31/05/2026
সূদীর্ঘ বছর ধরে একটা অবহেলিত এলাকার নাম মেঠো পুকুর পাড় এলাকা যেটা যশোর সদর ১ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত।যখন যারাই ক্ষমতাই থাকে তখন তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় সরকারী পুকুরের লিস।পুকুরে মাছ চাষ করে মাস্তি করে টাকা ইনকাম করে একটি পক্ষ আর পুকুর পাড় এলাকার মানুষগুলোর দূবিষহ জীবন যাপন করে চলছে বছরের পর বছর ধরে তার দিকে বিন্দুমাত্র লক্ষ্যপাতও নাই।
ভিটেহীন বহু দরিদ্র পরিবারের শেষ আশ্রয় সরকারী জমি এই পুকুরপাড়ের পাশে।
নেই চলাচলের উপযুক্ত রাস্তা।কেও একজন মারা গেলে তার লাশ যে নিয়া যাবে মসজিদের বারান্দায় সেই রাস্তাও নাই।নেই কোন পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্হা।এই এলাকার আশেপাশে শুধু যে বাস্তুহারা মানুষ বসবাস করে তা কিন্তু নই।জমি কিনে স্হায়ী ভাবেও বসবাস করছে বহু সংখ্যাক জনগন।যাদের অধিকাংশ শিক্ষীত।ধর্মকর্ম করতে যে মুসুল্লিরা মসজিদ পানে হেটে যাবে তারও উপাই নাই বেহাল রাস্তার কারণে।
ভোটের সময় আসলে এদের চাহিদা বেড়ে যায় শুধুমাত্র ভোটের জন্য। ভোট শেষ তো তাদের চাহিদাও শেষ।
এলাকার জণগণ সবাই মিলে অসংখ্যবার পৌরসভার কাছে রাস্তা সংস্কারের জন্য লিখিত আবেদন করলেও ফাইল আর উপরে উঠে না।পাশও হয় না।
যারাই আসে দেখেটেখে বলে যায় মাথাই আছে।
যশোর পৌরসভা প্রথম ওয়ার্ড ১ নং ওয়ার্ড কিন্তু উন্নয়নের দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত এই ওয়ার্ড।
১ নং ওয়ার্ডে অসংখ্য রাস্তা এখনও কাচা মাটির।বহু ড্রেনের ব্যবস্হা নাই।রাতে রাস্তার খাম্বাই লাইট নাই।পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের বড্ড অভাব।সরকারি কোন পার্ক নাই কিন্তু অনেক খাস জমি অবহেলাই পরে আছে।নেই কোন খেলার মাঠ।একটি মাত্র কবরস্থান যেটা অপর্যাপ্ত ১ নং ওয়ার্ড বাসীর জন্য। কিন্তু আমরা মাস শেষে ঠিকই পৌর কর,বাড়ীর ট্যাক্স,জমির ট্যাক্স,ময়লা ফেলার বিল,রাস্তা পরিস্কার করবার বিল, ভ্যাটসহ প্রতিনিয়ত দিয়েই চলছি।কিন্তু যে সুবিধাগুলো নাগরিক হিসেবে আমার আপনার পৌরসভা কতৃক পাবার কথা সেগুলো দিনের পর দিন বঞ্চিত হচ্ছি।
জবাবদিহিতা নাই।
জবাবদিহিতার বড্ড প্রয়োজন দায়িত্বশীলদের।
যারা পূর্বে কাউন্সিলর ছিলো এই ওয়ার্ডের তাদের কাজের ফাইলগুলো টেনে তুলে আনতে হবে সামনে।তাহলে বের হয়ে যাবে থলের সব খবরাখবর।
ইঞ্জিনিয়ার আরিফুজ্জামান