ধানের শীষে ভোট দিন

ধানের শীষে ভোট দিন ডানপন্থী গণতান্ত্রিক দল বিএনপি, দেশ ও জনগণের পক্ষের শক্তি। ধর্ম যার যার দেশ সবার।

09/11/2025

ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে বাংলাদেশের মন্ত্রী হয়েছেন সালাউদ্দিন আহমেদ,আমান উল্লাহ আমান,রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু,এহসানুল হক মিলন সহকারে একঝাঁক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।

ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে দেশের বিভিন্ন সিটির মেয়র হয়েছেন মিজানুর রহমান মিনু,আরিফুল হক,ডক্টর শাহাদাত হোসেন,মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল সহকারে একঝাঁক দেশবরেণ্য ছাত্রনেতা।

ছাত্রদলের রাজনীতি করে এমপি হয়েছেন শামসুজ্জামান দুদু,খায়রুল কবির খোকন,আবুল খায়ের ভূঁইয়া,নাজিম উদ্দিন আলম,ফজলুল হক মিলন,শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি,হাবিবুর ইসলাম হাবিব সহকারে আরো একঝাঁক মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতারা।

ছাত্রদলের রাজনীতি করে পার্লামেন্টে গিয়েছেন সৈয়দ আশরাফী পাপিয়া,নিলুফার চৌধুরী মনি,রেহানা আক্তার, শাম্মী আক্তার সহকারে এ-ই যুগের একঝাঁক মহীয়সী নারীরা।

ছাত্রদলের রাজনীতির ইতিহাসে যেকয়টি নাম আজও বারবার আমাদের স্মরণে আসে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ইলিয়াস আলী,নাসিরুদ্দিন পিন্টু,শফিউল বারী বাবু সহকারে একঝাঁক প্রয়াত নেতারা।

ছাত্রদলের রাজনীতি করে আজ বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতেও বিশাল প্রভাব রাখছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আসাদুজ্জামান রিপন,রুহুল কবির রিজভী,হাবিব উন নবী খান সোহেল সহকারে অনেকেই।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য ছাত্রদলের একঝাঁক সাবেক নেতার নাম ঘোষণা করা হয়েছে খন্দকার আবু আশফাক,নুরুল ইসলাম নয়ন,রাজিব আহসান,আনিসুর রহমান খোকন,কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ সহকারে অনেক বীরসেনানীদের নাম।

ছাত্রদল শুধু ছাত্রদলের জন্যই নেতা তৈরী করে না, দেশের আগামীর মন্ত্রী এমপি মেয়র কিংবা দেশকে আলোকিত করার মতো রাজনীতিবিদ কারা হবে;সেটাও ছাত্রদল ঠিক করে,ইতিহাসও সেই সাক্ষ্য দেয়।

১৯৯০ এর গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস যে-ই যেভাবেই লেখুক কিন্তু সে-ই ইতিহাসে আমান উল্লাহ আমান,খায়রুল কবির খোকন,নাজিম উদ্দিন আলম,শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিদের নাম আসবেই।

১-১১ এর সে-ই বিরাজনীতিকরণের মহাসংকটে ১-১১ এর সরকারের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংবাদ সম্মেলন করেন বর্তমান ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি আবু আফসান ইয়াহিয়া এবং ১-১১ সরকারের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম মিছিল হয় তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের হাসান মামুনের নেতৃত্বে।

তারপর আসলো হাসিনার সে-ই স্বৈরশাসন।এই ১৭ বছরে শুধু ছাত্রদলেরই ৭০+ হাজার নেতা-কর্মী মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছে,৮০০+ মার্ডার হয়েছে,১৫০+ গুম হয়েছে;বহু নেতা-কর্মী অন্ধত্ব,পঙ্গুত্ব বরণ করেছে।

সর্বশেষ জুলাই আন্দোলনেও ছাত্রদলের জেলা মহানগরীর একেবারে শীর্ষ নেতা সহকারে ১৪২ জন মারা গেছে,সারা দেশব্যাপী ছাত্রদলের ২৫০০+ পদধারী নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলার আসামি করা হয়েছে।

ছাত্রদল প্রতিষ্ঠাকালীর পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে যতগুলো গণ আন্দোলন হয়েছে সবগুলোতেই ছাত্রদল মহীরুহ ভূমিকা রেখেছে।কোনো গণ আন্দোলন হয়েছে যেখানে ছাত্রদলের সম্পৃক্ততা নাই,এমনটা কেউ দেখাতে পারবে না।

বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির অন্য ছাত্র সংগঠন গুলো দুঃসময়ে থাকে বিড়ালের মতো কিন্তু সুসময় আসলে তারা হয়ে যায় সিংহের মতো;মির্জা গালিব থেকে সাদিক কায়েম কিংবা এনামুল হক শামীম থেকে সাদ্দাম হোসেনই,সবচেয়ে বড়ো উদাহরণ।

এক্ষেত্রে এ-ই সংগঠন সবসময়ই ভিন্ন,সুসময় দুঃসময় সবসময়ই মহিরুহ ভূমিকায় থাকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।শত জুলুম নির্যাতনের পরও ছাত্রদলকে টলাতে পারে না-ই কেউ।ছাত্রদল নেতাদের মুখ থেকে মিথ্যা স্বীকারোক্তি কিংবা সাজানো বক্তব্য-শ্লোগান বের করতে পারে নাই কোনো স্বৈরাচারই।

হ্যা,শিক্ষা ঐক্য প্রগতির বার্তা দেওয়া জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হয়তো-বা কিছু সংকট পার করছে তবে আমি বিশ্বাস করি ছাত্রদল অচীরেই তার চিরচেনা ঐতিহ্যতে ফিরবেই।

দেশের দুঃসময়ে পালিয়ে যাওয়া মির্জা গালিব কিংবা সুশীলরা নয় বাংলাদেশের ছাত্রসমাজই ঠিক করবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আগামীর পরিণতি কোন দিকে হাঁটবে....

বর্তমান ছাত্রদল, দেশ ও দলের প্রতি অনুগত থেকে ঐক্যের রাজনীতি করুন, নিশ্চয়তা দিচ্ছি লিখার শুরুতে যে সকল সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সাফল্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে আপনারাও ঠিক সেই লেভেলে অচীরেই সম্মানীত হবেন।

08/11/2025

গতকালের বিজয় র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল শ্লোগান দিচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার-ধানের শীষ,তারেক রহমানের-ধানের শীষ;এখান পর্যন্ত সব ঠিক ছিলো।

কিন্তু হঠাৎ করে মির্জা ফখরুল শ্লোগান দিচ্ছে,"মির্জা আব্বাসের-ধানের শীষ"বেশ কয়েকবারই এই শ্লোগান দিলেন আর মির্জা আব্বাস সামনে থেকে মুচকি হাসছেন।

ইতিহাস বলে,২০০১ সালের নির্বাচনে সাইফুর রহমান শুধু তার এলাকাই নয় সিলেটের অধিকাংশ সংসদীয় আসনেই ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন।

তরিকুল ইসলামতো শুধু নিজ জেলা যশোর নয় খুলনার অধিকাংশ আসনেই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন।২০০১ এর নির্বাচনে তরিকুল ইসলাম শুধু নিজে এমপি হোন নাই,খুলনা থেকে বিপুলসংখ্যক তরুণ নেতা নিয়ে পার্লামেন্টে যোগ দিয়েছেন।

যদি তারও আগে যা-ই আব্দুস সালাম তালুকদার,মির্জা গোলাম হাফিজ কিংবা কর্ণেল মোস্তাফিজুর রহমান তারা শুধু নিজে এমপি হোন নাই;নিজেদের বিভাগ থেকে বিপুলসংখ্যক এমপি বানিয়েছেন আর এজন্যই হয়তো ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সব জনমত আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকা সত্বেও বিএনপি সে-ই নির্বাচনে জয়ী হয়।

এই নির্বাচনেও বিএনপি এমন কিছু হেভিওয়েটদের নমিনেশন দিয়েছে যারা শুধু নিজের এলাকা নয়;তারা চাইলেই আশেপাশের কয়েকটা সংসদীয় আসনে ধানের শীষের ভোটব্যাংকে ফ্যাক্ট তৈরি করতে পারবে।

কুমিল্লার উত্তরে ডক্টর খন্দকার মোশাররফ,নরসিংদীতে আব্দুল মঈন খান,ঢাকায় মির্জা আব্বাস,কক্সবাজারে সালাউদ্দিন আহমেদ,পঞ্চাগড়ে জমিরউদ্দীন সরকার।

রাজশাহীতে মিজানুর রহমান মিনু, লালমনিরহাটে আসাদুল হাবিব দুলু,যশোরে নার্গিস ইসলাম,নেত্রকোণায় লুৎফুজ্জামান বাবর সহ অনেকেই।

উপরোক্ত উল্লেখিত এসব নেতা ছাড়াও আর এমন অনেকেই আছে যারা শুধু নিজেদের সংসদীয় আসনে নয়;আশেপাশের আরো কয়েকটা আসনেও সাধারণ জনগণের কাছে পরিচিত মুখ।

দলের বর্তমান সর্বোচ্চ সিনিয়র নেতা হওয়া সত্বেও গতকাল মির্জা ফখরুল যে-ই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে;বিএনপির এসব আকাশচুম্বী জনপ্রিয় নেতারাও সে-ই একই পথে হাঁটবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে এসব সম্প্রিতি ঐতিহ্যবাহী।অতীতেও বিএনপির বহু সিনিয়র নেতাদের দেখেছি যারা নিজেরা এমপি মন্ত্রী হোন নাই,নিজেদের আশেপাশের থেকেও বহুজনকে এমপি মন্ত্রী বানিয়েছেন।

সে-সব সিনিয়র নেতাদের অনেকেই এখন আর আমাদের মাঝে নাই কিন্তু তাদের হাতে সৃষ্ট কর্মীরাই তাদের জন্য এখন শোকসভা কিংবা স্মরণসভার আয়োজন করে;একজন রাজনীতিবিদের এর চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার আছে কি-না আমি জানি না।

বিএনপি ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি এমন ১৭ জনকে নমিনেশন দিয়েছিলো যাদের ইলেকশন করার টাকাটা পর্যন্ত ছিলো না কিন্তু এলাকায় আকাশচুম্বী জনপ্রিয়।বিএনপির সিনিয়র কিংবা ব্যবসায়ীক নেতারা সে-ই ১৭ জনকে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে ইলেকশন করিয়েছে। ২০১৮ সালেও বিএনপি এমন ২৯ জনকে নমিনেশন দিয়েছে যাদেরও ইলেকশন করার টাকা ছিলো না।

আসন্ন নির্বাচনের মনোনয়নেও এমন কিছু নাম আছে যাদের একটা নির্বাচন করার জন্য যতো টাকা দরকার ততো টাকাও না-ই কিন্তু এলাকায় আকাশচুম্বী জনপ্রিয় হওয়ার কারণে বিএনপি তাদের নমিনেশন দিয়েছে।

বিএনপি টাকা নিয়ে নমিনেশন দেয় যারা এমন মিথ প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন তাদের শুধু অনুরোধ করবো শুধু বিএনপির রাজশাহী,রংপুর,খুলনা বিভাগে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের সম্পদ নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করুন;আশা করি উত্তর পেয়ে যাবেন।

বিএনপি তৃনমূলে টুকটাক বিশৃঙ্খলা থাকলেও বিএনপির সিনিয়র নেতারা সবসময় সম্প্রিতি ঐক্যের বার্তাই দিয়ে আসছিলো;আগামী নির্বাচনেও বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে শুধু ধানের শীষের পক্ষে ঐক্য চাই আর বাকী কাজ এদেশের জনগণই করবে...

05/11/2025

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বাংলাদেশের রাজনীতির বিগত ৪ দশকের সবচেয়ে পরিচিত নাম গুলোর মধ্যে একজন।সেইই গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মতো হেভিওয়েট নেতাকে বিএনপি ১৯৯১,১৯৯৬,২০০১ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন দেয় নাই।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের চেয়ে অনেক জুনিয়র একজন সাবেক ছাত্রনেতাকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে ঐ আসনে।গয়েশ্বর রায় সকল মান অভিমান ভুলে দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে ধানের শীষের সে-ই প্রার্থীকে জয়ী করে আনতে নিরলস ভূমিকা রেখেছেন।

সে-ই গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে বিএনপি টেকনোক্র্যাট কৌটায় প্রতিমন্ত্রী করেন।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে পঞ্চাগড়-১ আসন থেকে বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা মির্জা গোলাম হাফিজ এবং ব্যারিস্টার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।দল সর্বশেষ নমিনেশন দেয় মির্জা গোলাম হাফিজকে।

জমিরউদ্দীন সরকারের মতো হেভিওয়েট নেতা এতে বিচলিত হোন নাই কিংবা নিজের কর্মীদের দলের বিরুদ্ধে উস্কিয়ে দেন না-ই।পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া তার জেতা ঢাকা-০৯ আসন জমিরউদ্দীন সরকারের জন্য ছেড়ে দেন।

হারিস চৌধুরী বাংলাদেশের রাজনীতির আরেক আলোচিত সিংহপুরুষের নাম।২০০১ সালে বিএনপি সেই হারিস চৌধুরীকে নমিনেশন দেয় নাই,জোটের একজন প্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে।

জোটের সে-ই প্রার্থী ছিলো একেবারে অপরিচিত মুখ কিন্তু হারিস চৌধুরীর মতো হেভিওয়েট নেতা জোটের সেই প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা রেখেছেন ঐ সিলেট-৫ আসনে।

দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সর্বোচ্চ আনুগত্যের উপহার হিসেবে সেইই হারিস চৌধুরীকে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় রাজনৈতিক সচিব করেন বেগম খালেদা জিয়া।

বরকত উল্লাহ বুলু বিএনপির রাজনীতির গত কয়েক দশকের আরেক হেভিওয়েট নাম।সেইই বরকত উল্লাহ বুলুকেও ২০০১ সালে বিএনপি মনোনয়ন দেয় নাই।

একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে ঐ আসনে।ধানের শীষের সেই প্রার্থীকে জিতিয়ে আনতে বরকত উল্লাহ বুলু ঐ বেগমগঞ্জ দিনরাত এক করে কাজ করেন।পরবর্তীতে সে-ই বরকত উল্লাহ বুলুকে বিএনপি বাণিজ্য উপদেষ্টা করেন।

আমি জাস্ট কয়েকজন হেভিওয়েট নেতার নাম নিয়েছি,আমি চাইলে এমন আরো অনেক উদাহরণ দিতে পারবো তবে চারটা উদাহরণ চার রকমের;যুবনেতা+ছাত্রনেতা,দুই হেভিওয়েট নেতা,জনপ্রিয় নেতা+জোটের প্রার্থী,রাজনীতিবিদ+ব্যবসায়ী।

গত পরশু বিএনপি প্রাথমিক ভাবে মনোনয়ন দেওয়ার পর অনেকেই নিজেদের ধানের শীষ কিংবা বিএনপির চেয়েও অপরিহার্য মনে করছেন;যেটা খুবই দুঃখজনক। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বারবার মেনশন করে বলেছে,এটা চূড়ান্ত মনোনয়ন নয়;সময়ের প্রয়োজনে পরিবর্তন করা হবে।

কিন্তু আপনাদের সেইই ধৈর্য্যটুকু ধরার সময় নাইই।যেইই কয়জন নেতার কর্মীরা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে জনগণের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন;আপনারা কেউই রাজনীতিবিদ হিসেবে উপরোক্ত উল্লেখিত মির্জা গোলাম হাফিজ,জমিরউদ্দীন সরকারের চেয়ে বড়ো নাম নয়।

আপনাদের দীর্ঘদিনের ত্যাগ সংগ্রামের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা আছে আর সেইই শ্রদ্ধা থেকে বলছি,আপনারা যত বড়ো নামই হোন না কেনো কিন্তু বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ তথা ধানের শীষের চেয়েও অপরিহার্য কেউ নয়।

বিএনপি বলেছে এটা চূড়ান্ত তালিকা নয় এর পরিপ্রেক্ষিতে অলরেডি কয়েকজনের মনোনয়ন বাদ দেওয়া হয়েছে তারপরও আপনারা আর কিছুদিন অপেক্ষা করতে পারছেন না,কী তাড়াহুড়ো আপনাদের..

নেতা-কর্মীদের উসকিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করছেন আবার বিভিন্ন জায়গায় সাক্ষাৎকার দিয়ে বলতাছেন,জনগণ করতাছে;আন্দোলনকারীরা কোন জনগণ আমরা খুব ভালো করে জানি সুতরাং এসব জনগণের দোহাই দলকে অন্তত দিয়েন না,দল বিএনপির এসব কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা গত কয়েক দশকের;আপনাদের হয়তো নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে আর কী...

নাজমুল হুদা,বি-চৌধুরী,মান্নান ভুঁইয়া,শাহজাহান ওমর,এম এ সাত্তার,সৈয়দ ইব্রাহিম;বাংলাদেশের রাজনীতির একসময়কার সবচেয়ে আলোচিত নাম এগুলোই কিন্তু পরবর্তী ইতিহাস সবার জানা....

সুতরাং সো সাবধানে,দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করুন;আপনাদের দীর্ঘদিনের ত্যাগ সংগ্রামকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি কিন্তু দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।ধানের শীষ হোক আমাদের সকলের ঐক্যের প্রতীক...

জয় হোক বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের
জয় হোক ধানের শীষের....

04/11/2025

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম,মনিরুল হক চৌধুরী,ফজলুর রহমান,জয়নাল আবেদীন ফারুক সহকারে একঝাঁক রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আমান উল্লাহ আমান,মিজানুর রহমান মিনু,খায়রুল কবির খোকন,শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি,আবুল খায়ের ভূঁইয়া সহকারে ৯০ এর সে-ই গণঅভ্যুত্থানের একঝাঁক মহানায়কেরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন জুলাই আন্দোলনের সে-ই মহিরুহ সময়ে পল্টন থেকে আটক হওয়া কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ,তানভীর আহমেদ রবিন এবং সেইসঙ্গে জুলাই আন্দোলনে অপরিসীম ভূমিকা রাখা নুরুল ইসলাম নয়ন,রাজিব আহসান সহকারে একঝাঁক বীরসেনানীরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন গুম হওয়া হুম্মাম কাদের চৌধুরী,ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদির লুনা,সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি সহকারে একঝাঁক শহীদ জিয়ার আদর্শের অকুতোভয় সৈনিকরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দীর্ঘদিন নির্বাসিত থাকা শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ,এম এ কাইউম,এম মালেক সহকারে একঝাঁক দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দীর্ঘদিন দেশের প্রয়োজনে কারাবাস বরণ করা আব্দুস সালাম পিন্টু,লুৎফুজ্জামান বাবর সহকারে একঝাঁক দুঃসাহসিক নেতা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ডক্টর খন্দকার মোশাররফ,আব্দুল মঈন খান,আসাদুল হাবিব দুলু,শাহাজাহান মিয়া সহকারে একঝাঁক দেশবরেণ্য শিক্ষকরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাউদ্দিন আহমেদ, আব্দুল বারী সহকারে বাংলাদেশ সরকারের একঝাঁক(বিসিএস ক্যাডার) সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মির্জা আব্বাস,বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু,মজিবুর রহমান সরোয়ার সহকারে একঝাঁক দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন,ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা,ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত জীবন,ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু সহকারে প্রবীন নবীনের সংমিশ্রণে একঝাঁক দেশবরেণ্য চিকিৎসকরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মাহাবুব উদ্দিন খোকন,নওশাদ জমির,কায়সার কামাল,মোঃ হাসান রাজিব,রাগিব রউফ চৌধুরী সহকারে একঝাঁক দেশবরেণ্য আইনজ্ঞরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ইশরাক হোসেন,মোমিনুল হক, জাকির হোসেন,আশরাফ উদ্দিন বকুল সহকারে একঝাঁক দেশবরেণ্য ইঞ্জিনিয়াররা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী,ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আব্দুল আউয়াল মিন্টু,লায়ন হারুনর রশীদ,এম নাসের রহমান,এরশাদ উল্লাহ সহকারে একঝাঁক দেশবরেণ্য ব্যবসায়ীরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আফরোজা খানম রিতা,শামা ওবায়েদ, নায়াব ইউসুফ,ফারজানা শারমিন পুতুল,ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো সহকারে একঝাঁক নারী জাগরণের অগ্রদূতেরা।।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,নিতাই রায় চৌধুরী,দিপেন দেওয়ান,সাচিং প্রু সহকারে একঝাঁক ভিন্ন ধর্মালম্বীরা।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আমিনুল হক,আলী আসগর লবী,মোশাররফ হোসেন সহকারে ক্রীড়াঙ্গনের একঝাঁক তারকাবহুল নাম।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মোকাররম হোসেন রুবেল,শামীম তালুকদার,জিকে গউস,সাইফুল্লাহ সুজন,আজহারুল ইসলাম মান্নান,গফুর ভুঁইয়া,আবুল হোসেন,আবু সাঈদ চাঁদ সহকারে তৃনমুল থেকে উঠে আসা একঝাঁক জনপ্রিয় নেতারা।

অচীরেই বিএনপি তথা ধানের শীষের সমর্থন পেতে যাচ্ছেন উবায়দুল্লাহ ফারুক,মঞ্জরুল ইসলাম আফেন্দি,জুনায়েদ আল হাবিব সহকারে একঝাঁক দেশবরেণ্য আলেমরা।

অচীরেই বিএনপি তথা ধানের শীষের সমর্থন পেতে যাচ্ছেন মাহমুদুর রহমান মান্না,আন্দালিব রহমান পার্থ,জুনায়েদ সাকী,রাশেদ খান,রেদোয়ান আহমেদ সহকারে ভিন্ন আদর্শের ভিন্ন মতের একঝাঁক দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদরা।

সদ্য নমিনেশন দেওয়া বিএনপির এই মনোনয়ন তালিকায় কোন পেশা,বর্ণ,মত,আদর্শের রাজনীতিবিদ নাই,বলুন?

উপরোক্ত উল্লেখিত কেউই হঠাৎ করে উড়ে এসে জুড়ে বসেন নাই।ঐ হাসিনা কর্তৃক অত্যাচার নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানোর পরও মৃত্যু উপত্যকায় দাঁড়িয়ে থেকেও দেশের মানুষের মুক্তির জন্য লড়াই করে গেছেন এই বীরসেনানীরা।

জনগণ যদি ভোট দেয় তাহলে অচীরেই বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী পার্লামেন্ট পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ।

ধর্ম বর্ণ ভাষা সংস্কৃতি সবকিছুর উর্দ্ধে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক আর শহীদ জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে আরো একবার সবার উর্দ্ধে রেখে বিএনপি এই মনোনয়ন দিয়েছে তারজন্য বিএনপির প্রতি মনের অন্তস্তল থেকে কৃতজ্ঞতা।

জয় হোক বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের
জয় হোক ধানের শীষের...

27/10/2025

মির্জা গালিব জোট সরকারের শাসনামলে এদেশে ছিলো এবং সেই সুসময়ে শিবিরকে সুসংগঠিত করার জন্য কাজ করেছে ঢাবিতে কিন্তু ২০০৯ সালে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন এই মির্জা গালিব ২০০৯ সালেই দেশ থেকে চলে যায়।তখনো মির্জা গালিবের বিরুদ্ধে একটা মামলাও হয় নাই।

দেশ থেকে চলে যেতেই পারে এটা অপরাধ নয় কিন্তু এই মির্জা গালিব দেশের সে-ই ১৭ বছরের দুঃসময়ে কখনো এদেশের নিপিড়ীত মানুষের পক্ষে একটা শব্দ বলে নাই এবং আওয়ামী লীগের সেই স্বৈরাচারী যুগে এই মির্জা গালিবরে দেশেবিদেশে কোথাও কেউ দেখে নাই; কোনো একটা অনলাইন টকশোতে পর্যন্ত আসার মুরোদ হয় নাই।

অথচ এই বিদেশে থেকেই দেশের জন্য বিএনপির এম এ মালেক,মুজিবুর রহমান মজুমদার,ব্যারিস্টার সায়েম,কয়ছর আহমেদ সহকারে বিএনপির একঝাঁক রাজনীতিবিদ দেশের জন্য কাজ করে গেছেন।যেখানে শেখ হাসিনা কিংবা তার সরকারের মন্ত্রীরা গেছেন সেখানেই শক্তিশালী প্রতিরোধ তৈরী করেছেন।

এই মির্জা গালিবের কয়েক ব্যাচ জুনিয়র ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিব।রাকিব তার শিক্ষাজীবনে কখনো সেকেন্ড হন নাই।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার ছাত্র ছিলেন।মুক্তাগাছার বীরসন্তান রাকিব ভাইয়ের পারিবারিক ঐতিহ্যও বিশাল।

এতো সুনিশ্চিত ভবিষ্যৎ রেখে এই মেধাবী রাকিব এদেশের নিপীড়িত মানুষের পক্ষে রাজপথে লড়াই করে গেছেন।এই লড়াই করতে গিয়ে রাকিব ভাই ১৩০+ মামলার আসামি হয়েছেন,২৫ দিন+ রিমান্ডে ছিলেন এবং ৯+ বার কারাবরণ করেন।

জুলাই আন্দোলনে রাকিব ভাইয়ের ডাকে সারা বাংলাদেশের বুকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং রাকিব ভাই নিজেই রাজপথে ছিলেন গুলি খেয়েছিলেন;জুলাই আন্দোলনেও রাকিব ভাইয়ের বিরুদ্ধে ৭টা মামলা করা হয়।

আজ আবার দেশের সুসময়ে মির্জা গালিবরা এসেছে,বিভিন্ন টকশো টেবিলে গিয়ে বুদ্ধিজীবী সাজতেছে;রাজনৈতিক বোদ্ধা হয়ে দেশের সবচেয়ে নির্যাতিত দলকে সাটিফিকেট দিচ্ছে।

মির্জা গালিব তার আদর্শের দল নিয়ে কথা বলতেই পারে কিন্তু যখন যাকাতের টাকা খাওয়া সুসময়ের পাখি মির্জা গালিবরা কোন দল কীভাবে চলবে সেটা নিয়ে জ্ঞান দেয় তখন অবশ্যই সেটাকে আমি ঘৃণার সাথে প্রত্যাখান করি

মির্জা গালিব যদি নিজেকে রাজনীতির ইনিস্টিউট মনে করে তাহলে দেশের যেকোনো একটা আসন থেকে ইলেকশন করে জনগণের ভোটে এমপি হয়ে দেখাক,সে-ই মুরোদ আছে!!

21/10/2025

২০০৮ সালে বিএনপি থেকে ৩৬ সিট নেওয়ার পরও আরো ২০ সিটে সতন্ত্র প্রার্থী দিয়েছিলো এই জামায়াত,তখনও তারা স্বপ্নে এতো কুটি কুটি ভোট দেখছিলো।

২০০১ সালে কুটি কুটি ভোট দেখছিলো এই জামায়াত।বিএনপি থেকে প্রথমে দাবি করছিলো ৫৪ সিট পরবর্তীতে ৭ বার লিয়াজো মিটিং করে বিভিন্ন আর্গুমেন্টের পর তাদের ৩০ সিট দিয়েছিলো বিএনপি।

ঐ ২০০১ সালের নির্বাচনেও বিএনপি থেকে নেওয়া ৩০ সিটের মধ্যে ১৭ সিট জিতেছিলো এই জামায়াত।

১৯৯৬ সালেও জামায়াতের ভোটের জয়জয়কার। গোলাম আজমতো পাবনার এক নির্বাচনী সমাবেশেই বলেই দিলো,"ধানের শীষের দিন শেষ,জামায়াতের বাংলাদেশ"।

সেই ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জামায়াত প্রথম এবং শেষবারের মতো সর্বোচ্চ ৩০০ সিটে প্রার্থী দিয়েছিলো।জয়ী হয়েছে মাত্র ৩ সিট আর জামানত হারাইছে সম্ভবত ১৮৯ টা সিটেই।

১৯৯১ সালে জামায়াত ২২২ সিটে প্রার্থী দিয়েছিলো জয়ী হয়েছিলো ১৮ সিটে।

জামায়াত দাবি করে ১৯৯১ সালে তারা বিএনপিরে ক্ষমতায় আনছে,এটা একেবারে ডাহামিথ্যে কথা।

ঐ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩৫ সিটে জয়ী হয়েছে।তৎকালীন জাতীয় পার্টির নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের মাধ্যমে বিএনপির সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে।

বিএনপিকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে জাতীয় পার্টির একটাই চাওয়া ছিলো,কারাগারে থাকা সদ্য আটক হওয়া তৎকালীন স্বৈরাচার এরশাদকে মুক্তি দেওয়া।

বিএনপি তাদের এই অন্যায় আবদার মানে নাই।বিএনপির জায়গায় ঐ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অন্য কোনো দল থাকলে ঠিকই জাতীয় পার্টিকে দায়মুক্তি দিয়ে দিতো।

এখন আবার নির্বাচনের সময় আসছে তাই জামায়াতের আবার কুটি কুটি ভোট দেখা যাচ্ছে;জানি না কী হতে যাচ্ছে জামায়াতের তবে এখন কোনো মন্তব্য করবো না।

তবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি,আমি বাংলাদেশের এমন ৩০-৪০ টা আসন দেখাতে পারবো যেখানের অধিকাংশ কেন্দ্রে জামায়াতের প্রার্থীরা এজেন্টই দিতে পারবে না;একজন প্রার্থীর একটি কেন্দ্রে এজেন্ট সহ মোট ৯ জন দরকার হয় সম্ভবত।

আগামী নির্বাচনে বিএনপির প্রতিদ্বন্ধী তার নিজ দলের নেতারাই।এমন অনেক আসন রয়েছে যেখানে একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী।বিএনপির হাইকমান্ডও ধারণা করছে,প্রায়ই ৮৭টা সিটে বিদ্রোহী প্রার্থী হবে বিএনপি নেতারাই।

জামায়াতের চিন্তা বাদ দিন।বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাস বলে এদেশের প্রতিটি নির্বাচনের আগেই জামায়াতের এমন হম্বিতম্বি,বাগাড়ম্বর বক্তব্য কিংবা গলাবাজি নিয়মিত ঘটনা।

গোলাম পরোয়ারের হম্বিতম্বি দেখে আজ অনেকে অবাক হচ্ছেন কিন্তু এই গোলাম পরোয়ার হলো ঐ জামায়াতের সাবেক নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ডুপ্লিকেট।

২০০৮ সালের নির্বাচনে যাওয়ার আগেও এই আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের হম্বিতম্বি দেখে জোটের মিটিংয়ে বাংলাদেশের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলো,"আপনিতো নিজের আসনেই জিততে পারেন না, এতো লাফালাফি করেন কেনো!"

সে-ই মুজাহিদদের উত্তরসূরীদের লাফালাফি দেখে বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। আগামী নির্বাচনে বিএনপির শত্রু বিএনপিই।বিএনপি আগামী নির্বাচনে পরাজিত হলে সেটার দায় শুধু বিএনপিরই।

আমার কাছে থাকা কিছু অসমর্থিত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী আগামী নির্বাচনে কক্সবাজারের সালাউদ্দিন আহমেদ,ঢাকার মির্জা আব্বাস,নোয়াখালীর বরকত উল্লাহ বুলু,রাজশাহীর মিজানুর রহমান মিনু,নাটোরের রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু সহকারে প্রায়ই এমন ৪০-৪৫ টা আসনে জামায়াত বিশাল অংকের টাকা ইনভেস্ট করবে;এই টাকার সংখ্যা শুনলে আপনি শিউরে উঠবেন।

সুতরাং যা-ই করেন সাবধানে করতে হবে।আগামী নির্বাচনের এই পরাজয় শুধু বিএনপির নয় পুরো বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের....
Ahmed Imtiaj

বগুড়া সদর আসন -০৬ থেকে, আমাদের প্রিয় নেত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।( বিএনপি চেয়ারপার্সন)।
15/10/2025

বগুড়া সদর আসন -০৬ থেকে, আমাদের প্রিয় নেত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
( বিএনপি চেয়ারপার্সন)।

15/10/2025

ধানের শীষে কেন ভোট দিবেন তার হাজারো কারণ আছে তন্মধ্যে মাত্র ৫ টি কারণ আজকে উল্লেখ করলাম।।

1. গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান:
বিএনপি বলে থাকে তারা দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চায়। যারা মনে করেন বর্তমান শাসনব্যবস্থা একদলীয় বা দমনমূলক, তারা বিএনপিকে গণতন্ত্রের বিকল্প হিসেবে ভাবতে পারেন।

2. অবকাঠামো ও অর্থনীতিতে অতীত সাফল্য:
বিএনপির সমর্থকরা দাবি করে, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে তারা অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি খাতে উন্নয়ন সাধন করেছিল।

3. স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও বাক-স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি:
বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে তারা যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করবে।

4. দলবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান:
যদিও বিএনপির অতীতেও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে যারা দুর্নীতি ও দলীয়করণ নিয়ে হতাশ, তারা বিকল্প হিসেবে ধানের শীষকে বেছে নিতে পারেন।

5. জাতীয়তাবাদী আদর্শ:
বিএনপি বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় মূল্যবোধ, এবং আঞ্চলিক পরিচয়ের প্রতি গুরুত্ব দেয়। যারা এসব আদর্শে বিশ্বাসী, তারা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে পারেন।

তবে মনে রাখতে হবে:
কোন প্রতীকে ভোট দেবেন, তা নির্ভর করা উচিত তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণ, প্রার্থী ও দলের কর্মপন্থা, অতীত ও বর্তমান কার্যকলাপ, এবং আপনার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের উপর।
শুধু আবেগ নয়, যুক্তি দিয়ে সিদ্ধান্ত নিন। আমরা দেশকে ভারত বা পাকিস্তান বানাতে চাইনা। আমরা আমাদের জাতিসত্তা নিয়ে মাথা উচু করে বাঁচতে চাই।
সুতরাং বিএনপির পাশে থাকুন, দেশকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করুন।

Address

28, 1 Vip Road
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ধানের শীষে ভোট দিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share