বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Joypur
  • বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদ।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদ। স্বাধীন-প্রগতিশীল-বিপ্লবীধারার ছাত্?

29/07/2019

পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা চলাচলের অযোগ্য, সংস্কারের দাবি শিক্ষার্থীদের।

রিফাত আমিন রিয়নঃ জয়পুরহাট জেলা শহরে অবস্থিত পাঁচুরচক এলাকার পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা দীর্ঘদিন থেকে চলাচলের অযোগ্য হলেও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই।

বহু কষ্ট করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ­­ চলাচল করছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এছাড়াও স্কুলের সামনের বাড়ির ব্যবহৃত পানি এই একই রাস্তায় এসে পড়ে। ফলে সার্বক্ষণিক রাস্তায় পানি জমে থাকে এবং দূর্গন্ধ ছড়ায়।

তারা আরো বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তায় প্রচুর কাদা হয়ে যায়। চারিদিকের রাস্তা ভাল হলেও অজানা কারনে এই রাস্তাটি সংস্কার করা হয় না।

এদিকে ছাত্র ইউনিয়ন স্কুল কমিটির সভাপতি তানভির ইসলাম বলেন, আমাদের স্কুলে যাতায়াতের এই একটি মাত্র পথ। আর বর্ষার সময় বৃষ্টির পানির জন্য রাস্তা দিয়ে চলাচল করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর হয়ে পরে। আমরা ছাত্র ইউনিয়ন পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদ অতি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।

অত্র প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছাখাওয়াৎ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বরেন্দ্র বার্তাকে জানান, আপনেকে এই বিষয় নিয়ে কোন রিপোর্ট করতে হবে না।

অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কার কিংবা নতুন করে কার্পেটিং করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

11/07/2019

জয়পুরহাট প্রতিনিধি :বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। বর্তমান কমিটির .....

30/04/2019

মেহেদী হাসান নোবেলকে সভাপতি ও অনিক রায়কে সাধারণ সম্পাদক করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের ৪১ সদস্য ব....

30/04/2019

মেহেদী হাসান নোবেলকে সভাপতি ও অনিক রায়কে সাধারণ সম্পাদক করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের ৪১ সদস্য ....

30/04/2019

মেহেদী হাসান নোবেল'কে সভাপতি, অনিক রায়'কে সাধরণ সম্পাদক ও মনীষী রায়'কে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩৯ তম সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এর নতুন কমিটি গঠিত হয়।
নতুন কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ কে জানায় বিপ্লবী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

13/02/2019

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর যৌথ প্যানেল থেকে স....

30/01/2019

ব্রাজিলের পশ্চিম পারানার কৃষি গ্রামে
- লাকী আক্তার

ব্রাজিলের পশ্চিম পারানায় ‘ভূমিহীনদের গ্রামীণ আন্দোলন’-এর সূচনা হয় মূলত ১৯৮৪ সালের দিকে। পরবর্তীতে এই আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়ে ব্রাজিলের বিভিন্ন স্টেটে। এখনো বিভিন্ন স্টেটে এই আন্দোলন চলছে। ব্রাজিলের রাজনীতিতে উগ্র ডানপন্থি বলসানরো ক্ষমতায় আসার কারণে এই আন্দোলন হুমকির মধ্যে পড়েছে।
ক্ষমতায় এসেই বলসানরো ‘ভূমিহীন গ্রামীণ আন্দোলন’-এর কর্মীদের ওপর চড়াও হচ্ছেন, হত্যা করছেন। তবুও যেসব সেটেলমেন্ট বছরের পর বছর ধরে বিকল্প সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করার সাহস দেখিয়েছেন, তারা লড়ে যাচ্ছেন। ব্রাজিলের পশ্চিম পারানায় কৃষকদের সংগঠিত এবং সামষ্টিক ভিত্তিতে চাষাবাদ এবং চাষাবাদের বিকল্প পদ্ধতির মধ্য দিয়ে মূলত তারা বিকল্প কৃষি ভাবনার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। ২০১৮ সালের নভেম্বরের ৩ তারিখ, ব্রাজিলের সাওপাওলোর দূরবর্তী গ্রাম গুয়ারারেমার ৩৬ দিনের শিক্ষা গ্রহণের এক ফাঁকে, তিন দিনের একটা ঝটিকা সফরে পারানার ঐতিহ্যবাহী কৃষি সেটেলমেন্টগুলো দেখতে গিয়েছিলাম। এই সেটেলমেন্টগুলো ব্রাজিলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার জন্য ব্যবহার করে থাকে। এই সেটেলমেন্ট এবং কো-অপারেটিভের সঙ্গে ইউনিভার্সিটি অব পারানারও যৌথ অংশীদারিত্ব রয়েছে।
কৃষি সেটেলমেন্টগুলো মূলত কৃষিগ্রামের মতো। সামষ্টিক উৎপাদন এবং পরিকল্পিত বণ্টন পদ্ধতির মধ্য দিয়ে মূলত এই কৃষি সেটেলমেন্টগুলো পরিচালিত হয়ে থাকে। এই মডেলে কাজ শুরু করতে হয়েছে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।
পূর্বে মূলত সামন্তদের হাতে এই জমিগুলো ছিল। পরবর্তীতে ‘ভূমিহীনদের গ্রামীণ আন্দোলন’-এর তীব্রতায় সরকার বাধ্য হয়ে অনেক জমি ভূমিহীনদের হাতে তুলে দেয়। এর মধ্যেই এই আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ যারা সমাজতান্ত্রিক আদর্শের উত্তরসূরি তারাই মূলত সামষ্টিক উৎপাদন পদ্ধতির উৎপাদনের এই কাঠামো গড়ে তোলেন। মানুষের দৈনন্দিন জীবন এবং উৎপাদনকে সামাজিকভাবে সংগঠনের মাধ্যমে কীভাবে পরিচালনা করা যায় তার একটা চিত্র এখানে দেখে এলাম।
আমরা যে সেটেলমেন্টে গিয়েছিলাম এই সেটেলমেন্টের উৎপাদন এবং বণ্টন কো-অপারেটিভের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই কো-অপারেটিভ এর নাম হলো ‘টেরা লিভ্রে’ মানে ‘মুক্ত ভূমি’। কো-অপারেটিভগুলো চলে মূলত রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এই কো-অপারেটিভে নারী এবং পুরুষের অনুপাত প্রায় সমান সমান। কো-অপারেটিভের মাধ্যমে তারা তাদের উৎপাদিত পণ্যের দাম পাচ্ছেন তাদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্য দিয়ে। নারীরা অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে এখন অগ্রগামী। এ ছাড়া কো-অপারেটিভ ছাড়াও এখানে আলাদা নারী কো-অপারেটিভ রয়েছে। কৃষি উৎপাদন বাড়ার পেছনে রয়েছে এখানকার নারীদের ব্যাপক ভূমিকা। তাদের উৎপাদিত পণ্যের একটা বড় অংশই অর্গানিক এগ্রোইকোলজিক্যাল সিস্টেমের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়। এই সেটেলমেন্টের উৎপাদিত কীটনাশকমুক্ত খাবার সরবরাহ করা হয় মূলত স্কুলগুলোয়। উল্লেখ্য, ব্রাজিলের সরকারি স্কুলগুলোতে বাচ্চাদের জন্য মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্রাজিলে বামপন্থি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই সেটেলমেন্টের উৎপাদিত পণ্য এসব স্কুলে সরবরাহ করা হতো। কারণ হিসেবে বলা হয়, শিশুরা বিষমুক্ত খাবার গ্রহণ করলে, প্রজন্ম সুরক্ষিত থাকবে। তা ছাড়া যারা উৎপাদন করছেন তাদের বিক্রয় নিয়েও চিন্তা করতে হয় না। তারা শুধু উৎপাদন করেন এবং সেই কৃষি পণ্য তারা কো-অপারেটিভে পৌঁছে দেন। কো-অপারেটিভের দায়িত্ব হচ্ছে এই খাদ্য নির্দিষ্ট স্কুলে পৌঁছে দেওয়া। প্রতি সপ্তাহে তারা গড়ে ১০ টন শস্য উৎপাদন করেন, এই খাদ্য তারা পারানার ১২৪টি স্কুলে পৌঁছে দেন। তবে এর মধ্যে কিছু ব্যতিক্রমও রয়েছে। কিছু কিছু সেটেলমেন্টে অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয় না। তাদের এই কৃষি পণ্য চলে যায় স্থানীয় বাজারে। এই কো-অপারেটিভ ১০টি ভিত্তি গ্রুপের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়। এ ছাড়া এই কো-অপারেটিভ নিজস্ব পদ্ধতিতে জ্যাম-জেলি উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতও করে থাকে। যদিও গুণগত মান রক্ষায় এখনো কোনো শক্তিশালী ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করতে পারেনি।
পারানার পশ্চিম দিকের এই সেটেলমেন্টগুলোতে উৎপাদনের সঙ্গে ১৩০টি পরিবার জড়িত। বলা বাহুল্য বেশির ভাগ পরিবারই ২-৪ জনের পরিবার। প্রায় প্রত্যেক পরিবারের নামেই ১০-২০ একর জমি বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। এই সেটেলমেন্টের একটা পরিবারে গিয়েছিলাম । যারা প্রায় ২০ বছর ধরে এখানে আছে। বলা যায় মূলত সেটেলমেন্টের শুরুর দিকেই তারা এসেছেন এখানে। যখন তারা এখানে এসেছিলেন তখন তারা ছিলেন বয়সে তরুণ। তাদের নাম এন্থনিও এবং এন্থনিয়া। এদের যুগল জীবনের ৩৬ বছরের ২০ বছর তারা এখানেই অতিবাহিত করেছেন।
প্রথম থেকেই স্বামী-স্ত্রী মিলেই এই জমি চাষাবাদ করতেন। এখন তাদের পুত্রসন্তান তাদের সঙ্গে কাজ করেন। প্রথম দিকে এই ১০ একর জমির অনেকটাই ছিল অনাবাদি। তারা মূলত একটি সুপরিকল্পনা এবং অধিক শ্রমদানের মাধ্যমে এই জমিকে বাসযোগ্য করেছেন। এখন এটাকে একটা সুপরিকল্পিত খামার মনে হয়। তারা নিজেদের ঘরের আশপাশে নানান ধরনের ফুল এবং ফলগাছ লাগিয়েছেন। অর্গানিক এগ্রোইকোলজির ভিত্তিতে চাষাবাদ করছেন। এখানে একই সঙ্গে শিম (ব্রাজিলিয়ান কালো এবং সাদা), নানান সবজি, লেটুস, গাজর, মিষ্টিকুমড়া, ফল তারা চাষাবাদ করে থাকেন। খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে তারা তাদের দেশীয় বীজ এবং ফসলগুলোকেই বেছে নিয়েছেন।
এই সেটেলমেন্টগুলো দেখতে গিয়ে একটা বিষয়ের প্রতি আমার চোখ আটকে গেল, সেটা হলো সেটেলমেন্টের আশপাশে প্রচুর ইউক্যালিপটাস গাছের সারি। কীভাবে এগ্রোইকোলজির মধ্যে তারা ইউক্যালিপটাস রেখেছেন এটা নিয়ে আমার মধ্যে একটু বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলো। আমি ইউক্যালিপটাস গাছের ক্ষতিকারক দিকগুলোর কথা এন্থনিওকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন, আমাদের এখানেও এটা নিয়ে মত ভিন্নতা রয়েছে। আমরা মূলত এই গাছটি লাগিয়েছি কাঠের জন্য। এটা দ্রুত বর্ধনশীল গাছ। তবে আমরা এর ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য আশপাশে প্রচুর ফুল এবং ফলের গাছ লাগিয়েছি। তখন আমি তাদের বললাম দ্রুত বর্ধনশীল আরও অন্য জাতের গাছ লাগানোর বিষয় নিয়ে তারা ভাবতে পারেন। বিকালে তাদের ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রের সঙ্গে আলাপচারিতায় বুঝতে পারলাম, তাদের মধ্যেও এ বিষয় নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। এই বড় খামারগুলো মূলত বড় বৃক্ষবিহীন খামার। এখানে পানির সংকট রয়েছে। তবে পানির সরবরাহের জন্য তারা নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তারা একটি গভীর কুয়া খনন করেছেন। এ ছাড়া বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থাও করেছেন। এন্থনিওদের খামারে কৃষিশস্য উৎপাদনের পাশাপাশি তারা গরু, ছাগল, শূকরও পালন করেন। এদের বিষ্ঠা দিয়ে সার উৎপাদন করে সেগুলো আবার ফসলের খেতে প্রয়োগ করেন। তারা সবাই নিজস্ব জাতের বীজ উৎপাদন করেন এবং সংগ্রহ করে থাকেন। আমরা তাদের সংরক্ষিত বীজগুলো হাতে নিয়ে দেখলাম। তারা মনে করেন নিজস্ব জাতের বীজ সংরক্ষণ একটা ঐতিহাসিক রাজনৈতিক লড়াই। এটি করপোরেট বীজ কোম্পানিগুলোর আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই। এ ছাড়া এই সমবায়ের তত্ত্বাবধানে স্কুল, কলেজ, হাসপাতালও রয়েছে। এ ছাড়া গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশের জন্য এখানে একটি আর্ট সেন্টারও রয়েছে এবং এসব কিছুই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে, সংহতি এবং কমিউন ধারণার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়ে থাকে। এখানকার কৃষি উৎপাদনের যন্ত্রপাতিও সবাই সম্মিলিতভাবে ব্যবহার করে থাকেন।
এই কো-অপারেটিভের সদস্যদের নিয়মিত রাজনৈতিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তারা মনে করেন এটি শুধু বিকল্প উৎপাদনের এবং বণ্টনের সংগ্রাম নয়, এটি বিকল্প রাজনৈতিক দর্শনের বাস্তব প্রয়োগের দৈনন্দিন লড়াই। দেখতে দেখতেই ভাবছিলাম আমাদের দেশের হতভাগা কৃষকদের কথা। যারা উৎপাদন করেন কিন্তু লাভজনক দাম তো দূরে থাক, তারা ন্যায্যমূল্যও পান না। এমনকি শুধু ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ার দরুন কৃষি ক্ষেত্রে আগ্রহ হারিয়ে বিকল্প পেশার দিকে ঝুঁকছেন কৃষক। পুরো কৃষি ব্যবস্থার বণ্টন, বিপণন লুটেরা সিন্ডিকেটের হাতে বন্দী। কৃষকের মুক্তির জন্য ভূমি সংস্কার করে উৎপাদন, বণ্টন এবং বাজারে সরাসরি কৃষকের অংশগ্রহণ ছাড়া ভিন্ন কোনো উপায় নেই। এ জন্য জোরদার রাজনৈতিক লড়াই করতে হবে। ব্রাজিলের পারানার সেটেলমেন্টের কৃষকদের ফসলের মাঠে রাজনৈতিক লড়াই আমাদের আশাবাদী করে।

পাঁচুরচকে ছাত্র ইউনিয়নের কমিটি গঠন; আহবায়ক কবির, যুগ্ম-আহবায়ক সামিরা।জয়পুরহাট প্রতিনিধি ::সকল শিক্ষার্থীর জন্য বৈষম্যহীন...
15/11/2018

পাঁচুরচকে ছাত্র ইউনিয়নের কমিটি গঠন; আহবায়ক কবির, যুগ্ম-আহবায়ক সামিরা।

জয়পুরহাট প্রতিনিধি ::

সকল শিক্ষার্থীর জন্য বৈষম্যহীন বিজ্ঞানভিত্তিক গণমুখী ও একই ধারার শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভাষা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ থেকে অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা নিয়ে জন্ম নেয় ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন’ ( Bangladesh Students’ Union) ।

আজ (১৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র কবির হোসেন কে আহবায়ক, নবম শ্রেণীর ছাত্রী তানজিলা আক্তার সামিরা ও সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র রোমান মণ্ডল কে যুগ্ম-আহবায়ক এবং ষষ্ঠ শ্রেণীর হাসিবুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্যের কমিটি প্রকাশ করা হয়। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন; রিফাত, মুনির, রোজ, জয়ী, সুরমা, প্রীতি, সাফাহিত রাব্বি রোহান, শাহাদাত, জীম, ফাহিম, সিয়াম ও তুলি।

বিদ্যালয় কমিটি গঠনের পরে শপথ বাক্য পাঠ করান জেলা ছাত্র ইউনিয়নের যুগ্ম-আহবায়ক ও পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদের প্রাক্তন আহবায়ক রেজুয়ান আহমেদ।
জেলা ছাত্র ইউনিয়নের আহবায়ক রিফাত আমিন রিয়ন বলেন, বিদ্যালয়ের এই কমিটির মেয়াদ আগামী ফ্রব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত থাকবে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যালয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে।

এছাড়াও বিদ্যালয় কমিটি গঠনের সময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা ছাত্র ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ তাসরিন সুলতানা, জেলা সদস্য নাদিম হোসেন, রাশেদ হোসেন, পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদের প্রাক্তন যুগ্ম-আহবায়ক মেহেদুল ইসলাম প্রমুখ।

সকল শিক্ষার্থীর জন্য বৈষম্যহীন বিজ্ঞানভিত্তিক গণমুখী ও একই ধারার শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভাষা আন্দোলন.....

15/11/2018

গল্প নয় সত্যি
জগৎজ্যোতি দাস
জগৎজ্যোতি দাস, অন্যবানানে জগতজ্যোতি দাস (জন্ম: ২৬ এপ্রিল, ১৯৪৯ - মৃত্যুঃ ১৬ নভেম্বর, ১৯৭১) একজন বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভাটি বাংলার গেরিলা বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন এবং তার অবদানের জন্য পরবর্তীকালে বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম উপাধিতে ভূষিত করেন।
জন্ম এবং শিক্ষাজীবন
হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা গ্রামের জীতেন্দ্র দাসের কনিষ্ঠ পুত্র জগৎজ্যোতি। শৈশব থেকে জ্যোতি শান্ত স্বভাবে হলেও ছিলেন প্রতিবাদী, জেদি, মেধাবী ও সাহসী । স্কুল জীবনেই জগৎজ্যোতি আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৬৮ সালে ম্যাট্রিক পাস করার পর সুনামগঞ্জ কলেজে ভর্তি হয়ে ছাত্র ইউনিয়নে (মেনন গ্রুপ) যোগ দেন এবং তেজোদীপ্ত, বিপ্লবী ও স্পষ্টভাষী ছাত্র নেতা হিসেবে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন । ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে বিশেষ দায়িত্ব পালনে ভারতের গৌহাটির নওপং কলেজে ভর্তি হন। সেখানে অবস্থানকালে অনেকগুলো অঞ্চলের ভাষা আয়ত্ত করেন এবং ধীরে ধীরে নকশালপন্থীদের সঙ্গে জড়িত হন। এখানে অস্ত্র গোলাবারুদ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিয়ে আবার দেশে ফিরে আসেন।
স্বাধীনতা যুদ্ধ যোগদান
’৭১ সাল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হামলা ও হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে রূখে দাড়ানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেন জগৎজ্যোতি। যোগ দেন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ইকো-১ ট্রেনিং ক্যাম্পে। বাংলার ভাটি অঞ্চলের সুনামগঞ্জ-কিশোরগঞ্জ-নেত্রকোনা এবং হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চল নিয়ে গঠিত হয় মুক্তিযুদ্ধের ৭ নং সেক্টর। এ সেক্টরের কমান্ডারের দায়্ত্বি পান তৎকালীন মেজর শওকত আলী। ৫ নং সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এর মধ্যে টেকেরঘাট সাব-সেক্টরের দায়িত্ব প্রাপ্ত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের অধীনে প্রথমত জগৎজ্যোতি বিভিন্ন আক্রমণে অংশগ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে প্রশিক্ষিত চৌকস যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয় গেরিলা দল, যার নাম দেওয়া হয় ফায়ারিং স্কোয়াড ‘দাস পার্টি’। জগৎজ্যোতির শেষ যুদ্ধের অন্যতম সাথী আবদুল কাইয়ুমের বয়ানে জানা যায়, দাস পার্টি নামটি জনগনের দেওয়া নাম নয়, দাস পার্টির অফিসিয়াল দলিল ছিল এবং পার্টি কমান্ডার হিসেবে জগৎজ্যোতি স্বীকৃতি পেয়েছিলেন[২]।
কয়েকটি সফল অপারেশন
জগৎজ্যোতি ইংরেজি, হিন্দি, গৌহাটির আঞ্চলিক ভাষায় পারদর্শী হওয়ার সুবাদে ভারতীয় মিত্র বাহিনীর সঙ্গে তার যোগাযোগ সহজতর হয় । এর ফলে দাস পার্টির জন্য ভারতীয় মিত্র বাহিনীর জগৎজ্যোতি আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহে সমর্থ হন । দাস পার্টির উল্লেখযোগ্য একটি অপারেশন ছিল পাকবাহিনীর বার্জ আক্রমণ । ’৭১-এর ১৬ অক্টোবর পাকবাহিনীর সেই বার্জটিতে আক্রমণ চালিয়ে বার্জটি নিমজ্জিত করে। দাস বাহিনীর গেরিলা অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তানী শত্রু ঘাঁটি ধ্বংস শুরু করে। পরবর্তীতে পাহাড়পুর অপারেশন, বানিয়াচংয়ে কার্গো বিধ্বস্ত করা, বানিয়াচং থানা অপারেশনসহ বেশ ক’টি ছোট বড় অপারেশন দাস পার্টির যোদ্ধারা সফল ভাবে সম্পন্ন করে।
বদলপুর অপারেশন
বদলপুর অপারেশন ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি একটি বিশাল সাফল্য। জগৎজ্যোতির সঙ্গে ছিল বানিয়াচংয়ের মোহাম্মদ আলী মমিন, আমির হোসেন, খালেক মাস্টার, হায়দারুজ্জামান খান ধন মিয়া, আজমিরীগঞ্জের রাশিদুল হাসান চৌধুরী কাজল, মতিউর রহমান, নিত্যানন্দ দাস, ইলিয়াছ চৌধুরী, আঃ রশীদ, নিপেন্দ্র দাশ, ছাতকের আয়ুব আলী, আঃ মজিদ ও দিরাই উপজেলার আহবাব হোসেন এবং নীলু। জগৎজ্যোতির দল আজিমিরীগঞ্জ, মারকুলি, গুঙ্গিয়ারগাঁও প্রভৃতি অঞ্চলে শত্রু ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। বদলপুরে শত্রুসেনারা দাস পার্টির প্রতিরোধের মুখে পাকসেনারা শক্তি বৃদ্ধি করতে বাধ্য হয়। গুলি ছোড়ার জন্য হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয়। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জগৎজ্যোতি র পাশে ছিল ইলিয়াস নামে আরেকজন মুক্তিযোদ্ধা।
সম্মুখযুদ্ধ এবং মৃত্যুবরণ
পাক ক্যাম্প থেকে মাত্র ২০০ গজ দুরে রাজাকার/পাক সেনাদের আক্রমণে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে দাস পার্টি। রণাঙ্গণে পরিস্হিতির ভয়াবহ চিন্তা করে এক পর্যায়ে জ্যোতি তার দলকে ফিরে যাবার নির্দেশ দিয়ে একটি মাত্র এলএমজি নিয়ে নিজে একাই যুদ্ধ চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেন । এজন্য জ্যোতি সহযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মমিনকে নির্দেশ দেন যাতে অন্যরা তাদের জীবন বাঁচিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যায় । এরপর দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকেন মাত্র দুইজন, জ্যোতি ও ইলিয়াছ। সুস্থির এবং দৃঢ় মনোবলের সঙ্গে তারা যুদ্ধ করতে থাকে একটানা কিন্তু হঠাৎ ইলিছাস পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হন। জ্যোতি পিছু না হটে তার মাথার লাল পাগড়ি খুলে শক্ত করে ইলিয়াসের বুকে‌ এবং পিঠে বেঁধে দেয়, যাতে তার রক্তক্ষরণ থেকে যায়। ইলিয়াছ সেই অবস্থায় মেশিনগান নিয়ে ক্রমাগত গুলি ছুড়তে থাকে পাক হানাদারদের ওপর। যুদ্ধের এক পর্যায়ে ম্যাগজিন লোড করে শত্রুর অবস্থান দেখতে মাথা উঁচু করতে মুহুর্তে ১টি গুলি জগৎজ্যোতির চোখে বিদ্ধ করে। মেশিনগান হাতে উপুড় হয়ে পাশের বিলের পানিতে নিশ্চল হয়ে ঢলে পড়েন জ্যোতি । পাকবাহিনীর সহযোগী রাজাকারেরা রাতে জ্যোতির লাশ খুজে পেয়ে পাকবাহিনীকে খবর দেয় এবং জ্যোতির মৃতদেহটি আজমিরীগঞ্জ বাজারে নিয়ে যায়। রাজাকাররা জ্যোতি হত্যার ঘটনা ছড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য জ্যোতির অর্ধমৃত দেহ কে আজমিরীগঞ্জ গরুর হাটে একটি খুঁটির সঙ্গে ঝুলিয়ে পেরেক মেরে জনসমক্ষে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। হাফপ্যান্ট ও গেঞ্জি পরা জ্যোতির নিথর দেহটি কোন সৎকার ছাড়া ঝুলে থাকে । এক সময় জ্যোতির দেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয় কুশিয়ারা নদীতে। জগৎজ্যোতির বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কাহিনী সিলেটের সেই অঞ্চলের মানুষের কাছে এখনে মুখে মুখে ফেরে।
সম্মাননা
সর্বোচ্চ খেতাবের ঘোষণা
যুদ্ধ ক্ষেত্রে জ্যোতির শহীদ হবার সংবাদ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র, অল ইন্ডিয়া রেডিওসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়। সেই সাথে তার বীরত্বগাঁথা তুলে ধরা হয় বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে। অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার তাকে সর্বোচ্চ মরণোত্তর পদক প্রদানের ঘোষণা করেন। প্রথম ব্যক্তি হিসেবে জগৎজ্যোতিকে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক প্রদানের ঘোষণা সে সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়। এই ঘোষণায় অনেক মুক্তিযোদ্ধাই উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন, সাধুবাদ জানিয়েছিলেন সরকারকে।
বীর বিক্রম উপাধি
১৯৭২ সালে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয় তাকে।
সাহিত্যে
কমিউনিস্ট কর্মী ও লেখিকা অঞ্জলি লাহিড়ী জগৎজ্যোতি দাসকে নিয়ে জগৎজ্যোতি উপন্যাসটি লেখেন যা ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সাহিত্য প্রকাশ থেকে বের হয়। লেখিকা অঞ্জলির শিলঙের বাড়িতে জগৎ জ্যোতি ও অন্যান্য মুক্তি যোদ্ধারা আশ্রয় পেয়েছেন এর আগে। তাজুল মহম্মদ তার সিলেটের যুদ্ধকথা বইতে দাস পার্টির অভিযানের কথা বর্ননা করেছেন। হবিগঞ্জের নাট্য কর্মী রুমা মোদক তাকে নিয়ে মঞ্চনাটক নির্মাণ করেন, যা ঢাকা, সিলেটে বহুবার প্রদর্শিত হয়[

Address

Panchurchak
Joypur
5900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদ। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয় সংসদ।:

Share