19/09/2025
সম্প্রতি আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের গঠিত ৫৫ সদস্যের উচ্চ শিক্ষা সংস্কার বিষয়ক একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী থেকে ৬৮০ টি বই নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। কমিটি বইগুলোকে “উদ্বেগজনক” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কারণ এগুলোকে “শরিয়াহ ও তালেবান নীতির পরিপন্থী” বলে গণ্য করা হয়েছে। যার মধ্যে বিভিন্ন নারী লেখকদের লেখা প্রায় ১৪০টি বইও রয়েছে।
এই খবরটিকে বাংলাদেশ এর কপি-পেস্ট ও তালেবান তথা ইসলাম বিদ্বেষী মিড়িয়ায় হেড লাইন গুলো নিচের দেওয়া হল। তা পড়ে পাঠক নিশ্চয়ই বিভ্রান্ত হবেন। কারণ পুরো খবর পড়ে আপনি শিরোনাম এর সাথে একমত হতে পারবেন না। তবে কেন এমন বিভ্রান্ত করা শিরোনাম:
১. বিবিসি বাংলা: "নারীদের লেখা বই বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রম থেকে সরানোর নির্দেশ তালেবানের, যৌন হয়রানি নিয়েও পড়ানো নিষেধ।"
২. যুগান্তর: "বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের লেখা ১৪০টি বই নিষিদ্ধ করল তালেবান"
৩. দেশ রুপান্তর: "বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের লেখা বই নিষিদ্ধ করল তালেবান"
৪. ইত্তেফাক: "আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের লেখা বই নিষিদ্ধ করলো তালেবান"
এসব শিরোনাম এ।
আপনারাই বিচার করুন এবং এদেশের নিউজ আপনি যাচাই না করে কিভাবে পড়বেন বা বিশ্বাস করবেন।
প্রকৃত ঘটনার নিউজ এর অনুবাদ নিচে দেওয়া হল:
আফগানিস্তানে তালেবান সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের তাক থেকে নারী লেখকদের লেখা বইগুলো সরিয়ে ফেলেছে, যার ফলে নতুন শিক্ষা নীতির অধীনে এগুলো আর পাঠদান ব্যবস্থার অংশ থাকবে না।
নারী লেখকদের লেখা প্রায় ১৪০টি বই—যার মধ্যে “সেফটি ইন দ্য কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি” নামক বইও রয়েছে—৬৮০টি অন্য গ্রন্থের সঙ্গে “উদ্বেগজনক” হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, কারণ এগুলোকে “শরিয়াহ ও তালেবান নীতির পরিপন্থী” ধরা হয়েছে।
এছাড়া সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম থেকে আরও ১৮টি বিষয় স্থগিত করেছে, যেগুলোকে “শরিয়াহর নীতিমালা ও সরকারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
নিউজের লিংক কমেন্টে বক্সে দেওয়া আছে।