04/06/2026
চীন!
জাপানের পুনঃঅস্ত্রসজ্জা নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করেছে। কিন্তু আসল সতর্কবার্তাটি ওয়াশিংটনের দিকেই লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছে। 😳
জাপান ৮০ বছর ধরে কোনো যুদ্ধ করেনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এটি একটি-ও দেশকে আক্রমণ করেনি বা একটি-ও রণাঙ্গনে সৈন্য পাঠায়নি।
আমেরিকা তাদের ওপর এটা চাপিয়ে দিয়েছিল।
১৯৪৫ সালে জাপানকে পরাজিত করার পর,
ওয়াশিংটন ব্যক্তিগতভাবে
জাপানের সংবিধান রচনা করেন
এবং তাতে একটি বাক্য যোগ করেন:
“জাপান আর কখনো যুদ্ধ করবে না।
বা
বিশাল সেনাবাহিনী রাখবে না।”
জাপান ৮০ বছর ধরে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে।
এখন আমেরিকা নিজ হাতে সেই জামাটি খুলে নিচ্ছে।
জাপান তার প্রতিরক্ষা বাজেট দ্বিগুণ করছে।
তার দক্ষিণের দ্বীপগুলোকে
ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ঘিরে ফেলছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সবচেয়ে
দ্রুতগতিতে পুনঃঅস্ত্রসজ্জা করছে।
এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর বেশিরভাগই আমেরিকান-নির্মিত।
যে দেশটি জাপানকে নিরস্ত্র করেছিল,
সেই দেশই এখন তাকে পুনরায় অস্ত্রসজ্জিত করছে।
কেন...?
একটি শব্দ।
চীন!!
আমেরিকা চীনের সাথে সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি নিতে পারে না —দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ উভয়কেই ধ্বংস করে দেবে।
তাই এটি চীনের ঠিক পাশেই অবস্থিত সবচেয়ে শক্তিশালী, সবচেয়ে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশটিকে গড়ে তুলছে।
চীন যখন বলে “জাপানের দিকে নজর রাখো” —
তখন হয়তো এটি জাপানকে নিয়ে কথা বলে না।
এটি জাপানের পেছনের যারজ হাতটিকে নিয়ে কথা বলে।
ইতিহাসের একটি নিয়ম আছে যা কখনো বদলায় না:
যখন দুটি পরাশক্তি মুখোমুখি হয়,
তারা খুব কমই নিজেদের মধ্যে এর নিষ্পত্তি করে।
কোরিয়া এটা শিখেছে।
ভিয়েতনাম এটা শিখেছে।
ভবিষ্যতে হংকং ও
জাপান আবার-ও এটা শিখতে চলেছে।
তবে এবার মাঝখানে আটকে পড়া দেশটি ছোট নয়।
এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি।
এবং এমনকি সেটা-ও হয়তো এর
নিজের ভাগ্য লেখার জন্য যথেষ্ট হবে না। →!!
অনুসরণ করুন 👆
Emran Hossain Rony - EHR