে হত্যা করার পর প্রায় ছয় বছর গত হয়েছে। এমনই এক পালটে যাওয়া সমাজে – যেখানে অপহৃত হয়ে গেছে আমাদের জাতির ইতিহাস, চেতনা ও নানা অর্জন সেই স্বদেশভূমি বাংলাদেশে এলেন তিনি আজ– শেখ হাসিনা– বঙ্গবন্ধু-কন্যা। বলছি আজ থেকে ৩৯ বছর আগের কথা। কিন্তু কেন বলছি, কেন স্মরণ করছি সেদিনের কথা?

এর উত্তর একেবারেই সহজ– বলছি কারণ তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সাথে আমাদের আবার মুক্তিযুদ্ধের স্বদেশের স্পর্শ পাওয়া, স্বাদ নেয়ার দ্বারোন্মোচন হয়েছিল। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেন বলেই তো বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হতে পারলো। সম্ভব হলো যুদ্ধাপরাধী ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকারিদের বিচারের প্রক্রিয়া আরম্ভ করা ও তা চলমান রাখা।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল গণতান্ত্রিক, আর্থ-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের লব্ধি ফল। তাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক শক্তির যুক্ততা ছিল সবচেয়ে বেশী প্রত্যাশিত। গোলাম আজমের প্রতীকী বিচারের জন্য গণআদালতের যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল – সেখানে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম নেতৃত্ব দিয়েছেন সত্য – সেই আন্দোলনকে সফল করার ক্ষেত্রে নানা সংগঠন ও ব্যক্তি যুক্ত হয়েছেন সত্য কিন্তু এ ক্ষেত্রে তদানীন্তন সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানিকারী রাজনৈতিক দলের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনার যুক্ততার গুরুত্ব ছিল সবচেয়ে বেশী।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে এই দেশ থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার অভিপ্রায় সেই পাকিস্তান আমল থেকেই সামরিক শাসক, তাদের তাবেদার এবং বাম-ডান নানা মহলের রয়েছে। কে না জানে বাংলাদেশের সূচনালগ্ন থেকেই আওয়ামী-বিরোধিতার নামে নানা অপরাজনীতি, অপচেষ্টা হয়েছে। ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে। এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলটিকে নিশ্চিহ্ন করার নানা চেষ্টা নেবার পরও এর প্রাণ-প্রদীপ নিভু নিভু করে জ্বলে থাকার কালেই এর হাল ধরেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা, এবং তাঁর নেতৃত্বে নব-উদ্যমে এদেশে আবার আওয়ামী লীগ রাজনীতি শুরু করে। কিন্তু বারে বারেই আঘাত এসেছে বিশেষত তাঁর ওপরে। শেখ হাসিনার প্রাণ সংহারের জন্য অগণিতবার অপচেষ্টা করলেও জাতির জন্য সৌভাগ্য যে তিনি বারবারই রক্ষা পেয়েছেন। বিগত ২০০৪সালে বিএনপি আমলে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ওপরে গ্রেনেড হামলার ঘটনাটি মানবেতিহাসের ঘৃণ্যতম এক প্রচেষ্টা ছিল।

সেসব আঘাত সামলাবার অব্যবহিত পর তাঁকে মোকাবেলা করতে হয় ‘মাইনাস টু’ চক্রান্তের। ২০০৮ সালে ভূমি-ধ্বস জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসার পরপরই বিডিআর বিদ্রোহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। ২০১০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাপরাধ ও মানবিকতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল গঠনের পর থেকে অভ্যন্তরীণ, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা চাপ ও অপচেষ্টার মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। জাতিসংঘের প্রধান বান কি মুন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন কেরি বা স্টিফেন জে র‍্যাপসহ অন্যান্য দেশের নেতা/সংগঠনের অন্তহীন প্রবল চাপ সামলে এদেশের হেভি ওয়েট যুদ্ধাপরাধী/মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকারীদের বিচারপ্রক্রিয়া শুধু এগিয়ে নেয়া নয়, বিচার পরবর্তী রায় বাস্তবায়নে তিনি ইতিবাচক ভূমিকা রাখেন। এই বিচার চলাকালীন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে খালেদা জিয়ার আহবানে দেশজুড়ে কয়েক মাসব্যাপী পেট্রোল বোমা সন্ত্রাস শুরু হয়– সরকার প্রধান হিসেবে তাঁকেই সতর্কতার সাথে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভূমিকা রাখতে হয়। অন্তবিহীন এই সব নানা পরিস্থিতির মধ্যে থেকে এগিয়ে যাবার কালে তিনি একজন ঋজু নেতার গুণাবলী অর্জন করেছেন– যা এইসকল অপ্রত্যাশিত নানা আঘাত সামলাতে জরুরী। তবে তাঁর এই এগিয়ে চলা সহ্য করতে না পারার মত মানুষেরও কমতি নেই এই দেশে। যত ভাল কাজই করুন না কেন শেখ হাসিনা– তাদের কাছে তিনি কখনোই গ্রহণযোগ্য নেতা নন। ‘যারে দেখতে নারি– তাঁর চলন বাঁকা’ প্রবাদের অনুসারী এ ধরনের মানুষেরা। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তাদের যত ক্ষোভ, রাগ, দ্বেষ তারা প্রতি নিয়তই উগরে দেয় টিভি টক শো’তে কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। মনে রাখা দরকার যে পৃথিবীর কোন মানুষই শতভাগ পারফেক্ট নয়, হতে পারে না। এই দেশের রাজনৈতিক সাগরে নানা ডিরেকশনের স্রোত সতত বহমান– এর মধ্যে দিয়েই নাবিকের সিটে বসা শেখ হাসিনা পাড়ি দিচ্ছেন এই উত্তাল সাগর। তাঁর কৃত সকল কিছুই সমালোচনার উর্ধ্বে তা দাবি করছি না। এই লেখায় মূলত বলতে চাইছি যে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি এদেশের মৌলিক অনেক বিষয়ে সাহসের সাথে কাজ সম্পন্ন করেছেন, এবং আরও করবেন বলেই বিশ্বাস করি। শেখ হাসিনাকে সেই পৌরাণিক ‘ফিনিক্স পাখি’র তুলনা করা যায়– যে পাখিকে নিঃশেষ করতে চাইলেও নিঃশেষ হয় না বরং নব শক্তিতে পুনরায় জেগে ওঠে।

তৌহীদ রেজা নূর

১৮ মে, ২০২০

করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট চলামান পরিস্থিতিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতাধীন দেশের সকল মসজিদের জন্য ১২২ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার টাকার ...
21/05/2020

করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট চলামান পরিস্থিতিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতাধীন দেশের সকল মসজিদের জন্য ১২২ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাওয়া এক উপকারভোগী নারীর প্রতিক্রিয়া ❤❤"সকাল ১০টা। মোবাইল ফোনের মেসেজ টোন বেজে ওঠে। মেসেজটি খুলে...
21/05/2020

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাওয়া এক উপকারভোগী নারীর প্রতিক্রিয়া ❤❤

"সকাল ১০টা। মোবাইল ফোনের মেসেজ টোন বেজে ওঠে। মেসেজটি খুলে দেখি দুই হাজার পাঁচশত টাকার একটা মেসেজ এসেছে। লেখা রয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার “নগদ”-এর মাধ্যমে পেয়েছেন। টাকাটা পেয়ে আমার খুব সুবিধা হয়েছে। করোনার কারণে ঘরে বসা। কোনো কাজকর্ম নেই। দরিদ্র পরিবার। সামান্য দর্জির কাজ করে সংসার চালাতে হয়। ঈদ সামনে। হাতে একটা টাকাও নেই। চিন্তায় ছিলাম কিভাবে খেয়ে পড়ে বাচঁবো। আবার ঈদ বা কি দিয়ে করবো। ঠিক সেই মুহুর্তে প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে উপহার পাঠিয়েছেন তার জন্য আমি খুবই খুশী। আল্লাহর কাছে নামাজ পড়ে দুহাত তুলে দোয়া করবো। হে আল্লাহ তুমি তাঁকে দীর্ঘায়ু দান করুন।"

09/05/2020

অপরাধ করলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। তিনি বলেন, ছাত্রলীগে কো....

Address

Politicians
Pirganj Upazila
5110

Telephone

+8801785309099

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পীরগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share