Qadirabad Cantt: Public school - BNCC UNIT

Qadirabad Cantt: Public school - BNCC UNIT Official Page of Qadirabad Cantt: Public school - BNCC UNIT ⚔️

আন্তঃ হাউস বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর পূর্ব প্রস্তুতি ।
27/01/2026

আন্তঃ হাউস বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর পূর্ব প্রস্তুতি ।

আমাদের বিদ্যালয়ের দুইজন সহকারী শিক্ষক , প্রধান শিক্ষক এবং  আমাদের টিইউও স্যারের বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে গার্ড অফ অনার  ...
18/12/2025

আমাদের বিদ্যালয়ের দুইজন সহকারী শিক্ষক , প্রধান শিক্ষক এবং আমাদের টিইউও স্যারের বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে গার্ড অফ অনার এবং বিএনসিসির পক্ষ থেকে প্রধান শিক্ষক এবং টি ইউ ও স্যারকে ক্রেস্ট উপহার ।

ক্যাডেটদের পদন্নিতি পরীক্ষা ২০২৫ 📄
17/12/2025

ক্যাডেটদের পদন্নিতি পরীক্ষা ২০২৫ 📄

17/12/2025

Best TUO in the QCPS history.... We will miss you sir....

16/12/2025

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

21/11/2025

সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৫

Happy Birthday Cadet CPL S M Abrar JawadToday, we celebrate not just your special day, but also the incredible person yo...
08/11/2025

Happy Birthday Cadet CPL S M Abrar Jawad
Today, we celebrate not just your special day, but also the incredible person you are! You have shown us what true leadership looks like. Your unwavering commitment, passion, and enthusiasm inspire everyone around you.
From organizing events to guiding us through challenges, you always lead with a smile and a positive attitude. Your ability to bring people together and create a sense of community is truly remarkable. You have a unique talent for making everyone feel valued and heard, and for that, we are all grateful.
On this special day, we hope you take a moment to reflect on all the lives you’ve touched and the countless memories you’ve created. May this year bring you as much happiness and joy as you bring to those around you. Here’s to new adventures, personal growth, and all the dreams you wish to achieve!

Happy Birthday CDT CPL Mamnun Islam Rafi Today, we celebrate not just your special day, but also the incredible person y...
26/10/2025

Happy Birthday CDT CPL Mamnun Islam Rafi
Today, we celebrate not just your special day, but also the incredible person you are! You have shown us what true leadership looks like. Your unwavering commitment, passion, and enthusiasm inspire everyone around you.
From organizing events to guiding us through challenges, you always lead with a smile and a positive attitude. Your ability to bring people together and create a sense of community is truly remarkable. You have a unique talent for making everyone feel valued and heard, and for that, we are all grateful.
On this special day, we hope you take a moment to reflect on all the lives you’ve touched and the countless memories you’ve created. May this year bring you as much happiness and joy as you bring to those around you. Here’s to new adventures, personal growth, and all the dreams you wish to achieve!

এক নজরে বিএনসিসি – BNCC Knowledge & Information Center⚔️                                                                ...
20/09/2025

এক নজরে বিএনসিসি – BNCC Knowledge & Information Center⚔️
📌বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) একটি ত্রি-বাহিনী স্বেচ্ছাসেবী রিজার্ভ বাহিনী যা স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী নিয়ে গঠিত। ক্যাডেটশিপ জুড়ে শিক্ষার্থীদের সামরিক কর্মী এবং কর্মীদের দ্বারা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিএনসিসি সমাজে জনসাধারণ-সামরিক সম্পর্ককে উচ্চ মূল্য দেয়। বিএনসিসি ক্যাডেটরা জাতীয় শুদ্ধাচার এবং জরুরী পরিস্থিতিতে সেনা, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীর পাশাপাশি সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষের সাথে একসাথে কাজ করে।

📌সংক্ষিপ্ত রূপ

বিএনসিসি

গঠন : ২৩ মার্চ ১৯৭৯

টাইপ : আধা-সামরিক রিজার্ভ ডিফেন্স ফোর্স

সদর দপ্তর : সেক্টর #06, উত্তরা, ঢাকা-1230

মহাপরিচালক (ডিজি) :ব্রিগ জেন মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, এনডিসি, পিএসসি

অধিভুক্তি : বাংলাদেশ আর্মি, বাংলাদেশ নেভি, বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স,বাংলাদেশ ডিফেন্স ফরসেসমিনিস্ট্রি অফ ডিফেন্স (বাংলাদেশ)মিনিস্ট্রি অফ এডুকেশন (বাংলাদেশ)

পূর্বে বলা হত : ইউটিসি, ইউওটিসি, জেসিসি, বিসিসি

মনোগ্রাম

বিএনসিসির মনোগ্রাম : লাল বৃত্ত- গঠন চিহ্নের বাইরের লাল বৃত্তটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।

ব্ল্যাক সার্কেল- ব্ল্যাক ইনার সার্কেল কালি, জ্ঞানের উৎসের প্রতীক। জ্ঞান ও শৃঙ্খলা- বিএনসিসির মূলমন্ত্র কালো বৃত্তের উপর স্থাপিত।

গোল্ডেন সার্কেল- সোনার বৃত্ত সোনার বাংলার প্রতিনিধিত্ব করে।

পিরামিড- কেন্দ্রে পিরামিডটি জীবনের সংগ্রামের প্রতীক, উপরে ওঠা সর্বদা কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং। ক্যাডেটদের এ থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

পিরামিডের রঙ- ত্রি রঙের পিরামিড সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করে যা ভবিষ্যতের নেতৃত্বের জন্য বিএনসিসি ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং প্রস্তুত করে।

স্বেচ্ছাসেবক- মানুষের ভিত্তি এবং মৌলিক হল কোনও ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে কাজ করা। সে হিসেবে বিএনসিসির মূল বক্তব্য ‘দ্য ভলান্টিয়ার্স’।

নক্ষত্র- নক্ষত্র অন্যদের আলোকিত ও আলোকিত করে। তাই ক্যাডেটদের তাদের স্বপ্নের ক্যারিয়ারে তারকা হওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত ও অনুপ্রাণিত করা উচিত।

📌বিএনসিসির মটো
জ্ঞান ও শৃঙ্খলা

📌বিএনসিসির চেতনা
স্বেচ্ছাসেবক

📌বিএনসিসির বিবর্তন
১৯২০ সালে ব্রিটিশ সরকার
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে
ইউনিভার্সিটি ক্যাডেট কোর
(UCC) গঠন করে।
১৯২৩ সালে – ইউসিসির
নামকরণ করা হয় ইউনিভার্সিটি ট্রেনিং কোর
(ইউটিসি)
১২ ঢাকা কোম্পানি ১৯২৮ সালে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ ঢাকা কোম্পানি হিসেবে ইউটিসি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫০ সালে ইউওটিসি
– ১৯৫০ সালে
ইউটিসির
নামকরণ করা হয়
ইউওটিসি
বা ইউনিভার্সিটি অফিসার ট্রেনিং কোর।
– জেসিসি 1966 সালে –
প্রোগ্রামটি কয়েকটি কলেজে প্রসারিত করা হয়েছিল এবং জুনিয়র ক্যাডেট কর্পস বা
জেসিসি নামকরণ করা হয়েছিল
বিসিসি-
ক্যাডেট কোর প্রোগ্রামটি বাংলাদেশ ক্যাডেট কোর
(বিসিসি) হিসাবে স্কুলগুলিতে আরও প্রসারিত করা হয়েছিল।
১৯৭৯ সালে
ইউটিসি
,
ইউওটিসি, জেসিসি
এবং
বিসিসি
একীভূত হয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) নামে গঠিত হয়।
📌বিএনসিসির ইতিহাস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর (১৯২১) ভারতীয় টেরিটোরিয়াল ফোর্সেস অ্যাক্ট, ১৯২৩ এর বিধান অনুযায়ী কোর তার কার্যক্রম শুরু করে। ক্যাপ্টেন ই গ্রুম ছিলেন কোরের প্রথম অ্যাডজুট্যান্ট, তিনি ১৯২৭ সালের নভেম্বরে ১০০ জন শিক্ষার্থী এবং ১৬ জন শিক্ষককে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। পরে ১৯২৮ সালের জুনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশিক্ষণ কোর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়; ১৯৪৩ সালে কোরের নাম পরিবর্তন করে ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর (ইউওটিসি) করা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এই কোরের সদস্যরা অংশ নেন, স্বাধীনতার পর কলেজ ছাত্রদের নিয়ে বাংলাদেশ ক্যাডেট কোর এবং বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ট্রেনিং কোর ছাড়াও জুনিয়র ছাত্রদের নিয়ে জুনিয়র ক্যাডেট কোর গঠিত হয়। ১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর, বাংলাদেশ ক্যাডেট কোর এবং জুনিয়র ক্যাডেট কোরকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরে (বিএনসিসি) একীভূত করা হয়। বিএনসিসি ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সেনা, নৌ ও এয়ার উইংয়ে বিভক্ত। বর্তমানে এর প্রধান কার্যালয় ৬ নম্বর সেক্টর, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ এ অবস্থিত। বিএনসিসিতে তিন ধরনের ক্যাডেট রয়েছে এবং সিনিয়র ডিভিশন এবং জুনিয়র ডিভিশন ক্যাডেট নামে দুটি বিস্তৃত প্রধানের অধীনে বিভক্ত। সিনিয়র ডিভিশনে আবার বিভিন্ন স্তরের নারী ও পুরুষ ক্যাডেটদের দুটি ক্যাটাগরির শিক্ষা কার্যক্রম রয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা বিএনসিসিকে একটি আইনি কাঠামো ও বিভাগের আওতায় আনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। প্রস্তাবের শিরোনাম ছিল বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর আইন-২০১৬, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পৃথক বিভাগ থাকবে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরে ভারত, সিঙ্গাপুর, নেপাল, মালদ্বীপ ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম (ওয়াইইপি) রয়েছে। প্রতি বছর মোট ৫৬ জন বিএনসিসি ক্যাডেট ওয়াইইপির আওতায় সেসব দেশে ভ্রমণের সুযোগ পান। আমাদের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কর্মসূচিতে যোগ দিতে সমসংখ্যক বিদেশী ক্যাডেটও বাংলাদেশ ভ্রমণ করে। এই কর্মসূচির সুফল ব্যাপকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে ক্যাডেটরা একে অপরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে এবং যা তাদের মধ্যে একটি দৃঢ় বন্ধন গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

📌বিএনসিসির উদ্দেশ্য
স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষিত করা যাতে তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, যারা শান্তি ও যুদ্ধের সময় সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খল স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে জাতির প্রতি তাদের সেবা প্রদান করতে পারে।

📌দায়িত্ব ও কর্তব্য
বিএনসিসি ক্যাডেটের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় জাতির সেবা করার জন্য প্রস্তুত করা।
মনুষ্যসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুঃস্থ নাগরিক ও জাতিকে সেবা প্রদান করা।
জাতীয় অখণ্ডতা রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সহায়ক হিসাবে কাজ করা।
সরকার কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন দায়িত্ব পালন।
📌প্রশিক্ষণ
প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ
প্লাটুনে পরিচালিত সপ্তাহে দুই দিন (4 পিরিয়ড)।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমঃ মৌলিক সামরিক শৃঙ্খলাসহ আত্মোন্নয়ন সম্পর্কিত ক্লাস।
ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পিং
ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে সংগঠিত- বছরে একবার।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমঃ বেসিক মিলিটারি ক্যাম্পিং এর উপর ব্যবহারিক জ্ঞানসহ আত্মোন্নয়ন সম্পর্কিত ক্লাস।
রেজিমেন্টাল ক্যাম্পিং
সমস্ত ব্যাটালিয়নের সাথে রেজিমেন্ট পর্যায়ে সংগঠিত – বছরে একবার।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমঃ বেসিক মিলিটারি ক্যাম্পিং এর উপর ব্যবহারিক জ্ঞানসহ আত্মোন্নয়ন সম্পর্কিত ক্লাস। এছাড়াও, গেমস, স্পোর্টস এবং সহ-পাঠ্যক্রমিক ক্রিয়াকলাপের উপর বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সেন্ট্রাল ক্যাম্পিং
সদর দপ্তর বিএনসিসি সকল রেজিমেন্টের সাথে আয়োজন করে- বছরে একবার।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমঃ উপরে উল্লেখিত অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ক্যাডেটদের মধ্যে অগ্নিনির্বাপণ, মাদক বিরোধী ও অন্যান্য সামাজিক আন্দোলন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হয়।
জাতীয় দিবস ক্যাম্পিং
বিজয় দিবসের ক্যাম্প
স্বাধীনতা দিবসের ক্যাম্পিং
এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস স্কিল ডেভেলপ ট্রেনিং
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড; নাচ, গান, অভিনয়, আবৃত্তি ইত্যাদি, আস্থা তৈরির অনুষ্ঠান; বিতর্ক, তাৎক্ষণিক বক্তৃতা ইত্যাদি, খেলাধুলা এবং খেলাধুলা।

📌প্রশিক্ষণ কার্যক্রমঃ
একজন ক্যাডেটের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ
বাধ্যতামূলক নয়, তবে নেতৃত্বের বিকাশ, শারীরিক যোগ্যতা, নিষ্ঠাবোধ, শৃঙ্খলা, কমরেডশিপ ইত্যাদির জন্য খুব কম মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
বিদেশে যান এবং সরকার প্রধানের সাথে দেখা করুন। বিএনসিসি ক্যাডেট হিসেবে বিদেশ ভ্রমণ; ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, সিঙ্গাপুর এবং রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানের সাথে সাক্ষাৎ করুন।
দিল্লি সফর
রাজস্থান সফর
শ্রীলঙ্কা সফর
মালদ্বীপ সফর
নেপাল সফর
সিঙ্গাপুর সফর
বিভিন্ন দুঃসাহসিক প্রশিক্ষণ
পর্বত আরোহণ
নাবিকত্ব
পালতোলা, পুলিং
হেলি রাইডিং
আইএসএসবি প্রশিক্ষণ
কম্পিউটার প্রশিক্ষণ
📌বিএনসিসি উইংস
সেনা উইং
নৌবাহিনী উইং
এয়ার উইং
আর্মি উইং
পাঁচটি রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত বিএনসিসি সেনা শাখা

📌রমনা রেজিমেন্ট:
১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) গঠিত হলে রমনা রেজিমেন্ট গঠিত হয় এবং ঢাকার অন্যতম ঐতিহাসিক স্থান রমনার নামে এর নামকরণ করা হয়। বিএনসিসিতে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে রমনা রেজিমেন্ট ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের নিয়ে পাঁচটি ব্যাটালিয়নের অধীনে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে রমনা রেজিমেন্টের অধীনে ১৫২ প্লাটুন এবং ৫৬৫৯ জন ক্যাডেট সহ মোট ১১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

📌ময়নামতি রেজিমেন্ট:
ময়নামতি রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালে। বিএনসিসির কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কুমিল্লা, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের নিয়ে ময়নামতি রেজিমেন্টের শিক্ষাক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এই রেজিমেন্টের অধীনে ১২২ প্লাটুন এবং ৩৬০৮ জন ক্যাডেটসহ ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

📌কর্ণফুলী রেজিমেন্ট:
১৯৭৯ সালের ২৮ নভেম্বর কর্ণফুলী রেজিমেন্ট গঠিত হয়। শুরু থেকেই কর্ণফুলী রেজিমেন্ট চিয়াট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের নিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে এই রেজিমেন্টের অধীনে ৮৬ প্লাটুন ও ৩৪১৩ জন ক্যাডেটসহ ৫৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

📌মহাস্থান রেজিমেন্ট:
১৯৭৯ সালের ৩০ মার্চ মহাস্থান রেজিমেন্ট গঠিত হয় এবং বগুড়ার ঐতিহাসিক স্থান মহাস্থান গড়ের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়। বিএনসিসির সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করতে মহাস্থান রেজিমেন্ট পাঁচটি ব্যাটালিয়ন নিয়ে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে এই রেজিমেন্টের অধীনে ১৩০টি প্লাটুন এবং ৪০৮৬ জন ক্যাডেটসহ ১০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

📌সুন্দরবন রেজিমেন্ট:
১৯৭৯ সালে বিএনসিসি প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই সুন্দরবন রেজিমেন্টের কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের নামানুসারে সুন্দরবন রেজিমেন্টের নামকরণ করা হয়। সুন্দরবন রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের নিয়ে বিএনসিসি সম্প্রসারণের কার্যক্রম শুরু করে। এই রেজিমেন্টের অধীনে ১১৪ প্লাটুন সহ ৯৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ২২০১ জন ক্যাডেট রয়েছে।

📌নৌ উইং
১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর গঠিত হলে নৌবাহিনী শাখা গঠিত হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা জেলা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, বরিশাল, পটুয়াখালী ও বাঙ্গুরা জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের নিয়ে নৌ শাখার কার্যক্রম শুরু হয়। এটি তিনটি ফ্লোটিলায় সংগঠিত। ঢাকা ফ্লোটিলার অধীনে ১৬ প্লাটুন এবং ৮৬৮ জন ক্যাডেট সহ ১১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে; চট্টগ্রাম ফ্লোটিলার অধীনে ০৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৪৭০ জন ক্যাডেটসহ ১৫ প্লাটুন রয়েছে; খুলনা ফ্লোটিলার অধীনে ১৬টি এডুকেশনাল ইনটিউশন এবং ২৫টি প্লাটুন ৮২৪ জন ক্যাডেট রয়েছে।

📌এয়ার উইং
১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ বিএনসিসি গঠনের পর এয়ার উইং উত্থাপিত হয়। ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের নিয়ে যাত্রা শুরু করে এয়ার উইং। এটি তিনটি স্কোয়াড্রনে সংগঠিত হয়। ঢাকা স্কোয়াড্রনের অধীনে ১৩টি প্রতিষ্ঠান, ১৭টি ফ্লাইটে ১১৫৩ জন ক্যাডেট রয়েছে। চট্টগ্রাম স্কোয়াড্রনের অধীনে ০৫টি প্রতিষ্ঠান, ০৭টি প্লাটুন এবং ৬৪১ জন ক্যাডেট রয়েছে। যশোর স্কোয়াড্রনের অধীনে ০৯টি ইনস্টিটিউশন, ০৯টি প্লাটুন এবং ১০০০ ক্যাডেট রয়েছে।

📌বিএনসিসি সংগঠন
বিএনসিসি রেজিমেন্টঃ
বর্তমানে বিএনসিসি প্রধানত পাঁচটি পৃথক প্রশাসনিক বিভাগে এবং কিছু ক্ষেত্রে একটি বিভাগের অংশে সংগঠিত হয়। প্রতিটি প্রশাসনিক বিভাগের কার্যকরী ইউনিট (ব্যাটালিয়ন)/উপ-ইউনিট (কোম্পানি/প্লাটুন) বিএনসিসির একটি রেজিমেন্ট গঠন করে।

📌বিএনসিসির বিদ্যমান রেজিমেন্ট এবং তাদের নামঃ
(ক) রমনা রেজিমেন্ট ঢাকা বিভাগ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
(খ) ময়নামতি রেজিমেন্ট কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও সিলেট বিভাগ এর অন্তর্গত।
(গ) কর্ণফুলী রেজিমেন্ট চট্টগ্রাম বিভাগকে ঘিরে রয়েছে।
(ঘ) মহাস্থান রেজিমেন্ট রাজশাহী ও রংপুর বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করে।
(ঙ) সুন্দরবন রেজিমেন্ট খুলনা ও বরিশাল বিভাগ জুড়ে বিস্তৃত।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত বিএনসিসির ৩টি রেজিমেন্ট হলোঃ
(ক) তিস্তা রেজিমেন্ট
(খ) কপোতাক্ষ রেজিমেন্ট
(গ) শের-ই-বাংলা রেজিমেন্ট
প্রস্তাবিত বিএনসিসির ২ টি রেজিমেন্টে হলোঃ
(ক) সুরমা রেজিমেন্ট
(খ) ব্রহ্মপুত্র রেজিমেন্ট
প্লাটুন, কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন
ন্যূনতম ৩১ জন ক্যাডেট রয়েছে এমন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক কার্যকরী উপ-ইউনিটগুলিকে প্লাটুন বলা হয়।
ন্যূনতম তিনটি প্লাটুন বিশিষ্ট বেসিক ফাংশনাল সাব-ইউনিটগুলিকে কোম্পানি (আর্মি উইংয়ের জন্য)/স্কোয়াড্রন (এয়ার উইংয়ের জন্য)/ফ্লোটিলা (নেভি উইংয়ের জন্য) বলা হয়।
একটি রেজিমেন্টের অধীনে কার্যকরী ইউনিটগুলিকে ব্যাটালিয়ন বলা হয়। একটি ব্যাটালিয়ন পাঁচটি কোম্পানি নিয়ে গঠিত এবং একটি রেজিমেন্টের অধীনে পাঁচটি ব্যাটালিয়ন রয়েছে।
বিএনসিসিতে বিভাগসমূহ
দুই বিভাগ। যথাঃ

(ক) জুনিয়র ডিভিশন- নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলিতে ।

(খ) সিনিয়র বিভাগ – কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে।

📌কমান্ড স্ট্রাকচার
সদর দপ্তর বিএনসিসি ও ডিজি বিএনসিসি

সদর দপ্তর বিএনসিসি ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত বিএনসিসির প্রধান কার্যালয়। বিএনসিসির প্রশিক্ষণ, প্রশাসন ও অন্যান্য সকল কার্যাবলী বিএনসিসির প্রধান কার্যালয় থেকে নিয়ন্ত্রিত ও সমন্বয় করা হয়।

📌ডিজি বিএনসিসি

বিএনসিসির মহাপরিচালক (ডিজি) একজন সামরিক কর্মকর্তা যিনি চিফ অব দ্য ফোর্স (বিএনসিসি)।

📌রেজিমেন্ট কমান্ডার

রেজিমেন্ট কমান্ডার একজন সামরিক কর্মকর্তা যিনি তার অধীনে ৫ টি ব্যাটালিয়নের কমান্ডার হন।

📌কোম্পানি কমান্ডার

কোম্পানি কমান্ডার একজন বিএনসিসি কমিশনড অফিসার যিনি তার অধীনে ৩ প্লাটুন কমান্ড করেন। বিএনসিসি কমিশন অফিসারদের বিএনসিসিও বা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর অফিসার বলা হয়।

📌প্লাটুন কমান্ডার

তিনি বিএনসিসি প্লাটুন বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে নিযুক্ত একটি প্লাটুনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। বিএনসিসি প্লাটুন কমান্ডারদের পিইউও (প্রফেসর আন্ডার অফিসার) বা টিইউও (টিচার আন্ডার অফিসার) বলা হয়।

📌পিইউও/টিইউও

পিইউও (প্রফেসর আন্ডার অফিসার) বা টিইউও (টিচার আন্ডার অফিসার) একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান দ্বারা শিক্ষণ কর্মীদের মধ্যে নির্বাচন করা হয় যেখানে একটি বিএনসিসি প্লাটুন বিদ্যমান। তারা (পিইউও/টিইউও) ডিজি বিএনসিসি কর্তৃক প্লাটুন কমান্ডার নিযুক্ত হন।

📌বিএনসিসিও

বিএনসিসিও বা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর অফিসারদের কমিশন প্রদান করে সদর দপ্তরের বিএনসিসির একটি বোর্ড অব অফিসার্স যার নেতৃত্বে রয়েছে ডিজি বিএনসিসি। তাদের কমিশন অবশেষে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হয়। সাধারণত প্লাটুন কমান্ডার (পিইউও) যারা বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি বা একটি সামরিক ইউনিট থেকে প্রাক-কমিশন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন তারা এই ধরনের কমিশনের জন্য যোগ্য। তারা ডিজি বিএনসিসি কর্তৃক ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যন্ত কোম্পানি কমান্ডার হিসাবে নিযুক্ত হন।

📌ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও)

সিইউও বা ক্যাডেট আন্ডার অফিসারদের রেজিমেন্ট কর্তৃক বিএনসিসির আইন ও শর্ত সাপেক্ষে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির ক্যাডেটদের মধ্যে নির্বাচন করা হয়।

📌ক্যাডেট সার্জেন্ট

বিএনসিসির আইন ও শর্ত সাপেক্ষে ব্যাটালিয়ন কর্তৃক একটি নির্দিষ্ট প্লাটুনের ক্যাডেটদের মধ্যে ক্যাডেট এসজিটি বা ক্যাডেট সার্জেন্টদের নির্বাচন করা হয়।

📌ক্যাডেট কর্পোরাল

বিএনসিসির আইন ও শর্ত সাপেক্ষে ব্যাটালিয়ন কর্তৃক একটি নির্দিষ্ট প্লাটুনের ক্যাডেটদের মধ্যে ক্যাডেট সিপিএল বা ক্যাডেট কর্পোরালদের নির্বাচন করা হয়।

📌ক্যাডেট ল্যান্স কর্পোরাল

ক্যাডেট এলসিপিএল বা ক্যাডেট ল্যান্স কর্পোরাল বিএনসিসির আইন ও শর্ত সহ ব্যাটালিয়ন দ্বারা একটি নির্দিষ্ট প্লাটুনের ক্যাডেটদের মধ্যে নির্বাচন করা হয়।

📌ক্যাডেট

বিএনসিসির আইন ও শর্ত সহ ব্যাটালিয়ন দ্বারা একটি নির্দিষ্ট স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্যাডেটদের নির্বাচন করা হয়।

📌একজন বিএনসিসি ক্যাডেটের যোগ্যতা ও সুবিধা
বিএনসিসিতে ক্যাডেট

বিএনসিসি আইন ২০১৬ এর অধীনে তালিকাভুক্ত ছাত্রদের ক্যাডেট বলা হয়। ক্যাডেটরা মূলত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যেখানে বিএনসিসির কার্যক্রম বিদ্যমান। ক্যাডেটরা বিএনসিসির প্রধান কার্যকরী শক্তি, তাদের প্রশিক্ষিত করা হয় এবং জাতির সেবার জন্য স্বেচ্ছায় কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়।

📌যোগ্যতা:

কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিএনসিসি প্লাটুন রয়েছে সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সিনিয়র ডিভিশন ক্যাডেট হিসেবে আবেদন করতে পারবে এবং তাকে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হতে হবে।

উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিএনসিসি প্লাটুন রয়েছে সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জুনিয়র ডিভিশন ক্যাডেট হিসেবে আবেদন করতে পারবে এবং সে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হতে পারবে।

📌নিম্নে বর্ণিত ক্যাডেটের স্ট্যান্ডার্ড শারীরিক ফিটনেস :

পুরুষ
উপাদান
মহিলা
১.৬৩ মিটার / ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি
উচ্চতা
১.৬০ মিটার / ৫ ফুট ২ ইঞ্চি
৫০ কেজি (110 পাউন্ড)
ওজন
47 কেজি (104 পাউন্ড)
০.৭৬ মিটার (৩০ ইঞ্চি) স্বাভাবিক, ০.৮১ মিটার (৩২ ইঞ্চি) প্রসারিত
বুক
০.৭১ মিটার (২৮ ইঞ্চি) স্বাভাবিক, ০.৭৬ মিটার (৩০ ইঞ্চি) প্রসারিত
একজন ক্যাডেটের জন্য প্ররোচনা
প্রশিক্ষণ
সীমিত সামরিক ও অন্যান্য প্রশিক্ষণসহ সুসংগঠিত প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেতৃত্ব, কমান্ডারশিপ, শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস, উত্তম মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটাতে পারবে।
সৈনিক কোটায় যোগ দিন
সৈনিক, নাবিক বা বিমানসেনা হিসেবে যোগদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী থেকে কোটা।
ডাইরেক্ট আইএসএসবি
লিখিত পরীক্ষা ছাড়াই আইএসএসবিতে সরাসরি প্রবেশাধিকার পাওয়ার সুযোগ।
বিদেশে যান এবং সরকার প্রধানের সাথে দেখা করুন
বিএনসিসি ক্যাডেট হিসেবে বিদেশ ভ্রমণ; ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, সিঙ্গাপুর এবং রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানের সাথে সাক্ষাৎ করুন।
স্টাডি ট্যুর
দেশের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরে স্টাডি ট্যুর।
বিভিন্ন দুঃসাহসিক প্রশিক্ষণ
বিভিন্ন দু: সাহসিক কাজ প্রশিক্ষণের সম্ভাবনা; মাউন্টেন ক্লাইম্বিং, সিম্যান শিপ, সেইলিং পুলিং, হেলি-রাইডিং ইত্যাদি।
সশস্ত্র বাহিনীর সাথে প্রশিক্ষণ
দেশের জন্য দ্বিতীয় সারির সেনাবাহিনী হিসেবে প্রস্তুতির জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সাথে প্রশিক্ষণের সম্ভাবনা।
অতিরিক্ত নম্বর যোগ করুন অনার্স ও ডিগ্রি পরীক্ষা
মিলিটারি সায়েন্সকে অতিরিক্ত সাবজেক্ট হিসেবে নিয়ে অতিরিক্ত পয়েন্ট/সংখ্যা যোগ করার সম্ভাবনা।
একজন ক্যাডেটের ক্যাডেটশিপের সময়কাল
02 বছর, বর্ধিত।
ক্যাডেটশিপের মেয়াদ বৃদ্ধি
বিশেষ ক্ষেত্রে রেজিমেন্ট কমান্ডার কর্তৃক ১ বছর। সদর দফতর যে কোনও সময় পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে।
ক্যাডেটশিপ সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা
দু’বছরের মধ্যে ক্যাম্পিং।
প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণে ৭০% উপস্থিতি।

Address

Qadirabad Cantonment Public School , Dayarampur , Bagatipara
Natore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Qadirabad Cantt: Public school - BNCC UNIT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category