Mohipur Hazi Mohsin Govt. College, Panchbibi, Joypurhat

Mohipur Hazi Mohsin Govt. College, Panchbibi, Joypurhat Mohipur Hazi Mohsin Govt. CollegePanchbibi, Joypurhat. Settled : 1969/ Nationalization : 1982
Founder : Maulana Abdul Hamid Khan Bhashani

College
Updated about 11 months ago • Taken in Jaipur Hat, Rājshāhi, Bangladesh
Mohipur Hazi Mohsin Govt. College
Panchbibi, Joypurhat. Settled : 1969/ Nationalization : 1982
Founder : Maulana Abdul Hamid Khan Bhashani
http://en.wikipedia.org/wiki/Maulana_Abdul_Hamid_Khan_Bhashani
Panchbibi, Joypurhat, Bangladesh.

09/12/2021
09/12/2021

মহীপুর হাজী মহসীন সরকারি কলেজ,পাঁচবিবি,জয়পুরহাট।
২। সংক্ষিপ্ত বর্ণনা : আল্লামা ইকবাল কলেজ নামে ১৯৬৯ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে এ কলেজটি। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের পটভূমিকায় মাওলানা ভাসানীর ইচ্ছায় ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৯৭২ সালে কলেজটির নাম পরিবর্তন করা হয়। নতুন নামকরণ হয় প্রখ্যাত শিক্ষানুরাগী ও দানবীর হাজী মোহাম্মদ মহসীনের নামানুসারে মহীপুর হাজী মহসীন কলেজ
৩। প্রতিষ্ঠা কাল : ০১/০৭/১৯৬৯ খ্রিঃ
৪। ইতিহাস : জয়পুরহাট জেলার অন্তর্গত পাঁচবিবি উপজেলার শান্ত, সবুজ-শ্যামল ছোট একটি গ্রাম মহীপুর। উত্তর জনপদের এ অবহেলিত অঞ্চলে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত দুরুহ ব্যাপার ছিল। তারপরও উপজেলা প্রশাসন চত্ত্বর থেকে প্রায় ০৪ কিলোমিটার পূর্বদিকে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এ গ্রামকে কেন্দ্র করে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় ও শত বাধা বিঘœ অতিক্রম করে ১৯৬৯ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে “আল্লামা ইকবাল কলেজ” নামে এ কলেজটি। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের পটভূমিকায় মাওলানা ভাসানীর ইচ্ছায় ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৯৭২ সালে কলেজটির নাম পরিবর্তন করা হয়। নতুন নামকরণ হয় প্রখ্যাত শিক্ষানুরাগী ও দানবীর হাজী মোহাম্মদ মহসীনের নামানুসারে মহীপুর হাজী মহসীন কলেজ

আগামী ০২/০৫/২০১৯ ইং তারিখে মহীপুর হাজী মহসীন সরকারি কলেজের ৫০ বছর সূবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে কমিটি গঠন ও প্রস্তুতি সভার আয়ো...
24/04/2019

আগামী ০২/০৫/২০১৯ ইং তারিখে মহীপুর হাজী মহসীন সরকারি কলেজের ৫০ বছর সূবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে কমিটি গঠন ও প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়েছে।
আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত।

30/07/2018

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি হতে যে সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবেঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির১ম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ০২/১০/২০১৭ থেকে ১০/১০/২০১৭ তারিখের অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তির ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রেশন ফিসহ অন্যান্য কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।
• অনলাইন থেকে A4 অফসেট সাদা কাগজে কালার প্রিন্টকৃত মূল আবেদন ফর্ম ২ সেট।
• ২সেট প্রাথমিক আবেদনের প্রবেশপত্র ।
• পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৪টি এবং স্ট্যাম্প সাইজ ৪টি পেছনে নাম লিখে দিতে হবে (কলেজভেদে কম বেশি হতে পারে)।
• এসএসসি ও এইচএসসি এর সনদপত্র/প্রশংসা পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি ২ সেট ।
• এসএসসি ও এইচএসসি মূল নম্বরপত্রের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি ২ সেট ।
• এসএসসি ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি ২সেট ।
• টাকা জমার রশিদ।
• ভর্তি ফি কলেজ ভেদে ভিন্য হয়ে থাকে, তাই সংশ্লিষ্ট কলেজ থেকে জেনে নেওয়াই ভালো।.
উল্লেখ্য, সকল কাগজপত্র ২ কপি করে ২সেট বানাতে হবে, যার এক কপি বিভাগীয় সেমিনারে এবং এক কপি অফিসে জমা দিতে হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তি প্রক্রিয়ার ১ম মেধাতালিকায় বিষয়টি পছন্দ না হলে চাইলে বিষয় পরিবর্তনের (মাইগ্রেশন) জন্য আবেদন করতে পার। সে ক্ষেত্রে আবেদন ফরম পূরণ করার সময় মাইগ্রেশন অপশনটি yes করে দিবা।
বিঃদ্রঃ- যারা ১ম মেধা তালিকায় ভর্তির সুযোগ পাবে না। তারা পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা কর।

30/07/2018

প্রয়োজনে বাছের আলী 01725713159

HSC 2018
07/02/2018

HSC 2018

07/02/2018

ফিনল্যান্ডকে বলা হয় গ্লোবাল সুপার পাওয়ার ইন এডুকেশন। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাব্যাবস্থা কার বলেন তো?
সুপার পাওয়ার আমেরিকার
নাকি টক্কর দেয়া রাশিয়ার্।
মোটেই না। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ এডুকেশন সিস্টেম হলো ফিনল্যান্ড নামক ইউরোপের ছোট্ট এক দেশের্।
কেন ফিনল্যান্ডের শিক্ষাব্যাবস্থা কে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা ব্যাবস্থা বলা হয়?
ওরা কি আমাদের মত আই এম জিপিএ ফাইভ বেশী পায়। আজ্ঞে না।
ফিনিশ বাচ্চারা পড়ালেখা শুরু করার পরের ৬ বছর পর্যন্ত কোন পরীক্ষাই দেয়না। তাদের কে শুধুই শেখানো হয়না। এটাকে বলে এলিমেন্টারি স্কুলিং।
ফিনল্যান্ডে আসলে জাতীয় পরীক্ষা একটাই ১৬ বছর বয়সে দিতে হয়।
ফিনল্যান্ডে কোন ভাল স্কুল খারাপ স্কুল ভাল কলেজ খারাপ কলেজ নেই। যেমন আমাদের দেশে ভিকারুননিসা, হলিক্রস, মনিপুর,নটরডেম ,রাজউক ইত্যাদি এলিট স্কুল কলেজ আছে। আর গ্রামের বেশীরভাগ স্কুল কলেজ সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত ,ভাল শিক্ষকের অভাব। ল্যাবের কথা আর বললাম না।
ওয়েল ফিনল্যান্ড এডুকেশন ইকুয়ালিটিতে বিশ্বাস করে।
এই কারণেই গ্লোবাল এডুকেশন ইনডেক্সে ফিনল্যান্ডের কাছে আমেরিকাও সরম পায়।
ফিনল্যান্ডে শিক্ষকদের বেতন ইঞ্জিনিয়ার ,ডাক্তারদের সমমানের্।ওয়ান অফ দা হায়েস্ট পেইড প্রফেশন। ফিনল্যান্ড সরকার শিক্ষকদের এই পরিমাণ স্বাধীনতা দিয়েছে যে তাদের কে বোর্ড থেকে কোন সিলেবাস ধরে বেধে দেয়না। শিক্ষকরা মনের ইচ্ছামত ক্লাসে পড়াতে পারেন। প্রতিটা ক্লাসের মাঝখানে ১৫ মিনিট থাকে খেলার টাইম। প্রতিটা সায়েন্স ক্লাসে ছাত্র সর্বোচ্চ থাকে ১৬ জন এবং প্র্যাক্টিকাল করা বাধ্যতামূলক। থিউরি কপচানোর টাইম নাই।

ফিনল্যান্ড এডুকেশনের সুপারপাওয়ার হওয়ার পেছনে সবচাইতে বড় কারণ হইতেছে যেইডা সেইডা হইল, এডুকেশন ইকুয়ালিটি। মানে ফিনল্যান্ডে আমাদের দেশের মত ভাল ছাত্র খারাপ ছাত্র আমি এ প্লাস ও গুড ফর নাথিং এই টাইপ এলিটিস্ট বা অভিজাত শিক্ষা ব্যাবস্থা নেই।
ফিনল্যান্ডের যেকোন একটা ক্লাসরুমে কোন ফার্স্ট বয় সেকেন্ড বয় থাকেনা। কারণ ফিনল্যান্ড বিশ্বাস করে শিক্ষার মধ্যে প্রতিযোগিতা আনলে ছাত্রদের মন ছোট হয়ে যায়। তাই ফিনল্যান্ডে কেউ রেজাল্ট খারাপ করে মন খারাপ করেনা।
কারণ সেখানে সবাই ছাত্র। কেউ ভাল না কেউ খারাপ না।
আজ্ঞে এই কারণেই ফিনিশ ছাত্রদের মধ্যে সাকসেস রেশিওর পার্থক্য ওয়ার্ল্ডে সবচাইতে কম। মানে সবাই সাকসেসফুল হয় তারা। কারণ তারা শিক্ষাটা পায় ভয় বিহীন আনন্দের মাধ্যমে। এই সেক্টরে আমেরিকাও ওদের কাছে ফেইল। উফ শিট ফিনিশ ছাত্ররা কোন ছাত্র নাকি ওরা কি গোল্ডেন পাইছে লল।

আর আমাদের শিক্ষামন্ত্রী মাথা চাপড়ায়া বলেন " প্রশ্নফাস হয় নাই। "

কিছুদিন আগে ফেসবুকে পরিচিত এক আপুর মাধ্যমে আমেরিকান এক এলিমেন্টারি স্কুলের পেজে ঢুকলাম। বিশ্বাস করেন স্কুল দেখলে মনে হয় স্বর্গ। আনন্দের জায়গা। ওদের ছাত্রদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক। প্রতি সপ্তাহে একদিন বাচ্চারা সোশাল ওয়ার্ক করে। যেমন হাসপাতালে দুস্থ মানুষ কে দেখতে যাওয়া , গরীবদের সাহায্য করা ইত্যাদি। জীবে দয়া করে যেই জন এই ভাবসম্প্রসারণ পড়ার চাইতে একদিন সোশাল ওয়ার্ক করলে বাচ্চারা আরো বেশী সত, দেশপ্রেমিক ,সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
আমেরিকা কেন সুপারপাওয়ার? অস্ত্র দিয়া ,নাসা দিয়া। আজ্ঞে না। আমেরিকা সুপারপাওয়ার কারণ তারা তাদের দেশের বাচ্চাদের সেভাবেই গড়ে তুলছে। তাদের শিক্ষাব্যাবস্থাটাই এমন। ইনভেস্টমেন্টটা তারা সেখানেই করছে।
আর আমাদের দেশের শিক্ষাব্যাবস্থার কথা আর বললাম না। দেশ আগাইতেছে। গড়ে উঠছে সেতু,ফ্লাইওভার,আলোকিত হচ্ছে শহর্। বুঝতেসিনা আসল বাশ খাইতেছি শিক্ষাক্ষেত্রে আসল জায়গায়। ক্লাস টু থেকে শুরু করে মেডিকেল ভার্সিটি পর্যন্ত প্রশ্ন ফাস হচ্ছে। অবস্থা এমন এখন অভিভাবকরাও প্রশ্ন খুজে। এইভাবে মোরালি এথিকালি করাপ্টেড একটা জেনারেশন গড়ে তুলতেছি আমরা।
আজ থেকে বিশ বছর পরে বুঝবেন। যখন দেখবেন দেশ আধুনিক হইছে কিন্তু দেশে কোন বিজ্ঞানী নেই ,উদ্ভাবক নেই শুধু আছে লাখ লাখ এ প্লাস আর কোটি কোটি চাকুরিজীবী সেদিন বুঝবেন দেশের কত বড় ক্ষতি এই শিক্ষাব্যাবস্থা করছে।
এবার আসি কাতার নামক এক আরব দেশের শিক্ষাব্যাবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তনের গল্পে। ২০০০ এর শুরুর দিকে কাতারের আমির আব্দুল্লাহ বিন আল থালি বুঝতে পারলেন আল্লাহর দেয়া তেল আর গ্যাস দিয়া বেশীদিন চলব না। পশ্চিমা বিশ্বের সাথে টক্কর দিতে গেলে লাগব শিক্ষাব্যাবস্থার আমুল পরিবর্তন।
সেট করলেন ভিশন ২০৩০
২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বমানের শিক্ষাব্যাবস্থার লক্ষ। গঠন করলেন কাতার এডুকেশন কাউন্সিল। সেন্টার অফ রিসার্চ ইন এডুকেশন। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করে কাতারি স্কুলিং সিস্টেম কে পরিবর্তন করলেন। আনলেন পশ্চিমা বিশেষজ্ঞ। আয়োজন করলেন ওয়ার্ল্ড ইনোভেশন সামিট ফর এডুকেশন।
আমেরিকার নামকরা বিশ্বমানের ৮ টা ইউনিভার্সিটির সাথে পার্টনারশিপে গিয়ে তাদেরকে রাজি করালেন কাতারে তাদের ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য। টাকা কাতারি সরকার দেবে।
আর আজকে কাতার ওয়ার্ল্ড এডুকেশনের জগতে ওয়ান অফ দা হেভিওয়েট প্লেয়ার্।

আর আমাদের একজন অথর্ব শিক্ষামন্ত্রী আছেন। যে এখনো প্রশ্ন আউট হওয়াই ঠেকাতে পারে নাই। এডুকেশন সিস্টেমের রিফরমেশন করবে কি।
আমরা এখনো এ ফর এপল বি ফর বলে আইটকা আছি। রিসার্চ জিনিসটা আমাদের কাছে স্বপ্নের মত। আমাদের ছাত্ররা ভার্সিটিতে পড়ে শুধুমাত্র একটা ভাল চাকরির জন্য। বিজ্ঞানী ,উদ্ভাবক হওয়ার জন্য না।
যতদিন বিজ্ঞান কে আপন না করছি,যতদিন এই অতিপ্রতিযোগিতামূলক ছোটলোকি শিক্ষাব্যাবস্থার পরিবর্তন না করছি ততদিন পর্যন্ত এই দেশের সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট হবেনা। বিদেশ থেইকা ইঞ্জিনিয়ার আইনা সেতু বানাইলে সেইডারে ডেভেলপমেন্ট বলেনা। বিদেশে স্যাটেলাইট বানাইয়া আকাশে ছুড়লে সেইটারে উন্নতি বলেনা।
যেদিন এ দেশের ছেলে মেয়েরা এ দেশেই রিসার্চ করে দেশেই স্যাটেলাইট বানাবে সেদিন আমরা বুক ফুলাইয়া বলতে পারব যে আমরা কিছু একটা হইছি।
বিজ্ঞান কে আপন করেন ,দুনিয়া আপনার কথায় নাচবে।

মহীপুর হাজী মহসীন সরকারি কলেজ এর বেসরকারি কর্মচারিদের মানোবেতর জীবন যাপন ও সরকারি করনের লক্ষে মানববন্ধন।
07/02/2018

মহীপুর হাজী মহসীন সরকারি কলেজ এর বেসরকারি কর্মচারিদের মানোবেতর জীবন যাপন ও সরকারি করনের লক্ষে মানববন্ধন।

Address

Panchbibi
Joypurhat
PANCHBIBI,JOYPURHAT,BANGLADESH.

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohipur Hazi Mohsin Govt. College, Panchbibi, Joypurhat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category