Nationalist Cyber Force - NCF

Nationalist Cyber Force - NCF Be Nationalist, Be Patriot, Be Proud
- সবার আগে বাংলাদেশ

বেশি না  মাত্র ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ কক্সবাজারের  টেকনাফ পৌর জামায়াতের নেতা আটক!!
07/09/2026

বেশি না মাত্র ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ কক্সবাজারের টেকনাফ পৌর জামায়াতের নেতা আটক!!

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী সর্বশেষ লংমার্চে যে গাড়িটি ব্যবহার করেছেন, সেটি মনিরুল ইসলাম তুষারের।মনিরুল ইসলাম আওয়ামী লীগের নেতা...
07/09/2026

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী সর্বশেষ লংমার্চে যে গাড়িটি ব্যবহার করেছেন, সেটি মনিরুল ইসলাম তুষারের।
মনিরুল ইসলাম আওয়ামী লীগের নেতা এবং সাবেক চেয়ারম্যান। ভোট কারচুপির মাধ্যমে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৬ সালের আগে তিনি বিএনপির নেতা ছিলেন। ২০১৬-এর পর আওয়ামী লীগে যোগ দেন। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও মিছিলে তার অসংখ্য ভিডিও ও পোস্ট পাওয়া যায়। ২০২২ সালে তিনি বিএনপি-জামায়াত বিরোধী বিক্ষোভেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন।
তার বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালান, অর্থ আত্মসাৎ এবং বিদেশি সিগারেট চোরাচালানের অভিযোগ রয়েছে। নিজ এলাকায় তার বিরুদ্ধে ঝাড়ু নিয়ে মিছিলও হয়েছে।

সুশীল, পলাতক, মধ্যপ্রাচ্যের কামলা, আগেই ভালো ছিলাম- লীগাররা পান থেকে চুন খসলেই শেখের বেটি জন্য হায় হায় করে উঠে।২০১৪/১৮/২...
06/09/2026

সুশীল, পলাতক, মধ্যপ্রাচ্যের কামলা, আগেই ভালো ছিলাম- লীগাররা পান থেকে চুন খসলেই শেখের বেটি জন্য হায় হায় করে উঠে।

২০১৪/১৮/২৪ বাদ, শুধু মাত্র হাসিনার ২০০৯ সালের সরকারে প্রথম ৬ মাস আর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের প্রথম ৬ মাসের মধ্যে পার্থক্য রাত দিন।

২০০৯ সালে হাসিনা ক্ষমতা নেয়ার পর ছাত্রলীগ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস দখল নেয়ার জন্য এতো ভয়াবহ সহিংসতা শুরু করে যে - প্রথম আলো মন্তব্য প্রতিবেদন করে: " প্রধানমন্ত্রী কুত্তা সামলান" এবং এর পর থেকে ছাত্রলীগের নাম হয়ে যায় কুত্তালীগ।

২০০৯ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারী বিডিআর বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন আর্মি অফিসারকে শহীদ করা হয় এবং সেই দায় দেয়া হয় বিডিআর জোয়ানদের উপর। আর্মি ও বিডিআরকে পঙ্গু করে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়।

হাসিনা বলেছিলো সে ক্ষমতায় আসলে ১০ টাকা কেজি চালের ব্যবস্থা করবে। সে চালের দাম বেড়ে গিয়ে হয় ৩০ টাকা কেজি।

#ধানেরশীষ #সবারআগেবাংলাদেশ

06/09/2026

আজ সংসদে এমন একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল পাস হয়েছে, যেটাকে আমি সরাসরি ‘বাবা-মায়ের নিরাপত্তা বিল’ বলতে চাই। কারণ বিষয়টি শুধু সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে নয়; বিষয়টি হচ্ছে একজন বাবা-মা জীবনের শেষ বয়সে নিজের ঘরে, নিজের সম্পত্তিতে, নিজের নিরাপত্তা ও সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবেন কি না। আর সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো এমন একটি বিল নিয়েও বিরোধীদলের বিরোধিতা এবং ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটেছে। তাই জানা দরকার, আসলে এই বিলটিতে কী আছে এবং এটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয়টা খুব সহজ করে বলি। আমাদের দেশে এমন ঘটনা একেবারে বিরল নয় বাবা-মা জীবিত থাকতেই সন্তানকে নিজের বাড়ি, জমি বা অন্যান্য সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন। বাবা-মায়ের ধারণা ছিল, সন্তান তো নিজেরই; আজ লিখে দিলাম, কাল তো সেই সন্তানই দেখবে। কিন্তু বাস্তবে কোথাও কোথাও দেখা গেছে, সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পর সেই বাবা-মাই নিজের বাড়িতে পরের মতো হয়ে গেছেন কেউ কেউ বৃদ্ধাশ্রমে যেতেও বাধ্য হয়েছেন আবার সন্তান নিজেই বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসেছেন । সন্তান সম্পত্তির মালিক হয়ে গেছে, কিন্তু বাবা-মায়ের জীবনের নিরাপত্তা আর নিশ্চিত থাকেনি। এমন ঘটনা নিয়ে আদালতেও মামলা হয়েছে। এই বাস্তব সমস্যাটাকেই আইনের আওতায় এনে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এতদিন আইনে সমস্যা কোথায় ছিল? প্রচলিত সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর কাঠামোয় কেউ সম্পত্তি দান করলে মালিকানা ও ভোগদখলের অধিকার গ্রহীতার কাছে চলে যাওয়ার ফলে দাতা জীবিত থাকলেও নিজের দেওয়া সম্পত্তি ব্যবহার করার আলাদা আইনি নিশ্চয়তা স্পষ্ট ছিল না। ফলে একজন বাবা হয়তো জীবিত অবস্থাতেই ছেলেকে বাড়ি লিখে দিলেন, কিন্তু পরে সেই বাড়িতে থাকার অধিকার নিয়ে তিনিই অনিরাপদ হয়ে পড়লেন। মন্ত্রিসভার অনুমোদিত সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল এই জায়গাটিতেই জীবনকালীন ভোগ ও ব্যবহারের অধিকারকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া।

এই নতুন ব্যবস্থাটার একটা উদাহরণ দেই। ধরুন, একজন বাবা তাঁর বাড়িটি জীবিত অবস্থায় তাঁর ছেলের নামে লিখে দিলেন। অর্থাৎ ভবিষ্যতের মালিকানা সন্তানের নামে চলে গেল। কিন্তু বাবা যদি দলিলে তাঁর জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণ করেন, তাহলে বাবা যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন তিনি ওই বাড়িতে বসবাস ও সম্পত্তিটি ভোগ-ব্যবহার করার অধিকার রাখবেন। অর্থাৎ সন্তানকে সম্পত্তি দেওয়া মানেই বাবা-মাকে সেই সম্পত্তি থেকে জীবিত অবস্থায় উচ্ছেদ করে দেওয়া নয়। মালিকানা হস্তান্তর আর বাবা-মায়ের জীবনকালীন ভোগের অধিকার—এই দুটো বিষয়কে আইনে আলাদা করে সুরক্ষা দেওয়াটাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে আরেকটি বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সংশোধনী শুধু ছেলে সন্তানদের জন্য নয়। বাবা-মা সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করলেও জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণের সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ সন্তান ছেলে না মেয়ে—সেটা এখানে মূল বিষয় নয়। ফলে যেসব বাবা-মা ভবিষ্যতে নিজেদের সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে দিয়ে যেতে চান, কিন্তু একই সঙ্গে নিজের শেষ বয়সের নিরাপত্তা নিয়েও চিন্তিত থাকেন, তাঁদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি সুরক্ষা তৈরি করছে।

আমি এটাকে ‘বাবা-মায়ের নিরাপত্তা বিল’ বলছি এই কারণেই। কারণ জীবনের শেষ বয়সে একজন বাবা-মায়ের সবচেয়ে বড় সম্পদ শুধু তাঁর জমি-বাড়ি নয়; তাঁর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন নিরাপদ আশ্রয়, সম্মান এবং নিজের জীবনের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ। যে বাবা সারাজীবন সন্তানকে বড় করেছেন, নিজের কষ্টের টাকা দিয়ে বাড়ি করেছেন, জমি করেছেন, শেষ বয়সে সেই সম্পত্তি সন্তানকে দিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চেয়েছেন—আইন যদি তাঁকে বলে, ‘সম্পত্তি দিয়েছ, কিন্তু জীবিত থাকা পর্যন্ত তোমার ব্যবহার ও ভোগের অধিকার থাকবে’, তাহলে এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা।

আরেকটি বিষয় সাধারণ মানুষের বোঝা দরকার—এটি সম্পত্তি দান বা হস্তান্তরের পুরো আইন বাতিল করে দেওয়া নয়। বরং বিদ্যমান আইনের মধ্যে জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণের একটি নির্দিষ্ট আইনি ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে। অর্থাৎ বাবা-মা চাইলে জীবিত অবস্থায় সন্তানকে সম্পত্তি দিতে পারবেন, কিন্তু একই সঙ্গে নিজের জীবদ্দশার নিরাপত্তাটাও আইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করার সুযোগ পাবেন।

এখন প্রশ্নটা বিরোধীদলের দিকে। রাজনৈতিক দল হিসেবে কোনো বিলের বিরোধিতা করার অধিকার অবশ্যই আছে। কোনো বিলের কোনো ধারা নিয়ে আপত্তি থাকলে সংসদে যুক্তি দিয়ে আপত্তি জানানো, সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়া, ভোটে বিরোধিতা করা—এসবই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ। কিন্তু যে বিলের মূল উদ্দেশ্য বাবা-মা বা দাদা-দাদির মতো দাতাদের জীবদ্দশায় তাঁদের সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সেই বিলের বিরোধিতা করে ওয়াকআউট করার রাজনৈতিক যুক্তিটা সাধারণ মানুষ অবশ্যই জানতে চাইতে পারে। আজ সংসদে বিরোধীদলের ওয়াকআউট এবং বিলটির বিরোধিতাটা আসলে কেন সেটাই মাথায় ঢুকছে না।

প্রশ্ন খুব সরল—আপনারা বিলটির কোন জায়গার বিরোধিতা করছেন? বাবা-মা জীবিত থাকা পর্যন্ত তাঁদের নিজের সম্পত্তি ব্যবহার করার অধিকার থাকবে—এই জায়গাটার বিরোধিতা করছেন? নাকি অন্য কোনো ধারায় আপত্তি আছে? যদি কোনো নির্দিষ্ট ধারা নিয়ে সমস্যা থাকে, সেটি জনগণের সামনে পরিষ্কার করে বলুন। কারণ সাধারণ মানুষ রাজনীতির জটিল ভাষা বোঝে না; তারা শুধু এটুকু বোঝে—‘আমি আমার সম্পত্তি সন্তানকে দিয়ে দিলেও আমি কি জীবিত থাকা পর্যন্ত আমার নিজের বাড়িতে থাকতে পারব?’

আজকের এই সংশোধনীর গুরুত্ব এখানেই। আমাদের সমাজে সন্তান মানেই বাবা-মায়ের নিরাপত্তা এই সুন্দর ধারণাটি সব পরিবারে বাস্তবে একই রকম থাকে না। অধিকাংশ সন্তান নিশ্চয়ই বাবা-মায়ের যত্ন নেয়, কিন্তু আইন কখনো শুধু ভালো মানুষের ওপর নির্ভর করে তৈরি হয় না; আইন তৈরি হয় সেই মানুষটির জন্যও, যে দায়িত্ব ভুলে যেতে পারে, সম্পর্কের মর্যাদা রাখতে নাও পারে, কিংবা সম্পত্তি পাওয়ার পর বাবা-মায়ের প্রতি অন্যায় করতে পারে। তাই এই আইন কোনো সন্তানের বিরুদ্ধে নয়; বরং বাবা-মায়ের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য।

একজন বাবা যদি তাঁর জীবনের শেষ সম্বলটুকু সন্তানের নামে লিখে দিয়ে পরে সন্তানের দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, সেটি কোনো সভ্য সমাজের কাঙ্ক্ষিত চিত্র হতে পারে না। বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি দেবেন এটা তাঁদের ভালোবাসা ও ইচ্ছা। কিন্তু সেই সম্পত্তি দেওয়ার কারণে বাবা-মা যেন নিজের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিরাপত্তাহীন না হন এটা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই জায়গা থেকেই আমি মনে করি, এই সংশোধনী শুধু একটি সম্পত্তি আইন সংশোধন নয়; এটি আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাকে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ।

তাই বিরোধিতা করুন, প্রশ্ন তুলুন, সংসদে কঠিন বিতর্ক করুন গণতন্ত্রে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাবা-মায়ের জীবদ্দশার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো একটি আইনি সুরক্ষা নিয়ে বিরোধিতা করলে জনগণও প্রশ্ন করবে আপনারা আসলে কোন ধারার বিরোধিতা করছেন? বাবা-মায়ের অধিকার নিয়ে আপত্তিটা কোথায়? কারণ রাজনীতি শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্য। আর সেই মানুষটির জীবনের শেষ বয়সে যদি নিজের সন্তানকে সম্পত্তি দেওয়ার পরও নিজের ঘরে নিরাপদে থাকার অধিকার নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এই আইনকে রাজনৈতিক চশমায় না দেখে আগে একজন বৃদ্ধ বাবা কিংবা অসহায় মায়ের চোখ দিয়ে দেখা উচিত।

বাবা-মা জীবিত থাকা অবস্থায় তাঁদের সম্পত্তি সন্তান পেতে পারে কিন্তু সেই সম্পত্তির কারণে বাবা-মা যেন নিজের ঘরেই পরবাসী না হন, এই নিশ্চয়তাটাই এই সংশোধনীর সবচেয়ে বড় কথা। তাই আমি এটাকে শুধু ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধনী’ হিসেবে দেখি না আমি দেখি, এটি বৃদ্ধ বাবা-মায়ের নিরাপদ জীবনের একটি আইনি ঢাল হিসেবে।

যদি দেশ স্বাধীন না হতো তখন কোনো এক পাকিস্তানি জেনারেলের টেবিলে আসিফ----
05/09/2026

যদি দেশ স্বাধীন না হতো তখন কোনো এক পাকিস্তানি জেনারেলের টেবিলে আসিফ----

05/09/2026
04/09/2026

অশ্লীল ভাষায় একজন সরকারপ্রধানকে গালাগালি করা, কিংবা তাঁকে ‘জারজ’ বলে সম্বোধন করাকে যদি কেউ ‘প্রতিবাদী ভাষা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাহলে দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় প্রতিবাদের সংজ্ঞা ও শালীনতার সীমারেখা সম্পর্কে তাঁর ধারণা অত্যন্ত দুর্বল। প্রতিবাদ অবশ্যই তীব্র, কঠোর ও আপসহীন হতে পারে; কিন্তু প্রতিবাদী হওয়া আর অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা এক বিষয় নয়। একজন মানুষের শিক্ষাদীক্ষা, রুচিবোধ ও মানসিক পরিপক্বতার পরিচয় তাঁর বক্তব্যের ভাষাতেই প্রকাশ পায়।

আর যাঁকে আপনারা হাদী ভাইয়ের সৈনিক বা অনুসারী হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন, তাঁর আচরণ ও ভাষার সঙ্গে হাদী ভাইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান ও প্রতিবাদের ধরনকে এক করে দেখা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। হাদী ভাইও অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে বরাবরই বলিষ্ঠ কণ্ঠে কথা বলেছেন, কিন্তু তাঁর প্রতিবাদের ভাষা ছিল শালীন, মার্জিত, যুক্তিনির্ভর ও ভদ্র। তাই একজন অশ্লীল ও বেয়াদব ব্যক্তিকে হাদী ভাইয়ের অনুসারী হিসেবে উপস্থাপন করা শুধু ওই ব্যক্তির আচরণকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা নয়; একই সঙ্গে এটি হাদী ভাইয়ের রাজনৈতিক রুচি ও ব্যক্তিত্বকেও ছোট করার শামিল।

আরেকটি বিষয় আপনাদের কাছে প্রশ্ন হিসেবে রাখতে চাই। বাংলাদেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের যে সংকট চলছে, সেটার সম্পূর্ণ দায় কি নিশ্চিতভাবে বর্তমান সরকারের ওপরই দেওয়া যায়? নাকি বিষয়টিকে একটু বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখার প্রয়োজন আছে? আমাদের দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে কয়লা, গ্যাস, তেলসহ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য ও সরবরাহব্যবস্থার সংকট সবকিছুরই প্রভাব আমাদের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির ওপর পড়ে।

তাহলে কোনো একটি সমস্যার সমালোচনা করার আগে পুরো প্রেক্ষাপটটা বিবেচনা করা কি আমাদের দায়িত্ব নয়? অতীতের সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন নীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বাস্তবতা এবং বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি সবকিছু মিলিয়েই একটি সংকট তৈরি হয়। তাই শুধু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সব সমস্যার দায় একটি পক্ষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনি সমস্যাকে অস্বীকার করাও সমাধান নয়। আমরা সরকারের সমালোচনা করব, ভুল-ত্রুটি তুলে ধরব, জবাবদিহিতা চাইব এটাই গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু সেই সমালোচনা হতে হবে তথ্য, যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে। কারও সঙ্গে মতের অমিল হলেই অশ্লীল ভাষা, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যকে ‘প্রতিবাদ’ বলে চালিয়ে দেওয়া কোনো সচেতন সমাজের কাম্য হতে পারে না। মনে রাখতে হবে প্রতিবাদের শক্তি অশ্লীল ভাষায় নয়, যুক্তির দৃঢ়তায়। প্রেক্ষাপট বুঝে, তথ্য যাচাই করে এবং শালীন ভাষায় কঠোর সমালোচনা করতে পারাটাই একজন সচেতন, জ্ঞানী ও সুশিক্ষিত মানুষের প্রকৃত পরিচয়।

কিন্তু যদি আপনাদের কাছে ‘বাক্‌স্বাধীনতা’ মানেই হয় যে কোনো রাজনৈতিক নেতার পরিবারের সদস্যদের টেনে এনে নোংরা ভাষায় গালাগালি করা, তাহলে আসুন সেই যুক্তিটাকেই একবার অন্য দিক থেকে দেখি। দেশব্যাপী বাক্‌স্বাধীনতার চর্চা হবে! ঢাকা-সহ দেশের সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় অবস্থিত জামায়াত, শিবির ও এনসিপি নেতাদের বাসার সামনে মাইক লাগিয়ে তাঁদের মা, বোন, স্ত্রী ও কন্যাদের নোংরা ভাষায় গালাগালি দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হবে। আগ্রহীরা নিজ নিজ এলাকার জামায়াত, শিবির ও এনসিপি নেতাদের বাসার সামনে মাইক লাগিয়ে তাঁদের স্ত্রী, কন্যা, বোন ও মাকে নোংরা ভাষায় গালাগালি দিয়ে সেটি ভিডিও করে নিজ নিজ প্রোফাইল ও পেইজে আপলোড করতে পারেন! এভাবেই যদি বাংলাদেশে ‘বাক্‌স্বাধীনতা’ চর্চা করা হয়, তাহলে প্রশ্ন হলো—যদি আপনাদের নেতার বাসার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়, তখনও কি আপনারা সেটাকে একইভাবে ‘বাক্‌স্বাধীনতা’ ও ‘প্রতিবাদী ভাষা’ বলবেন? নাকি তখন হঠাৎ করে শালীনতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও প্রতিবাদের সীমারেখার কথা মনে পড়বে?

আর এখানেই আসল জায়গাটা। যে নীতি নিজের প্রতিপক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য, সেই একই নীতি নিজের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হলে সেটাকেও গ্রহণ করার মানসিকতা থাকতে হবে। তা না হলে সেটা বাক্‌স্বাধীনতার চর্চা নয়, সেটা হলো নিজের সুবিধামতো বাক্‌স্বাধীনতার সংজ্ঞা তৈরি করা। রাজনৈতিক মতের বিরোধিতা করুন, সরকারের সমালোচনা করুন, নেতার বক্তব্যের জবাব দিন, ভুল-ত্রুটি তুলে ধরুন প্রয়োজনে কঠোর ভাষায় করুন। কিন্তু অশ্লীলতা ও কুরুচিকে ‘প্রতিবাদ’ বলে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করলে সেটার বিরুদ্ধে কথা বলাও আমাদের অধিকার। কারণ প্রতিবাদের শক্তি গালিতে নয়; প্রতিবাদের শক্তি সত্য, যুক্তি, সাহস ও রাজনৈতিক অবস্থানে।

টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় শিবিরের ফিমেল জোনের ভেতর জনৈক নিরপেক্ষ সাধারণ ভাই। শীঘ্রই হয়তো উন্মোচিত হবে কার পাছা গেসে কার টেবিল...
03/09/2026

টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় শিবিরের ফিমেল জোনের ভেতর জনৈক নিরপেক্ষ সাধারণ ভাই। শীঘ্রই হয়তো উন্মোচিত হবে কার পাছা গেসে কার টেবিলে.... 🙏

সাবেক শিশু উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সংশ্লিষ্ট সহ প্রত্যেকেই বদলী বাণিজ্যে দূর্নীতি র সত্যতা মিলেছে ; দুদক।হাঁস মাহমুদ কট।   ...
02/09/2026

সাবেক শিশু উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সংশ্লিষ্ট সহ প্রত্যেকেই বদলী বাণিজ্যে দূর্নীতি র সত্যতা মিলেছে ; দুদক।
হাঁস মাহমুদ কট।

#ধানেরশীষ #সবারআগেবাংলাদেশ াংলা

চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ইসহাক সরকার এবার যোগ দিয়েছেন এনসিপিতে। অন্যদিকে, তাঁর আপন ভাই যোগ দিয়েছেন জামায়া...
01/09/2026

চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ইসহাক সরকার এবার যোগ দিয়েছেন এনসিপিতে। অন্যদিকে, তাঁর আপন ভাই যোগ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীতে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nationalist Cyber Force - NCF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share