17/01/2026
বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যাদের চুলকানি তাদের জন্য:-
বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছেন, নারীর অগ্রগতি নিয়ে কাজ করে গেছেন।
★১৯৭৬ সালের স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ প্রবর্তন করেন, যার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন চালু হয়। এর ফলে নারীরা সরাসরি স্থানীয় প্রশাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পান
★১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত দেশ-দাইউ চুক্তি বাংলাদেশে প্রস্তুত তৈরি পোশাক শিল্পের (জগএ) যাত্রা শুরু করেছিল। এই শিল্প এখন দেশের সর্ববৃহৎ রপ্তানি খাত এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। বর্তমানে এই খাতে কর্মরত প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের মধ্যে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ নারী। গ্রামীণ দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা এখন পোশাক কারখানায় কাজ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে, দারিদ্র্যের চক্র ভেঙে নিজের পরিবার ও সমাজে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা অর্জন করছে।
★১৯৭৯ সালের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৩০-এ উন্নীত করে।
★১৯৯১ সালে বিএনপি নির্বাচিত হয়ে প্রথম নারীদের জন্য মাধ্যমিক পযন্ত ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করে।
★ফ্রি শিক্ষার পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু করে।
★আজ নারী শিক্ষার অগ্রগতি বিএনপির এই পরিকল্পনার অন্যতম ফসল
★১৯৯৩ সালে শুরু হওয়া ফুড ফর এডুকেশন কর্মসূচি দরিদ্র পরিবারগুলোকে খাদ্য প্রণোদনা দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছিল। ★পরবর্তীতে ২০০২ সালে এই কর্মসূচিকে নগদ অর্থভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা ভাতা কর্মসূচিতে রূপান্তর করা হয়, যা এখনো দরিদ্র পরিবারের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছে।
★২০০৩ সালে চালু হয় হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড পপুলেশন সেক্টর প্রোগ্রাম (ঐঘচঝচ), যেখানে ৪.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা
ফ্যামিলি কার্ড বিএনপি একটি সুদৃঢ় পরিকল্পনা, যা তারা ক্ষমতায় আসলে গ্রামীন, অসচ্ছল পরিবারের নারীদের প্রদান করা হবে।
এটা জনগনের কাছে তাদের অঙ্গীকার, ইনশাআল্লাহ Bangladesh Nationalist Party-BNP ক্ষমতায় আসলে দ্রুতসময়ে চালু হবে।
বি:দ্র- যাদের চুলকানি তারা পারলে এক থেকে বেট্যার পরিকল্পনা মানুষের জন্য আনুন, অন্য পরিকল্পনায় নিজের গএদাহ্ না করুন।