তাঁতীদল ডোমার উপজেলা

তাঁতীদল ডোমার উপজেলা ১৯৮০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। সোনারায় ইউনিয়ন ছাত্রদল
Sonaray, Domar, Nilphamari.

Bangladesh National Party ( Chatrodol )

জামায়াতের রাজনীতি আর কর্নেল অলির রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা: বলির পাঁঠা, নাকি চরম রসিকতা? 🎭রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাংলাদেশের সংবিধ...
10/08/2026

জামায়াতের রাজনীতি আর কর্নেল অলির রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা: বলির পাঁঠা, নাকি চরম রসিকতা? 🎭

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী একটি পরোক্ষ নির্বাচন। এখানে জনগণের সরাসরি ভোটে নয়, জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ফলে সংসদে যে পক্ষের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, বাস্তব রাজনৈতিক অঙ্কে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলও অনেকটাই পূর্বনির্ধারিত।

এর সঙ্গে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান যুক্ত হওয়ায় ক্ষমতাসীন দলের কোনো এমপির পক্ষে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিরোধী প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ কার্যত অত্যন্ত সীমিত। অর্থাৎ, সংসদ যার নিয়ন্ত্রণে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের অঙ্কও মূলত তার পক্ষেই যায়—এটি আবেগের নয়, নিছক সংখ্যার হিসাব।

এই সহজ অঙ্ক জামায়াত ও তাদের ১১ দলীয় জোটও নিশ্চয়ই ভালো করেই বোঝে। তারা জানে, এমন নির্বাচনে নিজেদের কোনো প্রার্থী দাঁড় করানো মানেই নিশ্চিত পরাজয়। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—এই বাস্তবতা জেনেও কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমকে সামনে আনার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কী?

এখানেই শুরু হয় রাজনীতির কড়া বাস্তবতা, নাটকীয়তা এবং ব্যঙ্গাত্মক অধ্যায়।

# # # ১. আদর্শের রাজনীতি থেকে আপসের রাজনীতি?

একসময় বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের রাজনৈতিক ঐক্য ও জোটনীতির বিরোধিতা করে যিনি নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছিলেন, আজ সেই জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থনে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়া নিঃসন্দেহে একটি বড় রাজনৈতিক বৈপরীত্য।

যিনি একসময় আদর্শ ও নীতির প্রশ্নে নিজের রাজনৈতিক পথ আলাদা করেছিলেন, জীবনের সায়াহ্নে এসে সেই পুরোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমর্থনেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে যাওয়ার চেষ্টা—এটিকে সমর্থকেরা রাজনৈতিক কৌশল বলতে পারেন, কিন্তু সমালোচকের চোখে এটি নিঃসন্দেহে এক গভীর রাজনৈতিক পরিহাস।

প্রশ্নটা তাই থেকেই যায়—রাজনীতিতে আদর্শ কি শেষ পর্যন্ত কেবল ক্ষমতার সমীকরণের কাছে পরাজিত হয়?

# # # ২. বীর বিক্রমের রাজনৈতিক বলিসাধন, নাকি জামায়াতের কৌশল?

কর্নেল অলি আহমদ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর যোদ্ধা। কিন্তু আজ যে রাজনৈতিক শক্তির সমর্থনে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে দাঁড় করানো হচ্ছে, সেই জামায়াতের রাজনৈতিক অতীত নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে বিতর্ক ও সমালোচনা অত্যন্ত গভীর।

তাই এখানেই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বৈপরীত্যটি তৈরি হয়।

একজন মুক্তিযোদ্ধা, যিনি একসময় স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী শক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিলেন, আজ সেই শক্তির রাজনৈতিক জোটের সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী—দৃশ্যটি তাই নিছক রাজনৈতিক সমীকরণ নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনীতির দীর্ঘ পথচলার এক চরম ব্যঙ্গাত্মক ছবি।

আরও বড় প্রশ্ন হলো—যে রাজনৈতিক জোটের নির্বাচনী শক্তি জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল পাল্টানোর মতো অবস্থানে নেই, তাদের সমর্থনে এমন একটি প্রার্থিতা আদৌ কতটা বাস্তবসম্মত?

# # # ৩. উপহার, নাকি রাজনৈতিক বিদ্রূপ?

যদি ফলাফল আগে থেকেই সংখ্যার অঙ্কে প্রায় নিশ্চিত থাকে, তাহলে এমন একজন প্রবীণ ও সাবেক বীর বিক্রমকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার প্রকৃত রাজনৈতিক লাভ কোথায়?

সমালোচকেরা বলতেই পারেন—এটি কোনো বাস্তবসম্মত বিজয়ের পরিকল্পনা নয়; বরং একজন প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে সামনে রেখে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান জানানোর কৌশল।

আর সবচেয়ে নির্মম ব্যাখ্যাটি হতে পারে—এটি সম্মান জানানোর চেয়ে রাজনৈতিকভাবে তাকে ব্যবহার করার একটি কৌশল।

অর্থাৎ, জামায়াতের কাছে অলি আহমদ হয়তো রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী নন; বরং একটি রাজনৈতিক ঘুঁটি—যাকে সামনে রেখে নিজেদের বার্তা দেওয়া, প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা এবং একই সঙ্গে রাজনৈতিক মঞ্চে একটি নাটকীয়তা তৈরি করা সম্ভব।

# # # শেষ কথা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যদি বাস্তব অর্থে সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যদের ভোটের ওপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে ফলাফল পাল্টানোর মতো সাংগঠনিক শক্তি ছাড়া এমন প্রার্থিতা কতটা রাজনৈতিকভাবে অর্থবহ—সেটিই মূল প্রশ্ন।

কর্নেল অলি আহমদ কি সত্যিই রাষ্ট্রপতি হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন, নাকি অন্য কারও রাজনৈতিক দাবার বোর্ডে তাকে একটি ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে?

সময়ই হয়তো তার উত্তর দেবে।

তবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রসিকতা হয়তো এখানেই—যে রাজনীতি একদিন আদর্শের প্রশ্নে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল, সেই রাজনীতিই শেষ পর্যন্ত তাকে এমন এক শক্তির হাত ধরে রাষ্ট্রপতি ভবনের পথে হাঁটাচ্ছে, যার সঙ্গে তার অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানের রয়েছে গভীর বৈপরীত্য।

**বলির পাঁঠা, রাজনৈতিক ঘুঁটি, নাকি চরম রসিকতা—ইতিহাসই শেষ বিচার করবে।** 🎭

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী এবং সুপারভাইজার নিয়োগের সময়সীমা ২৮শে জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী ভাইদের...
25/07/2026

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী এবং সুপারভাইজার নিয়োগের সময়সীমা ২৮শে জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী ভাইদেরকে বলব আপনারা সবাই যথাযথ নিয়মে আবেদন করুন। কারণ নির্বাচনের আগে আপনারাই ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে প্রচারণা চালিয়ে বিএনপির পক্ষে জনমত সৃষ্টি করেছেন।

ফ্যামিলি কার্ডের প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে যদি শিবিরের এই অপপ্রচারকারীদেরকে নিয়োগ করা হয়, তাহলে তারা ফ্যামিলি কার্ডের ব্যাপারে সারাদেশে বেশকিছু সমস্যা তৈরি করে রাখবে যেগুলো নিয়ে পরবর্তীতে বিএনপি সরকারকেই সমস্যায় পড়তে হবে। যেমন:

১.তারা এমন লোকজনকে এই কার্ডের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করবে, যারা প্রথম দিকে এই কার্ড পাওয়ার যোগ্য নয়। যদিও সরকার ঘোষণা দিয়েছে সারাদেশের ৪কোটি পরিবারকেই পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

২.জামাত-শিবিরের লোকেরা জামাত-শিবির ছাড়া কাউকেই সুবিধা পেতে দেয় না। ফ্যামিলি কার্ডের ব্যাপারেও জামাত-শিবির ছাড়া অন্যদেরকে বঞ্চিত করতে তাদের একটুও হাত কাঁপবেনা।

এজন্যেই ফ্যামিলি কার্ডের প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে তাদেরকেই নিয়োগ করা উচিত যারা সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ডের পক্ষে কাজ করে গেছে, এলাকার মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছে এই কার্ডের মাধ্যমে এলাকার মানুষের উপকার করার।

ফেইসবুকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব শফিকুর রহমান।
23/06/2026

ফেইসবুকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব শফিকুর রহমান।

06/06/2026

শত শত জামাতিদের কাদিয়ে কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও আরেক জামাতি বাটপার 🤪

😃😃😃😃😃
06/06/2026

😃😃😃😃😃

26/05/2026

ডোমার ভোগডাবুড়ীতে নারীর সঙ্গে আপত্তি-কর অবস্থায় জামাত নেতা আটক ----

22/05/2026

ঝিনাইদহ এলাকায় ডার্বি নাছিরের ওপর জনসাধারনের ডিম নি-ক্ষে-প

22/05/2026

শিবিরের নাটক দেখুন

পুরো ডোমার  উপজেলা  জুড়ে একই অনিয়মের চিত্র দেখা যাচ্ছে। এর শেষ কোথায়?
21/05/2026

পুরো ডোমার উপজেলা জুড়ে একই অনিয়মের চিত্র দেখা যাচ্ছে।
এর শেষ কোথায়?

15/05/2026

🚩 **তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি** 🚩

ডোমার উপজেলা তাঁতীদলের সভাপতি ও নীলফামারী জেলা তাঁতীদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাজপথের অগ্রনায়ক, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের অকুতোভয় সৈনিক জনাব Syed Nurnobi Hosain Noyan এর ফেস্টুন ও ব্যানার প্রতিহিংসামূলকভাবে ১০নং হরিণচড়া ইউনিয়নের ধরণীগঞ্জ বাজারে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করুন।

দুঃসময়ে যারা পদ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল, সেই কঠিন সময়েও নয়ন ও জিয়ারুল কবির লিটন রাজপথে থেকে নীলফামারী ও ডোমারের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

কোনো কুচক্রী মহল কখনোই Syed Nurnobi Hosain Noyan -সৈয়দ নুরনবী হুসাইন নয়ন বা Ziarul Kabir Liton এর রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।

আজ হোক বা কাল—সত্য উন্মোচিত হবেই, ইনশাআল্লাহ।

⚠️ **সাবধান হয়ে যান।**

Address

Nilphamari
Domar Bil
5340-41

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাঁতীদল ডোমার উপজেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share