বিএনপি নির্বাচনী প্রচার সেল - ঢাকাস্থ শালিখাবাসি, মাগুরা-২

  • Home
  • Bangladesh
  • Magura
  • বিএনপি নির্বাচনী প্রচার সেল - ঢাকাস্থ শালিখাবাসি, মাগুরা-২

বিএনপি নির্বাচনী প্রচার সেল - ঢাকাস্থ শালিখাবাসি, মাগুরা-২ আমরা জিয়ার সৈনিক

Government allotment of one and half crore taka for the development of college in Shalikha: Is the development of the ar...
18/07/2026

Government allotment of one and half crore taka for the development of college in Shalikha: Is the development of the area or the so-called loss?

Bangladesh government has allocated 1 crore 50 lakhs (1.5 crore) to build infrastructure and overall development of 'Munshi Shahidur Rahman Technical and Business Management College' located in Arpara of Magura's Shalikha sub-district. This huge math government allotment for an neglected or muffsable area educational institution is certainly a positive and pleasant news. But extremely sad but true, some local selfish palaces are spreading false, texture and misleading information on various media including social media.
Such a usual question in the conscious palace—does the development of an educational institution and government funding allotment really bring any harm to the area, or is it key to the overall development of the area?

Objective analysis shows that the allotment has no chance of damage to the area, but it will benefit far-stretching benefits. The main aspects of this are highlighted below:

1. Revolutionary change and modernization in education sector:
With this allocation of 1 crore 50 lakhs, modern academic buildings, laboratories and classrooms of the college can be built. Technical and Business Management College students will get hands-on learning opportunities, making them skilled human resources.

2. Prevention of falls and benefits of local students:
Poor and middle class family students of Arpara and surrounding areas do not have to go far and wide for better education. Higher education rates especially for female students will increase and reduce transportation costs.

3. Employment and Economic Growth:
When the infrastructure of a college improves, the number of students and teachers increases there. This causes a widespread expansion of business-commerce, mess or student residence business, shopkeeping and transport sectors in the areas adjacent to the college. Employment opportunities for local multi-working people even during construction.

4. Area dignity and real estate development:
An advanced educational institution increases the social status of any area. Road and infrastructure environmental development of Arpara area will accelerate and value of surrounding land will increase.

What is behind the confusion of the selfish palace?
According to education researchers and locally conscious citizens, there are obstacles or propaganda behind any good work. The development of this college is only those who are politically or personally jealous, or those who want to loot themselves by keeping the people in the dark and illiterate, are spreading false information. These propaganda spread through social media are completely baseless and expression of personal anger or narrow mindset.

This project worth one and half crore rupees in government funding is a blessing for Arpara and the entire Shalikha sub-district. Munshi Shahidur Rahman Technical and Business Management College will take the young generation from darkness to light. So instead of listening to harmful propaganda, people of all area should welcome this developmental work regardless of party work and stay united against any conspiracy.

শালিখায় কলেজ উন্নয়নে দেড় কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ: এলাকার উন্নয়ন নাকি তথাকথিত ক্ষতি?

মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়ায় অবস্থিত 'মুন্সী শহিদুর রহমান টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ'-এর অবকাঠামো নির্মাণ ও সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার ১ কোটি ৫০ লক্ষ (দেড় কোটি) টাকা বরাদ্দ করেছে। একটি অবহেলিত বা মফস্বল এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এই বিপুল অঙ্কের সরকারি বরাদ্দ নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক এবং আনন্দদায়ক খবর। তবে অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বরাদ্দকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
এমতাবস্থায় সচেতন মহলে একটি স্বাভাবিক প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে—একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সরকারি অর্থ বরাদ্দ কি এলাকার জন্য সত্যিই কোনো ক্ষতি বয়ে আনে, নাকি এটি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি?

বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই বরাদ্দের ফলে এলাকার ক্ষতি হওয়ার কোনো সুযোগই নেই, বরং এর মাধ্যমে সুদূরপ্রসারী নানা উপকার সাধিত হবে। নিচে এর প্রধান দিকগুলো তুলে ধরা হলো:

১. শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও আধুনিকায়ন:
১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার এই বরাদ্দের মাধ্যমে কলেজের আধুনিক একাডেমিক ভবন, ল্যাবরেটরি এবং ক্লাসরুম নির্মাণ করা সম্ভব হবে। কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা কলেজের শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিক্ষার সুযোগ পাবে, যা তাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলবে।

২. ঝরে পড়া রোধ ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের সুবিধা:
আড়পাড়া এবং এর আশেপাশের এলাকার দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের উন্নত শিক্ষার জন্য দূর-দূরান্তে যেতে হবে না। ঘরের কাছেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত প্রতিষ্ঠান থাকায় বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার হার বাড়বে এবং যাতায়াত খরচ কমে যাবে।

৩. কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি:
একটি কলেজের অবকাঠামো যখন উন্নত হয়, তখন সেখানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা বাড়ে। এর ফলে কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য, মেস বা ছাত্রাবাস ব্যবসা, দোকানপাট এবং পরিবহন খাতের ব্যাপক প্রসার ঘটে। নির্মাণকাজ চলাকালীনও স্থানীয় বহু শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

৪. এলাকার মর্যাদা ও রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন:
একটি উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেকোনো এলাকার সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করে। আড়পাড়া এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং আশেপাশের জমির মূল্য ও গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে।

স্বার্থান্বেষী মহলের বিভ্রান্তির নেপথ্যে কী?
শিক্ষা গবেষক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, যেকোনো ভালো কাজের পেছনে কিছু বাধা বা অপপ্রচার থাকে। এই কলেজের উন্নয়ন হলে যারা রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগতভাবে ঈর্ষান্বিত, অথবা যারা এলাকার মানুষকে অন্ধকার ও অশিক্ষার মধ্যে রেখে নিজেদের ফায়দা লুটতে চায়, কেবল তারাই এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো এসব প্রোপাগান্ডা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা সংকীর্ণ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।

সরকারি অর্থায়নে দেড় কোটি টাকার এই প্রকল্প আড়পাড়া তথা সমগ্র শালিখা উপজেলার জন্য একটি আশীর্বাদ। মুন্সী শহিদুর রহমান টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের এই উন্নয়ন এলাকার তরুণ প্রজন্মকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যাবে। তাই ক্ষতিকর অপপ্রচারে কান না দিয়ে, এলাকার সর্বস্তরের মানুষের উচিত দলমত নির্বিশেষে এই উন্নয়নমূলক কাজকে স্বাগত জানানো এবং যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকা।

লাল-সবুজের পতাকায় মিশে আছে আমাদের রক্ত ও আবেগ।আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে উদিত হয়েছিল নতুন সূর্যের,...
25/03/2026

লাল-সবুজের পতাকায় মিশে আছে আমাদের রক্ত ও আবেগ।
আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে উদিত হয়েছিল নতুন সূর্যের, জন্ম হয়েছিল এক নতুন মানচিত্রের। ২৬শে মার্চ আমাদের আত্মপরিচয়ের দিন, আমাদের গর্বের দিন। আমাদের পরিচয়, আমাদের অহংকার—প্রিয় বাংলাদেশ।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসী ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা সকল প্রবাসীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের রূপকার, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-কে।

১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে, যখন গোটা জাতি বিপর্যস্ত ও নেতৃত্বহীন, তখন তিনি অসীম সাহসে বিদ্রোহী কণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন— “We Revolt’’। তাঁর সেই বজ্রকণ্ঠের স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে দেখিয়েছিল মুক্তির পথ, জুগিয়েছিল যুদ্ধের রণশক্তি। সিপাহী-জনতার আস্থার প্রতীক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের এই স্থপতির অবদান জাতি চিরকাল কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। দেশের সকল ক্রান্তিকালে ভয়কে জয় করে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর সেনানীদের, নির্যাতিতা মা-বোনদের এবং স্বাধীনতার জন্য আত্মনিবেদিত সকল সংগ্রামী মানুষকে। তাঁদের ত্যাগ ও দেশপ্রেম আমাদের পথচলার শক্তি। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি—সকল শহিদের বিদেহী আত্মা যেন চিরশান্তিতে থাকে।

আসুন, এই মহান দিনে আমরা সবাই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধ হই এবং স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বৈরাচারমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ!
শহীদ জিয়া অমর হোক।

#২৬শেমার্চ #স্বাধীনতা_দিবস #জাতীয়_দিবস #বাংলাদেশ #শহীদ_জিয়া #জিয়াউর_রহমান #বিএনপি #মুক্তিযুদ্ধ

মাগুরা জেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের কাণ্ডারি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা এবং বর্তমান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ-কে মাগুরা জে...
15/03/2026

মাগুরা জেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের কাণ্ডারি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা এবং বর্তমান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ-কে মাগুরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর অভিনন্দন।

এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তাঁকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম-এর প্রতি জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

আজকের এই আনন্দঘন মুহূর্তে জননেতা আলী আহমেদকে নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন যেন সংগ্রাম, জনসমর্থন, সাফল্য এবং চরম রাজনৈতিক নিপীড়নের এক অনন্য ইতিহাস।

মুক্তিযোদ্ধা ও তিনবারের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানের গর্বিত সন্তান আলী আহমেদ নিজেও মাগুরা সদর উপজেলার ৬নং রাঘবদাইড় ইউনিয়নের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে মানুষের ভালোবাসা ও আস্থার এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। জনগণের কল্যাণে তাঁর নিরলস কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দুইবার “মাগুরা জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান” হিসেবে স্বর্ণপদকে ভূষিত করে—যা তাঁর জনপ্রিয়তা ও নিষ্ঠার এক গৌরবময় স্বীকৃতি।

জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন অসাধারণ সংগঠকও। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ তাকে দ্রুতই মাগুরা জেলার রাজনীতির অগ্রভাগে নিয়ে আসে। ১৯৮৮ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন। জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইবারের সাধারণ সম্পাদক, সদস্য সচিব এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বারের মতো আহ্বায়ক হিসেবে তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে।

তবে এই পথ মোটেও সহজ ছিল না। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি ৩০ টিরও বেশি মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন এবং ১০ বারেরও বেশি কারাবরণ করতে হয়েছে তাকে। তাঁর জীবনের প্রায় তিনটি বছর কেটেছে কারাগারের অন্ধকার প্রাচীরের মধ্যে। কুখ্যাত ১/১১-এর সময় তিনি টানা ১৬ মাস কারাবন্দি ছিলেন, যেখানে রিমান্ডে তাকে কঠোর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

এমনকি ২০১৫ সালে তাকে বাড়িতে না পেয়ে পুলিশ তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়—যা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এক নির্মম উদাহরণ। তবুও দমন-পীড়ন, মামলা-হামলা কিংবা ষড়যন্ত্র—কোনো কিছুই তাকে আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।

দুঃখজনক হলেও সত্য, দলীয় রাজনীতির ভেতরেও তিনি বারবার নোংরা গ্রুপিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাকে বারবার কোনঠাসা করার চেষ্টা হয়েছে, মাগুরার রাজনীতি থেকে তাকে “মাইনাস” করার নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু দলের দূরদর্শী নেতা তারেক রহমান কখনোই তার এই ত্যাগ ও অবদানকে ভুলে যাননি। তিনি বরাবরই আলী আহমেদের প্রতি আস্থা রেখেছেন এবং মাগুরা জেলা বিএনপির দায়িত্ব তাঁর হাতেই অর্পণ করেছেন।

আজ আবারও সেই আস্থারই বহিঃপ্রকাশ ঘটল। মাননীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান আলী আহমেদের উপর বিশ্বাস রেখে তাঁকে মাগুরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জনসেবার প্রতি অটল নিষ্ঠা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে তিনি মাগুরাকে একটি আধুনিক, উন্নত ও সম্ভাবনাময় জেলায় রূপান্তর করতে সক্ষম হবেন।

চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজনীতিতে টিকে থাকার যে দুর্নিবার সাহস ও দৃঢ়তা তিনি দেখিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে তাকে মাগুরা জেলা পরিষদের একজন জনপ্রিয়, মানবিক এবং সফল প্রশাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

জননেতা আলী আহমেদের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অফুরন্ত শুভকামনা।
মাগুরার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি এগিয়ে যাবেন—এই প্রত্যাশাই আমাদের।

#আলীআহমেদ
Ali Ahmed Ali Ahmed Media Cell Alomgir Hasan Shohan মোঃ নয়নুজ্জামান মুন্সী

সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত মাগুরা গড়িমাগুরা জেলাবাসীর প্রতি অ্যাডভোকেট মিথুন রায় চৌধুরীর পক্ষ থেকে  উদাত্ত আহ্বান—আমরা কো...
24/02/2026

সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত মাগুরা গড়ি
মাগুরা জেলাবাসীর প্রতি অ্যাডভোকেট মিথুন রায় চৌধুরীর পক্ষ থেকে উদাত্ত আহ্বান—
আমরা কোনো প্রকার সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক কিংবা দুর্নীতির সাথে আপস করব না। এলাকার শান্তি বিঘ্নিতকারী যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে অবহিত করুন। অপরাধী যেই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না।
আপনার তথ্য ও পরিচয় গোপন রাখা হবে।

অ্যাডভোকেট মিথুন রায় চৌধুরী
যুগ্ম আহ্বায়ক, মাগুরা জেলা বিএনপি।
(অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সুযোগ্য উত্তরসূরি)
WhatsApp করুন: 01814-112848
#মাগুরা

সবাইকে প্রানঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
19/02/2026

সবাইকে প্রানঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আসন নং–৯২, মাগুরা-২ থেকে নির্বাচিত গণমানুষের নেতা, এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী —বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্...
18/02/2026

আসন নং–৯২, মাগুরা-২ থেকে নির্বাচিত গণমানুষের নেতা, এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী —
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য —
বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়-এর মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় “বিএনপি নির্বাচনী প্রচার সেল – ঢাকাস্থ শালিখাবাসি, মাগুরা-২” পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন।

আপনার নেতৃত্বে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার বিকাশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে— এই বিশ্বাস আমাদের প্রেরণা।
জনগণের আস্থা, সংগ্রামের ইতিহাস ও দেশপ্রেমের শক্তিতে আপনার পথচলা হোক আরও গৌরবময়।

#অভিনন্দন #নিতাইরায়চৌধুরী #মাগুরা২ #বিএনপি #সংস্কৃতিমন্ত্রণালয় #জনগণেরনেতা #গণতন্ত্র #ঢাকাস্থ_শালিখাবাসি

11/02/2026

আগামীকাল নির্বাচন #বিএনপি

10/02/2026

ারআগেবাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন নং- ৯২ মাগুরা-২ সংক্ষিপ্ত বিবরণ                     ারআগেবাংলাদেশ
08/02/2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন নং- ৯২
মাগুরা-২ সংক্ষিপ্ত বিবরণ




ারআগেবাংলাদেশ

Address

Magura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিএনপি নির্বাচনী প্রচার সেল - ঢাকাস্থ শালিখাবাসি, মাগুরা-২ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share