পুরোকীর্তি-ঐতিহ্য history

পুরোকীর্তি-ঐতিহ্য history একজন সংবাদ নির্মাতা। কাব্যপ্রেমি। ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। news producer. poetry lover. love to travel.

12/06/2025

তিয়েনআনমেন চত্বর চীনের সর্ববৃহৎ চত্বর
হামিদ সরকার, চীন ঘুরে এসে

তিয়েনআনমেন চত্বর চীনের সর্ববৃহৎ চত্বর। এটি বেইজিং শহরের মধ্যস্থলে অবস্থিত। নিষিদ্ধ নগরী থেকে এটিকে পৃথক করে তিয়েনআনমেন গেট (স্বর্গীয় শান্তির তোরণ) যা চত্বরের উত্তর পার্শ্বে অবস্থিত। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম চত্বর (৪৪০,০০০ বর্গ মিটার- ৮৮০ মিটার x ৫০০ মিটার অথবা ১০৯ একর - ৯৬০ x ৫৫০ ইয়াড)। এই চত্বরটি চীনের ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পীঠস্থান। কিং রাজবংশের সময় তিয়ানানমেন স্কয়ার , চীনের গেট সহ ঝেংইয়াংমেন গেট (কিয়ানমেন গেট) থেকে দেখা যেত, পরে ১৯৫৪ সালে বর্তমান মাও সেতুং সমাধির জন্য জায়গা তৈরি করার জন্য এটি সরিয়ে ফেলা হয় । "হাজার ধাপের করিডোর" দৃশ্যমান (চীনের গেটের পিছনে) এবং তিয়ানানমেন গেটটি দূরে অবস্থিত।

বহির্বিশ্বে এই চত্বরটি ১৯৮৯ সালের মুক্তবাজার অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের দাবীতে তিয়েনআনমেন চত্বর প্রতিরোধ আন্দোলনের জন্যই অধিক পরিচিত, যা ৪ঠা জুন ১৯৮৯ সালে বেইজিং-এ সামরিক আইন জারীর মাধ্যমে ও শতাধিক বা মতান্তরে সহস্রাধিক প্রাণহানির মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে। এই
স্কয়ারে রয়েছে গণবীরদের স্মৃতিস্তম্ভ , জনগণের গ্রেট হল , চীনের জাতীয় জাদুঘর এবং মাও সেতুংয়ের সমাধি । মাও সেতুং ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর এই স্কয়ারে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করেছিলেন। এই ঘটনার বার্ষিকী এখনও সেখানে পালন করা হয়। তিয়ানানমেন স্কয়ারের আয়তন ৭৬৫ x ২৮২ মিটার (২১৫,৭৩০ মি ২ বা ৫৩.৩১ একর)। চীনের ইতিহাসে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার স্থান হওয়ায় এর সাংস্কৃতিক তাৎপর্য অনেক । # #

লাখো পর্যটকের উপস্থিতি প্রতিদিন চীনের প্রাচীর থাকে মুখোরিতহামিদ সরকারচীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে ...
11/06/2025

লাখো পর্যটকের উপস্থিতি প্রতিদিন
চীনের প্রাচীর থাকে মুখোরিত

হামিদ সরকার

চীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য। চীনারা এটাকে বলে বাদালিং গ্রেট ওয়াল। প্রতিদিন কয়েক লাখ পর্যটকের স্বরব উপস্থিতিতে মুখরিত থাকে। তবে এদের বেশির ভাগই স্থানীয় বিভিন্ন প্রদেশের মানুষ। বিদেশী খুবই কম দে্খা গেছে। আকাশ ছোঁয়া পাহাড়ের অপূর্ব সৌন্দর্য মানুষকে মোহিত করে। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকাতেও এর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি বিশ্বের নতুন সাতটি আশ্চর্যের একটি, চীনের এই প্রাচীরের প্রধান আকর্ষণ এর কৌশলগত আকার। এই প্রাচীর নির্মাণের সময় প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ মারা গিয়েছিল। বিশাল এই স্থাপত্য থেকে চীনের দৈনিক আয় ১০ কোটি টাকার বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা বলেন। টিকেটের তথ্য বলছে এটি উপরে এবং নীচে, উল্লম্ব এবং অনুভূমিকভাবে মিলে এক লক্ষ মাইল।

চীনের প্রাচীরে সরেজমিনে দেখে ও স্থানীয়দের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যের একটি, রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সাংস্কৃতিক নিদর্শন এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রাকৃতিক দৃশ্য। দীর্ঘ প্রাচীরের মধ্যে রয়েছে বিকন টাওয়ার, সিঁড়ি এবং অনেকগুলি সেতু। চীনের মহাপ্রাচীরের সব অংশের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২১ হাজার ১৯৬কিলোমিটার। যার মধ্যে পুনর্নির্মিত ওভারল্যাপিং বিভাগগুলিও রয়েছে। মিং রাজবংশের সময় নির্মিত প্রাচীর। সবচেয়ে ভালভাবে সংরক্ষিত অংশ ছিল প্রায় আট হাজার ৮৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি শুরু হয়েছে সাংহাই পাস এবং শেষ হয়েছে লোপনুর নামক স্থানে। এর মূল অংশের নির্মাণ শুরু হয়েছিল প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ২০৮ সালের দিকে। বলা হয় যে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই প্রাচীরটি এতটাই চওড়া যে, তা উপর দিয়ে ঘোড়সওয়ার বা সেনাবাহিনী টহল দিতে পারে। এই প্রাচীর পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম। বেইজিং এর ইয়ানকিং জেলায় অবস্থিত। কিন সাম্রাজ্যের সময় এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন চৈনিক বা চাইনিজরা । চীনের প্রথম সম্রাট কিন সি হুয়াং এটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন। শত্রুর হাত থেকে নিজের সম্রাজ্যকে রক্ষার জন্য দীর্ঘ করে নির্মাণ করেছিলেন। এটি চীনের প্রকৃতিক বাঁধাগুলো ছাড়া অন্যান্য অঞ্চল পাহারা দেয়ার কাজে এবং উত্তর চীনের উপজাতি সুইং নু বিরুদ্ধে এটি প্রথম স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই প্রাচীর নির্মিণ করা হযেছিল। এই প্রাচীর ভেঙে দেশে প্রবেশ করা অসম্ভব। অনেক শত্রু সেনাই এই প্রাচীর ভেঙে চিনকে আক্রমণ করেছিল। এক হাজার ২১১ প্রাচীর ভেঙে চিন আক্রমণ করেন স্বয়ং চেঙ্গিস খান।

এটি পরিদর্শনে খরচ
ক্যাবল কার বা ঝুলন্ত গাড়ির মাধ্যমে উঠতে হলে চীনের মুদ্রা ইয়ানে ১৪০, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ২ হাজার ৪৩৬ টাকায় টিকেট কাটতে হবে। দীর্ঘ লাইন ধরে ক্যাবল কার সেন্টার উঠতে হবে। তারপর বিদেশী পর্যটকদেরকে আরো ৪০ ইয়ান বা বাংলাদেশীদের জন্য ৬৯৬ টাকায় আরো একটা টিকেট নিতে হবে ওই প্রাচীর দেখবার জন্য। মধ্য মার্চ থেকে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত সকাল ৭টা থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। আর মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত সকাল আটটা থেকে স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য খোলা থাকে।

মানুষের চাপ ও উঠবার ক্ষেত্রে উধ্বমুখী সিঁড়ির কারণে পাশের রেলিং ধরে খুব সাবধানে উঠতে হয়।
আরোহণের জন্য শারীরিক শক্তি প্রয়োজন এবং খাড়া ঢালে ধীরে ধীরে হাঁটতে হবে। বৃষ্টি বা তুষারে রাস্তা পিচ্ছিল হয়।
সে ক্ষেত্রে অনেক সাবধানতা মাথায় রাখতে হবে। তবে ক্যাবল কার ছাড়াও পায়ে হেঁটে যাওয়া যায়, যা খুবই কষ্টকর হয় পরে হেঁটে নামার ক্ষেত্রে। কারণ সিঁড়িগুলোর ধাপ অনেক উঁচু। সেক্ষেত্রে টানা উঠতে গেলে হাঁটুতে চাপ পড়ে। তাই পর্যটকরা কিছুটা উঠে আবার বসে কিছুটা কান্তি দুর করে আবার চলা শুরু করে। অনেককেই দেখেছি পানি তরল খাবার ও হালকা খাবার সঙ্গে নিতে। কারন অনেকটা পথ হাঁটতে হয়। এতে পানি তৃষা পায় এবং ক্ষুধার সৃষ্টি হয়। তবে যাদের হৃদরোগের সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে এখানে তাদের ভ্রমণ না করাই উত্তম। এতে যে কোনো ধরণের দুর্ঘটনার শিকার হতে হবে।

ওয়াল সংশ্লিষ্ট চীনের প্রকাশনার তথ্য বলছে, দুই হাজার বছর ইতিহাস এটি। উপরে এবং নীচে, উল্লম্ব এবং অনুভূমিকভাবে এক লক্ষ মাইল। গ্রেট ওয়াল মানব সভ্যতার একটি মাস্টারপিস এবং চীনা জাতির প্রতীক। চীনের মহাপ্রাচীর, যার ইতিহাস দুই হাজার বছরেরও বেশি। মানব সভ্যতার একটি মাস্টারপিস এবং চীনা জাতির প্রতীক।

চীনেরই স্থানীয় পর্যটক টানগেলো এবং হং লি এসেছিলেন প্রথমবারের মত প্রাচীর দেখতে। চূড়ায় তাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, অনেক সুন্দর একটা প্রাচীর। প্রথমবারের মতো দেখতে এলাম। অনেক ভাল লাগছে। উঠাটা অনেক কষ্টকর। ঝুঁকিপূর্ণও বটে।

চীনের চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অফ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্স এর স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ইকোনমিক্স এর একজন ডক্টরাল প্রার্থী বাংলাদেশী নাগরিক মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম জানান, একটি দেখার মত ঐতিহ্য। কয়েকবার এই প্রাচীর পরিদর্শন করেছেন। কোনো কিছু নির্মাণে মজবুতের কথা উঠলে এখানে বলে গ্রেট ওয়ালের মতো শক্তিশালী হতে হবে। মঙ্গোলিয়ান সেনাবাহিনীর আক্রমন থেকে চীনকে রক্ষার জন্যই এই প্রাচীর করা হয়।তিনি বলেন, চীনে এসে এই প্রাচীরের চূড়ান্ত উঠতে না পারলে তার চীনে আসাটাই পৃথা ধরা হয়। # # #

৫০২ বছরের পুরোনো বাঘা মসজিদহামিদ সরকার(সশরীরে তথ্য সংগ্রহ করে)বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ...
10/06/2025

৫০২ বছরের পুরোনো বাঘা মসজিদ

হামিদ সরকার
(সশরীরে তথ্য সংগ্রহ করে)

বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। সুলতান নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ ১৫২৩ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।
মসজিদটি ১৫২৩ থেকে ১৫২৪ সালে (৯৩০ হিজরি) হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নুসরাত শাহ নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয় এবং মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে গেলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদে নতুন করে ছাদ দেয়া হয় ১৮৯৭ সালে।

আকার-আয়তন:

প্রাপ্ত তথ্য বলছে, মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে। উত্তর পাশের ফটকের ওপরের স্তম্ভ ও কারুকাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। মসজিদটিতে ১০টি গম্বুজ আছে । আর ভেতরে রয়েছে ৬টি স্তম্ভ। মসজিদটিতে ৪টি মেহরাব রয়েছে যা অত্যন্ত কারুকার্য খচিত। দৈর্ঘ্য ৭৫ ফুট প্রস্থ ৪২ ফুট, উচ্চতা ২৪ ফুট ৬ ইঞ্চি। দেয়াল চওড়া ৮ ফুট গম্বুজের ব্যাস ৪২ ফুট, উচ্চতা ১২ ফুট। চৌচালা গম্বুজের ব্যাস ২০ ফুট উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। মাঝখানের দরজার ওপর ফার্সি ভাষায় লেখা একটি শিলালিপি রয়েছে। মসজিদটির গাঁথুনি চুন-সুরকি দিয়ে। ভেতরে এবং বাইরের দেয়ালে মেহরাব ও স্তম্ভ রয়েছে। বাঘা মসজিদের দৈর্ঘ্য ২২.৯২ মিটার, প্রস্থ ১২.১৮ মিটার এবং উচ্চতা ২৪ ফুট ৬ ইঞ্চি। এর দেয়াল ২.২২ মিটার পুরু। মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা বর্তমান। মসজিদের পাশে অবস্থিত বিশাল দিঘীও একটি দর্শনীয় স্থান।

বিবরন:
বাঘা মসজিদটির গাঁথুনি চুন এবং সুরকি দিয়ে। মসজিদের ভেতরে এবং বাইরের দেয়ালে সুন্দর মেহরাব ও স্তম্ভ রয়েছে। এছাড়া আছে পোড়ামাটির অসংখ্য কারুকাজ যার ভেতরে রয়েছে আমগাছ, শাপলা ফুল, লতাপাতাসহ ফার্সি খোদাই শিল্পে ব্যবহৃত হাজার রকম কারুকাজ। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণের উত্তর পাশেই রয়েছে হজরত শাহদৌলা ও তার পাঁচ সঙ্গীর মাজার। বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হুসাইন শাহর পুত্র নাসিরউদ্দীন নসরত শাহ জনকল্যাণার্থে মসজিদের সামনেই একটি দিঘী খনন করেন। শাহী মসজিদ সংলগ্ন এ দিঘিটি ৫২ বিঘা জমির ওপর রয়েছে। এই দিঘির চারপাশে রয়েছে সারিবদ্ধ নারিকেল গাছ। প্রতিবছর শীতের সময় এ দিঘিতে অসংখ্য অতিথি পাখির কলতানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

বর্তমানে দিঘিটির চারটি বাঁধানো পাড় নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এ মসজিদ সংলগ্ন জহর খাকী পীরের মাজার রয়েছে। মূল মাজারের উত্তর পাশে রয়েছে তার কবর। এ ছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মাটির নিচ থেকে মহল পুকুর আবিষ্কৃত হয়। ১৯৯৭ সালে মাজারের পশ্চিম পাশে খনন কাজের ফলে ৩০ ফুট বাই ২০ ফুট আয়তনের একটি বাঁধানো মহল পুকুরের সন্ধান মেলেছে। এই পুকুরটি একটি সুড়ঙ্গপথ দিয়ে অন্দরমহলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তিন দিক থেকে বাঁধানো সিঁড়ির ভেতরে নেমে গেছে। মসজিদের ভেতরে ও বাইরে রয়েছে প্রচুর পোড়ামাটির ফলক। মসজিদের ভেতরে উত্তর-পশ্চিম কোণে একটু উঁচুতে নির্মিত একটি বিশেষ নামাজের কক্ষ আছে। এ মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের দিন থেকে ৩ দিন পর্যন্ত 'বাঘার মেলা'র আয়োজন করা হয়। এ মেলাটি ৫০০ বছরের ঐতিহ্য।

Address

Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পুরোকীর্তি-ঐতিহ্য history posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share