07/03/2026
শহিদ ইমাম আয়াতুল্লাহ খোমেনী ছিলেন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের জন্য এক শ্রেষ্ঠ সন্তান। তিনি পশ্চিমা ও ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরূদ্ধে ছিলেন শুধু একটি নামই না বরং একটি কঠোর অবস্থান। যখন আরবরা তাদের পূর্ব পুরুষের গৌরব ভুলে তাদের মাথা নত করেছিলো তখন তার অবস্থান ছিল পরিষ্কার। তিনি আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তিনি ছিলেন এক অটল দেয়াল, ঝড় এলে নত হননি, হুমকি এলে পিছিয়ে যাননি। যখন চারদিক থেকে চাপ বেড়েছে, তিনি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন। যখন ভয় দেখানো হয়েছে, তিনি দৃঢ়তার ভাষায় উত্তর দিয়েছেন। তিনি শুধু কন্ঠে নয় তিনি উত্তর দিয়েছিলেন কঠোর পদক্ষেপে। যখন আরব ও বিশ্ব শক্তির অনেকেই নিজেদের স্বার্থে দখলদার শক্তির সঙ্গে আপোষের পথ বেছে নিয়েছিল । নৈরাজ্য ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে তিনি দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন অটল কণ্ঠে, আপোষহীন ভাষায়, শক্ত ভূরাজনৈতিক ও নৈতিক পদক্ষেপে । তিনি নিজেকে তুলে ধরেছিলেন এক প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে, যেখানে নীতি ছিল স্বার্থের ঊর্ধ্বে, আর অবস্থান ছিল চাপের কাছে নত না হওয়ার ঘোষণা।
তিনি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের এক ধারক ও বাহক, শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নয়, বরং একটি আদর্শের। তাঁর কণ্ঠে অনেকেই সাহস খুঁজে পেয়েছে, তাঁর অবস্থানে অনেকেই আশ্রয় পেয়েছে।
বীরেরা কখনও নিছক বিদায় নেয় না।
তারা ইতিহাসে রক্তিম স্বাক্ষর রেখে যায়,
তারা হৃদয়ে এক নতুন শপথ জাগিয়ে তোলে।
আজ যদি তাঁর শারীরিক উপস্থিতি না-ও থাকে, তাঁর আদর্শ বেঁচে থাকবে অগণিত মানুষের বিশ্বাসে। তাঁর নাম উচ্চারিত হবে প্রতিরোধের ভাষায়, দৃঢ়তার প্রতীকে, অবিচল সাহসের গল্পে।
কারণ কিছু মানুষ চলে যান না, তারা রূপ নেন প্রতিজ্ঞায়।
তারা হয়ে ওঠেন এক নতুন সূচনা।
আমরা আপনাকে বিদায় দিচ্ছি না, আমরা প্রতিরোধের শপথ নিচ্ছি।