কমার্স কলেজ শিবির

কমার্স কলেজ শিবির Official page of Bangladesh Islami Chhatrashibir, Azam Khan Government Commerce College, Khulna City.

تَقَبَّلَ ٱللَّٰهُ مِنَّا وَمِنكُمْত্যাগের অপার মহিমায় উদ্ভাসিত হােক পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ...
27/05/2026

تَقَبَّلَ ٱللَّٰهُ مِنَّا وَمِنكُمْ

ত্যাগের অপার মহিমায় উদ্ভাসিত হােক পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে পূর্ণ হোক সবার জীবন। ঈদ মোবারক

শুভেচ্ছান্তে:
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ, খুলনা
খুলনা মহানগর।




শিশু রামিসা হত্যার বিচার, চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের অবসান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আ...
22/05/2026

শিশু রামিসা হত্যার বিচার, চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের অবসান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, খুলনা মহানগর শাখা।
কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগর সভাপতি রাকিব হাসানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেনের পরিচালনায় আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী।


22/05/2026
❝সাফল্য মানে কেবল বড় ডিগ্রি বা সম্পদ নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই জীবনের আসল সার্থকতা।❞ড. আ জ ম ওবায়েদুল্লাহসাবেক কে...
20/05/2026

❝সাফল্য মানে কেবল বড় ডিগ্রি বা সম্পদ নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই জীবনের আসল সার্থকতা।❞

ড. আ জ ম ওবায়েদুল্লাহ
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

জুলাইয়ের গ্রাফিতি মুছে ফেলা দুরভিসন্ধিমূলক। পুনরায় গ্রাফিতি আঁকতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জ...
19/05/2026

জুলাইয়ের গ্রাফিতি মুছে ফেলা দুরভিসন্ধিমূলক। পুনরায় গ্রাফিতি আঁকতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জানাই।

এই গ্রাফিতিগুলো মুছে ফেলার মূল কারণ একটাই— এগুলো ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনতাকে সচেতন ও জাগ্রত করেছে।

যারা জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় বেনিফিশিয়ারি, আজ তারাই জুলাইয়ের চেতনার সঙ্গে বেঈমানি করে গাদ্দারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নূরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবি

18/05/2026

ইনশাআল্লাহ, শীগ্রই আমাদের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে নবীন বরণ - ২০২৬

নবীনবরণ অনুষ্ঠান-২০২৬
আয়োজনে: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, খুলনা মহানগর শাখার নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে কমার্স কলেজ শিবির এর পক্ষ থেকে আন্তরি...
13/05/2026

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, খুলনা মহানগর শাখার নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে কমার্স কলেজ শিবির এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ছাত্রদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করি

13/05/2026

ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত তারুণ্যের বাজেট ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন ড. শিব্বির আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি।

ছাত্রশিবির আয়োজিত🎬 জুলাই জাগরণ ডকুফিল্ম প্রতিযোগিতা ২০২৬
11/05/2026

ছাত্রশিবির আয়োজিত
🎬 জুলাই জাগরণ ডকুফিল্ম প্রতিযোগিতা ২০২৬

ইতিহাসের পাতায় "১১ মে - ঐতিহাসিক কুরআন দিবস"আমি আমার এ দুটি আঁখি, কী করে ধরে রাখি,অঝোরে কান্না বেরিয়ে আসে,যখন মাসের পরে ...
10/05/2026

ইতিহাসের পাতায় "১১ মে - ঐতিহাসিক কুরআন দিবস"
আমি আমার এ দুটি আঁখি, কী করে ধরে রাখি,
অঝোরে কান্না বেরিয়ে আসে,
যখন মাসের পরে মাস পেরিয়ে ১১ মে আসে...
১১ মে ঐতিহাসিক কুরআন দিবস। সেই দিন কী ঘটেছিল চলুন ইতিহাসের পাতা থেকে তা জেনে নিই। ১৯৮৫ সালের এই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঈদগাহ ময়দানে সংঘটিত হয় এক পৈশাচিক, নারকীয় হত্যাকাণ্ড।
ঘটনার শুরু যেভাবে :
১৯৮৫ সালের ১০ এপ্রিল ভারতের দুইজন উগ্র সাম্প্রদায়িকতাবাদী নাগরিক পদ্মপল চোপরা ও শীতল সিং কুরআনের সকল আরবি কপি ও অনুবাদ বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি রীট করে। তারা মহাগ্রন্থ আল কুরআনের সূরা বাকারার ১৯১ নম্বর আয়াত ও সূরা তাওবার ২৯ নম্বর আয়াতের রেফারেন্স দিয়ে মামলা দায়ের করেছিল।
তাদের বক্তব্য ছিল, কুরআন যেহেতু কাফের-মুশরিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ও তাদের হত্যা করার কথা বলেছে, সেহেতু কুরআন একটি সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতা গ্রন্থ। তাই একে বাজেয়াপ্ত করার দাবি তুলে মামলা দায়ের করে এই দুই পাপিষ্ঠ। ভারতীয় সংবিধানের ২২৩ নং ধারা সিআরপিসি ১১৫ (ক) ও ২৯৯ (ক) উদ্ধৃতি দিয়ে তারা কুরআনকে ভারতীয় সংবিধান বিরোধী বলে উল্লেখ করে বলে, এই গ্রন্থ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জন্ম দিতে পারে। বিচারপতি পদ্ম খাস্তগীর কোনো প্রকার বিচার বিশ্লেষণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা গ্রহণ করেন। তিনি ১২ এপ্রিল এ বিষয়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে এফিডেভিট প্রদানের জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি নির্দেশ দেন।
কুরআনকে বাজেয়াপ্ত করার মামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে কলকাতাসহ সারাবিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। আমাদের দেশেও এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে কুরআনপ্রেমী জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ১০ মে জুম্মার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে হাজার হাজার ইসলামী ছাত্র-জনতার মিছিল ও সমাবেশ মিলিত হলে লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ।
সারাদেশের মত পরের দিন ১১ মে চাঁপাইনবাবঞ্জের ঈদগাহ ময়দানে আয়োজন করা হয় এক প্রতিবাদ সমাবেশের। বেলা ১১ টায় সমাবেশের আহবায়ক চাঁপাইনবাবগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, মাওলানা হোসাইন আহমদকে এসপি অফিসে ডেকে সমাবেশ বন্ধ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু ইসলামী জনতা দলে দলে আসতে থাকে ঈদগাহ ময়দানের দিকে। উপায় না দেখে ঈদগাহ ময়দানে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
“শুধুমাত্র দোয়া করে জনতাকে শান্ত করে চলে যাবো”- নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সেই আবেদনও শুনেনি ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা। এসময় ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা সেই সুযোগ না দিয়ে অকথ্য ভাষায় আগত কুরআনপ্রেমীদের গালি দিতে থাকে। এ সময় ইসলামী জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়লে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লার নির্দেশে কুরআনপ্রেমী জনগণের ওপরে গুলিবর্ষণ শুরু করে পুলিশ।
পুলিশের গুলিতে প্রথমেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ১০ম শ্রেণির ছাত্র, ইসলামী ছাত্রশিবির কর্মী আব্দুল মতিন এবং হাসপাতালে নেবার পথে শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে। এ ঘটনায় শীষ মোহাম্মদ, রশিদুল হক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র সেলিম, সাহাবুদ্দীন, কৃষক আলতাফুর রহমান সবুর, রিকশাচালক মোক্তার হোসেন ও রেলশ্রমিক নজরুল ইসলাম শাহাদাতবরণ করেন। সর্বমোট ৮ জন শাহাদাতবরণ করেন আর আহত হন প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ।
পরের দিন ১২ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী সকল বাধা উপেক্ষা করে কারফিউ ভেঙে জুম্মার নামাজের পর নৃশংস সেই হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শোককে শক্তিতে পরিণত করতে রাজপথে নেমে আসে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এমন ঘটনা সারা বিশ্বব্যাপী আালোড়ন সৃষ্টি করে। ১৩ মে প্রশাসনের সকল বাধা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালন করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কুরআনপ্রেমী মানুষ। মুসলমানরা বিশ্বব্যাপী এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণের প্রতিবাদে ফেটে পড়লে ভারত সরকার বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের রায়টি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলে ১৩ মে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি, বিসি বাসকের আদালতে স্থানান্তরিত করে এটি খারিজ করে দেওয়া হয়।
কুরআন অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যেখানে সকল মুসলমানের কর্তব্য সেখানে ইসলামী জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় রচনা করেছিল বাংলাদেশের কিছু মুসলমান নামধারী পুলিশ। প্রায় ৪০ বছর পার হলেও আজও এ ঘটনার কোনো বিচার হয়নি।
এ দিনটিকে স্মরণ করতে "কুরআন দিবস" হিসাবে ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতি বছর পালন করে।
আসুন আমরা সেই দিনের শহীদদের জন্য দোয়া করি, যেন মহান রাব্বুল আলামীন তাদের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন।
আমিন।

Address

Babu Khan Road
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কমার্স কলেজ শিবির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share