18/11/2025
শেষ হাসিনার চ্যাপ্টার ক্লোজড!
লজ্জা থাকলে আজকের পর থেকে "শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে" স্লোগানটা দিয়েন না।
হাসিনা আসবে না, এমনকি হাসিনার লাশটাও এদেশে জায়গা পাবে না বাস্তব সত্যটা যতো দ্রুত মাইনা নিতে পারবেন ততই মঙ্গল।
পৃথিবীর ইতিহাসে কোন পালাত সরকার দেশে ফিরতে পারে নাই।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত খুনী হাসিনা ফেরার প্রশ্নই আসে না।
মৃত্যুদণ্ডের রায় কতোটা স্বচ্ছ হলে হাসিনার নিযুক্ত করা আইনজীবী হাসির সাথে মেনে নেয়,ভাবা যায়!
কষ্ট লাগলো ,প্রকৃত অর্থে হাসিনারে লীগের কেউ ভালোবাসে নাই।
২০১৩ সালে যেদিন সাঈদীর ফাঁসির রায় হলো ,তাৎক্ষণিক সাঈদীর সমর্থকরা প্রতিবাদ করলো।
১৬৮ জন নেতাকর্মী মারাও গেলো।
কিন্তু হাসিনার ফাঁসির রায়ে লীগের একটা কর্মীও কি মাঠে নামছে?
গুলিবিদ্ধ হইছে?
নামে নাই, হয় নাই, হবেও না কারণ কর্মীরা ক্ষমতার লোভে জাস্ট মুখে মুখে ভালোবাসতো!
আরেকটা জিনিস অবাক হইলামার "যাদের রাজাকার বলে ফাঁসি দেয়া হইলো, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের কেউ পাকিস্তানে পালাইলো না।
কিন্তু যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করতো, তারা সবাই বিচারের ভয়ে ভারত কিংবা ইউরোপে পালিয়ে গেলো।
থাকগে! প্রজম্ম ঠিক বুঝে নিবে এদেশটারে মূলত কারা ধারণ করে।
কষ্ট লাগে হাসিনা তার বাবার থেকে শিক্ষা নেয় নাই!
ক্ষমতার লোভ মানুষকে ধ্বংস করছে নিজেও ধ্বংস হইছে।
পৃথিবীর ইতিহাসে নিঃসন্দেহে ৭১ এর মহা নায়ক ছিলো শেখ মুজিব!
আমার নানা বলছে, ৭১ মুজিবের জন্য মানুষ নফল রোজাও রাখছে।
কিন্তু স্বাধীনতার পর হয়ে উঠলো ক্ষমতালোভী দানব!
ঠিক একই মুজিবের মৃত্যুর পর গ্রামেও নাকি মিষ্টি বিতরণ হইছে! লাশটা পর্যন্ত রিসিভ করার কোন নেতাকর্মী ছিলো না ঘটনা সত্য!
আজকেও হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে পুরো দেশ মিষ্টি বিতরণ করছে। রায়ের বিরুদ্ধে কেউ মরবে তো দূরে থাক প্রতিবাদটুকু করবে না।
প্রতিবাদ করছে ,গালি দিচ্ছে ফেসবুকে! এসব নুতু ভুতু দিয়া কোন বা*লডাও হবে না।
অথচ সৎসাহস নিয়া একটা মানুষ আদলতের সামনে দাড়াইলো না!
তবে আজকের রায়টা রাজনৈতিক নেতাদের জন্য বড় শিক্ষা,ইতিহাস থেকে যারা শিক্ষা নিতে জানে না তারাও কালের বিবর্তনে হারিয়ে যায়।
সাধুরা সাবধান, ক্ষমতালোভীরা সাবধান!
এদেশের স্মার্ট ,মেধাবী, বিবেকবান, সাহসী প্রজম্মের সাথে ১৯ শতকের রাজনীতি কিংবা হাসিনার ফরমুলার রাজনীতি ভুলেও করতে যায়েন না!