Amader Dohazari-আমাদের দোহাজারী

Amader Dohazari-আমাদের দোহাজারী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amader Dohazari-আমাদের দোহাজারী, Dohazari.

আমাদের দোহাজারীর-পরিচিতি/ইতিহাস :
দোহাজারি বাংলাদেশের চন্দনাঈশ উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন।এই ইউনিয়নের আয়তন ৮১০৫ একর ৩২.৮ বর্গ কিলোমিটার।দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজিলার অন্তর্গত ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায়ী এলাকা দোহাজারী।দোহাজারী ইউনিয়ন সীমানার মধ্যে রয়েছে .দোহাজারী ইউনিয়নের দোহাজারী, চাগাচর, রায় জোয়ারা, জামিজুরী,হাতিয়াখোলা,দিয়াকুল,সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড (হাছনদ-ী) ও কালিয়াইশ

ের কাটগড় (১ ও ২নং ওয়ার্ড)।

দোহাজারীর জনসংখা ৫৫ হাজার ৯১৪ জন। প্রতি বর্গকিলোমিটার লোকসংখ্যা ২ হাজার ৩২৯ জন, প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ও অকৃষিজীবী ৭০ শতাংশ, অকৃষি প্রকৃতি জমির শতকরা হার ৪৪৪৫.৬২, বিগত তিন বছরের গড় রাজস্ব আয় দোহাজারী ১৫ লাখ, কালিয়াইশ ২ লাখ ৫০ হাজার, সাতবাড়ীয়া ৩ লাখ, সেনানিবাস বহির্ভূত, পৌর এলাকার মোট আয়তন ৫ হাজার ৯৩৩ একর বা ৯.২৮ বর্গমাইল বা ২৪.২০ কিলোমিটার।দোহাজারী তে সড়ক বিভাগ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ, দোহাজারী হাইওয়ে (পুলিশ থানা), আন্তর্জাতিক ডেকা চেন রেড স্টেশন, দোহাজারী ১৩২/৩৩ কেবি বিদ্যুৎ সাব স্টেশন, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, সিভিল সাপ্লাই/খাদ্য গুদাম, বিএডিসি, সার, বীজ ও যান্ত্রিক প্রকৌশল স্থাপনা, দোহাজারী ভূমি অফিস, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, আখেরি রেল স্টেশন দোহাজারী, ব্যাংক, বীমা কার্যালয়, একটি ডিগ্রী কলেজ, একাধিক উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদরাসা, লবণ ক্র্যাচিং মিল, কাঠ প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প ও হস্তশিল্প, নতুন মডেলে দোহাজারী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন রয়েছে। তা ছাড়া দোহাজারী কাঠের জন্য প্রসিদ্ধ বিধায় দোহাজারীতে একটি কাগজের কল/পেপার মিল,বাংলাদেশের এক মাত্র সাঙ্গু নদী, যে নদী বাংলাদেশে শুরু হইয়ে বাংলাদেশে শেষ সেটা দোহাজারী তে থাকায় একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হওয়ার সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।উল্লেখ্য যে ,মোগল শাসনামলের ১৬৬৬ সাল থেকে শুরু করে ১৯৪৩ এর ২য় বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৭১ সনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে দোহাজারী এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। সুবে বাংলার উপ-অধিনায়কের দুর্গ ছিল দোহাজারীতে। একই ধারাবাহিকতায় ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালেও দোহাজারী ছিল ব্রিটিশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান সামরিক ঘাঁটি। তদানীন্তন পাকিস্তান শাসন আমল ১৯৬৭ সালে পরিচালিত এক জরিপ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার 'চট্টগ্রাম (সদর) দক্ষিণ মহকুমা' কার্যালয় সদর থেকে দোহাজারীতে স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে দোহাজারীকে থানায়/উপজেলায় উন্নীত করা এখন প্রক্রিয়াধীন। সর্বশেষ মন্ত্রী পরিষদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৫টি থানা ও উপজেলা নিয়ে একটি নতুন জেলা গঠন এবং উহার সদর দফতর দোহাজারীতে স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যায়।১৪ ডিসেম্বর দক্ষিণ চট্টগ্রাম মুক্তদিবস। ৭১’র এই দিনে চট্টগ্রাম জেলার তৎকালীন পটিয়া থানার (বর্তমানে চন্দনাইশ উপজেলা) দোহাজারী ও আশেপাশের এলাকাগুলো মুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে হানাদারমুক্ত হয় পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৫টি থানা। দোহাজারীতে সংগঠিত পাক হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের দুইদিন ব্যাপী সম্মুখ সমরের পর ১৪ ডিসেম্বর দুপুরে হানাদার বাহিনী পালিয়ে গেলে ঐদিনই দক্ষিণ চট্টগ্রামের পাঁচটি থানার সর্বত্র উত্তোলন করা হয় বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা। মুক্ত হয় পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রাম। কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীর পটিয়া থানা থেকে শুরু হয়ে চকরিয়া থানার সীমানা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকার তৎকালীন পাঁচটি থানা বোয়ালখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, সাতকানিয়া ও বাশঁখালী (বর্তমানে ৭টি) ১৯৭১ এর প্রায় পুরো ৯ মাস পাক হানাদারবাহিনী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ছিল। ৭১ এর ১৪ ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর দখল থেকে বৃহত্তর দোহাজারী মুক্ত হওয়ার সাথে সাথে পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের পাঁচটি থানা (তখন বর্তমান কক্সবাজার জেলা দক্ষিণ চট্টগ্রামের অংশ ছিল) সম্পূর্ণরূপে শক্রমুক্ত হয়। এর আগে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণের সাথে গেরিলা বাহিনীর মরণপণ আঘাত বিভিন্ন থানায় হানাদার বাহিনীর গড়ে তোলা আস্তানাসমূহ আক্রান্ত হতে থাকে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের প্রথম দিকে প্রতিটি থানায় মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর আক্রমণ জোরদার হয়ে উঠলে পাকবাহিনী তাদের মনোবল হারিয়ে ফেলে। ফলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের শেষ দিকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের কয়েকটি থানা বিশেষ করে আনোয়ারা, বাঁশখালী মুক্ত হয়ে যায়। এই দুটি থানা হানাদারমুক্ত হলেও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কসহ মূল তিনটি থানা সাতকানিয়া, পটিয়া ও বোয়ালখালীর নিয়ন্ত্রণভার পাকবাহিনীর হাতেই ছিল এবং তা দোহাজারীতে দুইদিনের সম্মুখ যুদ্ধ পর্যন্ত বলবৎ ছিল।
মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই পাকবাহিনী দোহাজারীকে ঘিরে দুর্ভেদ্য রক্ষণব্যুহ গড়ে তোলে। যাতে করে পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা যায়। দোহাজারীতে স্থল, রেল, নৌ ও আকাশপথের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সড়ক বিভাগের কার্যালয়টিকে তাদের প্রধান অফিস হিসাবে বেছে নেয়। একই সাথে পাশাপাশি অবস্থিত সাঙ্গুভ্যালি টিম্বার ইন্ডাস্ট্রিজের বাংলোকে ভিআইপি রেস্ট হাউজ বানিয়ে এবং উক্ত কারখানার বিশাল মাঠকে হ্যালিপ্যাডে রূপান্তরিত করে তাদের দুর্গ গড়ে তোলে। একইভাবে দেওয়ানহাট বিএডিসি কার্যালয়, দোহাজারী উচ্চ বিদ্যালয়, দোহাজারী বিদ্যুৎ ভবনকে ব্যারাকে পরিণত করে দক্ষিণ চট্টগ্রামের পুরো এলাকায় নির্বিচারে নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যেতে থাকে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে যখন পাকবাহিনী মুক্তিবাহিনীর আক্রমণে বিভিন্ন থানা থেকে পিছু হটে আসতে থাকে তখন পাক হানাদার বাহিনী তাদের এ দেশীয় দালাল রাজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনীর সহযোগিতায় ভয়ংকর আক্রোশে পটিয়া সাতকানিয়ার নিরীহ জনগণের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। দালাল বাহিনীর সদস্যরা গ্রামে গ্রামে বিশেষ করে হিন্দু প্রধান এলাকায় গিয়ে ধরে নিয়ে আসতো নিরীহ যুবক-যুবতীদের। মুক্তিবাহিনীর চর অজুহাতে ধরে আনা যুবকদের পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো। আর মহিলাদের উপর চালানো হতো পাশবিক নির্যাতন। মুক্তিযোদ্ধা অজুহাতে কত বাসযাত্রীকে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে তার হিসাব পাওয়া দুস্কর। সেসময় রক্তে লাল হয়ে উঠেছিল খরস্রোতা শঙ্খনদীর পানিও।এরিই মধ্যে ১১ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর একটি দল শঙ্খ নদীর দক্ষিণপাড়ে কাটগড়, কালিয়াইশ এলাকায় পাকবাহিনীর পরিত্যক্ত ব্যাংকারগুলোর দখল নিয়ে অবস্থান গ্রহণ করে। ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ক্যাপ্টেন গুরুং এর নেতৃত্বে মিত্রবাহিনীর একটি দল এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) কমান্ডার ইঞ্জিনিয়ার সিদ্দিক আহমদ, সদ্য প্রয়াত ডাঃ বি এম ফয়েজুর রহমান (এমএলএ), প্রাক্তন ছাত্রনেতা প্রয়াত আবুল কাসেম সন্দ্বীপের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের আরো একটি দল যৌথভাবে এসে অগ্রবর্তী মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগ দিয়ে হানাদার বাহিনীর উপর আক্রমণের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ১২ ডিসেম্বর বিকেল থেকে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ দল সকালে শঙ্খনদীর অপর পাড়ে দোহাজারী উপ-শহরে অবস্থানরত পাকবাহিনীর ওপর আক্রমণ শুরু করে। এসময় পাকবাহিনীও সমানে জবাব দিতে থাকে। এভাবে বিরামহীন যুদ্ধ চলার পর ১৪ ডিসেম্বর বেলা ২টার দিকে পাকবাহিনী তাদের সব সরঞ্জাম ফেলে সদলবলে পালিয়ে যায়। তিনদিনের এই সম্মুখ সমরে মুক্তিযোদ্ধাদের বড় ধরনের কোন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও নিহত হয় হানাদার বাহিনীর ৯ সদস্য (কারো কারো মতে আরো বেশী),কক্সবাজার ছাড়া দক্ষিণ চট্টগ্রাম শত শত মুক্তিপাগল জনতা সাথে সাথে মিছিল সহকারে রাস্তায় নেমে আসে । বিজয়ের গানে গানে মুখরিত হয়ে উঠে রাজপথ। পৎ পৎ করে উড়তে থাকে বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত পতাকা। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্দের সময় যে কত জন লোক আমাদের দোহাজারী থেকে শহীদ হয়েছেন যাদের নাম আজ ও দোহাজারীবাসী মানুষের মুখে মুখে বিরাজমান তাদের নামের তালিকা :-
১/ মহম্মদ আবু তাহের খান (খসরু ) -গ্রাম (দোহাজারী),
২/ মহম্মদ জাফর আলী হিরু -গ্রাম (দোহাজারী),
৩/ মহম্মদ জহির উদ্দিন খান -গ্রাম (দোহাজারী),
৪/ মহম্মদ আকবার খান -গ্রাম (দোহাজারী),
৫/ রবিউল ইসলাম খান -গ্রাম (খান বাড়ি),
৬/ রাখল চন্দ্র দাস -গ্রাম (রায় জোযারা ),
৭/ মতিউর রহমান -গ্রাম (এইদ্পুকুরিয়া),
৮/ বিমল কান্তি সেন -গ্রাম (দিয়াকুল),
৯/ সাবের আহমাদ -গ্রাম (দোহাজারী),
১০/ মদন মোহন দাস -গ্রাম (দোহাজারী),
১১/ দেলয়ার হোসেন -গ্রাম (দোহাজারী),
১২/ প্রবাশ চন্দ্র দাসগুপ্ত -গ্রাম (জামির্জুরি),
১৩/ মানিক বড়ুয়া -গ্রাম (জামিজুরি),
১৪/ অনিল কান্তি বড়ুয়া -গ্রাম (জামিজুরি),
১৫/ রাজেন্দ্র নাথ -গ্রাম (চাগাচর),
১৬/ আবদুর রশিদ -গ্রাম (এইদ্পুকুরিয়া ),
১৭/ নেপাল চন্দ্র সেন -গ্রাম (দিয়াকুল),
১৮/ সতিশ চন্দ্র দাস -গ্রাম (দোহাজারী),
১৯/ নিপেন্দ্র কুমার সেন -গ্রাম (দিয়াকুল ),
২০/ সচিন্দ্র বিজয় বৈরাগী -গ্রাম (দোহাজারী),
২১/ মহম্মদ আব্দুল মজিদ -গ্রাম (দোহাজারী),
২২/ হারুনর রশিদ -গ্রাম (দোহাজারী ),
২৩/ সুধীর কান্তি দাস, -গ্রাম (জামিজুরি ),
২৪/ রাজ বিহারী বড়ুয়া, -গ্রাম (জামিজুরি ),
২৫/ রশিদ আহমদ, -গ্রাম (দোহাজারী)
২৬/ মাহফুজুর রহমান, -গ্রাম (দোহাজারী ),
২৭/ মহম্মদ ইসলাম, -গ্রাম (দোহাজারী ),ও
২৮/ শহিদ রুস্তম আলী -গ্রাম (দোহাজারী )
দোহাজারীবাসীরা তাদের অবদানের কথা সারা জীবন মনে রাখবে আমরা তোমাদের ভুলবনা !! আমরা তোমাদের ভুলবনা !!
—তথ্য সুত্র : দোহাজারী গ্রন্থাগার,খানবাড়ি,দোহাজারী,চট্রগ্রাম

দোহাজারী নামের ইতিহাস (সংগৃহীত ও সংক্ষেপিত) : আমাদের দোহাজারী বাংলার প্রাচীনতম জনপদ। পুরো বঙ্গের ইতিহাসে দোহাজারীর ইতিহাস জড়িত। আজকের প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের ন্যায় দোহাজারীর ছিল ঐতিহ্য ও গৌরব। যেখানকার যোদ্ধাদের গর্জনে এক সময় দোহাজারী থেকে আজকের মায়ানমার বার্মা পর্যন্ত কম্পিত হত। প্রাচীন চট্টগ্রামের ইতিহাসে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তি হিসেবে আঁধু খাঁ’র নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে।তাঁর পুত্র শেখ জামাল খাঁ ও বিশেষ উল্লেখযোগ্য। আঁধু খাঁ’র পিতা ছিলেন সর্দার বাহার খাঁ।আঁধু খাঁ’র সহোদর নবাব মোজাফফর খাঁ ১৬৮৮ সালে চট্টগ্রামের শাসক ছিলেন। মোঘল শাসনামলে চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ পর্যন্ত আঁধু খাঁ ও তাঁর বংশধরগণ এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।বাংলার সুবেদার নবাব শায়েস্তা খাঁ শঙ্খ নদীর তীরে দূর্গ স্থাপন করেন।দুই হাজার সৈন্যের সেনাপতি আধু খাঁ ও লক্ষন সিংহ ছিলেন দূর্গের অধ্যক্ষ। সেনাপতি আধু খাঁ ও লক্ষন সিংহ উভয হাজারী সেনাপতির দায়িত্বে দূর্গের ভার অর্পন করা হয়। পরবর্তীতে দুই সেনাপতির দূর্গকে কেন্দ্র করে ঐ এলাকার নামকরণ হয়ে যায় দো-হাজারী।বাংলার শাসনকর্তাদের সেই ইতিহাস আজো এ প্রজন্মের অনেকেই জানে না। আরকানীরা নদীর দক্ষিন দিকে অবস্থান করে প্রায়ই আক্রমন করত।আধু খাঁ আরকানীদের হামলা প্রতিহত করতে শঙ্খ নদীর উত্তর তীরে দূর্গ নির্মান করেন(দূর্গটি দোহাজারী রেল স্টেশন হতে ১ মাইল পূর্বে নদীর উত্তর পাড়ের কিল্লাপাড়ায় অবহেলায় অনাদরে পড়ে আছে।প্রাচীন দোহাজারীর পশ্চিম পাশে ২য় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত বিমান বন্দর, যুদ্ধের সৈন্য দূর্গ’ র প্রাচীন অংশ ও রাশিয়ার ফিল্ড উল্লেখযোগ্য।

08/12/2015
অপরূপ সৌন্দর্যে দোহাজারীর সাঙ্গু নদী।(দিয়াকুল থেকে তোলা ছবি) ।।
06/12/2015

অপরূপ সৌন্দর্যে দোহাজারীর সাঙ্গু নদী।
(দিয়াকুল থেকে তোলা ছবি) ।।

আমাদের দোহাজারী'র গৌরব সাবেক ফুটবলার অাসকর খান বাবু বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে শেখ কামাল অান্তর্জাতিব ফুটবল টুর্নামেন্...
28/11/2015

আমাদের দোহাজারী'র গৌরব সাবেক ফুটবলার অাসকর খান বাবু বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে শেখ কামাল অান্তর্জাতিব ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৫ ইং ক্রীড়া প্রেমিক ফুটবল দর্শকদের অংশ গ্রহনের লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারনায় অংশ নেন। তার সাথে ছিলেন সিটি মেয়র অা-জ-ম নাছির উদ্দিন।এ ছাড়া ও চট্টগ্রামের ফরহাদ,কায়সার,অাসাদ,এজাহার উদ্দিন টিপু ও অানোয়ার প্রমুখ সহ অারো অনেকে সেখানে উপস্তিত ছিলেন। ..

দোহাজারী'র " সাঙ্গু নদী" দোহাজারীর অহংকার।।ঐতিহ্যবাহী দক্ষিন চট্টগ্রামের মোগল আমলের বানিজ্যিক এলাকা দোহাজারী। দোহাজারী এ...
28/11/2015

দোহাজারী'র " সাঙ্গু নদী" দোহাজারীর অহংকার।।
ঐতিহ্যবাহী দক্ষিন চট্টগ্রামের মোগল আমলের বানিজ্যিক এলাকা দোহাজারী।
দোহাজারী একটি ঐতিহ্যবাহী উপ-শহর । সাঙ্গু নদী দোহাজারী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী নদী। এই নদীটি বান্দরবান জেলার ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী পাহাড় থেকে উৎপত্তি। সাঙ্গু নদী দেখতে অনেক সুন্দর।।নদীর একদিকে নদী,অন্যদিকে শাক-সবজির আবাদ।।আবাদকৃত সবজি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী হচ্ছে।।
সাঙ্গু নদীটি দোহাজারী এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সাঙ্গু নদীর পলিমাটি অত্যান্ত উর্বর হওয়ার এই নদীর তীর ঘেষে জেগে উঠা চরে প্রচুর মৌসুমী শাক সবজি সহ সারা বছর নানা প্রকারের সবজি উৎপাদন হয়। এছাড়া ও এই নদীর যোগাযোগ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।।
সাঙ্গু নদী দোহাজারী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে চন্দনাইশ থানার অর্ন্তগত। এটি চট্টগ্রাম কক্সবাজার (আরকান) সড়ক এর দুই পার্শ্বে অবস্থিত। সাঙ্গু বাংলাদেশের একটি সুন্দর ও গূরুত্বপুর্ণ নদী। বর্ষাকালে এটি খুবই খরস্রোতা। সাংগু আরাকান পাহাড় হতে শুরু হয়ে বঙ্গপসাগরে শেষ হয়। এটি বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে শেষ হয়। এর দুই পার্শ্ব রয়েছে উবর্র কৃষি জমি যেখানে সারা বছর বিভিন্ন রকমের সবজি উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত সবজি কৃষকরা বিক্রির উদ্দেশ্য সাংগু নদী হয়ে দোহাজারী রেলওয়ে মাঠে নিয়ে আসে যেখানে চট্টগ্রাম শহর হতে পাইকারি ক্রেতারা আসে।প্রতিদিন রেলওয়ে মাঠে সকাল বেলা সবজির বৈচিত্রের মেলা বসে। সবজি বৈচিত্রের মধ্যে রয়েছে ফুলকপি, বাধাঁকপি, মূলা, আলু, বেগুন, বরবটি, পটল, শীম, শশা, লাউ, ঝিংগা, ঝিঝিংগা, ঢেড়স, মিষ্টি কুমরা, টমেটো, কচু,করলা কাকরল,ক্ষিরা,পেয়ারা এবং বিভিন্ন রকমের শাক। এছাড়া এখানে কাচা মরিচ, ধনে পাতা, পূদিনা ইত্যাদি পাওয়া যায়।

আমাদের দোহাজারী 'র ঐতিহ্য বাহী জমিদার হাজারী বাবু'র পরিবারের সন্তান , দোহাজারী'র গৌরব ,দোহাজারী জামিরজুরি আহমদুর রহমান -...
28/11/2015

আমাদের দোহাজারী 'র ঐতিহ্য বাহী জমিদার হাজারী বাবু'র পরিবারের সন্তান , দোহাজারী'র গৌরব ,দোহাজারী জামিরজুরি আহমদুর রহমান - বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.সরোজ কান্তি সিং হাজারী।।

ঐতির্জ্যবাহী দোহাজারী'র খাঁ ন পরিবারে মরহুম কবির আহমাদ খাঁ নকে নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন ।।দোহাজারী'র খাঁ ন পরিবারে মরহ...
28/11/2015

ঐতির্জ্যবাহী দোহাজারী'র খাঁ ন পরিবারে মরহুম কবির আহমাদ
খাঁ নকে নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন ।।

দোহাজারী'র খাঁ ন পরিবারে মরহুম কবির আহমাদ খাঁ ন ছিলেন দোহাজারী'র একজন সন্মানিত ও বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক। তিনি দোহাজারী'র ঐতির্জ্যবাহী খাঁ ন পরিবারে ১লা ফেব্রুয়ারী ১৯৩৩ ইং তে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৬ ই নভেম্বর ,২০১০ ইং মৃত্যু বরণ করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য বিভাগ, বাংলাদেশ শিপ ব্রেকিং অ্যাসোসিয়েশনের ( BSBA ) এর সাবেক সচিব ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। প্রতি বছর ১৬ ই নভেম্বর তার স্মরণে দোহাজারী'র খাঁ ন পরিবারের নিজস্শ্ব কবরস্থানে'র মসজিদে কোরানখানী, মিলাদ মাহফিল এবং বিশেষ মোনাজাত এর মাধ্যমে তার মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়।
আমরা দোহাজারী'র মানুষ কি তার অবদানের কথা মনে রেখেছি ....

" উদয়ের পথে শুনি কার বাণী , ' ভয় নাই , ওরে ভয় নাই — নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই ।"আমরা অহংকার ...
28/11/2015

" উদয়ের পথে শুনি কার বাণী , ' ভয় নাই , ওরে ভয় নাই — নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই ।"

আমরা অহংকার করি......
দোহাজারী'র বীর সৈনিকদের নিয়ে।...

আমাদের দোহাজারীর গৌরব ও অহংকার দোহাজারী'র চন্দনাইশ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার জাফর আলী হিরু। যিনি আমাদের দোহাজারীতে দোহাজারী এলাকায় বিজয়ের সর্বপ্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। তিনি ছিলেন, দোহাজারী ৫৪ নম্বর সেক্টর কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা।

দোহাজারী'র মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব বোধ করেন।।

13/10/2015
★আজ ১০অক্টোবর, দোহাজারীর বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু তাহের খান খসড়ু'র ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভ...
10/10/2015

★আজ ১০অক্টোবর, দোহাজারীর বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু তাহের খান খসড়ু'র ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি★
("এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা, আমরা তোমাদের ভুলবোনা")
১৯৭১সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের বীর সেনানী,উত্তাল রনাঙ্গনের সাহসী যোদ্ধা,১৫৪নং সেক্টর কমান্ডার শহীদ আবু তাহের খান খসড়ু তাঁর বিচক্ষণ মেধা দিয়ে প্রবল বিক্রমে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রনাঙ্গনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন।পাক হানাদার বাহিনী তাঁকে পরাজিত করতে না পারলেও তাদের এদেশীয় দোসর মীরজাফরদের নীল নকশার কাছে পরাজিত হয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রান দিতে হয়েছিলো বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু তাহের খান খসড়ুকে।যুদ্ধ পরবর্তী ১৯৭৫সালে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী স্বৈরাচারী মোস্তাক সরকারের অবৈধ কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় এবং স্বৈরাচারী ভূমিকার বিরুদ্ধে কথা বলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু তাহের খান খসড়ুকে চট্টগ্রাম পাহাড়তলি হাজী ক্যাম্পে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো এবং সেখানেই তাঁর প্রাণ প্রদীপ চিরতরে নিভিয়ে দেয়া হয়েছিলো।অসীম সাহসী দেশপ্রেমিক এই মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দোহাজারবাসী হারালো একজন বিচক্ষণ, সাহসী ও মেধাবী নেতাকে। মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু তাহের খান খসড়ুর মৃত্যুবার্ষিকীর এই দিনে তাঁর স্মৃতির প্রতি রইলো অকৃত্রিম ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু তাহের খান খসড়ু।

Address

Dohazari

Telephone

01813267780

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amader Dohazari-আমাদের দোহাজারী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Amader Dohazari-আমাদের দোহাজারী:

Share