10/03/2026
''চোরে খায় কলা, চোরের মায়ের বড় গলা''
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা আর সদস্য সচিব সোহেল আজ বিএনপির প্যাডে একটি প্রতিবাদ লিপি দিয়েছে। গতকাল দৈনিক ইনকিলাব, প্রতিদিনের বাংলাদেশ এবং অসংখ্য অনলাইন নিউজ পোর্টালে তাদের টেন্ডারবাজির কাহিনী ও অনিয়ম করে কাজ করার কারণে ৬ হাজার জিও ব্যাগ বাতিলের সংবাদে তাদের এই প্রতিবাদ।
কথায় বলেনা ''চোরে খায় কলা, চোরের মায়ের বড় গলা''। রোজা রমজানের দিনেও ডাহা মিথ্যা কথার গলাবাজি এদের বন্ধ হলোনা।
মূলকথা হলো - পিপিআর মোতাবেক কুড়িগ্রামের স্থানীয় ২/১ জন ঠিকাদার ছাড়া আর কেউ অংশ গ্রহণের যোগ্যতা রাখেনা। ইন্ডিয়ান মোস্তফা ও সোহেল গংরা ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স এবং আরও কয়েকটি লাইসেন্সের নামে ওয়াপদা, এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সহ অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট গুলোতে কোটি কোটি টাকার কাজ অনিয়ম করে নিয়েছে।
কতৃপক্ষের মতে এক ওয়াপদাতেই প্রায় ২০ কোটি টাকার কাজ মোস্তফা-সোহেল গংরা পেয়েছে। এরপরেও কিভাবে বিএনপির প্যাডে মিথ্যাচার করে প্রতিবাদ লিপি পাঠায় ? তারা বরাবরই তাদের অপকর্ম গুলো দলীয় ব্যানারে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু এবার বিধিবাম - তাদের এই প্রতিবাদের ফটোকপি সহ সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদার ও কতৃপক্ষের সংগে তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দাখিল করা হয়েছে।
চট্ট্রগ্রামের ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স এর মালিক ইউনুস আলীর ছেলে ডিএমডি মিঃ ইঞ্জিনিয়ার ইমরান ইতোপূর্বে কয়েক দফায় জানিয়েছে মোস্তফা সোহেলরা কুড়িগ্রামে তাদের নামে কাজ করছে। তারা কোন কাজে ২/৩ % জিও টেক্স সহ অন্যান্য লাভজনক কাজে ৫% করে লাইসেন্স ভাড়া নিয়ে থাকে। এই বিষয়টি কুড়িগ্রামের সকল ঠিকাদার ও প্রকৌশল দপ্তর গুলো জানে।
শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢাকা যায়না। তেমনি ভারতের কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার খুবিরের কুঠি গ্রামে জন্ম নিয়ে বাংলাদেশী নাগরিকও হয় যায়না।
তাই কুড়িগ্রাম জেলাবাসীকে অনুরোধ করা হলো, টেন্ডারবাজ ধান্দাবাজদের কোন প্রতিবাদ ফ্রতিবাদে কান না দেয়ার জন্যে। কুড়িগ্রামে দুর্নীতি দমনে অসংখ্য মানুষ সব তথ্য প্রমান নিয়েই মাঠে নেমেছে। আর যে সাংবাদিকরা তাদের সম্পর্কে নিউজ করেছে তাদের হাতে সকল ডকুমেন্টস বিদ্যমান। এটা ডিজিটাল যুগ - চোরের মা ও ছেলের জবান বন্ধ করে দিতে বেশি সময় লাগবেনা। শুধু অপেক্ষা করুন আর দেখুন। ধন্যবাদ।