07/06/2026
নাজিয়া সামান্থা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্রী। মেয়েটা বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।
নাজিয়া ড্রাম, গিটার, ভায়োলিন বাজানোসহ ড্যান্স, রিং ড্যান্স সবই শিখেছে। সেই সাথে সে নামাজ, রোজাও প্র্যাকটিস করে এসেছে। এধরণের সংস্কৃতি বাংলাদেশের মুসলিম পরিবারগুলোতে একদম নতুন কিছু না। ঘরে ঘরে শতাধিক হিন্দি চ্যানেল আর সিনেমা চললে বরং এটাই স্বাভাবিক।
নাজিয়া গত বছর হজ করার পর হতে হিজাব পরা শুরু করে আর ড্যান্স, রিং ড্যান্স, গিটার, ভায়োলিন...ইত্যাদি প্রায় সবই ছেড়ে দিয়েছে।
এত অল্প বয়সী তরুণীর জন্য এতগুলো শখ ছেড়ে দেয়া বিশাল স্যাক্রিফাইস। শুধুমাত্র ড্রামস বাকি ছিল।
ড্রামসেও নাজিয়া পেশাদার কেউ না। ইউনিভার্সিটির নবীন বরণ অনুষ্ঠানে আর কাউকে না পাওয়াতে বিশেষ অনুরোধ বাজিয়েছিল নাজিয়া।
ভিডিওটা ভাইরাল হয়ে গেলে যা হওয়ার তাই হল।
বাঙালি মুসলিমরা দাড়ি, টুপি পরে প্র' তা' র' ণা করে না? ঘু* খায় না? নামাজ, রোজা করে আবার ম** খায় এরকমও প্রচুর। আবার বোরখা পরে অসামাজিক কাজ করে, প-র-কি-য়া করে এরকম নারী কম নেই।
শেখ হাসিনা বোরখা পরে হজ করেননি? এরপর কি কি করতে বাকি রেখেছেন?
ড্রাম বাজানো ধর্মে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। কিন্তু এটা সবচেয়ে খারাপ কাজগুলোর মধ্যে একটা নয়।
নাজিয়া ধর্মের নির্দেশগুলো জানে। অন্যান্য শখ যখন ছেড়ে দিয়েছে, সে একসময় ইনশাআল্লাহ ড্রামসও ছেড়ে দিবে। ❤️
কিন্তু ভাল প্র্যাকটিসগুলোর প্রশংসা না করে নাজিয়াকে অনেকেই দেখি জাহান্নামে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। ভাই, আপনার জন্য জান্নাত কি ফিক্সড হয়ে গেছে? নিজেকে প্রশ্ন করেন।
বর্তমান প্রজন্মে বরং নাজিয়া সামান্থা লেভেলের তরুণীর সংখ্যা বেশী নেই৷ ইদানিং মেয়েদেরকে ম* -সি' গা' রেট খেতে দেখে, ডেট করতে দেখি, প-র-কি-য়া করতে দেখি, অ-শ্লী-ল টিকটক করতে দেখি, শর্ট ড্রেস পরে ঘুরতে দেখি, বাবা-মায়ের অবাধ্য হতে দেখি।
নাজিয়ার বাবাকে আপনারা ক্ষমা চাইতে বাধ্য করলেন। এটা কি আসলেই উনার প্রাপ্য ছিল?
নাজিয়াকে হুদাই ট্রল করে কি লাভ? আমাদের পরিবারের সব নারী কি কনফার্ম জান্নাতী? ওকে উৎসাহ দিন। পরামর্শ দিন। আশাকরি ভবিষ্যতে নাজিয়া আরো শুদ্ধ হবে, একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম হবে৷ 🌻