ফেনী পৌর ছাত্রলীগ

ফেনী পৌর ছাত্রলীগ মুক্ত করো ভয়,
দুরূহ কাজে নিজেরি দিয়ো কঠিন পরিচয়

২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত একটানা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী কে ছিলো জানেন?—বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।তিনি প...
26/08/2026

২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত একটানা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী কে ছিলো জানেন?
—বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি প্রধানমন্ত্রীত্বর বাইরে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন, যার মধ্যে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় একটি। আমি এখানে আজ ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে’ নিয়ে আলোচনা করবোনা, আলোচনা করবো ‘বিদ্যুৎমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে’ নিয়ে।

বিদ্যুৎমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঐ দেড় দশকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো দেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা। ‘খাম্বা যুগ’ থেকে আমরা প্রবেশ করেছিলাম শতভাগ বিদ্যুতের যুগে। ২০০৯ সালে যে সক্ষমতা ছিলো ৫ হাজার মেগাওয়াট, সেই বিদ্যুতের সক্ষমতা ২০২৪ সালে এসে পৌঁছেছিলো ৩০ হাজার মেগাওয়াটে। এমনকি ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছিলো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই অগ্রগতিও থমকে দিয়েছে এক ‘প্রতারণার জুলাই’।

বিদ্যুৎ মন্ত্রী হিশেবে দেশরত্ন শেখ হাসিনার সবথেকে বড়ো ও অভাবনীয় কাজ ছিলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে গেলে এর মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা হবে ২,৪০০ মেগাওয়াট। যা দিয়ে দেশের প্রায় ১৫ মিলিয়ন পরিবার অথবা বাসাবাড়িতে সেবা দেওয়া সম্ভব, দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১২% একাই পূরণ করতে সক্ষম হবে।

গ্রামের যে ঘরে একসময় সন্ধ্যার পর কেরোসিনের বাতি জ্বলত— সেখানে বিদ্যুৎ গেছে।
কৃষকের সেচে বিদ্যুৎ গেছে।
স্কুলে বিদ্যুৎ গেছে।
হাসপাতালে বিদ্যুৎ গেছে।
কারখানায় বিদ্যুৎ গেছে।
ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যুৎ গেছে।
এটাই উন্নয়নের সবচেয়ে মৌলিক অবকাঠামো।

জননেত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ নীতির আরেকটি বড়ো দিক ছিল ভবিষ্যৎ চাহিদাকে সামনে রেখে ক্যাপাসিটি তৈরি করা।
গ্যাসের পাশাপাশি কয়লা, LNG, লিকুইড ফুয়েল, ভারত থেকে বিদ্যুৎ, রাশিয়া থেকে পারমাণবিক শক্তি এবং renewable energy... বিভিন্ন উৎসকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় যুক্ত করার চেষ্টা করেছেন।

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুধু বিদ্যুৎ কেনা ছিলো না!এটি ছিলো দক্ষিণ এশিয়ার রিজিয়োনাল পাওয়ার কো-অপারেশনের দুয়ার খোলা। অথচ সেই ভারতকে জড়িয়ে কম অপপ্রচারটা চালায়নি এখনকার ক্ষমতাসীনরা!

‘আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা দুরদর্শি ছিলেন’- এ কথা মুখে বলার থেকে কাজগুলো দেখলেই বুঝাতে বেশি সুবিধা হয়। ক্রাইসিস এলে তিনি কীভাবে-কোন উপায়ে যেন সব ম্যানেজ করে নিতেন। অথচ এখন? খাম্বা যুগের শাসকরা আমাদেরকে ‘টেইক ব্যাক বাংলাদেশ’ স্লোগান শুনিয়ে ফের নিয়ে গিয়েছে সেই খাম্বা যুগে। এখন আপনার বাড়ির পাশে খাম্বা আছে ঠিকই, কিন্তু বিদ্যুৎ নেই। ঢাকা শহরের যেসব অঞ্চলে গত এক দশকে মানুষ লোডশেডিং দেখে নাই, তারাও গত কদিনে দেখে ফেলেছে। ফের অনেকগুলো কলকারখানা বন্ধ হতে শুরু করেছে।

সবথেকে বাজে অবস্থা গ্রামগুলোতে, এখানে বেশিরভাগই পল্লীবিদ্যুতের সংযোগ। দেশের ৬১ জেলায় সেবাপ্রদানকারী পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ডের হেড অফিসের কল সেন্টারে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম, আমি কাজ করেছিলাম গতবছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৫ মাস। মানুষের কী পরিমাণ ভোগান্তি, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত অভিযোগ দৈনিক কত আসে, এবং বিদ্যুতের ভবিষ্যৎ কোন দিকে গড়াচ্ছে-সেসবের মোটামুটি ভালো একটা ধারণা ও অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। অবাক করার ব্যাপার, যেখানে পুলিশ নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, সেখানে দেখলাম পল্লীবিদ্যুতের কর্মচারীরা পুলিশের কাছে চাইছে নিরাপত্তা। অবস্থা কতটা ভয়াবহ তাহলে বুঝুন!

দেশ চালাতে দক্ষতা লাগে, যোগ্যতা লাগে, এবং বিশেষকিছু ঐশ্বরিক ক্ষমতাও থাকা লাগে, কেননা নেতৃত্ব সবার জন্য না। আপনি শেখ হাসিনার মধ্যে সেইসব গুণাবলির কোনটা ঘাটতি ছিলো আমাকে দেখাতে পারবেন? হ্যাঁ, সমালোচনা ছিলো, ত্রুটি ছিলো। কিন্তু জনভোগান্তি ঠিক কবে এমন চরমে দেখেছিলেন বলুন তো? মানুষ যথেষ্ট স্বস্তিতে ছিলো।

তর্কের খাতিরে কেউ-কেউ বলবেন, লোডশেডিং তো আগেও হতো! তা মশাই, আগে হয়ে থাকলে এখনো হবে কেন? প্রতারণামূলক আন্দোলন করে আপনারা সরকার ফেলে দিলেন, আনলেন পছন্দের লোককে, বললেন দেশ বানাবেন ইউরোপ-আম্রিকা— তাহলে আমরা এখনো আগের তুলনা সহ্য করবো কোন যুক্তিতে? বরং আগে তো এত বিপর্যয় ছিলোনা।

একটি সত্য অস্বীকার করা কঠিন, ২০০৯ সালের বিদ্যুৎ-সংকটের বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালের প্রায় সর্বজনীন বিদ্যুতায়নের বাংলাদেশে যাত্রাটি ছোটো কোনো পরিবর্তন নয়। এটি একটি রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোগত রূপান্তর। আর সেই রূপান্তরের রাজনৈতিক স্থপতিদের তালিকায় শেখ হাসিনার নাম থাকবেই।

ইতিহাস তাঁকে কীভাবে বিচার করবে তা সময় বলবে।
কিন্তু বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের ২০০৯–২০২৪ অধ্যায়কে উপেক্ষা করে সেই ইতিহাস লেখা যাবে না।

25/08/2026

'মেঘ-রোদ্দুরে ঘুরে-ঘুরে পৌঁছে যাব ঠিকানায়!'

একটা পরিবারের ৪ জনকে পালাক্রমে হ/*ত্যা করা হলো, অথচ আশেপাশের কেউই টের পেলোনা! এটাই সবথেকে রহস্যজনক। টেলিভিশনে একটা প্রতি...
23/08/2026

একটা পরিবারের ৪ জনকে পালাক্রমে হ/*ত্যা করা হলো, অথচ আশেপাশের কেউই টের পেলোনা! এটাই সবথেকে রহস্যজনক।

টেলিভিশনে একটা প্রতিবেদন দেখলাম, এক সাংবাদিক ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে বলছেন— “একেবারেই ঘনবসতি এলাকা, যেখানে একটা চিল্লানি দিলে আশেপাশের ৫০টা বাড়িতে শুনতে পাওয়ার কথা।”

এবার আসুন পুলিশের বক্তব্যে।
পুলিশ বলছে, ই*য়া*বা খাওয়ার সময় দেখে ফেলায় বাড়ির মালিক গণপতি চক্রবর্তীকে ছাদে হ/*ত্যা করা হয়। সেখানে ধস্তাধস্তি হয়েছে। এবং বিষয়টি টের পেয়ে গণপতির স্ত্রী প্রীতিলতা উঠতে গেলে সিঁড়িতে তাঁকেও হ*/ত্যা করা হয়। এরপর মায়ের চিৎকারে তাদের কন্যা প্রার্থী চক্রবর্তী এগিয়ে গেলে তাঁকেও রশি দিয়ে পেচিয়ে হ*/ত্যা করেছে।

এইখানে পুলিশ আরো একটা বিষয় দাবি করেছে। প্রার্থীকে হ/*ত্যার ক্ষেত্রে খুনিদের ৫/৬ মিনিট সময় লেগেছে। এই সময়ের মধ্যে তারা মেয়েটিকে রশি পেচিয়ে হ-/ত্যা করেছে, রশির জোরালো টানে তাঁর চোয়াল ভেঙে যায়, এবং চোখ দুটোও বেরিয়ে আসে।

সবশেষে হ-*ত্যা করা হয় গণপতির ১২ বছর বয়সী পুত্র প্রিয়মকে। তাকে বালিশ চাপা দিয়ে মৃ/ত্যু নিশ্চিত করা হয়।

এইখানে আমার রহস্যের আরো একটি মোটিফ শিশু প্রিয়ম। কেননা, সবশেষে তাঁকেও হ*/ত্যা করা হয়েছে চোখের সামনে বাবা-মা-বোনকে খু*ন হতে দেখায় এবং খু*নিদেরকে চিনে ফেলার কারণে। সিরিয়াল কি-লিং-য়ের ক্ষেত্রে সচারাচর এটিই বেশি ঘটে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে— এত দীর্ঘ সময় ধরে চোখের সামনে তিন-তিনটা খু/ন হতে দেখার পরেও কি ছোট্ট শিশু প্রিয়ম চিৎকার দেয়নি? শিশুদের চিৎকার কি সহজে থামানো যায়?

তর্কের খাতিরে ধরে নিন, বাকিরা কেউই চিৎকার দেয়নি, বাঁচার জন্য আকুতিও জানায়নি। এলেন, দেখলেন, আর নিজেদেরকে খু/নির কাছে সপে দিলেন। কিন্তু ছোট্ট শিশু, সে তো এতকিছু বুঝবেনা— সেও কি চুপচাপ খু/ন হয়ে খুনিদের বাঁচতে সহযোগিতা করলেন? রাতের বেলা এ-পাড়ায় কুকুর ডাকলে যেখানে ও-পাড়ায় শোনা যায়, সেখানে এটা কেউ-ই টের পেলোনা! আশ্চর্য!

রহস্য উদঘাটনের নামে যা শোনানো হচ্ছে, আমি তাতে এখনই সন্তুষ্ট হতে পারছিনা। কেননা আমরা এই একই সরকারের ‘জজ মিয়া’ নাটক দেখে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি। অপরাধীরা খু/ন করতে না, ই*য়া*বা খেতে এসেছিলো। এবং তা খেতে দেখে ফেলায় চার-চারটে খু*নের ঘটনা ঘটালো, একেবারে ঠান্ডা মাথায়, প্রশিক্ষিত খু/নির মতো! আগে থেকে প্রস্তুতি না থাকলে এমন সুক্ষ্মভাবে সম্পন্ন করলো কীভাবে?

অপরাধবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করা ব্যক্তিরা এর ব্যাখ্যা আরো ভালো দিতে পারবেন। হতেও পারে পুলিশ সত্য বলছে! কিন্তু যদি সেটিই সত্য হয়, তাহলে বলবো আড়ালে এখনো বেশকিছু সত্য লুকিয়ে আছে। এমনকি যে দুজনকে আটক করা হলো, তাদের কোন সূত্রে কীসের ভিত্তিতে আটক দেখানো হলো সেটাও স্পষ্ট করেনি।

ঘটনা যদি মাদক সেবন কেন্দ্রিকই হয়, তবে মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে তাদেরও ভেবে দেখার সময় এসেছে। গত ২ বছরে এমন কোনো অপরাধ নেই যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়নি! খুনের শিকার গণপতি চক্রবর্তী একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। তার এক সহকর্মী জানিয়েছেন, বেশ কয়েকমাস ধরে গণপতির কাছে স্থানীয় প্রভাবশালী কারা চাঁদার জন্য ডিস্টার্ব করে আসছিলো। এ বিষয়টিও তদন্তে আনা উচিত। কেননা গত ২ বছরে অনেকগুলো নির্মম খু/নের ঘটনা ঘটেছে বিএনপি-জামায়াতের চাঁদাবাজিকে কেন্দ্রকে করে। ঢাকার এক ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে মে-রে দেওয়ার ঘটনা আমরা এখনো ভুলি নাই।

অযোগ্য শাসক কখনো ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে পারেনা, তাই আমি বিচার চাই না। আমি শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অনুরোধ জানাবো, সময় নিন, তবুও যেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তটা নিশ্চিত হয়।

২৩ আগস্ট, ২০২৬

21/08/2026

বাকশাল একদলীয় শাসন নাকি ভিন্ন কিছু? বাকশাল নিয়ে মিথ্যা ও অপপ্রচারের জবাব দিলেন শেখ হাসিনা

২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে হ/ত্যার উদ্দেশ্যে, ব*র্ব*রো*চিত গ্রে/নেড হা""মলায় নি"হত সকল ...
20/08/2026

২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে হ/ত্যার উদ্দেশ্যে, ব*র্ব*রো*চিত গ্রে/নেড হা""মলায় নি"হত সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

20/08/2026

২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে হ*ত্যা*র উদ্দেশ্যে, ব*র্ব*রো*চিত গ্রে*নে*ড হা'ম'লা'য় নিহত সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

19/08/2026

'তুমি ভেঙে পড়ো না এভাবে, কেউ থাকে না চিরদিন সাথে!'

Address

Feni City
Feni
3900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফেনী পৌর ছাত্রলীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share