পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-Hill Students' Council

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-Hill Students' Council Hill Students' Council is a first and one of the political organization for the Jumma student's in the Chittagong Hill Tracts, Bangladesh.

Pahari Chattra Parishad (P*P) or Hill Students Council is a student organisaition of the Jumma students studying in various educational institutions in and outside of the Chittagong Hill Tracts. It was founded on 20 May 1989 in the backdrop of the gruesome Langudu Massacre in which more than 36 innocent Jumma people were killed in the most brutal fashion. To protest the incident, representatives o

f university based independent Jumma student bodies met in a meeting at Dhaka and resolved to form a unified student organistion to resist government repression in the CHT. The following day a silent procession was organised in Dhaka under the banner of the Greater Chittagong Hill Tracts Hill Students Council in protest against the Langudu Massacere. This marked the beginning of a new era in the history of the struggle of the Jumma people. The P*P soon spread throughout the Chittagong Hill Tracts and became the symbol of democratic resistance to state repression in CHT. It not only organised the Jumma students, but also rallied, in the absence of an overground political platform, different sections of the Jumma people behind it. Defying military control and surveillance, the P*P held rallies and public meetings all over the CHT. The most powerful programme that was ever undertaken by P*P was the historic Logang Long March, which was organised on 28 April 1992 to protest the mass killing of Jumma people at a cluster village at Logang in Khagrachari district. Hundreds of thousands of people took part in the march that traversed 50 kilometers starting from Khagrachari town. The journey of the P*P has never been easy. The government and the military left no stone unturned to stem the emerging tide of democratic movement led the P*P. On the one hand, the government policy makers on CHT floated communal Bengali settler organisations to counter the P*P, on the other hand, they began to crack down on its members and supporters. Many were detained without specific charges and trial. From 1991 to1993 the High Court heard and found roughly 130 cases of detention illegal. The court ordered their immediate release. But this could not stop repression of the members of the P*P. When every attempt to suppress the P*P was failed, the military picked up anti-social and criminal elements among the Jumma youths and formed a terrorist organisation styled Pahari Chattra Parishad, Pahari Gano Parishad-er Santras Pratirodh Committee or PPSPC (Committee for resisting terrorism by Hill Students Council and Hill Peoples Council), popularly known as Mukhosh Bahini or masked force, as its members used to take part in military sponsored processions with their faces under cover. The Mukhosh Bahini lasted from September 1995 to December 1996 and in the face of popular resistance, the military finally had to decommission it. Later, the Jana Samhati Samiti happily inducted some of the Mukhosh Bahini members into its ranks to pit them against the United Peoples Democratic Front (UPDF). The P*P denounces the CHT accord signed between the Government of Bangladesh and the Jana Samhati Samiti in December 1997 terming it as inadequate. In 1998 P*P co-sponsored a party preparatory conference held in Dhaka and helped found a new party – United People’s Democratic Front (UPDF) to carry on the struggle for the right to self determination. P*P is now campaigning for full autonomy under the leadership of this new party.

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ২৫ মে ২০২৬রাঙামাটিতে ধর্ষণচেষ্টা ও বান্দরবানে ৫ বছরের শিশুর ধর্ষণের বিচার এবং সমাজের সর্বক্ষেত্র নারী ও ...
25/05/2026

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
২৫ মে ২০২৬

রাঙামাটিতে ধর্ষণচেষ্টা ও বান্দরবানে ৫ বছরের শিশুর ধর্ষণের বিচার এবং সমাজের সর্বক্ষেত্র নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট

আজ ২৫ মে ২০২৬ সোমবার সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে রাঙামাটির বিলাইছড়িতে আব্দুল গফুর শেখ কর্তৃক ৯ম শ্রেণীর পাহাড়ি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা ও বান্দরবানে ৫ বছরের ত্রিপুরা শিশুকে বিজয় বড়ুয়া কর্তৃক ধর্ষণের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “গত ২৩ মে ২০২৬ শনিবার বিলাইছড়ি উপজেলার ২নং কেংড়াছড়ি ইউনিয়নের ক্যারংছড়ি এলাকায় আব্দুল গফুর শেখ ৯ম শ্রেণীর এক পাহাড়ি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বিকাল ৪ টার দিকে প্রাইভেট পড়া শেষে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল। ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে কেবল মুচলেকা নিয়ে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপূর্বে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৫নং বন্দুকভাঙা ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী এক চাকমা কিশোরী মোঃ সাইফুল নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়। এখনো এই ঘটনার বিচার হয়নি।”

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, “গতকাল বান্দরবানে ৫ বছরের ত্রিপুরা শিশুকে বিজয় বড়ুয়া কর্তৃক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, ধর্ষণের বিচার চাইতে গেলে বিজিবি কর্তৃক স্থানীয় পাহাড়ি জনতার ওপর লাঠিচার্জ ও বাধা প্রদান করা হয়। বিজিবির এমন অন্যায় আচরণ বিচার পাবার গণতান্ত্রিক অধিকার, গোটা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের দৃশ্যপট এমন, সেখানে কোন শিশু-নারী ধর্ষণের শিকার হলেও ছলে-বলে-কৌশলে তা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। আটকে দেয়া হয় ভুক্তভোগীর ধর্ষণের মেডিকেল রিপোর্ট। এ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে যতগুলো ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে কোনটির দৃশ্যমান কোন নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার হয়নি। পাহাড়ে শিশু ও নারীরা নিজ বাড়িতেও নিরাপদ নয়। রাষ্ট্র নিরাপদ জনজীবনের কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে– সকল জাতি, গোত্র ও বর্ণের সমন্বয়ে অন্তর্ভূক্তিমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের মেকি বুলি আওড়িয়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীগুলোর ওপর প্রতিনিয়ত দমন-পীড়ন ও বৈষম্য জিইয়ে রেখেছে। আরো উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ভালুকিয়া পাড়া এলাকায় নিজেদের কলা বাগানে কাজ করতে গিয়ে রোহিঙ্গা বাহিনী আরসার পুঁতে রাখা স্থল মাইন বিস্ফোরণে স্থানীয় তিন তঞ্চঙ্গ্যা গ্রামবাসী নিহত হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারী থাকা সত্ত্বেও দেশের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের এমন সশস্ত্র কার্যক্রম কীভাবে সম্ভব হচ্ছে তা গভীর চিন্তার উদ্রেক করে।”

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে শিশু-নারীর নিরাপত্তা জোরদার, রামিসাসহ সকল ধর্ষণ-হত্যার দ্রুত বিচার ও অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত এবং ধর্ষণ-যৌন নিপীড়ন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন-

১। দিলীপ রায়, সমন্বয়ক, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট ও সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী

২। তামজিদ হায়দার চঞ্চল, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন

৩। সালমান সিদ্দিকী, সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট

৪। ছায়েদুল হক নিশান, সভাপতি, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল

৫। সমর চাকমা, সভাপতি, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ

৬। তাওফিকা প্রিয়া, সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন

বার্তা প্রেরক —
রাফিকুজ্জামান ফরিদ
সাধারণ সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট

25/05/2026

বান্দরবান থানচিতে এক পাহাড়ি শিশুকে ধর্ষণকারী বিজয় বড়ুয়ার শাস্তি ও বিচার প্রত্যাশী ছাত্র জনতার ওপর পুলিশ বিজিবি'র বাধা, লাঠিচার্জ ও অস্ত্র তাক করে গুলি করার হুমকির প্রতিবাদে এবং
রাঙ্গামাটি বিলাইছড়িতে এক পাহাড়ি স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী সেটলার বাঙালি আব্দুল গফুর শেখ-এর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে মানিকছড়িতে পিসিপি'র বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

বিক্ষোভ মিছিল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে খুন-ধর্ষণ, নিপীড়ন নির্যাতন বন্ধ করতে সেনাশাসন প্রত্যাহার করে স্বায়ত্তশাসনের স্লোগান দেয় মিছিলে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা।

24/05/2026

বান্দরবান থানচিতে ৫ বছরের এক পাহাড়ি শিশুকে ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের মশাল মিছিল

পিসিপি'র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় মিরপুরে পোস্টারিং-------------------------বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়...
20/05/2026

পিসিপি'র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় মিরপুরে পোস্টারিং
-------------------------
বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) এর গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামের ৩৭ বছর উপলক্ষে ঢাকার মিরপুর এলাকায় পোস্টারিং করা হয়। গত ১৭ মে ২০২৫ এ রাতে পিসিপি ঢাকা মহানগর শাখার নেতা-কর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

#পাহাড়িছাত্রপরিষদ
#পূর্ণস্বায়ত্তশাসন
#৩৭তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
#পার্বত্যচট্টগ্রাম

পিসিপি'র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকায় আলোচনা সভা-----------------------------বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র প...
20/05/2026

পিসিপি'র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকায় আলোচনা সভা
-----------------------------
বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর গৌরবোজ্জ্বল ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকায় আলোচনা সভা করেছে পিসিপি ঢাকা মহানগর শাখা।

আজ বুধবার (২০ মে ২০২৬) বিকাল ৪টার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

“পাহাড় ও সমতলে গণতান্ত্রিক শক্তির সংগ্রামী ঐক্য সুদৃঢ় করুন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে ফ্যাসিস্টদের আস্তানা বানানোর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন” এই স্লোগানে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পিসিপি’র ঢাকা শাখার সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর ত্রিপুরা।

একই শাখার দপ্তর সম্পাদক অংসালা মারমার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, পিসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রোনাল চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামে কেন্দ্রীয় সভাপতি জিকো ত্রিপুরা ও পিসিপির সাবেক সভাপতি অমল ত্রিপুরা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিসিপি’র ঢাকা শাখার তথ্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রদর্শন চাকমা।

আলোচনা সভার শুরুতে পিসিপির গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামে ৩৭ বছরের পাহাড়িদের অধিকার আদায়ের লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে মংশে, ক্যজই , তপন, এল্টন, সুনীল, বিপুল, লিটন, রূপক, অনিমেষসহ যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভায় পিসিপির সাবেক সভাপতি অমল ত্রিপুরা বলেন, ৮০-এর দশকে পার্বত্য চট্টগ্রামে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির পরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালের ২০ মে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জন্ম হয়েছিল। পিসিপি গঠনের পর পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি জনগণের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, নির্যাতন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছিল। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচনা করেছিল। ছাত্রসমাজের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নব্বই দশকে যে ছাত্র-গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার জেএসএসের সাথে চুক্তি করতে বাধ্য হয়েছিল। যদিও চুক্তিতে নানা দুর্বলতা ছিল।

অমল ত্রিপুরা আরও বলেন, বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে পিসিপির নামধারী অনেক ছাত্র সংগঠন রয়েছে। তারা অধিকারের কথা বলে ছাত্রসমাজকে বিভক্ত করেছে। চুক্তির আগেও তৎকালীন ছাত্রনেতারা স্বায়ত্তশাসন ও চুক্তির প্রশ্নে পিসিপিকে বিভক্ত করেছিল। কিছু ছাত্রনেতা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য চুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, আর যারা সংগ্রামী ও আপোষহীন ছিল, তারা স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াই করেছে। স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত পিসিপি পরবর্তীতে ইউপিডিএফ গঠন করে এবং এখনো পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে।

তিনি পিসিপির দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের ঐতিহ্যকে ধারণ করে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত পিসিপির পতাকাতলে সমবেত হয়ে ছাত্রসমাজের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বেগবান করার আহ্বান জানান।

অমল ত্রিপুরা বলেন, সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে রেখেছে। পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ-বাণিজ্যের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে পাহাড়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে রাখা হয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কাজেই শিক্ষার গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে পিসিপিকে আন্দোলন করতে হবে। শাসকগোষ্ঠীর সকল ধরণের ষড়যন্ত্র, অন্যায়-অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের অধিকার আদায় করতে হবে।

রোনাল চাকমা বলেন, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ শুধুমাত্র একটি নিছক সংগঠন নয়। আপোষহীন এই সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামে জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে লড়াই-সংগ্রাম করে যাচ্ছে। পিসিপিকে তার কর্মের মাধ্যমে বুঝতে, বুঝতে হবে।

তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘অপারেশন উত্তরণ’-এর নামে সেনা দমন-পীড়ন, অভিযান ও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড চলছে বলে অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, আমাদের সকলকেই স্বপ্ন দেখতে হবে হবে এবং স্বপ্ন দেখার অভ্যাস করতে হবে। অধিকার প্রতিষ্ঠায় পিসিপির পতাকাতলে সমবেত হয়ে আপোষহীন লড়াইয়ে যুক্ত হওয়ার জন্য তিনি ছাত্র সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

জিকো ত্রিপুরা বলেন, শাসকগোষ্ঠীর ভয়ের নাম হচ্ছে পিসিপি। পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে ডাক দেওয়ার ক্ষমতা রাখে এই সংগঠন। ১৯৮৯ সালের ৪ঠা মে লংগদু গণহত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে সে বছর ২০শে মে পিসিপির আত্মপ্রকাশ হয়। আজ পিসিপি’র আপোষহীন গৌরবময় সংগ্রামের ৩৭ বছর পূর্ণ হয়েছে। গঠনের পরবর্তী সময় থেকে পিসিপি পাহাড়িদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে, বর্তমানও করছে এবং আগামী দিনেরও লড়াই জারি রাখবে।

তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকার ও শাসকগোষ্ঠীর মাধ্যমে ডজনের অধিক গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে কিন্তু কোন গণহত্যার বিচার হয়নি।

তিনি বলেন, সরকারপন্থী ও সুবিধাবাদী দালালদের ছাত্র সংগঠনগুলোর চরিত্রকে চিনতে হবে এবং তাদের প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে আওয়াজ তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য বলেন, সঠিক লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে নিপীড়িত জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং পূর্ণস্বায়ত্তশাসন আদায়ের লড়াইয়ে সামিল হতে হবে।

সভাপতি বাহাদুর ত্রিপুরা বলেন, স্ব-ভূমিকে রক্ষার জন্য হলেও ছাত্রসমাজকে রাজনৈতিক চিন্তা করতে হবে এবং ছাত্র সংগঠনের সাথে যুক্ত হতে হবে। পার্বত্য চট্টগামে যেসব সুবিধাবাদী ধারার ছাত্র সংগঠন রয়েছে সেগুলোতে চিনতে হবে। তারা কাদের স্বার্থে কাজ করছে সে বিষয়ে ধারণা রাখতে হবে। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন জোরদার করতে লড়াই-সংগ্রামে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

20/05/2026

সরকারপন্থীদের খপ্পর থেকে পিসিপি’র হৃত গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এক হও!
---------------------------------
পিসিপি'র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনলাইন আলোচনা সভা

২০ মে ২০২৬, বুধবার, সন্ধ্যা ৭টা

অতিথি:

১. অংগ্য মার্মা, পিসিপি'র সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বর্তমানে ইউপিডিএফ মুখপাত্র।

২. দিলীপ রায়, সমন্বয়ক, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট ও সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী।

৩. নীতি চাকমা, সভাপতি, হিল উইমেন্স ফেডারেশন।

৪. সমর চাকমা, সভাপতি, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।

সঞ্চালক: সোহেল চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ

সরকারপন্থীদের খপ্পর থেকে পিসিপি’র হৃত গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এক হও! ---------------------------------পিসিপি'র ৩৭তম প্রত...
20/05/2026

সরকারপন্থীদের খপ্পর থেকে পিসিপি’র হৃত গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এক হও!
---------------------------------
পিসিপি'র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনলাইন আলোচনা সভা

২০ মে ২০২৬, বুধবার, আজ সন্ধ্যা ৭টা

সঞ্চালক: সোহেল চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, পিসিপি।

আলোচনা সভায় অতিথি:

১. অংগ্য মার্মা, পিসিপি'র সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বর্তমানে ইউপিডিএফ মুখপাত্র।

২. দিলীপ রায়, সমন্বয়ক, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট ও সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী।

৩. নীতি চাকমা, সভাপতি, হিল উইমেন্স ফেডারেশন।

৪. সমর চাকমা, সভাপতি, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।

~ চোখ রাখুন আমাদের পিসিপি'র ফেসবুক পেইজ এ।

#অনলাইনআলোচনাসভা
#২০মে২৬সন্ধ্যা৭টায়
#৩৭তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী২৬
#পাহাড়িছাত্রপরিষদ
#৩৭তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
*P
#পার্বত্যচট্টগ্রাম
#পূর্ণস্বায়ত্তশাসন

19/05/2026

পাহাড়ি জনগণের ওপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে পাহাড়-সমতলে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রাম জারি রাখার আহ্বান
----------------------------------------------------

১৯৮৯ সালের ৪ঠা মে লংগদু গণহত্যার রক্তস্রোত থেকে প্রতিবাদের মধ্যে দিয়ে ২০ শে মে জন্ম নেয়া পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পথচলা কখনো মসৃণ ছিলো না। বহু পিচ্ছিল, কর্দমাক্ত পথ পাড়ি দিয়ে, শাসকগোষ্ঠীর নিষ্ঠুর দমন-পীড়ন ও রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ এখনো বীরদর্পে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল রয়েছে। এই দুঃসাহসিক সংগ্রামে বিপুল, সুনীল, তপন, এল্টন, মিটন, রমেলদের মতো তেজোদীপ্ত ছাত্রনেতাদের আমরা হারিয়েছি। কিন্তু পিসিপি'র লড়াই থামেনি। ঘনঘটা অন্ধকার পেরিয়ে পাহাড়ে ভোর ছিনিয়ে আনার লক্ষ্যে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের যাত্রা আরও গতিশীল ও দৃঢ় হোক।

আগামীকাল ২০শে মে ২৬, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামের ৩৭টি বছর পূর্ণ করতে যাচ্ছে। আপোষহীন এই লড়াইয়ের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে এবং দেশের বাইরে থাকা সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি সমর চাকমা।

১৯ মে ২৬।

#পাহাড়িছাত্রপরিষদ
#৩৭তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী২৬
#শুভেচ্ছাবার্তা

রাঙামাটিতে পিসিপি'র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্...
19/05/2026

রাঙামাটিতে পিসিপি'র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুদুকছড়িতে আলোচনা সভা করেছে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) বিকাল ৩ টায় বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুদুকছড়িতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারি বিপ্লবীদের ভণ্ডামির মুখোশ খুলে দিন!
সেনা-শাসকগোষ্ঠীর দোসর, প্রতিক্রিয়াশীল দালালদের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ এক হও, লড়াই করো! স্লোগানে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি চয়ন চাকমা। এসময় পিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক ঝিমিত চাকমার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিফ)'র সংগঠক বিবেক চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রিতা চাকমা।

আলোচনা সভার শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন সকলের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রত্যেক দেশে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে ছাত্র সমাজ গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে। সমাজে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন-নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং পরাধীনতা থেকে একটি জাতিকে মুক্ত করতে জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রতিবাদী ছাত্র সমাজ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ এ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানেও ছাত্র সমাজের ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্রসমাজও পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার প্রতিষ্টা আন্দোলন জারি রেখেছে।

বক্তারা আরো বলেন,১৯৮৯ সালে ৪ঠা মে লংগুদু গণহত্যার প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ২০ শে মে জন্ম নেওয়া বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের ৩৭ বছরের যেমন গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে তেমনি রয়েছে এই সংগঠনে আত্মোৎসর্গকারী দীর্ঘ শহীদের নামের তালিকা । পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের দীর্ঘ ৩৭ বছরের পথ চলা এত সহজ নয়। জন্মলগ্ন থেকে সুবিধাবাদী, দালাল, শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পিসিপি নেতাকর্মীদের দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই সংগ্রাম করতে হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল সেনাবাহিনীর নির্যাতনে ছাত্রনেতা রমেল চাকমার হত্যার বিচার এখনো হয়নি।২০২৩ সালে ১১ডিসেম্বর সেনা মদদপুষ্ট নব্য মুখোশ বাহিনীর রাতের আঁধারে নারকীয় হামলায় শহীদ বিপুল, সুনীল, লিটন হত্যাকারীরা আজো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

তারা আরো বলেন, আমরা যদি সুবিধাবাদী, দালাল, সরকারপন্থী হতাম তাহলে বড় বড় শহরে বা এসি রুমে বসে ৩৭তম প্রতিষ্টাবার্ষিকী পালন করতে পারতাম। কিন্তু আমাদের প্রাণ প্রিয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা এখনো পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য বিক্রি করে দেননি।

বক্তরা সরকারপন্থীদের খপ্পর থেকে পিসিপি’র হৃত গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের পতাকা তলে ছাত্রসমাজকে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানান।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী ধর্ষণের চেষ্টার বিচার ও ব্যর্থ প্রক্টরকে অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্...
19/05/2026

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী ধর্ষণের চেষ্টার বিচার ও ব্যর্থ প্রক্টরকে অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি জানিয়ে- গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের ৰিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

এতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্যে দেয় জোট ভুক্ত সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সমর চাকমা

Address

Swanirbar Bazar
Khagrachari
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-Hill Students' Council posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-Hill Students' Council:

Share