13/03/2026
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানতেন এই যুদ্ধে আয়াতুল্লাহ খোমেনি যুক্তরাষ্ট্রের মেইন টার্গেট। তাদের উদ্দেশ্য ইরানের রিজিম চেঞ্জ করা। তাই তিনি যুদ্ধের কিছুদিন পূর্বে ফোন কলে আয়াতুল্লাহ খোমেনিকে রিকোয়েস্ট করেছিলেন রাশিয়ার চলে আসতে। সেখানে তাকে সর্বোচ্চ নিরাপদ জায়গায় রাখার পাশাপাশি ইরানের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবেন। কিন্তু ভ্লাদিমির পুতিনের এমন প্রস্তাব তিনি ফিরিয়ে দেন।
তিনি পুতিনকে জানিয়েছিলেন, তিনি যদি রাশিয়ায় নিরাপত্তার ভয়ে চলে যান। তাহলে ইরানের মানুষকে কে নিরাপত্তা দিবে। তিনি ইরানের জনগণের আমৃত্যু পাশে থেকে, ইরানের মাটিতে মরার অভিপ্রায় ব্যাক্ত করেন। পুতিনের সাথে এই ফোনালাপের বেশিদিন যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রথম স্ট্রাইকে শাহাদাৎ বরণ করেন বরেণ্য এই নেতা।
আয়াতুল্লাহ খোমেনি চাইলেই নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে পারতেন। তার রাশিয়া, চীনের মতো প্রভাবশালী বন্ধু রাষ্ট্র ছিল। কিন্তু আয়াতুল্লাহ খোমেনি ইরানের এমন ক্রান্তিলগ্নে দেশের মানুষকে ছেড়ে চলে যাননি। তার অসীম দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ পুরো ইরান জাতিকে আরো বেশি ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করে তুলেছে।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।