03/06/2026
আজ ০৩রা জুন জাতীয়️ কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস।
কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করছি যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ত্রিশালে আজকের 'জাতীয়️ কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়'
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।
ত্রিশালবাসীকে স্বরণ করিয়ে দিতে চাই?
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এর নিকট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোড় দাবী সাহসের সাথে দৃঢ় প্রত্যায়ে উপস্থাপন করছিলেন তৎকালীন ত্রিশাল উপজেলা বিএনপি'র আহবায়ক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক ভিপি, ডক্টর এসোসিয়েশন অব ড্যাব এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব, স্টেট ইউনিভার্সিটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমান ময়মনসিংহ-০৭(ত্রিশাল) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জননেতা ডা: মাহবুবুর রহমান লিটন
উক্ত দাবীর পক্ষে যুক্তি সংগত সমর্থন জানান তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ড. এম. ওসমান ফারুক ও তৎকালীন শিল্প প্রতিমন্ত্রী এ.কে.এম মোশাররফ হোসেন এফসিএ এবং এই দাবীকে বাস্তবায়ন করতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪ সালের ফ্রেবুয়ারি মাসে একনেক মিটিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেন, নজরুলের স্মৃতি বিজড়িত ত্রিশালের নামাপাড়া বটতলায় ২০০৫ সালের ০১ মার্চ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজে উপস্থিত থেকে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, উদ্বোধন ও কর্যক্রম পরিচালনার জন্য আইন প্রণয়ন করেন। অতি দ্রুত ক্লাস শুরুর সামগ্রিক কার্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্দেশনায় ডাঃ লিটন ভাইয়ের তত্ত্বাবধায়নে সম্পন্ন হয়েছিল বলেই মাত্র দুই বছরেই অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শেষ হয়েছিল।
২০০৭ সালের ২৫ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুটি অনুষদের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন এবং ৩ জুন ২০০৭ সালে প্রথম ব্যচের ক্লাস শুরু হয়। প্রথম ব্যাচে কলা অনুষদের অধীনে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, সংগীত বিভাগ এবং বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের অধীনে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ মিলিয়ে সর্বমোট ১৮৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পিছনে যাদের যাদের শ্রম, ঘাম, মেধা, অর্থ, জমি বিসর্জন দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানাই।
"মনে করিয়ে দেয়া উচিত"
সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা প্রাক্তন তিন তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী,আপোষহীন নেত্রী।
"দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে''
❤️আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই ❤️
★ড. এম. ওসমান ফারুক (তৎকালীন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী)।
★রাশেদ মোশাররফ (তৎকালীন সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী)।
★অধ্যাপক আব্দুর রশিদ(প্রধান সমন্বয়ক,সাবেক সাংসদ)।
★ ডাঃ মাহাবুবুর রহমান লিটন, জাতীয় সংসদ সদস্য, ১৫২, ময়মনসিংহ-০৭(ত্রিশাল), প্রতিষ্ঠাকালীন সিন্ডিকেট সদস্য, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, তৎকালীন আহবায়ক ত্রিশাল উপজেলা বিএনপি, বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক আহবায়ক, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি।
★ ডঃ আশরাফ সিদ্দিকি (সাবেক সভাপতি,ময়মনসিংহ
সাংস্কৃতিক ফোরাম)।
★ অধ্যক্ষ হামিদা আলী (সহ-সভাপতি, ময়মনসিংহ
সাংস্কৃতিক ফোরাম)।
★ বিশেষ ধন্যবাদ জমিদাতা ও অর্থদাতাগণকে।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমাদের ত্রিশাল বাসীর অনেক প্রত্যাশা। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর হতে আজ পর্যন্ত অনন্য দক্ষতায় মনন ও মানবিকতায় অভূতপূর্ব সংশ্লেষ ঘটিয়ে এই মহীরূহ বিদ্যায়তন সমগ্র দেশকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পরিপুষ্ট করে চলেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে চিন্তার স্বাধীনতা ও মুক্ত-বুদ্ধিচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতৃত্বে আমরা যতবারই সরকার গঠন করেছে, দেশের সকল শিক্ষাঙ্গণ সন্ত্রাস-বহিরাগতমুক্ত করে শিক্ষা-গবেষণার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। অধুনিক বাংলাদেশের রুপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্নকে লালিত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বিজ্ঞান, তথ্য ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা আমাদের কাম্য। ছাত্র-ছাত্রীদের যথাযথ শিক্ষা ব্যত্যয় ঘটলে কষ্টার্জিত স্বাধীনতা অর্থহীন হবে। ’তাই নতুন জ্ঞান আহরণ, উদ্ভাবন, অনুশীলন ও বিতরণে সম্মানিত শিক্ষকগণকে আরো তৎপর এবং আন্তরিক ভূমিকা পালন করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
অধিকতর উন্নত গবেষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে যে কোন সংকট উত্তরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা-গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তিসহ জ্ঞানের সকল শাখায় এগিয়ে যাবে বলে আমারা বিশ্বাস করি। আমারা বিশ্বাস করি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণ দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁদের অর্জিত জ্ঞান,মেধা-মনন ও সৃজনশীলতা প্রয়োগ করে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত আধুনিক সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।।